প্রমোশন
একটা বিশেষায়িত ব্যাংকে প্রমোশন দিবে বলে ৪৫০০০০/- নেওয়া হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
একটা বিশেষায়িত ব্যাংকে প্রমোশন দিবে বলে ৪৫০০০০/- নেওয়া হয়।
দীর্ঘ ১২ বছর ধরে আমি স্হ আমরা ২৩২ জন চাকুরি করি আমাদের কাছ থেকে জন প্রতি ৪০০০০ টাকা দিতে হচ্ছে। এখন কি আর করার আমরা বেতন পাই অল্প পরিবার নিয়ে চলতে হলে এই টাকা দিতে হবে না হলে চাকুরি থাকবে না। আমরা দিতে অস্বীকার করেছিলাম আমরাতো ঘুস খাই না তা হলে দিব কেন? কিন্তু চাকুরি বাচাতে গেলে পরিবার নিয়ে চলতে গেলে আর কি করার দিতে বাধ্য হয়েছি।
যশোর মনিরামপুর উপজেলার জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এর সহকারী প্রকৌশলী কমিশন না দিলে ফাইল ছাড়ে না এবং টিউবওয়েল সাবমার্সিবল টিউবওয়েল এবং পাবলিক টয়লেট বিক্রির রমরমা ব্যবসা খুলে নিয়েছে
ELB - electrical licence ministry of energy regulating board এর আন্ডারে এই প্রতিষ্ঠান উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেকটা ইন্সপেক্টর কে নির্ধারিত প্রতিটি ফাইলের জন্য ঘোষ দিতে বাধ্য..ঘোয এর পরিমাণ শুরু হয় নির্দিষ্ট sub station kva এর উপর যেমন 150kva sub station এর জন্য ২০ হাজার টাকা ঘোষ অথবা সম্মানী ফাইল জমা দেওয়ার পরে ইন্সপেক্টর কে দিতেই হবে। এর পরিমাণ ২০ টাকা থেকে শুরু করে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে ইন্সপেক্টর গুলোর নাম — সচিব — সহ সিনিয়র ইন্সপেক্টর গুলো ব্যাপক পরিমাণের অবৈধ সম্পদ উপার্জন করেছে। এরা আবার প্রতিনিয়ত প্রতিফাইল অনুযায়ী উক্ত মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে অর্জনকৃত অবৈধ টাকা থেকে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ দিয়ে আসেন। প্রত্যেকটা সাবস্টেশ কোম্পানির দিতে বাধ্যথাক
সিঙ্গার দেওয়া ফরই প্রত্যেকটা মানুষ থেকে ১০০ টাকা করে নিচ্ছে।
এক জন ব্যক্তি লাইন টেনে দিয়েছে, সেজন্য সে বকশীষ দাবি করে।
পুলিশ তার কর্ম জীবনে ঘুষের সাথে জড়িত হওয়ার একমাত্র কারণ হচ্ছে টাকার বিনিময়ে সুবিধা নেওয়া যেমন ভালো কোথায় পোস্টিং যাওয়া টাকা না দিলে খারাপ জায়গায় ফেলে রাখা, আবার কোথাও প্রেষণে কর্মরত থাকলে টাকা না দিলে তাকে ফেরত না আনা। যেমন আমি স্পেশাল ব্রাঞ্চ(এসবি) পুলিশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা কর্মরত আছি। এখন এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় টাকা ছাড়া একজন পুলিশ সদস্য হয়েও কোন কাজ হয় না তাহলে পাবলিকের এখানে কি অবস্হা হতে পারে যা অনুমান করাও দুরূহ ব্যাপার।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর আবেদন জমার জন্য ১০,০০০ টাকা দাবি করে। বিদেশে যাওয়ার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বাধ্যতামূলক বিধায় উক্ত টাকা পরিশোধ করতে হয়। অথচ সরকারি ফি সেই সময়ে ছিল ৫০০ টাকা মাত্র।
একজন ঠিকাদারের থেকে ফাইলের বিল করার সময় % উল্লেখ করে কমিশন চাওয়া হয়
ফায়ার লাইসেন্সের নবায়ন করার জন্য গেলে তারা নতুনভাবে অনলাইন করতে হবে বলে ৫০০০ টাকা ঘুস দাবি করে।
নাটোর জেলার, ৪ নং (সাবেক ৯ নং) লক্ষীপুর ইউনিয়ন (হয়বতপুর) এ আমার ছোট বোন এবং স্ত্রীর গর্ভকালীন ভাতার আবেদন করতে গেলে, জনপ্রতি ৫০০০ টাকা করে ঘুষ চাওয়া হয়। টাকা চায় মহিলা আসনের মেম্বার —। টাকা না দিলে উনি কোনো এপ্রভুভাল দিবেন না। আমার প্রশ্ন হলো, যেই গরিব নারীগুলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এই সু্বিধা পাবার কথা, তারা কেনো ৫০০০ টাকা করে ঘুষ দেবে এই টাকা পেতে হলে? বিষয়টি সরজমিনে গেলে অবশ্যই প্রমাণ পাবেন।
উপজেলা কৃষি অফিসারগণ বিভিন্ন কৃষকদের নামে সাদা কাগজে কাঁচা ভাউচার দেখিয়ে কৃষকদের স্বাক্ষর নকল বা ভুয়া স্বাক্ষর দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করে ফেলে। বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা হতে এভাবে টাকা আত্মসাৎ করছে।
এই ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সাহেব গর্ভবতী ভাতার জন্য পাঁচ হাজার টাকা করে নিয়ে থাকেন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকার পরও তাদেরকেই টাকা দিতে হয়। এই পরিমাণ অর্থ সকলের কাছে দাবী করা হয়। টাকা পরিশোধ না করলে গর্ভবতী ভাতা দেওয়া হয় না। শুধু গর্ভবতী ভাতা নয় সব ধরনের ভাতার জন্যই তাদেরকে টাকা দিতে হয়। এমনকি ইউনিয়ন পরিষদের কোন ধরনের সেবা নিতে গেলেও তাদেরকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দিতে হয়। দীর্ঘদিন ধরেই এই কার্যকলাপ চলমান।
আমার সন্তানের ভর্তির জন্য বিদেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনুযায়ী পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইনে আবেদন করি। পরদিন সংশ্লিষ্ট থানা থেকে একজন পুলিশ সদস্য ফোন করে বলেন যে আমি যেনো অনলাইনে দাখিলকৃত কাগজপত্রের মূল কপি নিয়ে থানায় ওনার সাথে যোগাযোগ করি। অথচ থানায় যোগাযোগ করলে ওনি কোনো কাগজপত্র ধরেও দেখেন নি। প্রকাশ্যে (অন্য সহকর্মীদের সামনে) বললেন, খরচা পাতির জন্য কিছু টাকা দেন। আমি বললাম, ফি বাবদ দেড় হাজার টাকা পরিশোধ করা আছে। ওনার জবাব, ঐ টাকা আমরা পাই না। আমি কিছুটা দ্বিধা নিয়েই এক খানা ৫০০/- টাকার নোট দিলাম। পরক্ষণে উনি বললেন যে, ওনি হাজার এর নিচে কোনো টাকা নেন না। অতঃপর আমি এক হাজার টাকা দিতে বাধ্য হই, এ আশঙ্কায় যে টাকা/ ঘুষ না দিলে হয়তো আমি সনদটি সময়মত পাবো না।
আমার ছেলের জন্ম নিবন্ধন এর জন্য অনলাইন আবেদন করে টাকা পে করি , অনেকদিন পরও এপ্রুভাল না হওয়ায় সাভার পৌরসভা অফিস এ যাই , অফিস সহকারী অফিস খরচ এর জন্য ১০ হাজার চায়, বিদেশ এ যাওয়ার জন্য জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজন থাকায় ঘুস দিয়ে জন্ম নিবন্ধন করে নেই
ঘুষ না দিলে , উনি ,পৌর দোকান ট্যাক্স এর রিসিপ্ট দিবেনা ।ঘুষ না দিলে উনি ৪০%টাকা বাড়িয়ে দেবে ।
পাসপোর্ট অফিস থেকে পুলিশ ভেরিফিকেশন আসলে আমাকে আশুলিয়া থানার সামনে ডাকে। থানার সামনে গেলে থানার সামনের কম্পিউটার দোকানের গলিতে নিয়ে যায় এবং আমার কাছে ১৫০০টাকা দাবি করে পরে ১০০০টাকা নেয়। পরে তিন্দিন পর ভেরিফিকেশন কম্পলিট করর দেয়।
চিরিরবন্দর থানার SB-এর — নামের একজন ব্যক্তির কাছে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য ২,০০০ (দুই হাজার) টাকা প্রদান করেছি। কিন্তু টাকা নেওয়ার পরও তিনি এখন পর্যন্ত আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রদান করেননি।
জাতীয় পরিচয় পত্র নিবন্ধন এ
আমার নামে বিল/ সম্মানি সরকার বরাদ্দ করেছিল (১০% উৎস কর ব্যাতিত) মোট বিল এর তিন ভাগের দুই ভাগ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের, ময়মনসিংহ রেখে দেয়। যা প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার উপরে, আমার মতো ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য খুবই কষ্টকর হয়ে যায়।