কারখানা লাইসেন্স
যে টাকা ফী তাঁর চেয়ে ৫ গুন বেশি দাবি। না দিলে লাইসেন্স লেট হবে। প্রবলেম হবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
যে টাকা ফী তাঁর চেয়ে ৫ গুন বেশি দাবি। না দিলে লাইসেন্স লেট হবে। প্রবলেম হবে।
জন্ম নিবন্ধন এ বয়স সংশোধন পাসপোর্ট এর মত করে এতে সংশোধনে ১৫ হাজার টাকা চায়।যাহা সরকারি ফি ৫০ টাক।
রেল একটি জনসেবা মূলক প্রতিষ্ঠান। নিয়মানুযায়ী গন্তব্যস্থান এর টিকিট নিয়ে যাএা করবে। কিন্ত অধিকাংশ জনগন টিকিট না কেটে, ট্রেনের টিটি, পুলিশ, বগির সহোযোগির সহোযোগিতা নিয়ে চলাচল করে। কিছু টাকা দিলেই যাএা নিশ্চিত। ট্রেনের ষ্টাফ যেন চাকুরী নেয়, ঘুষ খাওয়ার জন্য। দেখার কেউ নাই। যারা যাএী সেবা দিবে, তারাই অসুবিধার কারন। এতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও মালামালের ঝুকি বাড়ে। যারা টিকেট কাটে না, তারা নিশ্চয় ভালো মানুষ নয়। দিন দিন ট্রেন ব্যাবসা লসে পড়ে ভাড়া বাড়ায়, এতে সাধারণ মানুষের কষ্ট বাড়ে। অন্যায় কারীরা সুবিধা নিতেই থাকছে। আমরা মানুষ হিসাবে লজ্জিত, টাকা আমাদের কিনতে পারে। এটা কোন সৃষ্টির সুন্দর্য নয়।
“শিরোনাম: বিস্ফোরক পরিদপ্তরে লাইসেন্স প্রক্রিয়ার বিনিময়ে ঘুষ দাবির অভিযোগ। অভিযোগ: বিস্ফোরক পরিদপ্তর, ঢাকায় লাইসেন্সের জন্য আবেদনকালে উপ-প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক — লাইসেন্স করিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে২০ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। অভিযোগকারী এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং কোনো অর্থ প্রদান করেননি। অনুরোধ: নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিরাপত্তার স্বার্থে অভিযোগকারীর পরিচয় গোপন রাখার অনুরোধ।”
Registrar of Joint Stock Companies and Firms (RJSC) is updating record of various returns of the Company without violating Companies Laws and bypassing jurisdiction of the Company Court of the High Court of the Supreme Court of Bangladesh. There is a writ petition pending in the High Court to solve this problem but in vain.
নিয়োগটি ৩ সপ্তাহ আগে মেধাক্রম যাচাই বাছায় শেষ হয়েছে। এখন শুধু জয়েনিং বাকি। পরিক্ষায় অংশ গ্রহন না করে ভাইবাই ডাক পেয়েছিল এবং সেখানেও পাস করে মেধাক্রেম নাম আসছে। এখন জয়েনিং ডেট দিলেই জয়েন করতে পারবে। পদ স্টেশন মাস্টার।
প্রতিষ্ঠানে এসে বলে, ভাই ঈদের পাঞ্জাবি কেনার টাকা পাঠিয়ে দিয়েন, দুইদিন দেরি হলে আবার ফোনও দেয়, কই ভাই দেখা করলেন না তো! এভাবেই চালিয়ে যাওয়া লাগছে ক্ষুদ্র ব্যাবসা, যার পুঁজি পর্যন্ত পুলিশ চান্দাই খেয়ে নিচ্ছে!
রাজধানী উন্নয়ন কতৃপক্ষ - জোন ০১(উত্তরা) এর অফিসের আওতাধীন ১৫ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত দিয়াবাড়ী এলাকায় আমার ভবনের নির্মাণাধীন কাজ সরকারি নিয়ন মেনে সমাপ্ত করার শেষ পর্যায়ে এসে গতবছর ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে রাজধানী উন্নয়ন কতৃপক্ষ - রাজউক কতৃক মোবাইল কোর্ট এসে আমাদের ভবনের বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে মেইন মিটার কেটে নিয়ে যায় এবং অপরাধ দেখায় রাজউকের নকশা দেখাতে না পারা কিন্তু আমরা তাৎক্ষনিক রাজউকের পাস করা নকশার কপি দেই এবং বলি যে নকশার মূলকপি অফিসে আছে, সেটা দেখাতে পারবো বা জমা দিতে পারবো কিন্তু তারপরেও নগদ ৩ লাখ টাকা জরিমানা করে এবং আমরা তাৎক্ষনিক পরিশোধ করি, কিন্তু তারপরও রাজউকের অসাধু কর্মকর্তা জোন-১ এর ইন্সপেক্টর — ৫ লাখ টাকা গত মার্চ ২০২৬ এ নিয়েছে কিন্তু এখন পর্যন্ত সমাধান করেনি।
আমি একজন গ্রামের দোকানদার৷ মুদি মালের সাথে সিলিন্ডার গ্যাস ও খুচরা ডিজেল বিক্রি করার জন্য ২০২৪ সালে যখন ফায়ার সার্ভিস অফিসে একটা ফায়ার লাইসেন্স করতে যাই। তখন প্রথমে উপজেলা ফায়ার সার্ভিস অফিসে গেলে সেখানে ৫০০০ টাকা দাবি করে বোয়ালমারি উপজেলার ফায়ার সার্ভিস অফিস। অনাদায়ে দোকানে রেড দেয়ার হমকি দেয়। এরপর এখানে টাকা দিলে ফরিদপুর অফিসে আবার ৫০০০ টাকা পরিশোধ করা লাগে ফায়ার সার্ভিস হাতে পেতে৷ ২০২৫ এ যখন বাৎসরিক কর দিতে গেলে। প্রথমে সোনালি ব্যাংকে টাকা দিতে হয়। আমি টাকা জমা দিয়ে রিসিট এসে ফায়ার লাইসেন্স বই তে অফিসার এর সাক্ষর করাতে গেলে ১৫০০ টাকা দাবি করে না দিলে কর পরিশোধ বইতে সাক্ষর করেন না। পরে বাধ্য হয়ে এই টাকা দেয়ার পর সাক্ষর করেন। এখন শুনতেছি ফায়ার লাইসেন্স অনলাইন হচ্ছে। অনলাইনে হলে বাচি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও দায়রা জজ আদালত ছয় (6) এর বিচারক আসামী পক্ষ থেকে প্রভাবিত হয় ২ লক্ষ টাকা প্রায় ঘুষ গ্রহণ করেন এবং চেক ডিজাইনার মামলা হতে অব্যহতি দেন কোন প্রকার সাক্ষী শুনানি ছাড়াই বাদীপক্ষের এতে বুঝা যায় যে কোর্টে পর্যন্ত আর্থিক লেনদেন হয়... এবং আপনারা দেখবেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভাইরাল নিউজ জর্জ কোট হামলা এবং ভাঙচুর... মানুষ বা জনগণ আইনের প্রতি যখন শ্রদ্ধাশীল থাকে না তখন এ সকল প্রতিষ্ঠানে হামলা করে.
প্রথমে প্রত্যাখ্যান করেছি। কিন্তু আমার বিষয়টি জরুরী ছিল। নিরুপায় হয়ে দিতে বাধ্য হয়েছি। যে শ্লায় টাকা দাবি করেছিল, সেই শ্লায় পৌরসভা থেকে সরকারী কলেজে ইতিহাসের টিচার হিসেবে লবিং করে ঢুকে গেছে। মালুর বাচ্চার কাছে তখন আমি অসহায় ছিলাম।
পাসর্পোট ভেরিফিকেশন এর সময় আমার এনআইডি কপির সাথে সরাসরি ৫০০ টাকা চাইলো বললো খরচ দিতে হয় এইটাই নাকি নিয়ম। আমার সৌদি আরবে ভিসা হওয়ার কিছু দিন আগে পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে গেলাম তখন ১৫০০ টাকা নিলো। বলে যে একটা লোক আপনার এই কাগজ টা নিয়ে জেলা শহরে আসবে যাবে গাড়ি ভারা আছে না তার নাস্তা পানি দরকার পরে না এই খরচ আবার অফিশিয়াল খরচ মনে করবেন না। এই হইল অবস্থা।
ই এফ টি চালু হওয়ার কারণে একটি এমপিও ভুক্ত প্রতিষ্ঠানের এক কর্মচারীর বেতন বন্ধ হয়ে যায় কারণ তার জন্ম নিবন্ধন ভুল ছিল। আইডি কার্ড ভুল ছিল আইডি সংশোধনের জন্য প্রথমে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করা জরুরী এজন্য আমরা ইউনিয়ন পরিষদে যায় সচিব আমাদের বারবার ঠিক হবে না এই বলে এক সপ্তাহ ঘুরাই। এরপর কম্পিউটার অপারেটর বলল দুনিয়াতে কোন কাজ আটকে থাকে না তবে মাল লাগবে । তখন আমরা বুঝলাম যে না এখানে ঘুষ দেওয়া লাগবে পরে সেই কম্পিউটার অপারেটর সেই সচিবের দালাল পরে বুঝতে পারলাম। এরপর সেই অপারেটর কে বললাম সচিব কে ফোন দেন কত টাকা নিবি ঘোষ এরপর সে ফোন দিল এবং 5000 টাকা লাগবে বলল এরপর আমরা পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করি। আমরা টাকাটা দিয়ে সংশোধন করতে বাধ্য হয় কারণ একজন কর্মচারীর চার মাস ধরে বেতন বন্ধ
একটি প্রকল্প স্টিমেট করার জন্য উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়, এলজিইডি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ — উপ সহকারী প্রকৌশলী তিনি ২০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন
জনাব/জনাবা, আমি বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে আমি বিস্ফোরক পরিদপ্তরে একটি লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে গেলে সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে২০ (বিশ) লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। তাদের দাবি অনুযায়ী ঘুষ প্রদান না করলে আমার লাইসেন্সের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে না বলে জানানো হয়। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের অনুরোধ করছি। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
অগ্রনী ব্যাংকে ফাইল প্রসেসিং এর জন্য হেড অফিস বা ব্রাঞ্চে প্রতি টেবিলে টাকা দেয়া লাগে। নাইল ফাইলের কাজ করে না। প্রচুর টাকা নেয় ফাইল পাশ করানোর জন্য। বাথরুমের বদনা পর্যন্ত টাকা চায়। পুরা অফিস ভর্তি বাজে এবং টাকাখোর লোক দিয়ে ভরা। একজ৷ শুধু দেখছি টাকা খায় না। এই অফিসে যে ক্লায়েন্ট আসবে তার জীবনের আয়ু অর্ধেক কমে যাবে। প্রতিটা লোক আবার নামাজ পড়ে।
RAJUK - রাজধানী উন্নয়ন অফিসে কোনো কাজের জন্য গেলে প্রতিটি ধাপে ঘুষ বা বাড়তি টাকা দিতে হয়। ফ্ল্যাট বা প্লটের আবেদনের ফরম কেনা থেকে শুরু করে কাজের শেষ পর্যায় পর্যন্ত সব জায়গায় টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকার করলে বা না দিলে নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হয় এবং কাজ আটকে রাখা হয়। হয়রানি থেকে বাঁচতে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে। একদিন ক্ষুব্ধ হয়ে টাকা দেওয়া বন্ধ করে প্রতিবাদ করা সত্ত্বেও কোনো লাভ হয়নি; বরং সেই কাজটি আজ পর্যন্ত আটকে আছে এবং সম্পন্ন হয়নি। সংক্ষেপে, এটি সরকারি অফিসে দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এবং প্রতিবাদ করেও প্রতিকার না পাওয়ার এক বাস্তব চিত্র।
২০১৯ সালে আমার একটি সরকারি চাকুরী হয়। নিয়ম ছিল পুলিশ ভেরিফিকেশনের পরেই চাকরিতে জয়েন করতে দেবে । সুতরাং সঙ্গত কারণেই আমার বাড়িতে পুলিশ ভেরিফিকেশনে যায় দুইজন পুলিশ। তাদেরকে নাস্তা দেয়া হয়, তারপরে যাওয়ার সময় টাকা দাবি করলে প্রথমে ৩ হাজার টাকা দেওয়া হয় তাতে তারা খুশি হয় না, তারা আরও ২০০০ টাকা দাবি করে, ভয় দেখায় এই বলে যে পুরা 5000 টাকা না দিলে রিপোর্ট দিবে কিন্তু অনেক দেরি করে। ফলশ্রুতিতে পুরা পাঁচ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হয়।
As I am from a reputed public university and knew the OC of the thana the officer responsible for the verification backed off from taking the 500 tk.
ফরিদপুর সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এ চলছে ভয়াবহ দূর্নীতি। ইন্ডাস্ট্রিয়াল এটাচমেন্ট যাওয়ার জন্য প্রতিটি ডিপার্টমেন্ট থেকে পার স্টুডেন্ট প্রতি 500 টাকা করে নেওয়া হয় । কাঁচামালের জন্য যদিও বোর্ড থেকে ইন্ডাস্ট্রিকে টাকা দেওয়া হয়। আমাদের জন্য এ টাকা অনেক বোঝা। এছাড়া প্রতি সেমিস্টারে বিবিধ নামে ১০০ টাকা+খেলাধুল জন্য টাকা নেওয়া হয় তা কোথায় খরচ করা হয় তা হিসাব প্রিন্সিপাল প্রকাশ করে না। সুষ্ঠ তদন্ত চাই।