অবৈধ জম্মনিবন্দন করে ৫/১০ হাজার টাকা নেয়
অবৈধ জম্মনিবন্দন করে ৫/১০ হাজার টাকা নেয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
অবৈধ জম্মনিবন্দন করে ৫/১০ হাজার টাকা নেয়
হাটহাজারি বিদ্যুৎ অফিস দুর্নীতির আখড়া। টাকা ছাড়া কোন সেবা দেয় না। বিদ্যুৎ এর লাইনের আবেদন করায় ১৫০০০ টাকা দাবি করেছে কোনো রিসিট ছাড়া। টাকা না থাকায় এখনো লাইন নিতে পারি নাই। সাথে খাম্বার তার কিনে দেয়া লাগবে।
আমার বড় ভাইয়া একসময় একটি আধা সরকারি অফিসে চাকরি করতেন এবং চাকরিতে যোগ দেওয়ার সময় তাকে নাম, ঠিকানাসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক তথ্যাদি সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দিতে হয়েছিল। যেহেতু সেটি আধা সরকারি অফিস তাই তার বিভিন্ন তথ্যাদি যাচাইয়ের জন্য পুলিশের তরফ থেকে লবণচরা,খুলনা থানার একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এরপর থানায় গিয়ে সকল কাগজপত্র দেখানোর পরও সেই পুলিশ কর্মকর্তা সবশেষে গিয়ে ২০০০টাকা ঘুষ দাবি করেন এবং সেই টাকাটি তাদের যাচাইকরণ ও তদন্ত ফি এরকম যুক্তি দেন। তার সাথে ভাইয়ার এ নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় কিন্তু পাছে এসবের জন্য সেই কর্মকর্তা মিথ্যা যাচাইকরণ রিপোর্ট দিতে পারেন এই ভেবেই ভাইয়া টাকাটা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন।
আমার ওয়াইফের NID নতুন করে সংশোধন এর জন্য অনলাইনে আবেদন কলে বিভিন্ন প্রকার কাগজ পত্র কালেক্ট করার নামে হয়রানি শুরু করে। সব কিছু এরেঞ্জ করার পর ও কাজটি বিভিন্ন অজুহাতে ঝুলিয়ে রাখে। পরবর্তীতে কাজ সমাধানের নামে ৩৪০০০ হাজার টাকা ঘোস দাবি করলে আমি পত্যাখান করি। এখনো কাজটি হয় নাই। কারণ এতো বড় এমাউন্ড খরচ করার সামর্থ্য নেই।
এল জি ডি, গণপূর্ত, এডুকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং হাইওয়ে এ সকল ডিপার্টমেন্টগুলোতে নির্মাণ প্রকল্পের বিল গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রতি চেকের উপরে ৩% হারে কর্তৃপক্ষকে দিতে হয় যেমন নির্বাহী প্রকৌশলী সহ ডিপার্টমেন্টের সবাইকে পার্সেন্টে হারে বন্টন করতে হয়
গ্রামের মানুষ জোর করে একটি সমস্যা তৈরি করেছিল সেটার প্রতিবেদনের জন্য
maintenance of the electric meter and wiring
নিউজ করার নামে সাংবাদিক চাঁদা খুঁজেছে
আমার স্বামী প্রবাসে থাকে, তার পাসপোর্ট যে জন্ম নিবন্ধন দেওয়া সেটা ইউনিয়ন অফিস থেকে তুলতে গেছি বলেছে অনলাইন নাই, তাই নতুন করে জমা দিতে হবে, কিন্তু জন্ম নিবন্ধন ১৭ ডিজিট নাম্বার আছে তার পর বলছে করতে হবে, তখন আগে তথ্য সাথে বর্তমানে শাশুড়ী নামে বানান ভুল আছে পরে স্বামী পাসপোর্ট সমস্যা হবে, তা বলায় ২.৪০ মিনিট বসা রাখছে ামি বার বার বলছিলাম ৯ মাসের বেবি আছে বলতাছে ওয়েট, পরে সবাই চলে যাওয়ার পর সচিব ৩০০০ টাকা চায় ভাবছি মজা করে, পরে বলে চলে যেতে, একই সমস্যা আরেকজনের তখন সেটা ছেলে নিয়ে আসে তাকে ৭০০ টাকায় করে দিছে, আমি চলে আসি পরে ২ বার ভাই ও শ্বশুর কে দিয়ে পাঠায় তখন টাকার কথা অস্বীকার করে, বরে এটা দিয়ে জন্মনিবন্ধন সম্ভব না, তার জন্য আমার মেয়ে ও জন্ম নিবন্ধন হচ্ছে না
No money no honey...my file is involved till today.
একটি জয়েন্ট স্টক রেজিস্টার্ড লিঃ কোম্পানিকে প্রতি বছর রিটার্ন দাখিল করতে হয় যা আমার জানা ছিল না । ২ বছর পর ২০২২ সালে আমি জানার পর রিটার্ন দাখিল করতে চাইলে আমাকে আরজেএসসি অফিস থেকে বলা হল ২ বছরের রিটার্ন দাখিল করতে ১৫,০০০ × ২=৩০,০০০/= লাগবে, তবে প্রথমে হাইকোর্ট থেকে পার্মিশন এনে দিতে হবে । হাইকোর্ট এর পার্মিশনের জন্য উকিল সাহেব ১৫০,০০০/= দাবি করেন যার মধ্যে ৫০,০০০/= বিচারকের পছন্দ মত প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে, সেটা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে পত্রিকার কপি সহ আবেদন করতে হবে । পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের জন্য দাবি করা হল অতিরিক্ত ৩০,০০০/= । সব কিছু প্রত্যাখ্যান করে চুপ করে বসে আছি বিগত ৬ বছর যাবত ।
আমার পরিবারের একজনের এনআইডি কার্ড সংশোধন করার জন্য নির্দিষ্ট অফিসে গিয়ে নির্দিষ্ট কাগজপত্র সকল কিছু জমা দেওয়া হয়, তাদের প্রসেসিং অনুসারে সকল কাগজপত্র আমরা হাজার হাজার টাকা খরচ করে রেডি করে জমা দেওয়ার পর তারা বারবার রিজেক্ট করে বিভিন্ন ছোটখাটো ইস্যু ধরে। শেষে আমাদেরকে একজন তাদের অফিসে এসে জানাই নির্দিষ্ট জায়গায় টাকা পরিশোধ করলে অতিরিক্ত তাহলে এটা ঝামেলা ছাড়া সমাধান করে দেয়া হবে। আমাদের খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন ছিল ওই সময় যার জন্য আমরা টাকা পরিশোধ করে হলো জিনিসটা ঠিক করাই।
আদালতে সাক্ষ্য প্রদানের পর যখন কাগজে স্বাক্ষর দিতে হয়, তখন টাকা না দিলে তারা স্বাক্ষর দিতে দেয় না।। বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়।।
মামলার ফাইল ৩ তলা থেকে ৪ তলায় যাবে এজন্য আমার কাছ থেকে ১২০০ টাকা ঘুষ নেয়। ঘুষটি নিয়েছিলো নোয়াখালী জজকোর্ট আদালতের দেওয়ানি সেকশন এর অতি জেলা জজ ১ এর কম্পিউটার অপারেটর —। টাকা ছাড়া তার মুখ ও চলেনা।
সঠিক ঠিকানায় ভেরিফিকেশন না করে, সেবা গ্রীতাকে ডেকে নিয়ে কৌশলে বিভিন্ন অযুহাতে জটিলতা তৈরি করে, যেহেতু ভেরিফিকেশন ব্যাকেন্ড থাকলে জানামতে পাসপোর্ট পাওয়ার আর কোন উপায় থাকে না এজন্য টাকা দিতে বাধ্য হয়।
মরিশাসের যাওয়ার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আবদেন করা হয়। কিন্তু ঈশ্বরগঞ্জ থানা থেকে টাকা ছাড়া ব্যারিফাই সম্পূর্ণ করেন না।
পুলিশ ভেরিফিকেশন ছিল ব্যাংকের চাকরির জন্য
কারেনট মিটার লাগানোর জন্য ২৪০০ টাকা দাবি করেছেন না হলে লাগিয়ে দিবেন না বলে জানিয়েছেন।
During year 2016 or 2017, for electrical lights & accessories supply more than 20 suppliers were enlisted. All the suppliers had to pay minimum 2.5 lac BDT for this.
দুইটা মেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে চলো যাই তারপর থানা অভিযোগ করা পর তাদের মোবাইল নাম্নার দিয়া বের করে পুলিশ ওই জায়গা পুলিশ যেতে টাকা চায় ৩০ হাজার আবার সাথে হাইস গাড়ি নিতে বলে বাধ্য হয়ে টাকা সহ গাড়ি নিয়ে তাদের নিয়ে যায় এটা হল আমাদের দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার অবস্থা মোটামুটি ওসি থেকে শুরু করে সকলেই ঘুষ খায়