জি ডি
ব্যাংক চেক হারিয়ে যায়। এটা লাগবে, ওটা লাগবে বলে টাকা দাবি করে। পরিশোধ করার পর কিছুই লাগে নি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ব্যাংক চেক হারিয়ে যায়। এটা লাগবে, ওটা লাগবে বলে টাকা দাবি করে। পরিশোধ করার পর কিছুই লাগে নি।
মিটার পরিবর্তনের জন্য আবেদন করে টাকা জমা করেছি প্রায় ৩ মাস। মাঝে একবার গেলে বলে আসবে আসবে। অফিসের বাইরের একজন বললো মামা বা টাকা ছাড়া কাজ হয় না। ফাস্ট এবং গ্যারান্টেড কাজের জন্য এগুলার বিকল্প নাই।
কম্পিউটার অপারেটর ও বড় বাবু সেল পারমিশনের জন্য ৫০,০০০/- দাবি করে অফিসে বসে সিগারেট খেতে খেতে।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর আবেদন জমার জন্য ১০,০০০ টাকা দাবি করে। বিদেশে যাওয়ার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বাধ্যতামূলক বিধায় উক্ত টাকা পরিশোধ করতে হয়। অথচ সরকারি ফি সেই সময়ে ছিল ৫০০ টাকা মাত্র।
একটা বিশেষায়িত ব্যাংকে প্রমোশন দিবে বলে ৪৫০০০০/- নেওয়া হয়।
নাটোর জেলার, ৪ নং (সাবেক ৯ নং) লক্ষীপুর ইউনিয়ন (হয়বতপুর) এ আমার ছোট বোন এবং স্ত্রীর গর্ভকালীন ভাতার আবেদন করতে গেলে, জনপ্রতি ৫০০০ টাকা করে ঘুষ চাওয়া হয়। টাকা চায় মহিলা আসনের মেম্বার —। টাকা না দিলে উনি কোনো এপ্রভুভাল দিবেন না। আমার প্রশ্ন হলো, যেই গরিব নারীগুলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এই সু্বিধা পাবার কথা, তারা কেনো ৫০০০ টাকা করে ঘুষ দেবে এই টাকা পেতে হলে? বিষয়টি সরজমিনে গেলে অবশ্যই প্রমাণ পাবেন।
১টা মসজিদের মিটার নামাতে ৮০০০হাজার টাকা দিতে হয়েছে পরানগঞ্জ ডিজিএম কে
ঢাকা-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কটি চার লেনে উত্তোলনের জন্য সরকার জমি অধিগ্রহণ করে। যার ফলে ঐ সড়কের পাকুন্দিয়া অংশে আমাদের জমিও সরকার অধিগ্রহণ করে, অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ হিসেবে সরকার আমাদের ৯৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরন দেয়। ক্ষতি পূরণের টাকা উত্তোলনের জন্য যখন আমরা জেলা প্রশাসকের ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় যায় তখন তারা ২০ লক্ষ টাকা ঘোষ দাবি করে এবং দর-কষাকষি করে না পেরে অবশেষে ১০ লক্ষ টাকায় রফাদফা করি। তাছাড়া দীর্ঘ ১ বছর তারা আমাদের চরম লেভেলের ভোগান্তিতে ফেলে, ১ বছর তাদের দরজায় দরজায় ঘুরে টাকা উত্তোলন করা লাগছে।
ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য পিয়ন ১০০ টাকা চেয়েছিল। সোনালি ব্যাংক, শম্ভুগঞ্জ শাখা, ময়মনসিংহ
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে ২০১৫ সালে টাকা চাইলো ফোন করে সরাসরি। আমার মনে হয়েছে নিজের যোগ্যতায় আমি জব পাবো। আর টাকা দিয়ে চাকরিতে ঢোকা মানে নিজের কাছে আজীবন ছোট হওয়া
উপজেলা কৃষি অফিসারগণ বিভিন্ন কৃষকদের নামে সাদা কাগজে কাঁচা ভাউচার দেখিয়ে কৃষকদের স্বাক্ষর নকল বা ভুয়া স্বাক্ষর দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করে ফেলে। বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা হতে এভাবে টাকা আত্মসাৎ করছে।
কেন্দুয়া উপজেলার কৃষি অফিসার হিন্দু ভদ্র লোক টাকার জন্য ডিলারদের প্রতিষ্ঠানে যায়। বিগত সরকারের আমলের একটা লাইসেন্স ঠিকিয়ে রাখার জন্য ১লাখ টাকা নেয়। কিন্তু কোন কাজ ও করেনাই। উল্টো লাইসেন্স এর ক্ষতি করলো অফিসার উনি আবার একটা ইউনিয়ের প্রশাসকের দ্বায়িত্বেও আছেন।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য দুই নাম নাই নির্বাচন কমিশনের অপিস ইউনিয়ন পরিষদ অপিস।
চিরিরবন্দর থানার SB-এর — নামের একজন ব্যক্তির কাছে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য ২,০০০ (দুই হাজার) টাকা প্রদান করেছি। কিন্তু টাকা নেওয়ার পরও তিনি এখন পর্যন্ত আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রদান করেননি।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে নিয়োগ প্রকৃয়া রর্তমানে চলমান, পদের নাম ডাটাএন্ট্রি অপারেটর, লিখিত পরিক্ষায় ডিভাইসের ব্যবহার, যারা কন্টাক্ট করেছে তাদের কাছে পাশ সাপ্লাই, করেছে একটি সিন্ডিকেট, যার অভিযোগ দেওয়ার পরও কোন পদক্ষেপ নেয়নি, অভিযোগগুলো যাচাই বাছাই ও করেনি
আমার একটি সংযোগে লোড বৃদ্ধির জন্য বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে কথা বলি। তখন তারা নানা রকম অযুহাত, আবেদন, কাগজ পত্র, ইত্যাদি বিষয় নিয়ে কথা পেচাতে থাকে। এরপর বলে আবেদন করেন দেখতেছি। ১মাস ঘুরেছি কাজ হয়নি। অফিসের বাইরে একজন লোক বলে ভাই দালাল ধরেন কাজ হয়ে যাবে। এরপর দলাল ধরি, টাকা দেই, কাজ হয়ে গেছে।
চাকুরির ভেরিফিকেশন করার জন্য এসে ৭০০০ টাকা চেয়ে ছিলো, চা মিষ্টি খাওয়ার জন্য। ৩০০০ টাকা দেওয়া হয়েছে, যদিও আমার সকল কাগজ ঠিক ছিলো।
অবৈধভাবে প্রতিটি যানবাহন থেকে বিশ টাকা আদায় করা হচ্ছে ঢাকা চিড়িয়াখানায়। —
কলকারখানা লাইসেন্স ও নকশা অনুমোদনের জন্য ৫ লক্ষ দাবি করে পরে নেগোসিয়েশন করে ২ লক্ষ টাকা দিয়ে লাইসেন্স ও অনুমোদন নিই
জন্ম নিবন্ধন করে দেওয়ার বিনিময়ে