ভর্তি বাতিল পূর্বক মূল মার্কশীট ফেরত।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত বগুড়া জেলার সরকারি নাজির আখতার কলেজে ভর্তি বাতিল পূর্বক মূল মার্কশীট ফেরত চাইলে ১৫০০ টাকা দাবী করা হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত বগুড়া জেলার সরকারি নাজির আখতার কলেজে ভর্তি বাতিল পূর্বক মূল মার্কশীট ফেরত চাইলে ১৫০০ টাকা দাবী করা হয়।
ক্রেন ও উত্তোলক যন্ত্রপাতি পরীক্ষার জন্য যোগ্যব্যক্তি ঘোষনা করে কলকারখানা দপ্তরের প্রধান কার্যালয়। একজন কর্মকর্তার কাছে গেলে উনি আরেকজনের সাথে কথা বলার জন্য পরামর্শ দেন। আমার বিস্তারিত শুনে ওই অফিসার বলে আগে এগুলো করতে দশ লক্ষ টাকা লাগতো, এখন পাচ থেকে ছয় লক্ষ টাকা লাগে। আমি সরকারি ফি কত জিজ্ঞাসা করতে উনি জানালো এখানে অনেক টেবিলে টাকা দিতে হয়। বড় বড় স্যারদের টাকা দিতে হয় এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব পর্যন্ত সবাই এই টাকার ভাগ পাবে। পরে আমি কিছু না বলে চলে আসি।
মিরসরাই ইকোনোমিক জোন এর জন্য অধিগ্রহণ করা জমির টাকা উত্তোলন করতে গিয়ে আমি এল এ শাখার সার্ভয়ারকে এই টাকা দিয়েছি। আমার এলাকায় সব মানুষকে এই ঘুষ দিয়ে টাকা উত্তোলন করতে হয়েছে। মোট টাকার ৭-১৫% পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়েছে। জমিতে সামন্য সমস্য থাকলে সেটি ৪০-৫০% পর্যন্ত দিতে হয়েছে। শুধু আমার এলাকায় ১হাজার একর অধিগ্রহণ হয়ছে, ঘুষের টাকার পরিমান কত সেটি অনুমান করুন!! শুনেছি এই টাকার ভাগ পুরো জেলা প্রশাসক কার্যালয় সহ মন্ত্রনালয় পর্যন্ত যায়।
স্মার্ট কার্ড নিতে গেলে নানাভাবে হয়রানি করে। আমি ভোটার হয়েছি ২০১০ সালে। চা নাস্তা খাওয়ার জন্য খরচ চাই। আমি দেয় নাই,, বলে সার্ভার সমস্যা পরে আসিয়েন। সুষ্ঠু সমাধান চাই।
দীর্ঘ ১২ বছর ধরে আমি স্হ আমরা ২৩২ জন চাকুরি করি আমাদের কাছ থেকে জন প্রতি ৪০০০০ টাকা দিতে হচ্ছে। এখন কি আর করার আমরা বেতন পাই অল্প পরিবার নিয়ে চলতে হলে এই টাকা দিতে হবে না হলে চাকুরি থাকবে না। আমরা দিতে অস্বীকার করেছিলাম আমরাতো ঘুস খাই না তা হলে দিব কেন? কিন্তু চাকুরি বাচাতে গেলে পরিবার নিয়ে চলতে গেলে আর কি করার দিতে বাধ্য হয়েছি।
পুলিশ তার কর্ম জীবনে ঘুষের সাথে জড়িত হওয়ার একমাত্র কারণ হচ্ছে টাকার বিনিময়ে সুবিধা নেওয়া যেমন ভালো কোথায় পোস্টিং যাওয়া টাকা না দিলে খারাপ জায়গায় ফেলে রাখা, আবার কোথাও প্রেষণে কর্মরত থাকলে টাকা না দিলে তাকে ফেরত না আনা। যেমন আমি স্পেশাল ব্রাঞ্চ(এসবি) পুলিশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা কর্মরত আছি। এখন এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় টাকা ছাড়া একজন পুলিশ সদস্য হয়েও কোন কাজ হয় না তাহলে পাবলিকের এখানে কি অবস্হা হতে পারে যা অনুমান করাও দুরূহ ব্যাপার।
জামালপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে কর্মরত অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক রাশেদ মামুদ সাহেবের কাছে যেকোনো বিল তৈরি করতে উক্ত বিলের ৬% টাকা দিতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে চলছে তার ঘুষ বানিজ্য। টাকা ছাড়া তিনি দুনিয়াতে আর কিছু চিনে নাহ। তার ঘুষ বানিজ্যের জ্বালায় অতিষ্ঠ সেবা গ্রহীতরা।
BMT আপডেট করেন আমি গত নভেম্বরে বিএমটি দেই, সরকারি নির্দেশ মনে তা আপডেট করতে গেলে আমার কাছে ৫০ টাকা দাবি করে
আমার ভাইয়ের বিরুদ্ধে একজন মিথ্যা অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের তদন্ত পিবিআই, রংপুর এর একজন অফিসার করে এবং ৭০০০ টাকা নেন। ক্যাশ নেন
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডে টাকা ছাড়া কোনো বদলী হচ্ছে না।তারা আইওয়াশ করার জন্য যারা বদলীর জন্য টাকা দিচ্ছে বা তদবীর করাচ্ছে তাদের কাছ থেকে মানবিক আবেদন নিয়ে বদলি করছে।অথচ যারা প্রকৃতপক্ষেই সমস্যায় আছে কিন্তু টাকা দিতে পারছে না তাদের বদলি হচ্ছেই না বরং যারা টাকা দিচ্ছে তাদেরকে সুবিধা দেওয়ার জন্য ওদের আরো কষ্টের মধ্যে ফেলে দিচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ের বদলির অর্ডারগুলো পর্যালোচনা করলেই তা স্পষ্ট হয়ে উঠবে। তাছাড়া পদোন্নতি কেনা কাটা সহ সকল জায়গায় তাদের অনিয়মের অভাব নেই। দেখার যেন কেউ নেই😥😥।
দুপুরের খাবারের কথা বলে নেয়া হয়েছিল
আমি জেলা প্রশাসক, ঠাকুরগাঁও স্যার-এর কাছে একটি চিঠি দিয়েছি এক মাস আগে। পরবর্তীতে আপডেট নিতে জেলা প্রশাসক হেল্প ডেস্কে যোগাযোগ করি। তারা বলেন, “আমরা পাঠিয়ে দিয়েছি, শাখা বরাবর ৩য় তলায়।” সেখানে গিয়ে চিঠির কথা জানালে তারা বলেন, চিঠি পেয়েছেন এবং আদেশও লিখেছেন। কিন্তু অফিসে কম্পিউটার অপারেটর নেই। অন্য অপারেটর আছেন, তবে তিনি ফ্রি নেই যে এটি লিখে দেবেন বা আদেশের কপিটি প্রস্তুত করে দেবেন। আমাকে বলেছেন, “বাইরে থেকে লিখিয়ে নিয়ে আসতে।” পরে বাইরে থেকে সেটি লিখিয়ে নিয়ে গিয়েছি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সহ সেটি লিখা বাবদ টাইপিং ও প্রিন্টিং খরচ হিসেবে আমার ৭০ টাকা খরচ হয়েছে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে এটি তো তাদের অফিসিয়াল আদেশ যা তাদের অফিসিয়াল খরচ বহন করবে প্রিন্টিং কিংবা টাইপিং সেটি আমাকে দিতে হয়।
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফাই করতে ফোন দেয় লালমাই থানার এএসআই —। গেলে বলে ২৫০০ টাকা দিতে-পরে ১৫০০ টাকা দি।
ফাইল আটকিয়ে রেখেছে 19 দিন। কিছু করার ছিল না।
এখন হবে না, টাকা ছাড়া
প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় বেশি মার্কস দেওয়ার বিনিময়ে সকল ছাত্র-ছাত্রী হতে প্রতিজন ৫০-১০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। সবার মনে আশঙ্কা যে টাকা না দিলে নাম্বার কমিয়ে দিতে পারে।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেয়া শেষ হলে, পুলিশ বলল হাদিয়া দেন কিছু। ৫০০ দিলাম। এরপর বলল ব্যাংকের পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ৫০০ দিয়ে হবেনা। ১০০০ লাগবে।
ELB - electrical licence ministry of energy regulating board এর আন্ডারে এই প্রতিষ্ঠান উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেকটা ইন্সপেক্টর কে নির্ধারিত প্রতিটি ফাইলের জন্য ঘোষ দিতে বাধ্য..ঘোয এর পরিমাণ শুরু হয় নির্দিষ্ট sub station kva এর উপর যেমন 150kva sub station এর জন্য ২০ হাজার টাকা ঘোষ অথবা সম্মানী ফাইল জমা দেওয়ার পরে ইন্সপেক্টর কে দিতেই হবে। এর পরিমাণ ২০ টাকা থেকে শুরু করে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে ইন্সপেক্টর গুলোর নাম — সচিব — সহ সিনিয়র ইন্সপেক্টর গুলো ব্যাপক পরিমাণের অবৈধ সম্পদ উপার্জন করেছে। এরা আবার প্রতিনিয়ত প্রতিফাইল অনুযায়ী উক্ত মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে অর্জনকৃত অবৈধ টাকা থেকে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ দিয়ে আসেন। প্রত্যেকটা সাবস্টেশ কোম্পানির দিতে বাধ্যথাক
amar may er boyos 5 mas. ami ekhono jonmonibondhon korte parini. shob kagos thik ase tar poro bole amar kagos thik nai. ekjon to phone dia bollo taka khoroch korle kora jabe.
২০২২ সালে নাম সংশোধনের জন্য যশোর নির্বাচন অফিসে কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল, তখনকার নির্বাচন অফিসার ছিলেন —, তিনি অসংখ্যবার আমাদেরকে ঘুরিয়েছেন কাজটি ঝুলিয়ে রেখে, কাজটি না হওয়ার কারণ ছিল ঘুষ দিয়েছিলাম না তাই, পরবর্তীতে ২০২৪ সালে আন্দোলনের পরে আমি একদিন ফোন করে বললাম আমার কাজটি কখন করে দিবেন আমাকে জানান তিন দিনের মধ্যে কাজটি না করলে আমি এলাকার অন্যান্য প্রতিবাদী লোকজন নিয়ে আপনার অফিসে হাজির হব এই কথা বলার একদিন পরেই মোবাইলে মেসেজ চলে আসে যে আপনার কাজটি সম্পন্ন হয়েছে এবং আপনার নতুন এন আই ডি কার্ড টি যশোর নির্বাচন অফিস থেকে সংগ্রহ করুন। কিন্তু এর আগে তিনি আমাদেরকে খুলনা বিভাগীয় অফিসে পর্যন্ত পাঠিয়েছিলেন দুইবার করে বিনা কারণে, আর যশোর নির্বাচন অফিসে অসংখ্যবার গিয়েছিলাম।