দূর্নীতি
আগে সরকারকে দূর্নীতিমুক্ত হতে হবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আগে সরকারকে দূর্নীতিমুক্ত হতে হবে।
কক্সবাজার থেকে ঢাকা বাংলাদেশ রেলওয়ে ট্রেনের টিকেট এর কোন সিট নেউ।। ষ্টেশন মাস্টার এর কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে টিকেট নিতে হয়।। তার পিয়ন এসে বকশিস চায়।। এবং দিতে হয়।। অনলাইন করে কি সুবিধা হল?? বিড়ম্বনা আর বিড়ম্বনা।। এক্সট্রা বগি দিলে সিট প্রতি ভাড়া ১০০০ টাকা বেশী দিতে হয়।। কেন সরকারকে টাকা বেশি দিতে হবে তার সুনির্দিষ্ট কোন কারন নেই।। কে জবাব দিহি করবে??
নতুন বিদ্যুৎ এর মিটার সংযোগ আগে করতে এস্টিমেট খরচ ছিলো ৪০০০ এখনো তাই আছে কিন্তু যদি মিটারের সংযোগটি বিল্ডিং এর হয় তাহলে মিটার প্রতি ১৫ থেকে ২০ হাজার দিতে হবে না হলে ফাইল পাস দিবে না। এমতা অবস্থায় আমাকে ঘোরানো হচ্ছে এবং ফইলটি ঝুলিয়ে রেখেছে।এটা টাংগাইল সদরের এসএনডি ১ এর চিত্র।
আমার উপর বিদেশ সংক্রান্ত একটি মিথ্যা মামলা হয়েছিলো, তদন্তকারী সংস্থা সিলেট পিবিআই অফিস , আমার কাছে যথেষ্ট পরিমান সাক্ষী প্রমান থাকা সত্যে ও আমার কাছে ত্রিশ হাজার টাকা চাওয়া হলে আমি তা পরিশোধ করি
আমার মোটরসাইকেল একটা দূর্ঘটনাজনিত কারনে খিলগাঁও থানা পুলিশের কাছে জব্দ হিসেবে ছিল। আদালতের রায়ের মাধ্যমে আমি মোটরসাইকেলটি জিম্মায় পাওয়ার অনুমতি পত্র হাতে পাই। সেই আদেশ পালনের জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খিলগাঁও থানা বরাবর আদেলতের আদেশ জারী হয়। মোটরসাইকেলটি জব্দকারী - এস. আই ”এক্স” এর কাছে কোর্টের কাগজ নিয়ে সরাসরি গেলেও তিনি 2000 টাকা দাবী করেন। আমি তা দিতে ব্যর্থ হই। এবং পরবর্তীতে আমি তার সাথে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করে বিভিন্ন ভাবে অনুরোধ করে আমার সক্ষমতা অনুযায়ী ৮০০০ টাকা দিতে রাজী হই। কিন্তু আমাকে এখোনো নানান অজুহাত দেখিয়ে যাচ্ছে। আমি তার আচরনে বিরক্ত হয়ে তার সকল কথা-বার্তা ও কর্মকান্ডের সকল রেকর্ড রেখে দিয়েছি।
একটা জন্ম নিবন্ধন বয়স পাসপোর্ট এ-র সাথে মিল করন
প্রবাসে থাকা কালীন বাংলাদেশী পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য। বাড়ি থানা থেকে ২০০ গজ দুরে তারা খুঁজে পাইনি বলে।
মোবাইল সেট ঘুষ হিসেবে চেয়েছিল। বিনিময়ে কাজ দ্রুত করে দেবে, না হলে ফাইল আটকে রাখবে in the Year of 2015
আমি বিদেশ আসার জন্য মেডিকেল করতে যাই। মেডিকেল করার সব খরচ দিয়ে চলে আসি৷ এবং সব সিম্পল তারা রাখে। এবং ৮/১০ দিন পর আমাকে এজেন্সি থেকে আমাকে ফোন দিয়ে বলে ভাই ১০ হাজার টাকা দিতে হবে আরও না হলে আপনার মেডিক্যাল রিপোর্ট আনফিট আসবে৷ আমি অনেক জোরাজোরি করে বলি ভাই আমার সমস্যা তাকলে আনফিট আসলে তো আর কিচুই করার নাই৷ তখন তারা বলে ভাই এটা দিতে হয় না হলে যাইকিচু করেন আনফিট হবেন। পরে আর বিদেশ যেতে পারবেন না৷ আরও বেশি খরচ হবে আনফিট হলে৷ আমি ভয়ে এবং উপায় না পেয়ে ১০ হাজার টাকা দিয়ে দিই৷ এবং ওই মেডিক্যালে ফোন দিয়ে বলি আমার কাছ থেকে এজেন্সি ১০ হাজার টাকা নিয়েচে কারন আপনারা তার কাচে চাইচেন তাই৷ তারা এটা শুনে বলে না আমরা চাইনি৷ কিচুকন পর এই আমার দালাল আমাকে ফোন দিয়ে বলে ভাই আপনি কেন মেডিকেলে অভিযোগ দিলেন।
ভোগান্তির আরেক নাম বৈদ্যুতিক প্রিপেইড মিটার। যা নিয়ে DPDC অফিসে চলছে রমরমা বানিজ্য। আমার আগের প্রিপেইড মিটার এর ব্যাটারি শেষ হয়ে গিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এই মিটারের কোন সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট DPDC অফিসে জানানোর নিয়ম। নিয়ম অনুযায়ী তাদের জানানোর পর তারা তাদের বিভৎস রুপ দেখাতে শুরু করে। ব্যাটারি না লাগিয়ে মিটার পরিবর্তন করে নতুন মিটার নিতে বাধ্য করে। কারণ এই নতুন মিটার কোম্পানি তাদের কমিশন দিচ্ছে। এরপর প্রতিটা টেবিলে ঘুষ বানিজ্য.... আবেদন, অনুমোদন, মিটার ক্রয়, মিটার লাগাতে আসা সার্ভিসম্যান.... সবার দাবি ১০০০/ ১৫০০।এর সাথে তো মিটারের দাম আছেই। ডিপিডিসির কুত্তাগুলা এই মিটারের ডিলারশিপ নিয়ে সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। তাদের কাছ থেকে ই চড়া দামে মিটার কিনতে হয়। আগের মিটার গুলোতে থাকা টাকা মেরে দে
আমি বিদেশ আসব তাই পুলিশ ভেরিফাই সাটিফিকেট এর জন্য কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর থানায় আমার সব ডকুমেন্টস নিয়া যাই কিন্ত পুলিশ আমার ডকুমেন্টস জমা নিতে চায় না৷ পরে বাধ্য হয়ে টাকা দিচি আর ৭ দিন পর সাটিফিকেট পাইচি৷ পুলিশ আমাকে বলে বেড়া ২৫০০ শ নিচে আমরা এই কাজ করি না৷
তিনি ঘুষের অভয়ারণ্যে তৈরি করেছেন সরকারি টাকা আত্মসাৎ ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতি ফায়ারের লাইসেন্স বা সনদ প্রতি ২০০০০ হাজার টাকা বেশি নিয়ে থাকেন তিনি এগুলো তার নিচের কর্মচারী গনের মাধ্যমে ঘুষ গুলো নিয়ে থাকেন। তিনি বিভাগীয় রেশন উত্তোলনের বিভিন্ন কায়দায় ঘুষ বানিজ্য করে থাকেন। যেমন পচা ডাল বিতাড়ন করেন কর্মচারী সরকারি খাওয়া বিলগুলো সব আত্মসাৎ করে খান। এবং তার পরিচালনা দায়িত্ব হলো দিনাজপুর, ঠাকুরগাও ও পঞ্চগড় জেলা সুমহের ওয়্যার হাউজ ইন্সপেক্টর দের কে দিয়ে ব্যবসায়ীদেকে ভয়ভীতি তৈরি করে ঘুষ বানিজ্য অভয়ারণ্যে তৈরি করেছেন। দেখার কেউ নাই অভিযোগ করলে অফিসার মহলরা অফিসার এসোসিয়েশন এর মাধ্যমে মামলা খেয়ে ফেলে আর অভিযোগ কারী গন বারবার তাকে দোষী প্রমানিত করে থাকেন।এটা তার নিয়মিত পেশায় পরিনত হয়ে ছে। কর্মচারী
রংপুর বিভাগের আট জেলার ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যার হাউজ ইন্সপেক্টর গন ব্যবসায়ীদের কে ভয়ভীতি দেখিয়ে ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন ও নতুন সনদ প্রতি দশ বিশ হাজার টাকা ঘুষ ছাড়া কাজ করেন না তাদের কে ফোন টেস্ট করলেই প্রমানিত করা সম্ভব। তার উর্ধে আরো অনেক বেশি প্রতিষ্ঠানের পরীধি অনুযায়ী ঘুষ নিয়ে থাকেন । যা তদন্ত সাপেক্ষে প্রমানিত করা সম্ভব।
আমার বাড়িটি ছয় তলা এখনে সরকার পানির লাইন লাগিয়েছে হাফ ইঞ্চি ২১ টা ইউনিট।পরবর্তীতে চাহিদা অনুযায়ী পানি না পাওয়ায় লাইন চেঞ্জ করে দের ইঞ্চির জন্য আবেদন করি।সেখানে ক্যাশিয়ার — এবং বিল করা লাইন ম্যান বা ইন্সপেক্টর — মিলে ৭০০০০ হাজার ঘুশের বিনিময়ে লাইন পেলাম এক মাস পরে। এই — প্রতিটি বাড়ি থেকে মাসে চাদা নেয় পানির বিল কম করার কথা বলে আমিও মাসিক চাদা দেই তিন হাজার করে।না দিলে বিল আসে পনের বিশ হাজার আর দিলে বিল আসে পচিশত তিন হাজার। যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুলের পিছনে ঢাকা ওয়াসার অফিসে এখনো দুইজন চাকরি করতেছে এবং ঘুশ বানিজ্য চালাচ্ছে।
Household electricity meter is not connected. Don’t know when they can.
Police clearance er jonno 4000 tk dabi kore. Tarpor ei 4000 tk diye police clearance nite hoi.
আমি আমার মেয়ের জন্ম নিবন্ধন করতে যাই।আমার ইউনিয়ন পরিষদে ।২০২৪ সালে।তখন পরিষদে — নামের একজন সচিব ছিল। সে আমার কাছে দাবি করে ২৫০ টাকা ।কিন্তু আমি দিতে অসিকার করলে আমার মেয়ের জন্ম নিবন্ধন করে দে নাই।পরে সরকার পতন হলে আমি ২০২৫ সালে আমার বিদেশ থেকে চাই জন্ম নিবন্ধন বানিয়ে নি। বাংলাদেশ এর প্রতিটি ইউনিয়ন এর একিই চিত্র। বাংলাদেশের সব সরকারি কাজ করতে গেলে ঘুষ লাগে। আরও অনেক অভিজ্ঞতা আছে।আজকে একটাই বল্লাম।
আমরা নেপাল যাচ্ছিলাম ক্রোয়েশিয়ার এম্বাসি ফেস করতে,,পুলিশ আমাদের কে অযথা অফলোড সিল দিয়ে দিচ্ছিল সকল ডকুমেন্টস ঠিক থাকার পরেও।পরে দালালের মাধ্যমে পুলিশ দের টাকা দিয়ে আমার নেপাল যেতে হয়েছিল।
থানায় বিচারের নামে হয়রানি, হয়ে গেছি দেখিয়ে নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ থানায় সব সময় মানুষকে হয়রানি করে এটা এখানে ওপেন সিক্রেট সবাই জানে
মামলার কাগজ পত্র জমা দিতে গেলে চা খাওয়ার টাকা, ডেট জানতে গেলেও টাকা। বলতে ওদের সাথে কথা বলতে গেলেও টাকা চায়। যেদিন মামলা জন্য যাইতে হয়। সেদিনে দিতে হয়। সবার কাছে থেকে নেয় ওপেন। ওরা অলিখিত নিয়ম করে রাখছে।