সার ডিলার নিয়োগ
ডিলার হিসেবে নিয়োগ করার জন্য ঘুষ দাবি করেছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ডিলার হিসেবে নিয়োগ করার জন্য ঘুষ দাবি করেছে
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর ফাইল জমা দিতে গিয়ে ৫০০ টাকা ফিতে হয়েছে 🫡
ডাক্তারির লাইসেন্স নিতে গিয়ে urgent এর সকল ডাবল ফি পেমেন্ট করার পরও ঘুষ দিতে হয়েছিলো. [redacted] এটা তাহার নাম্বার. ওরা পুরোটাই একটা গ্রুপ.
এন আই ডি র পিতার নাম সংশোধন করতে ৩০,০০০/- টাকা দিতে হয়েছে।
এনআইডি কার্ড নিবন্ধনের জন্য নতুন ভোটার রেজিস্ট্রেশন আমার স্ত্রীর।
আমাকে আউটসোর্সিং এ চাকরি দিবে কথা বলে ২০২৩ সালে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছিল ওই অফিসের কেয়ারটেকার। চাকরি তো হই নাই, টাকার জন্য এখানো ঘুরাঘুরি করি। টাকা ফেরত দেবার তারিখ বিহীন চেক দিছিল, কিন্তু ওই একাউন্ট আজ পর্যন্ত টাকা রাখেনি। একপ্রকার চেক দিয়ে প্রতারণা করেছিল। আমার কাছে প্রমাণ সহ আছে। এমন অনেকেই এখনো ভুক্তভোগী হয়ে ঘুরাফেরা করছে।
আমি একটি পন্যের লাইসেন্স নয়ায়ন কালে, টেস্ট রিপোর্ট পাস করাতে ৩০০০০ টাকা চাওয়া হয়েছিলো
স্থানীয় সরকার শাখায় ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব সহকারী পদে গণ বদলীর মাধ্যমে জিম্মি করে সাবেক ddlg মহোদয় উৎকোচ গ্রহণ করেছে। বদলী বানিজ্য এতটাই প্রকট যে গত বছরের এপ্রিল/২৫ হতে জুলাই/২৬ পর্যন্ত মোট ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণের মোট ৮টি এবং হিসাব সহকারীদের ৩টি বদলীর অর্ডার হয়েছে। যার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন হয়েছে। আমি নিজে ভুক্তভোগী।
পূর্ব রাজাবাজার কবরস্থান গলিতে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে পানির পাম্প বসানো হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত মিটার ছাড়া বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছে। ডিপিডিসির প্রধান প্রকৌশলীকে অবহিত করার পর তিনি প্রথম সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন কিন্তু অপরাধীদের কাছ থেকে নগদ টাকা পেয়ে পুনরায় সংযোগ প্রদান করেন। তিনি এখন উল্টো দাবি করছেন সবকিছু বৈধ অথচ এখনও মিটার ছাড়া অবৈধ সংযোগে বিপুল পরিমান বিদ্যুৎ চুরি হচ্ছে।
আমি আমার জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সংশোধন, আমার ছেলের জন্ম নিবন্ধন করা এবং একই সঙ্গে আমার ছোট ভাই-বোনের জন্ম নিবন্ধন বাংলা থেকে ইংরেজিতে রূপান্তর/সংশোধন করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে যাই। নবজাতকের জন্ম নিবন্ধনের সরকারি ফি ২৫ টাকা হলেও, বাস্তবে আমাকে এর চেয়ে অনেক বেশি টাকা দিতে হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তার মাধ্যমে আবেদন না করলে অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংশোধন বা আবেদন সম্পন্ন করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে বাধ্য হয়েই উদ্যোক্তার মাধ্যমে কাজ করাতে হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ফটোকপি ও প্রিন্ট করতে হয়েছে। ফটোকপির জন্য প্রতি কপি প্রায় ৫ টাকা এবং প্রিন্টের জন্য প্রতি কপি প্রায় ২০ টাকা খরচ হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে উদ্যোক্তার খরচ এবং কাজের জন্য বারবার ইউনিয়ন পরিষদে দৌড়াদৌড়ি ও সময় ব্যয়।
আমার বাড়ি গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের এক নাম্বার ওয়ার্ড, আমার গরুর ডেইরি ফার্ম আছে আমি গাজীপুর জয়দেবপুর রেলগেটে গেছিলাম ভ্যাকসিন আনার জন্য একটা হইল এলএসডি লাব্বি স্কিন ম্যাকসিন ,আরেকটা হলো খোঁড়া রোগের ভ্যাকসিন ওই হাসপাতলে একজন ডাক্তার কিছু পানিকে ভ্যাকসিন বা ইনজেকশন পুশ করছিল তখন আমি তার সাথে কথা বলি যে আমার একটা লাম্পিং স্ক্রিন ভ্যাক্সিন লাগবে উনি আমাকে জানাবে বলে কোথায় জানি চলে গেল, তারপরে এসে আমাকে বলে নাই কিন্তু ব্যবস্থা করে দেওয়া যাবে ৬০০ টাকা লাগবে, আর খোঁআড়া রোগের জন্য আমি জিজ্ঞেস করলাম সে বলল ১৮০০ টাকা লাগবো আমি ৬০০ টাকা দিয়ে এলএসডি ভ্যাকসিনটা নিলাম আর নাম্বারটা দিয়ে আসলাম আমাকে এখনো ফোন দেয় নাই ডাক্তার
আসসালামু আলাইকুম কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী থানার এসআই — আমার থেকে ২ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে। আমার মত ভুক্তভোগী এবং বাদী পক্ষের থেকে নাস্তা খাওয়ায় কথা বলে ঘুষ নেওয়াটা আমি অযৌক্তিক মনে করছি। শুধু আমার না এভাবে প্রত্যেক অভিযোগ এবং মামলায় তিনি অনেক অনিয়ম এবং ঘুষ নিয়ে থাকেন। তিনি একজন ঘুষ খোড় এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি। আপনার তদন্ত করলেই জানতে পারবেন । বিস্তারিত লিখতে পারলাম না । তদন্ত করলেই সব পরিষ্কার হতে পারবেন।
প্রিপেইড মিটারের কিলোওয়াট বাড়াতে হবে, বললো ৭-৮ দিন লাগবে, আর কাজ নাও হতে পারে, ৩০০০ টাকা দেন দেখি কি করতে পারি, একে বাড়ে এ অফিসের মধ্যে কথা গুলো বলল, জীবনে প্রথম বার কেউ এই ভাবে চা পানি খাওয়ার জন্য, সুট বুট পড়া ভদ্রলোক টাকা চাইলো, না দিয়ে পারলাম না, ফলাফল ২ ঘন্টার মধ্যে কাজ কমপ্লিট
আমি সরকার এটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় চাকরি করি। আমার পদোন্নতি জন্য টাকা চাওয়া হয় । কিন্তু আমি এ বিষয়ে আর কোন কথা বলতে রাজি না হওয়াতে টাকার পরিমাণ তারা উল্লেখ করতে পারেনি। আমি যে টাকার পরিমাণে উল্লেখ করেছি সেটা ধারণা। তবে টাকা দিতে অস্বীকার করাতে আমার নিয়োগ বিধি বাতিল করা হয়েছে। টাকা না দেওয়ার কারণে আমি একই পদে ২৮ বৎসর চাকরি করছি। আমাকে এই পদের থেকে রিটায়ারমেন্টে যেতে হবে। আমার মন্ত্রণালয়ের সবাই জানে।
বিদেশ যাওয়ার উদ্দেশ্যে গত ২৩ আগস্ট রোহিতপুর-কেরানীগঞ্জ BMET অফিসে ট্রেনিংয়ের জন্য ভর্তি হতে গেলে অফিস থেকে নির্ধারিত কিছু কম্পিউটার সেন্টারের তালিকা দিয়ে সেখান থেকে ভর্তি-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে বলা হয়। নির্ধারিত দোকানে গেলে তারা জনপ্রতি ২,৫০০ টাকা ভর্তি বাবদ দাবি করেন। বিষয়টি অফিসে এসে জানালে পরিচালক কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করে উল্টো তাদের কাজের প্রশংসা করেন এবং এটিকে সেন্টারের পারিশ্রমিক বলে জানান। বেশ কয়েকবার পরিচালক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশিক্ষককে বিষয়টি জানানোর পরও তারা লিখিত অভিযোগ দিতে এবং ভর্তি বাতিল হলে তাদের পক্ষ থেকে কোনো করণীয় থাকবে না বলে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।
সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের ১ লক্ষ টাকার কাজে ৩০০০০ হাজার টাকা দিতে হয়।
সরকারি বন বিভাগের সাথে আমার রেকর্ডের জমিতে আমি নতুন বাড়ির কাজ শুরু করেছি মৌচাকের বিটের কয়েকজন গার্ড সে আমার কাছে 130000 টাকা চাঁদা দাবি করে তা নাহলে আমাকে আমার ঘর করতে দিবে না এবং কাজ বন্ধ করে দেয় পরে তারা ৯০০০০ হাজার টাকা নিয়ে আমার ঘর তৈরী করতে দেয় । অথচ উত্তর মৌচাক, কালীয়াকৈর গাজীপুর যুবদলের সদস্য সচিব এ্যাড. —ের নেতৃত্বে — গং সরকারী জায়গা দখল করেই যাচ্ছে মৌচাক বীট কর্মকর্তা —ের সহায়তায় মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এটা নিয়ে গাজীপুর বন বিভাগ নিরব। ঘুস পেলে তারা সব কিছু করে আমি একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে এই অত্যাচার থেকে মুক্তি চাই
আমি আমার কাবিননামা Apostle করতে দিয়েছিলাম , এটা সরকারি ভাবে সম্পুর্ন ফ্রী তারপর ও এক দল লোক টাকা নিয়ে কাজ করে দিয়েছে ।
আমি আমার প্রতিষ্ঠানের জন্য বিএসটিআইয়ের অফিসে গিয়েছিলাম আমার একটা খদ্য পন্য বিএসটিআই নেওয়া জন্য কিন্তু তারা আমার কাছে তিন লক্ষ টাকা চায় আমাকে বলছে আমি না করি কিন্তুু অফিসারের কথা হলো বিএসটিআই লাইসেন্স করতে হলে তিন লক্ষ টাকা দিয়তে হবে তা না হলে লাইসেন্স হবে না তারপর আমি রিকোয়েস্ট করে আবেদন করি এই বিষয় আমি ঢাকায় বিএসটিআইয়ের হেড অফিসে অভিযোগ করি কিন্তুু কোন সুরাহা পাইনি এখনো আমার আবেদন বহাল আছে বিএসটিআই অফিস থেকে এখনো কোন অফিস্যার আসে নাই আমাদের কারখানাতে ভিজিট করতে আসে না আগে টাকা তারপর কাজ এই হলো আমাদের সোনার বাংলাদেশ তাহলে সাধারন মানুষ কিবাবে ব্যবসা করবে বলোন
নিকলী উপজেলার কারপাশা ইউনিয়ন পরিষদ হতে প্রতিটি প্রত্যয়ন পত্র এর জন্য ১৫০ টাকা করে নিচ্ছে। তারা আমার কাছ থেকে ৪ টি প্রত্যয়ন পত্র বাবদ ৬০০ টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে প্রত্যয়ন পত্র দিতে চাই না। টাকা দেওয়ার পর তারা প্রত্যয়ন পত্র করে দেই। তাছাড়া প্রটি জন্মনিবন্ধন করার জন্য তারা ২০০ টাকা চাঁদা দাবি করে।