পুলিশের হয়রানি
থানায় বিচারের নামে হয়রানি, হয়ে গেছি দেখিয়ে নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ থানায় সব সময় মানুষকে হয়রানি করে এটা এখানে ওপেন সিক্রেট সবাই জানে
19,110 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
থানায় বিচারের নামে হয়রানি, হয়ে গেছি দেখিয়ে নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ থানায় সব সময় মানুষকে হয়রানি করে এটা এখানে ওপেন সিক্রেট সবাই জানে
বিদ্যুৎ লাইন নির্মানের জন্য সরকারিভাবে ফি পরিশোধ করেছি। এখন ঠিকাদার লাইন নির্মানের জন্য আমার কাছে আবার কিছু টাকা দাবি করছে না হলে লাইন নির্মানে নাকি অনেক দেরি হবে।
আমার এসএসসি সার্টিফিকেট এর নাম সংশোধন এর জন্য স্কুল এ গিয়েছিলাম এন্ড সেখণ্ঠেকে বলসিল যে টোটাল 1500৳ লাগবে টি তে এ দি ছিলাম বা যখন । বায় আসে অনলাইন ব্যাংক মনে রেসিপিটি পেলাম তখন সেখানে উল্লেখ ছিল 1000৳ । তার মানে বাকি 500৳ ঘুষ নিষে
ধামসোনা ইউনিয়নে গেসিলাম আজকে ট্রেড লাইসেন্স করতে। প্রথমে আমার কাছে ৩০০০ টাকা এক্সট্রা চাওয়া হয়। অনেক কথা কাটাকাটির পরেও আমার ১৫০০ টাকা দিতেই হলো। যা আগে কখনোই দিতে হয়নি। সর্বচ্চ ২০০ টাকা বেশি নিয়েছে আগে। এখন তাদের দাবি ১ মাসের দোকান ভাড়ার সম পরিমান টাকা ট্যাক্স দিতে হবে, যদিও তারা ট্যাক্স এর রশিদ দিতে রাজি হয়নি। তাদের কথা অনুযায়ী নতুন সরকার এই নিয়ম করেছে। এটা ঢাকা ১৯ আসন। এমপি — (BNP)।
বায়িং হাউজ নিবন্ধন করতে গিয়েছিলাম বস্ত্র অধিদপ্তরে৷ এপ্লাই করার পর ইন্সপেক্টর ইন্সপেকশন করতে আমাদের অফিসে এসেছিলো। উনাকে কিছু না দিলে উনি পজিটিভ রিপোর্ট দিবে না এটা উনি অনেকভাবে বুঝিয়েছে। শেষ মেষ না পেরে অফিসের স্যাম্পল প্রোডাক্ট চেয়েছে আমাদের নিকট উনার পারসোনাল ইউজের জন্য। গত মাসের ২০ তারিখে এপ্লাই করার পরেও আজ এক মাস ছয় দিন হয়ে গেছে ফাইল আগায় নি। আজকে যখন বস্ত্র অধিদপ্তরে গিয়েছি উনারা দুইটা ফাইল আবার চেয়েছে, উনারা বলেছে এগুলো ঘাটতি কাগজের চিঠি হিসেবে আমাদের কাছে যাওয়ার কথা। কিন্তু আমরা কোনো মেসেজ, ইমেইল বা চিঠি পাই নি। কাগজ নিয়ে ঠিক করে দেয়ার কথা বলায় আমাদের কাছে বিশাল এক অর্থ চেয়ে বসেছে তারা। বস্ত্র অধিদপ্তরের —, — অনর্থ বারংবার প্রশ্ন করে গিয়েছে আমরা সরকারি লোক?
No money no honey...my file is involved till today.
এল জি ডি, গণপূর্ত, এডুকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং হাইওয়ে এ সকল ডিপার্টমেন্টগুলোতে নির্মাণ প্রকল্পের বিল গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রতি চেকের উপরে ৩% হারে কর্তৃপক্ষকে দিতে হয় যেমন নির্বাহী প্রকৌশলী সহ ডিপার্টমেন্টের সবাইকে পার্সেন্টে হারে বন্টন করতে হয়
আমার পরিচিত একজন কাজিন এর জন্ম নিবন্ধন এর নাম সংশোধন করতে ইউনিয়ন অফিসে যাই অফিস থেকে ১৫০০ টাকা চাওয়া হয়েছে চা নাস্তা করার জন্য ব্রাহ্মণবড়িয়ায় নবীনগর বীরগাঁও
আমাদের কোম্পানীর প্রশাসনিক কর্মকর্তার কাছে এই অর্থ দাবী করা হয়। দরকষাকষি চলছে। কারখানা চালাতে গেলে ফায়ার লাইসেন্স আবশ্যক |
এই খানে একজন ঠিকাদার কাজের ওয়ার্ক ওয়াডার পেতে হলে অফিস খরচের নামে ইন্জিনিয়ার এর কমিশন সহ কাজের উপর থেকে ৩%থেকে ৫% পর্যন্ত কমিশন দিতে হয় এবং কাজের চেক নেয়ার সময় প্রতি চেক এর সময় পার্সেন্টিস দিতে হয়।2%।
ভিসা প্রসেসিং এর জন্য আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দরকার হয়। অনলাইন আবেদন করার পর রাঙ্গামাটি কোতোয়ালি থানা থেকে কল দেয়। পরবর্তীতে আমি দরকারি কাগজপত্র নিয়ে গেলে। একজন দায়িত্ব রত পুলিশ আমার কাছে চা নাস্তার খরচ হিসেবে উক্ত টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে কাজে দেরি হবে বলে জানিয়েছেন। তাই বাধ্য হয়ে আমার উক্ত টাকা পরিশোধ করতে হয়।
নিউজ করার নামে সাংবাদিক চাঁদা খুঁজেছে
একটি দেশ এর ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য ঐ দেশের এ্যাম্বাসী থেকে ভেরিফিকেশন আসে। তখনই কাজটা কম্পিলিট করার জন্য এই টাকা চাওয়া হয়
maintenance of the electric meter and wiring
আমি ম্যানুফ্যাকচারিং লাইসেন্স গ্রহন করার সময় ২০২৪ সালের মার্চ মাসে — , পরিচালক ঔষধ প্রশাসন, এই আঠারো লক্ষ টাকা ঘুস দাবী করে এবং আমি পরিশোধ করতে বাধ্য হই।
গ্রামের মানুষ জোর করে একটি সমস্যা তৈরি করেছিল সেটার প্রতিবেদনের জন্য
বড় বাবু নাকি ছাড়বে না কাগজ আর সে আপ্রভ না করলে সিভিল সার্জেনও সাইন করবে না
একটা স্বাভাবিক রিপোর্ট পাওয়ার জন্য। পারিবারিক সমস্যার কারণে
আমার বড় ভাইয়া একসময় একটি আধা সরকারি অফিসে চাকরি করতেন এবং চাকরিতে যোগ দেওয়ার সময় তাকে নাম, ঠিকানাসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক তথ্যাদি সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দিতে হয়েছিল। যেহেতু সেটি আধা সরকারি অফিস তাই তার বিভিন্ন তথ্যাদি যাচাইয়ের জন্য পুলিশের তরফ থেকে লবণচরা,খুলনা থানার একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এরপর থানায় গিয়ে সকল কাগজপত্র দেখানোর পরও সেই পুলিশ কর্মকর্তা সবশেষে গিয়ে ২০০০টাকা ঘুষ দাবি করেন এবং সেই টাকাটি তাদের যাচাইকরণ ও তদন্ত ফি এরকম যুক্তি দেন। তার সাথে ভাইয়ার এ নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় কিন্তু পাছে এসবের জন্য সেই কর্মকর্তা মিথ্যা যাচাইকরণ রিপোর্ট দিতে পারেন এই ভেবেই ভাইয়া টাকাটা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন।
হাটহাজারি বিদ্যুৎ অফিস দুর্নীতির আখড়া। টাকা ছাড়া কোন সেবা দেয় না। বিদ্যুৎ এর লাইনের আবেদন করায় ১৫০০০ টাকা দাবি করেছে কোনো রিসিট ছাড়া। টাকা না থাকায় এখনো লাইন নিতে পারি নাই। সাথে খাম্বার তার কিনে দেয়া লাগবে।