জুট লাইসেন্স নবায়ন
লাইসেন্স নবায়ন ফি৩০০০/- অতিরিক্ত ২০০০টাকা না দিলে নবায়ন করে দিবে বা।বাধ্য হয়ে টাকা দেয়।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
লাইসেন্স নবায়ন ফি৩০০০/- অতিরিক্ত ২০০০টাকা না দিলে নবায়ন করে দিবে বা।বাধ্য হয়ে টাকা দেয়।
আমি USA প্রবাসী। NYC Consulting Office-এর মাধ্যমে NID কার্ডের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি। এখন শুধু সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হলেই আমার NID প্রস্তুত হবে। কিন্তু এই ভেরিফিকেশনের জন্য আমাকে ৫,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। সোনাইমুড়ী, নোয়াখালী উপজেলা নির্বাচন অফিসে কেন সরকারি কাজ সম্পন্ন করতে ঘুষ দিতে হবে? বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি।
কম্পিউটার অপারেটর ও বড় বাবু সেল পারমিশনের জন্য ৫০,০০০/- দাবি করে অফিসে বসে সিগারেট খেতে খেতে।
মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত করার ভয় দেখিয়ে ঘুষ আদায় নীলফামারী সদর থানা এসআই
BMT আপডেট করেন আমি গত নভেম্বরে বিএমটি দেই, সরকারি নির্দেশ মনে তা আপডেট করতে গেলে আমার কাছে ৫০ টাকা দাবি করে
বিদ্যুত মিটারের কিলোওয়াট বাড়াতে পাচ হাজার টাকা দাবি করা হয়।আমি দিতে বাধ্য হই।
আমার একটি চাকুরীর জয়েনর পর,অফিস থেকে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য বলে,আমি সরকারি ফি দিয়ে আপ্লাই করি।কিন্তু যখন পুলিশ ফোন দিয়ে সব পেপার নিয়ে যেতে বলে,নিয়ে যাওয়ার পর আমার সকল পেপার সঠিক থাকার পরেও তাকে টাকা দিতে হয়,আবার আমার ফোন চুরি হয়েছিল,তখন এই চুরির GD করতেও আমার কাছে থেকে টাকা নেওয়া হয়।
পারিবারিক মামলা ডিগ্রি হওয়ার পরে। ডিগ্রি নির্ধারিত টাকা পরিশোধ করার জন্য পিরোজপুর পারিবারিক আদালতের সেরেস্তায় গিয়ে মামলা ডিগ্রি হওয়া টাকা দেওয়ার জন্য সেরেস্তাদারকে বললে তিনি তার অফিস সহায়ককে মামলা নাম্বার বলতে বলেন। মামলা নাম্বার বলার পরে কিছুক্ষণ পর অফিস সহায়ক বলে নথি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কিছুক্ষণ পর বলে একজন নির্দিষ্ট আইনজীবী সহকারীর কাছে যেতে তার কাছে গেলে নথি পাওয়া যাবে। সেরেস্তাদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলে তার অনেক কাজ আছে ওই নির্দিষ্ট আইনজীবী সহকারীর কাছে গেলে তিনি সবকিছু গুছিয়ে দিবেন। পরবর্তীতে সেই আইনজীবী সহকারী টাকার বিনিময় নথি খুঁজে পান এবং ডিগ্রি নির্ধারিত টাকা পরিশোধ করার সুযোগ মিলে।
ফায়ার লাইসেন্সের নবায়ন করার জন্য গেলে তারা নতুনভাবে অনলাইন করতে হবে বলে ৫০০০ টাকা ঘুস দাবি করে।
দীর্ঘ ১২ বছর ধরে আমি স্হ আমরা ২৩২ জন চাকুরি করি আমাদের কাছ থেকে জন প্রতি ৪০০০০ টাকা দিতে হচ্ছে। এখন কি আর করার আমরা বেতন পাই অল্প পরিবার নিয়ে চলতে হলে এই টাকা দিতে হবে না হলে চাকুরি থাকবে না। আমরা দিতে অস্বীকার করেছিলাম আমরাতো ঘুস খাই না তা হলে দিব কেন? কিন্তু চাকুরি বাচাতে গেলে পরিবার নিয়ে চলতে গেলে আর কি করার দিতে বাধ্য হয়েছি।
নাটোর জেলার, ৪ নং (সাবেক ৯ নং) লক্ষীপুর ইউনিয়ন (হয়বতপুর) এ আমার ছোট বোন এবং স্ত্রীর গর্ভকালীন ভাতার আবেদন করতে গেলে, জনপ্রতি ৫০০০ টাকা করে ঘুষ চাওয়া হয়। টাকা চায় মহিলা আসনের মেম্বার —। টাকা না দিলে উনি কোনো এপ্রভুভাল দিবেন না। আমার প্রশ্ন হলো, যেই গরিব নারীগুলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এই সু্বিধা পাবার কথা, তারা কেনো ৫০০০ টাকা করে ঘুষ দেবে এই টাকা পেতে হলে? বিষয়টি সরজমিনে গেলে অবশ্যই প্রমাণ পাবেন।
মা বাবার জন্য পাসপোর্ট তৈরি করতে হবে উমরাহ হজ পালনের জন্য । তাই পাসপোর্ট করতে পাসপোর্ট ভ্যারিফিকেশন এর জন্য থানায় গেলেই তারা জন প্রতি ৩০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে । টাকা না দিলে ভেরিফিকেশন হবে না । টাকা দিলে সাত খুন মাফ ভেরিফিকেশন ডান । না দিলে অপেক্ষায় থাকেন কখন হবে কোনো নির্ধারিত সময় নেই ।
নাগরিকত্ব সনদ প্রদান এর জন্য আমাকে অনেক ভোগান্তির শিকার হতে হয় এই কাগজ সেই কাজগ নানান জিনিস এর কথা বলা হয়। তার পর আমার বাবা একটা সিস্টেম করে একটা link বের করে ২০০০ টাকা দেয় তার পর সব কাজ সহজে হয়ে যায়।
আমার নামে বিল/ সম্মানি সরকার বরাদ্দ করেছিল (১০% উৎস কর ব্যাতিত) মোট বিল এর তিন ভাগের দুই ভাগ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের, ময়মনসিংহ রেখে দেয়। যা প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার উপরে, আমার মতো ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য খুবই কষ্টকর হয়ে যায়।
Police clearance er jonno amr theke taka newa hoy ami jokhon kom taka di tokhon uni bole j age to 1k kore nitam ekhon komai disi tao apni eto kom dilen pore ami 400 taka disi, uni chacchilo unk 500 taka dite
টাঙ্গাইল যুগ্ম জেলা জজ আদালত (৪র্থ অর্থ ঋণ আদালত) এ আমি ঢাকার একটি সরকারি ব্যাংকের প্রতিনিধি হয়ে যাই। আদালত থেকে সনদ, দলিল ও অন্যান্য কাগজ উত্তোলন করার সময় বিচারকের সেরেস্তাদার — অথবা — (নাম টা সঠিক মনে করতে পারছি না) অতিরিক্ত টাকা দাবি করলে পরিশোধ করতে বাধ্য হই। তারিখ: ২৩/০৮/২০২৬।
মামলার নকল নিতে গিয়ে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে এবং হাজিরা জমা দিতে গিয়ে ২০০ টাকা দিতে হয়েছে
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে নিয়োগ প্রকৃয়া রর্তমানে চলমান, পদের নাম ডাটাএন্ট্রি অপারেটর, লিখিত পরিক্ষায় ডিভাইসের ব্যবহার, যারা কন্টাক্ট করেছে তাদের কাছে পাশ সাপ্লাই, করেছে একটি সিন্ডিকেট, যার অভিযোগ দেওয়ার পরও কোন পদক্ষেপ নেয়নি, অভিযোগগুলো যাচাই বাছাই ও করেনি
কলকারখানা লাইসেন্স ও নকশা অনুমোদনের জন্য ৫ লক্ষ দাবি করে পরে নেগোসিয়েশন করে ২ লক্ষ টাকা দিয়ে লাইসেন্স ও অনুমোদন নিই
চিরিরবন্দর থানার SB-এর — নামের একজন ব্যক্তির কাছে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য ২,০০০ (দুই হাজার) টাকা প্রদান করেছি। কিন্তু টাকা নেওয়ার পরও তিনি এখন পর্যন্ত আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রদান করেননি।