Vendor enlistment
During year 2016/2017 for vendor enlistment more than 20 suppliers had to pay 2.5 lac BD each as bribe
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
During year 2016/2017 for vendor enlistment more than 20 suppliers had to pay 2.5 lac BD each as bribe
My elder brother went to Dhaka DC office to take a sign off in my land documents for power of attorney which I sent from Canada. Note that Canada Toronto Consulate attested the documents but DC office asked bribery after doing their part. As it was a time bound documents, we could not but pay off for that. Thanks for this initiative!
আমার স্বামীর মৃত্যুর পর তাঁর প্রাপ্য সরকারি পেনশন পাওয়ার ক্ষেত্রে আমি জটিলতার সম্মুখীন হই। এর মূল কারণ ছিল আমার জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) তথ্যের সঙ্গে আমার স্বামীর বেতন বইয়ে উল্লেখিত তথ্যের অমিল। উল্লেখ্য, আমার জাতীয় পরিচয়পত্রটি আমার শিক্ষাগত সনদপত্রে থাকা তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি করা হয়েছে। অন্যদিকে, আমার স্বামীর বেতন বইয়ে আমার নাম ও অন্যান্য তথ্য মৌখিকভাবে প্রদান করা তথ্যের ভিত্তিতে লিপিবদ্ধ করা হয়েছিল। ফলে পরবর্তীতে পেনশন সংক্রান্ত কার্যক্রমে তথ্যের অমিল দেখা দেয়। এ অবস্থায় আমি বেতন বইয়ে উল্লেখিত তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমার জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধন করতে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করি। সেখানে আমাকে জানানো হয় যে, এভাবে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধন করা সম্ভব
নাম -—,,পিতা -—, জেলা -সাতক্ষীরা, তারা ২৪০০০০০ ঘুষ দিয়ে গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় সহকারী ভিসি আমার সাথে যোগাযোগ করে চাকরি নিচ্ছে, দয়া করে বিষয়টা আপনারা দেখুন.
লাইসেন্স নবায়ন ফি৩০০০/- অতিরিক্ত ২০০০টাকা না দিলে নবায়ন করে দিবে বা।বাধ্য হয়ে টাকা দেয়।
বিদ্যুত মিটারের কিলোওয়াট বাড়াতে পাচ হাজার টাকা দাবি করা হয়।আমি দিতে বাধ্য হই।
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফাই করতে ফোন দেয় লালমাই থানার এএসআই —। গেলে বলে ২৫০০ টাকা দিতে-পরে ১৫০০ টাকা দি।
এখন হবে না, টাকা ছাড়া
যশোর মনিরামপুর উপজেলার জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এর সহকারী প্রকৌশলী কমিশন না দিলে ফাইল ছাড়ে না এবং টিউবওয়েল সাবমার্সিবল টিউবওয়েল এবং পাবলিক টয়লেট বিক্রির রমরমা ব্যবসা খুলে নিয়েছে
পুলিশ তার কর্ম জীবনে ঘুষের সাথে জড়িত হওয়ার একমাত্র কারণ হচ্ছে টাকার বিনিময়ে সুবিধা নেওয়া যেমন ভালো কোথায় পোস্টিং যাওয়া টাকা না দিলে খারাপ জায়গায় ফেলে রাখা, আবার কোথাও প্রেষণে কর্মরত থাকলে টাকা না দিলে তাকে ফেরত না আনা। যেমন আমি স্পেশাল ব্রাঞ্চ(এসবি) পুলিশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা কর্মরত আছি। এখন এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় টাকা ছাড়া একজন পুলিশ সদস্য হয়েও কোন কাজ হয় না তাহলে পাবলিকের এখানে কি অবস্হা হতে পারে যা অনুমান করাও দুরূহ ব্যাপার।
পুলিশ সরাসরি পাস্পোর্ট ভেরিফিকেশন করতে চা নাস্তার বিল চেয়েছে। ভাবখানা এমন যেন টাকা না দিলে এই কাজ হয় না। ৫০০ টাকা চেয়েছিল, রীতিমত নেগোসিয়েশন করে ৪০০ দিয়েছি।
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডে টাকা ছাড়া কোনো বদলী হচ্ছে না।তারা আইওয়াশ করার জন্য যারা বদলীর জন্য টাকা দিচ্ছে বা তদবীর করাচ্ছে তাদের কাছ থেকে মানবিক আবেদন নিয়ে বদলি করছে।অথচ যারা প্রকৃতপক্ষেই সমস্যায় আছে কিন্তু টাকা দিতে পারছে না তাদের বদলি হচ্ছেই না বরং যারা টাকা দিচ্ছে তাদেরকে সুবিধা দেওয়ার জন্য ওদের আরো কষ্টের মধ্যে ফেলে দিচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ের বদলির অর্ডারগুলো পর্যালোচনা করলেই তা স্পষ্ট হয়ে উঠবে। তাছাড়া পদোন্নতি কেনা কাটা সহ সকল জায়গায় তাদের অনিয়মের অভাব নেই। দেখার যেন কেউ নেই😥😥।
ELB - electrical licence ministry of energy regulating board এর আন্ডারে এই প্রতিষ্ঠান উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেকটা ইন্সপেক্টর কে নির্ধারিত প্রতিটি ফাইলের জন্য ঘোষ দিতে বাধ্য..ঘোয এর পরিমাণ শুরু হয় নির্দিষ্ট sub station kva এর উপর যেমন 150kva sub station এর জন্য ২০ হাজার টাকা ঘোষ অথবা সম্মানী ফাইল জমা দেওয়ার পরে ইন্সপেক্টর কে দিতেই হবে। এর পরিমাণ ২০ টাকা থেকে শুরু করে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে ইন্সপেক্টর গুলোর নাম — সচিব — সহ সিনিয়র ইন্সপেক্টর গুলো ব্যাপক পরিমাণের অবৈধ সম্পদ উপার্জন করেছে। এরা আবার প্রতিনিয়ত প্রতিফাইল অনুযায়ী উক্ত মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে অর্জনকৃত অবৈধ টাকা থেকে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ দিয়ে আসেন। প্রত্যেকটা সাবস্টেশ কোম্পানির দিতে বাধ্যথাক
আমি সকল প্রকার সরকারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কাজ করেছি। বিল পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সকল কর্মচারি এবং কর্মকর্তা আমার কাছে ঘুষ দাবি করছে।
আমি USA প্রবাসী। NYC Consulting Office-এর মাধ্যমে NID কার্ডের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি। এখন শুধু সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হলেই আমার NID প্রস্তুত হবে। কিন্তু এই ভেরিফিকেশনের জন্য আমাকে ৫,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। সোনাইমুড়ী, নোয়াখালী উপজেলা নির্বাচন অফিসে কেন সরকারি কাজ সম্পন্ন করতে ঘুষ দিতে হবে? বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি।
ক্রেন ও উত্তোলক যন্ত্রপাতি পরীক্ষার জন্য যোগ্যব্যক্তি ঘোষনা করে কলকারখানা দপ্তরের প্রধান কার্যালয়। একজন কর্মকর্তার কাছে গেলে উনি আরেকজনের সাথে কথা বলার জন্য পরামর্শ দেন। আমার বিস্তারিত শুনে ওই অফিসার বলে আগে এগুলো করতে দশ লক্ষ টাকা লাগতো, এখন পাচ থেকে ছয় লক্ষ টাকা লাগে। আমি সরকারি ফি কত জিজ্ঞাসা করতে উনি জানালো এখানে অনেক টেবিলে টাকা দিতে হয়। বড় বড় স্যারদের টাকা দিতে হয় এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব পর্যন্ত সবাই এই টাকার ভাগ পাবে। পরে আমি কিছু না বলে চলে আসি।
BMT আপডেট করেন আমি গত নভেম্বরে বিএমটি দেই, সরকারি নির্দেশ মনে তা আপডেট করতে গেলে আমার কাছে ৫০ টাকা দাবি করে
স্মার্ট কার্ড নিতে গেলে নানাভাবে হয়রানি করে। আমি ভোটার হয়েছি ২০১০ সালে। চা নাস্তা খাওয়ার জন্য খরচ চাই। আমি দেয় নাই,, বলে সার্ভার সমস্যা পরে আসিয়েন। সুষ্ঠু সমাধান চাই।
আমার মোবাইল হারিয়ে যায়। জি ডি নেই। কিন্তু তদন্ত করার জন্য ৩৫০০ টাকা দাবি করে এবং মোবাইল খুঁজে দিতে চায় । টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় কোন তদন্ত করে নাই।
ব্যাংক চেক হারিয়ে যায়। এটা লাগবে, ওটা লাগবে বলে টাকা দাবি করে। পরিশোধ করার পর কিছুই লাগে নি।