জাতীয় চিড়িয়াখানা
অবৈধভাবে প্রতিটি যানবাহন থেকে বিশ টাকা আদায় করা হচ্ছে ঢাকা চিড়িয়াখানায়। —
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
অবৈধভাবে প্রতিটি যানবাহন থেকে বিশ টাকা আদায় করা হচ্ছে ঢাকা চিড়িয়াখানায়। —
বাংলাদেশে যে কোন অঞ্চলের ব্যাবসায়ী যদি তার দোকানের জন্য নতুন এজেন্ট সিম নেওয়ার জন্য সবকিছু কাগজপত্র সঠিক দেওয়ার পর ও লাইন ম্যান (DSO) কে ঘুষ দিতে হয়। এই ঘুষ সবগুলো লাইন ম্যান (DSO) খায় না, এগুলো হাউজের সবাই একসাথে খায়। যেমন আগস্ট মাসে ৫০ জন নতুন এজেন্ট আসছে উপজেলায়। ৫০×৫০০ = ২,৫০,০০০/- টাকা হাউজের সবাই মিলে ভাগবাটোয়ারা করে খাবে। এই টাকা লাইন ম্যান (DSO), সুপারভাইজার, ম্যানেজার, TM/AM/GM পর্যন্ত যায়। কিন্তু দোষ পড়ে লাইন ম্যান (DSO) উপর।
কেন্দুয়া উপজেলার কৃষি অফিসার হিন্দু ভদ্র লোক টাকার জন্য ডিলারদের প্রতিষ্ঠানে যায়। বিগত সরকারের আমলের একটা লাইসেন্স ঠিকিয়ে রাখার জন্য ১লাখ টাকা নেয়। কিন্তু কোন কাজ ও করেনাই। উল্টো লাইসেন্স এর ক্ষতি করলো অফিসার উনি আবার একটা ইউনিয়ের প্রশাসকের দ্বায়িত্বেও আছেন।
সোনালী ব্যাংক, শাহজাদপুর শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার — ঘুষ ছাড়া ফুডের বিল পাস করে না।
আমার সন্তানের ভর্তির জন্য বিদেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনুযায়ী পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইনে আবেদন করি। পরদিন সংশ্লিষ্ট থানা থেকে একজন পুলিশ সদস্য ফোন করে বলেন যে আমি যেনো অনলাইনে দাখিলকৃত কাগজপত্রের মূল কপি নিয়ে থানায় ওনার সাথে যোগাযোগ করি। অথচ থানায় যোগাযোগ করলে ওনি কোনো কাগজপত্র ধরেও দেখেন নি। প্রকাশ্যে (অন্য সহকর্মীদের সামনে) বললেন, খরচা পাতির জন্য কিছু টাকা দেন। আমি বললাম, ফি বাবদ দেড় হাজার টাকা পরিশোধ করা আছে। ওনার জবাব, ঐ টাকা আমরা পাই না। আমি কিছুটা দ্বিধা নিয়েই এক খানা ৫০০/- টাকার নোট দিলাম। পরক্ষণে উনি বললেন যে, ওনি হাজার এর নিচে কোনো টাকা নেন না। অতঃপর আমি এক হাজার টাকা দিতে বাধ্য হই, এ আশঙ্কায় যে টাকা/ ঘুষ না দিলে হয়তো আমি সনদটি সময়মত পাবো না।
ঘুষ না দিলে , উনি ,পৌর দোকান ট্যাক্স এর রিসিপ্ট দিবেনা ।ঘুষ না দিলে উনি ৪০%টাকা বাড়িয়ে দেবে ।
মামলার নকল নিতে গিয়ে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে এবং হাজিরা জমা দিতে গিয়ে ২০০ টাকা দিতে হয়েছে
আমার ছেলের জন্ম নিবন্ধন এর জন্য অনলাইন আবেদন করে টাকা পে করি , অনেকদিন পরও এপ্রুভাল না হওয়ায় সাভার পৌরসভা অফিস এ যাই , অফিস সহকারী অফিস খরচ এর জন্য ১০ হাজার চায়, বিদেশ এ যাওয়ার জন্য জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজন থাকায় ঘুস দিয়ে জন্ম নিবন্ধন করে নেই
আমার কয়েকটি সরকারি চাকুরি হয়। ভ্যারিফিকেশন অনেক গুলো জায়গায় হয়৷ বাড়িতে, ইউনিভার্সিটিতে। পুলিশ টাকা ছাড়া কো অপারেট করে না৷ টাকা কথা না বলা পর্যন্ত ত্রুটি খুঁজে খালি। নিজ থেকে যখন টাকা চায় তখন টাকা দেই। আর প্যারা দেয় না। আর খরচ খোঁজে। এই পর্যন্ত আমার ১০০০০ টাকার উপরে নিয়া গেছে শুধু ভ্যারিফিকেশনে।
জলঢাকা উপজেলা নির্বাচন অফিসের কম্পিউটার অপারেটর জাতীয় পরিচয় পত্র হারিয়ে গিয়েছে এই জন্য নিয়েছে
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে ২০১৫ সালে টাকা চাইলো ফোন করে সরাসরি। আমার মনে হয়েছে নিজের যোগ্যতায় আমি জব পাবো। আর টাকা দিয়ে চাকরিতে ঢোকা মানে নিজের কাছে আজীবন ছোট হওয়া
উপজেলা কৃষি অফিসারগণ বিভিন্ন কৃষকদের নামে সাদা কাগজে কাঁচা ভাউচার দেখিয়ে কৃষকদের স্বাক্ষর নকল বা ভুয়া স্বাক্ষর দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করে ফেলে। বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা হতে এভাবে টাকা আত্মসাৎ করছে।
পাসপোর্ট অফিস থেকে পুলিশ ভেরিফিকেশন আসলে আমাকে আশুলিয়া থানার সামনে ডাকে। থানার সামনে গেলে থানার সামনের কম্পিউটার দোকানের গলিতে নিয়ে যায় এবং আমার কাছে ১৫০০টাকা দাবি করে পরে ১০০০টাকা নেয়। পরে তিন্দিন পর ভেরিফিকেশন কম্পলিট করর দেয়।
আমি চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ মোগলটুলি বাজারের কাছাকাছি এলাকায় থাকি, মোগলটুলি এরিয়াতে মাদক ও ইয়াবার ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। পাশাপাশি চুরি ছিনতাই হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে আমি আমার থেকে প্রায় ৩০০০০ টাকা নিয়ে পেলছে মোগলটুলি বাজারের পাশে রিকাশার গ্যারেজে আড্ডা দেওয়া চিহ্নিত মাদকাসক্ত ও মাদক ব্যাবসায়ী জীবন বিজয় লাড্ডু সাদ্দাম বাদল সহ আরো কিছু লোক। সমাজের উঠতি বয়সী তরুণদের জীবন হুমকির মুখে
চিরিরবন্দর থানার SB-এর — নামের একজন ব্যক্তির কাছে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য ২,০০০ (দুই হাজার) টাকা প্রদান করেছি। কিন্তু টাকা নেওয়ার পরও তিনি এখন পর্যন্ত আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রদান করেননি।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য দুই নাম নাই নির্বাচন কমিশনের অপিস ইউনিয়ন পরিষদ অপিস।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে নিয়োগ প্রকৃয়া রর্তমানে চলমান, পদের নাম ডাটাএন্ট্রি অপারেটর, লিখিত পরিক্ষায় ডিভাইসের ব্যবহার, যারা কন্টাক্ট করেছে তাদের কাছে পাশ সাপ্লাই, করেছে একটি সিন্ডিকেট, যার অভিযোগ দেওয়ার পরও কোন পদক্ষেপ নেয়নি, অভিযোগগুলো যাচাই বাছাই ও করেনি
কৃষকের জন্য বরাদ্দকৃত সার, আমরা কৃষকরা কখনোই সরকারি দামে পাই না। সবসময় বেশী দামে কিনতে হয়। বিভাগীয় কৃষি অফিসার বস্তা প্রতি ২০ টাকা, উপজেলা কৃষি অফিসার বস্তা প্রতি ২০ টাকা এভাবে ঘুষ নেয়ার কারণে তারা সার ব্যবসায়ীদের কিছু বলেন না। ১০০০ টাকার ডিএপি এবং এমওপি সার কিনতে ১৫০০ টাকা ঘেকে ১৮০০ টাকা লাগে। দেখার কেউ নেই। আল্লাহ আমাদের বাচান।
সিলেট প্রবেশন অফিসারের কার্যালয়ে একটি মামলার তদন্তের দায়িত্ব গিয়েছিল। উকিল মনে হয় টাকা দেয়ার পরামর্শ দিয়েছিল কি না সঠিক জানা নেই। তবে ওই কর্মকর্তা ৫০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছিল রিপোর্ট পক্ষে পাইয়ে দিতে তাও আবার রমজান মাসে! রমজান মাসেও ঘুষের টাকা গ্রহণ করেছিল ওই অফিসার। রুমের ভিতরে কম্পিউটার এবং টাইপিংয়ের ছোট একটা জায়গা আছে। ওখানে পর্দার অপরপাশে যেয়ে অফিসারটি ঘুষের টাকা নিয়েছিল।
ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য পিয়ন ১০০ টাকা চেয়েছিল। সোনালি ব্যাংক, শম্ভুগঞ্জ শাখা, ময়মনসিংহ