Fire License
Renewal License for 2026-27
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Renewal License for 2026-27
জন্ম নিবন্ধনের সার্ভার বন্ধ এটি উপরের লোক দিয়ে করাতে হবে। ইউনিয়ন নাগরিক সেবা কর্মী।
ডাক্তারদের ট্রেনিং পোস্ট নরমালি আবেদন করলে পাওয়া যায় না।তদবির এবং টাকা লাগে।
আমার plan অনুসারে বিল্ডিং ঠিক থাকার পরও আমাকে নোটিশ দিয়ে দেখা করতে বলে। আমি plan এর কপি জমা দিয়েছি। সরজমিনে মাপ না দিয়ে আমাকে আবার নোটিশ দেয় তখন বুঝলাম টাকা ছাড়া নোটিশ বন্দ হবে না। টাকা দিবার পর সব ঠিক হয়ে গেছে।
আমি সরকার এটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় চাকরি করি। আমার পদোন্নতি জন্য টাকা চাওয়া হয় । কিন্তু আমি এ বিষয়ে আর কোন কথা বলতে রাজি না হওয়াতে টাকার পরিমাণ তারা উল্লেখ করতে পারেনি। আমি যে টাকার পরিমাণে উল্লেখ করেছি সেটা ধারণা। তবে টাকা দিতে অস্বীকার করাতে আমার নিয়োগ বিধি বাতিল করা হয়েছে। টাকা না দেওয়ার কারণে আমি একই পদে ২৮ বৎসর চাকরি করছি। আমাকে এই পদের থেকে রিটায়ারমেন্টে যেতে হবে। আমার মন্ত্রণালয়ের সবাই জানে।
আসসালামু আলাইকুম কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী থানার এসআই — আমার থেকে ২ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে। আমার মত ভুক্তভোগী এবং বাদী পক্ষের থেকে নাস্তা খাওয়ায় কথা বলে ঘুষ নেওয়াটা আমি অযৌক্তিক মনে করছি। শুধু আমার না এভাবে প্রত্যেক অভিযোগ এবং মামলায় তিনি অনেক অনিয়ম এবং ঘুষ নিয়ে থাকেন। তিনি একজন ঘুষ খোড় এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি। আপনার তদন্ত করলেই জানতে পারবেন । বিস্তারিত লিখতে পারলাম না । তদন্ত করলেই সব পরিষ্কার হতে পারবেন।
আমার বাড়ি গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের এক নাম্বার ওয়ার্ড, আমার গরুর ডেইরি ফার্ম আছে আমি গাজীপুর জয়দেবপুর রেলগেটে গেছিলাম ভ্যাকসিন আনার জন্য একটা হইল এলএসডি লাব্বি স্কিন ম্যাকসিন ,আরেকটা হলো খোঁড়া রোগের ভ্যাকসিন ওই হাসপাতলে একজন ডাক্তার কিছু পানিকে ভ্যাকসিন বা ইনজেকশন পুশ করছিল তখন আমি তার সাথে কথা বলি যে আমার একটা লাম্পিং স্ক্রিন ভ্যাক্সিন লাগবে উনি আমাকে জানাবে বলে কোথায় জানি চলে গেল, তারপরে এসে আমাকে বলে নাই কিন্তু ব্যবস্থা করে দেওয়া যাবে ৬০০ টাকা লাগবে, আর খোঁআড়া রোগের জন্য আমি জিজ্ঞেস করলাম সে বলল ১৮০০ টাকা লাগবো আমি ৬০০ টাকা দিয়ে এলএসডি ভ্যাকসিনটা নিলাম আর নাম্বারটা দিয়ে আসলাম আমাকে এখনো ফোন দেয় নাই ডাক্তার
প্রিপেইড মিটারের কিলোওয়াট বাড়াতে হবে, বললো ৭-৮ দিন লাগবে, আর কাজ নাও হতে পারে, ৩০০০ টাকা দেন দেখি কি করতে পারি, একে বাড়ে এ অফিসের মধ্যে কথা গুলো বলল, জীবনে প্রথম বার কেউ এই ভাবে চা পানি খাওয়ার জন্য, সুট বুট পড়া ভদ্রলোক টাকা চাইলো, না দিয়ে পারলাম না, ফলাফল ২ ঘন্টার মধ্যে কাজ কমপ্লিট
ডাক্তারির লাইসেন্স নিতে গিয়ে urgent এর সকল ডাবল ফি পেমেন্ট করার পরও ঘুষ দিতে হয়েছিলো. [redacted] এটা তাহার নাম্বার. ওরা পুরোটাই একটা গ্রুপ.
চট্টগ্রাম বন্দরে অঘোষিতভাবে প্রত্যেকেই টাকা ছাড়া কাজ করে না হিসাব থাকায় ১০০০ টাকা বিনিময় ছাড়া জাহাজের এনওসি দিবেনা রেডিও কন্ট্রোলের ৫০০ টাকা ছাড়া জাহাজের তথ্য গুলার এন্ট্রি করে দিবে না ৫০০০ টাকা ছাড়া একজন পাইলট জাহাজ স্থানান্তর করবে না আর যদি টাকা দিতে প্রত্যাখ্যান করি পরেরবার আমাদের প্রত্যেকটি জাহাজের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দেখিয়ে জাহাজটিকে কাজ না করিয়ে বসিয়ে রাখবে চট্টগ্রাম বন্দরে একজন পিয়ন থেকে শুরু করে হারবাল মাস্টার চেয়ারম্যান পর্যন্ত সবাই ঘুষ খায় বিশ্বাস না হলে চট্টগ্রাম বন্দরে সিসি ক্যামেরা দেখলেই পাওয়া যাবে
এনআইডি সংশোধন জরুরি ছিল। কিন্তু সব কাগজ দিয়ে আবেদন করেও ২ মাস যাওয়ার পরও সমাধান করেনি।পরবর্তী একজন দালালের মাধ্যমে ২৫০০ টাকা সন্ধ্যায় বিকাশে দেওয়ার ১৫ মিনিটের মধ্যে এনআইডি সংশোধন করে দেয়। আমিতো তাদের কারিশমা দেখে অবাক।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও সোনারগাঁও উপজেলা প্রশাসন এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোনারগাঁয়ের উপর সরাসরি মহামান্য হাইকোর্টের রিট পিটিশন নং-১৬৩৭০/২৪ এর আদেশ থাকলেও অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সরকার দলীয় লোক পরিচয় দিয়ে মব সৃষ্টি করে মসজিদ দখল করে দানের টাকা লুটপাট করে নিলেও স্থানীয় প্রশাসন হাইকোর্টের আদেশ বাস্তবানের জন্য কোনো প্রকার উদ্যোগ গ্রহন করছেনা। এই বিষয়ে আপনাদের সহায়তা একান্ত কাম্য।
ইন্টারনেটের নতুন সংযোগ স্থাপন করার জন্য বলেছিল যে আলাদা করে যদি আমি 500 টাকা দেই তাহলে দ্রুত কাজ করা হবে আর এর সাথে এটাও বলেছিল যে অনেক দেরি হবে লাইন ম্যান কার কথা শোনে না কাজ করে না কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে সবার আগে সে আমাকে এটা জিজ্ঞেস করেছিল যে ইন্টারনেট আমরা সেবা প্রোভাইড করি এটার ব্যাপার আপনাকে কে বলেছে। মিরপুর দুই স্টেডিয়াম ম্যাচ সাথে যে বিটিসিএল এর অফিসে।
আমাকে আউটসোর্সিং এ চাকরি দিবে কথা বলে ২০২৩ সালে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছিল ওই অফিসের কেয়ারটেকার। চাকরি তো হই নাই, টাকার জন্য এখানো ঘুরাঘুরি করি। টাকা ফেরত দেবার তারিখ বিহীন চেক দিছিল, কিন্তু ওই একাউন্ট আজ পর্যন্ত টাকা রাখেনি। একপ্রকার চেক দিয়ে প্রতারণা করেছিল। আমার কাছে প্রমাণ সহ আছে। এমন অনেকেই এখনো ভুক্তভোগী হয়ে ঘুরাফেরা করছে।
স্থানীয় সরকার শাখায় ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব সহকারী পদে গণ বদলীর মাধ্যমে জিম্মি করে সাবেক ddlg মহোদয় উৎকোচ গ্রহণ করেছে। বদলী বানিজ্য এতটাই প্রকট যে গত বছরের এপ্রিল/২৫ হতে জুলাই/২৬ পর্যন্ত মোট ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণের মোট ৮টি এবং হিসাব সহকারীদের ৩টি বদলীর অর্ডার হয়েছে। যার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন হয়েছে। আমি নিজে ভুক্তভোগী।
আমি আমার জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সংশোধন, আমার ছেলের জন্ম নিবন্ধন করা এবং একই সঙ্গে আমার ছোট ভাই-বোনের জন্ম নিবন্ধন বাংলা থেকে ইংরেজিতে রূপান্তর/সংশোধন করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে যাই। নবজাতকের জন্ম নিবন্ধনের সরকারি ফি ২৫ টাকা হলেও, বাস্তবে আমাকে এর চেয়ে অনেক বেশি টাকা দিতে হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তার মাধ্যমে আবেদন না করলে অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংশোধন বা আবেদন সম্পন্ন করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে বাধ্য হয়েই উদ্যোক্তার মাধ্যমে কাজ করাতে হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ফটোকপি ও প্রিন্ট করতে হয়েছে। ফটোকপির জন্য প্রতি কপি প্রায় ৫ টাকা এবং প্রিন্টের জন্য প্রতি কপি প্রায় ২০ টাকা খরচ হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে উদ্যোক্তার খরচ এবং কাজের জন্য বারবার ইউনিয়ন পরিষদে দৌড়াদৌড়ি ও সময় ব্যয়।
এন আই ডি র পিতার নাম সংশোধন করতে ৩০,০০০/- টাকা দিতে হয়েছে।
সরকারি চাকুরির ভেরিফিকেশনের জন্য , পুলিশ বাড়িতে এসে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের পর, পরের দিন বিকালে মাহিগঞ্জ বাজারে ২০০০০ টাকা নিয়ে দেখা করতে বলে। অফিসে স্যারদের পিছনে খরচ রয়েছে জানান না হলে ভেরিফিকেশন নো হবে।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর ফাইল জমা দিতে গিয়ে ৫০০ টাকা ফিতে হয়েছে 🫡
আমি আমার প্রতিষ্ঠানের জন্য বিএসটিআইয়ের অফিসে গিয়েছিলাম আমার একটা খদ্য পন্য বিএসটিআই নেওয়া জন্য কিন্তু তারা আমার কাছে তিন লক্ষ টাকা চায় আমাকে বলছে আমি না করি কিন্তুু অফিসারের কথা হলো বিএসটিআই লাইসেন্স করতে হলে তিন লক্ষ টাকা দিয়তে হবে তা না হলে লাইসেন্স হবে না তারপর আমি রিকোয়েস্ট করে আবেদন করি এই বিষয় আমি ঢাকায় বিএসটিআইয়ের হেড অফিসে অভিযোগ করি কিন্তুু কোন সুরাহা পাইনি এখনো আমার আবেদন বহাল আছে বিএসটিআই অফিস থেকে এখনো কোন অফিস্যার আসে নাই আমাদের কারখানাতে ভিজিট করতে আসে না আগে টাকা তারপর কাজ এই হলো আমাদের সোনার বাংলাদেশ তাহলে সাধারন মানুষ কিবাবে ব্যবসা করবে বলোন