জন্ম সনদ
জন্ম সনদে মা'র নাম মেপিং করার প্রসঙ্গে, সেটা নাকি ডি সি, র পারমিশন নিতে টাকা লাগবে না হলে অনেক দেরিতে পাবেন তাই দিতে হলো।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জন্ম সনদে মা'র নাম মেপিং করার প্রসঙ্গে, সেটা নাকি ডি সি, র পারমিশন নিতে টাকা লাগবে না হলে অনেক দেরিতে পাবেন তাই দিতে হলো।
১ বছরের উপরে প্রতিবন্ধী কার্ড করার জন্য দেয়া হয়েছে।কিন্তু কার্ড করে না।টাকা না দেয়ার জন্য কার্ড করে না।একহাজার টাকা দিলেই কার্ড দ্রুত করে দিবে।ঐখানে গেলে কোন কথার দাম দেয় না।
জে এম শাখা, ডিসি অফিস, নেত্রকোণা। আ *** সাহেবের কাছে অফিসিয়াল কাজের জন্য গেলে খুব খারাপ ব্যবহার করে। যতক্ষণ পর্যন্ত না আপনি টাকা দিবেন।
মামলাটা পাঁচ বছর ধরে ঘুরাইতেছে, মামলা ফাইনালে উঠায় না, প্রথম তিন বছর এক পক্ষ জবাব দেয়নি তার পরেও এক তরফা রায় দেয়নি, কারন ঘুরাঘুরি করলেই টাকা, পরে আমি মামলা ফাইনালে উঠায়তে বললে ৫ হাজার টাকা ঘুষ চায়, উপায় না পেয়ে তিন হাজার টাকা দিয়ে ফাইনালে ঊঠাইছি,
আমি আমার আমার দোকানের জন্য মিটারের আবেদন করি। দূরত্ব বেশি দেখিয়ে আবেদনটি বাতিল করে দেওয়া হয়। কিছুদিন পর শাখাই দায়িত্বে থাকা ব্যবস্থাপকের সাথে কথা বললে ফোনে তদন্ত কর্মকর্তাকে ডেকে পাঠান। তদন্ত কর্মকর্তা আমাকে নিচে ডেকে নিয়ে এসে একজন ইলেকট্রিশিয়ানের সাথে কথা বলতে বলেন। ইলেকট্রিশিয়ান আমাকে বলেন ৮০০০ টাকা খরচ হবে। আমি ৭০০০ টাকায় মিট করি। আমার অতিরিক্ত খরচ ৪০০০ টাকা। এখন আমি একই স্থানে মিটার পেয়েছি। নারিশা সাব অফিস ঢাকা পল্লীবিদ্যুত সমিতি ২ দোহার, ঢাকা।
য়ামার বাবাকে জেলগেট থেকে পুনরায় ধরে নিয়ে থানায় আসা হয় এবং রিমান্ডে নেবার ভয় দেখিয়ে আমার নিকট থেকে ওসি তদন্ত ঘুষ গ্রহন করে যা আমি দিতে বাধ্য হই।
ওখানে প্রত্যেকটা কর্মরত ব্যক্তি জন্মসনদের কাজের জন্য নিয়মবহির্ভূত টাকা নিচ্ছে। শুধু তাই নয়। টাকা না দিলে জন্ম সনদ সংশোধন থেকে শুরু করে যে কোনো রকমের কাজ আটকিয়ে রাখে মাসের পর মাস। শুধু তাই নয়। এখানে থাকা ব্যক্তিরা ডিউটিও ঠিক মত করে না। সকাল ১১ টায় অফিস আসে। চলে যায় ৩ টার সময়। আবার কোনোদিন ঠিক মতো আসেও না। প্রত্যেকটি ব্যক্তির কাছ থেকে এরা জোর পূর্বক এই ঘুষের নিয়ম তৈরী করে নিয়েছে। এলাকাবাসী এখন এমনটা অভ্যস্ততায় চলে এসেছে যে সবাই ভাবে এটাই নিয়ম।
পুলিশ ভেরিফিকেশন এর ক্ষেত্রে টাকা ছাড়া ক্লিয়ারেন্স পাওয়া যায় না।আমার ২ টি চাকরির ক্ষেত্রে ১০০০ টাকা করে পুলিশকে দিতে হয়েছে।
আমার কারখানার লাইসেন্স করতে গেলে অফিসের এক পরিদর্শক যেসব কাগজ দিতে বলে সব দেই। চালান 3000 টাকা হলেও সে 70000 টাকা দাবী করে বলে ডিআইজি কে দিতে হবে। আমি 50000 টাকা দেই।
1 lac taka অংক টা রূপক, project এর value এর উপর এইটা ২.৫% এর কাছকাছি! আদতে LGED এর এমন কোনও প্রজেক্ট নাই , LTM /OTM যেখানে Field supervisor থেকে শুরু করে ল্যাব টেকনিশিয়ন,sub-asst ইঞ্জিনিয়ার,Executive engineer and Finance department সবাই Percentage % করে টাকা খাই ক্যাশ দিতে হয় না হয় Bill process হবে না !!
নোটিশ জারিকারক মামলার নোটিশ জারি করবে, তাই জারির খরচ বাবদ ৫০০০ টাকা নাকি দিতে হবে। টাকা দেইনি বলে ১ বছর হলো মামলার নোটিশ জারি করে না।আজকেও আবার ফোন দিছিল খরচের জন্য, আমি না করে দিয়েছি।বলছি নোটিশ জারি করা আপনাদের দায়িত্ব। এ কথা শুনে ফোন কেটে দিছে।
আমি আমার ড্রাগ লাইসেন্স নবায়নের জন্য জমা দেই। যথারীতি আমি অনলাইনে সকল ফি পরিশোধ করি এবং কাগজপত্র সহ দায়িত্ব রত কর্মকর্তার কাছে জমা দেই। তিনি এক সপ্তাহ পর নবায়ন হলে বলে জানিয়ে দেন। চার থেকে পাঁচ দিন পর ফোন দিয়ে জানান আপনার নবায়ন হয়ে গেছে এসে নিয়ে যান। আমি আনতে গেলে হাজার টাকা দাবি করেন। আমি বললাম কিসের টাকা? বললেন এটা সবাই দেয়। আমি প্রথমে পাঁচশত টাকা দিয়েছি কিন্তু উনার চাপাচাপিতে শেষ পর্যন্ত এক হাজার টাকা দিতে বাধ্য হই।
পৌরসভার চাকরি, রিটার্ন ও ভাইবা ভালো হওয়ার পরেও টাকা চায়,আমি টাকা না দেয়ায় চাকরিটা আমার হইনাই, আমার টাকা দেয়ার সামর্থ নেই, বাংলাদেশে যোগ্যতার কোন মুল্য নাই।
আমরা সবাই বান্দরবান ট্রুর থেকে বাড়ি ফিরছিলাম। রাস্তায় একটু পর পর পুলিশের চেকপোস্ট। প্রথমে ২ বার তেমন কোন সমস্যা হয় নি। পরের বার অনেক জন একসাথে বাসে উঠে এবং হুদাই সব তোলপাড় করা শুরু করে। যখন কিছুই পায় নি, তখন চেহারা দেখে দেখে কয়েকজনকে তার্গেট করলো, পরে আস্তে আস্তে সবাইকে বাস থেকে নামালো। কারো মোবাইলে বেট একাউন্ট ছিল, কারো ফোনে কিছুই ছিল না,,, যদি একটা গ্রুপের একজনের কাছেও এমন কিছু একটা পাওয়া যেত, সবাইকে গাড়ি থেকে নামিয়ে যত টাকা পারে, তত টাকা আদায় করে নিছে। এক প্রকার হরিরলুট ছিল। শুধু টাকা নয়, কারো হাতে কোন ডিভাইস (পাওয়ার ব্যাংক, ঘড়ি, AirPods) এগুলোও নিয়ে নিছে। এটা সরকার গঠন হওয়ার পরের কথা। (২০২৬) কম হলে ২৫০০০ টাকা এই এক বাস থেকেই আদায় করছে।
২০২৪ সালে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিতে গেলে ১০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছিলো পুলিশ কর্মকর্তা তারপর বললাম আমার কাছে কোনো টাকা নাই ৫০০ আছে বলে ৭০০ টাকা না দিলে হবে না তারপর ৭০০ টাকা দিতে বাধ্য হই
চলতি বছরের মার্চ মাসের ২য় সপ্তাহে আমার স্থানিয় বিদ্যুৎ অফিসে বৈদ্যুতিক খুঁটি সহ নতুন মিটারের আবেদন করি।আবেদন জমা করার ১ মাস পরেও তাদের কোন রেসপন্স না পেয়ে তাদের সাথে স্বশরীরে যোগাযোগ করি। তখন তারা বলে যে আবেদন পত্র সামনে সপ্তাহে জেলা শহরের অফিসে পাঠাবে। কিন্তু কিছু খরচ দিতে হবে। ১৫০০ টাকা নিয়েছে। কিন্তু কোনো কাজ করে নি।গেলেই বলে যে দরখাস্ত পাঠিয়েছি আমরা।আপনাকে জানাবো।এই ভাবে ঘুরতে ঘুরতে ৬মাস ঘুরিয়েছে।পরবর্তী তে সলংগা বিদ্যুৎ অফিসের সাথে জড়িত দালালের মাধ্যম নিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে বাড়িতে বৈদ্যুতিক মিটার দিয়ে গেছে। প্রশ্ন হচ্ছে আমরা নিজেরা যে সরকারি প্রসিডিউ ফলো করে আবেদন করলাম তার কোনো রেজাল্ট পেলাম না, বরং ৬ মাস হয়রানি করা হয়েছে । তার কারণ কি এটাই যে আমরা দালালের সরনাপন্ন হয়নি এজন্য।
আমি মোট চারবার রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অফিস ভিজিট করেছিলাম কিন্তু এতে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আমাকে চা খাইয়ে আপ্যায়ন ও করেছেন । কাজটা ছিল খুবই সোজা আমার পুরনো খাজনা রশিদের উপরে নতুন অনলাইন নাম্বার টা বসিয়ে দেওয়া এতোটুকুই এই কাজটা পরবর্তীতে আমার ড্রাইভার চার হাজার পাঁচশ টাকা দিয়ে করিয়ে নিয়েছিল আমার সামনেই। ওই কর্মকর্তা বুঝতে পারেননি তিনি আমার কাজটাই করছেন।
আমার বোন ইংল্যান্ডে যাওয়ার জন্য ভিসা প্রসেসিং করছিল। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য নাটোরের নলডাঙ্গা থানার একজন পুলিশ উপ-পরিদর্শক আমার কাছে থেকে 5000 টাকা দাবি করে। আমি দিতে অসম্মতি জানাই। কিন্তু সে বলে ইউরোপ আমেরিকার বিষয় তো ৫০০০ টাকা খুবই সামান্য। এগুলো দিতে হয়।
আমি নতুন ভোটার হতে লালবাগ ইসি অফিসে গিয়েছি তবে সকল কাগজপত্র সঠিক থাকা সত্ত্বেও আমার এই ভুল সেই ভুল দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছে যা সরকারি সেবা গ্রহণে বাধা।
প্রথমে গেলাম সার্টিফিকেট অফ অরিজিন ফর্ম ২য় তলায় নিতে ফি দিয়ে তখন একজন বললো ২০০ টাকা দেন। তারপর গেলাম লিফটের-৪ ফর্ম সাইন করাতে উনি সাইন শেষে বললো ১০০ টাকা দেন। তারপর গেলাম পাশেই একজন নাম্বারিং করছে উনিও নিলো ১০০ টাকা। আর একজন রেকড রেজিষ্ট্রেশন করছে উনি নিলো ২০০ টাকা। ব্যাংকে সরকারি নির্ধারিত ফি পেমেন্ট করেছি এই স্লিপ উঠাতে ৫০ টাকা নিলো আবার বের হওয়ার সময় পিওন নিলো ৫০ টাকা