Police clearance
Abedon korar por onk somoy nicchilo. Kno progress chilona. Poroborti te akjn constable dhore tk dia kaj ti korano lage. Jeta neoa lage bagerhat theke. Okhaneo tk dabi kore. But na thakay dite pari ni. Pore se doya kore dia dy
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Abedon korar por onk somoy nicchilo. Kno progress chilona. Poroborti te akjn constable dhore tk dia kaj ti korano lage. Jeta neoa lage bagerhat theke. Okhaneo tk dabi kore. But na thakay dite pari ni. Pore se doya kore dia dy
অফিসার ফাইলে সংকেত থাকলে দিনে দিনে করে দেয়। যারা কন্ট্রাক করে তাদের ফাইলে সংকেত দেয় দালালেরা, আর যদি সংকেত না থাকে অফিসার শুধু ঘুরাই , সব ঠিক থাকলেও আবার ডেট দেয়। টাকা দিলে সাথে সাথে করে দেয়। সরেজমিনে গেলে তা হাতে নাতে প্রমাণ পাবেন। সরাসরি ফাইল চেক করে। যত অপকর্ম সেই করে। জাল ডকুমেন্স দিয়ে অন্য উপজেলার লোককে হাটহাজারীতে ভোটার করে। টাকা দিলে সব করে।
লাইসেন্স বাবদ ৩হাজার সামথিং চেয়েছে ১৪ হাজার নিজে নেন না পিউর নেয় না হলে কবে আসবে ঠিক নেই ১৪ হাজার দিলে ১ মাস সময়ে পাবেন লাইসেন্স
আমার একটা ঘটনা আমি ভিক্টিম ছিলাম উল্টো আমাকেই দিতে হয়েছে ৫০০০০ পঞ্চাশ হাজার টাকা। টাকা টা নিয়েছে ২০২৩ সালে গাজিপুরের বাসন থানার তদন্ত ওসি
খরচ দিতে হবে। না দিলে তো হবে না।
একটি মোবাইল চুরির জিডি করেছিলাম অনলাইনে, কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সেটি প্রক্রিয়াধীন রেখে দেই এবং থানায় গিয়ে সেবা নিতে বলে মেসেজে। ২৫ আগষ্ট সকাল ১১ টাই থানায় গেলে জিডি কপি তদন্তাধীন করে দেই এরপর এটির জন্য ৫০০ টাকা দাবি করে চট্টগ্রাম বন্দর থানার তৃতীয় তলায় বসে থাকা একজন বয়স্ক বেতার অপারেটর।
পৌরসভা থেকে কাজ করতে হলে খুশি করা লাগবে।
ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি প্রকল্পে ইউএনও অফিসে ১০%, পিআইও অফিসে ১০%, ইঞ্জিনিয়ার অফিসে ১০%, চেয়ারম্যান ৫%, সচিব ৫%, ভ্যাট, ৮-১০% খরচ হয়। অবশিষ্ট টাকার কাজ হয়। এবার বোঝেন কতটা কাজ হয়। অনেক প্রকল্পের কিছুই হয় না। শুধু তুলে খায়।
আমাদের জমির উপর দিয়ে গ্যাস পাইপলাইন গিয়েছিল,নিয়ম অনুযায়ী আমরা মৌজা রেইট থেকে তিনগুন বেশি পাওয়ার কথা ,তো সব কাগজ দলিল দেওয়ার পর বললো যে ওকে আপনাদের এত পাওনা আপনারা যদি টাকা পেতে চান মোট টাকার সাত শতাংশ আমাদের দিতে হবে না হয় ভুল বের করে ফাইল আটকে দেওয়া হবে।চেক পাওয়ার আগে নির্দিষ্ট জায়গায় নগদ টাকা দিতে হবে,তারপর চেক হস্তান্তর করা হবে। এটি হয়েছিল ফেনী ডিসি অফিসে।
জিডি ও অভিযোগের তদন্ত ও আইনি সহায়তার জন্য
আমি ছোট একটি ব্যবসা পরিচালনা করি সে আমাকে ভ্যটের ভয় দেখিয়ে বার বার ঘুস দাবি করে এবং আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আমার কাছ থেকে ঘুস আদায় করে নেয়।
বাংলাদেশের আদালত ব্যবস্থায় দুর্নীতি ও ঘুষ বাংলাদেশের আদালত প্রাঙ্গণে মামলা ফাইলিং, সাক্ষী হাজির বা প্রত্যাহার, তদবিরসহ বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় ১০০–৫০০ টাকা পর্যন্ত খরচ বা ঘুষ দিতে হয়। ছোট একটি কাজের জন্যও যদি বাড়তি টাকা না দিলে ফাইল নড়ে না, তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে ন্যায়বিচারের জায়গাতেও কি ঘুষ এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে? আদালত মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল, যেখানে একজন সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় আসে। সেখানে যদি প্রতিটি ধাপে অনিয়ম, তদবির ও অর্থ লেনদেনের সংস্কৃতি তৈরি হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থা কীভাবে অটুট থাকবে? দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিচার করবে কে, যদি বিচারব্যবস্থার ভেতরেই দুর্নীতির অভিযোগ থাকে?
নরসিংদী জেলার সদর উপজেলার চরদিঘলদী ইউনিয়নের, সামাজিক সুরক্ষা ক্ষাতে, প্রতিবন্ধী, বিধবা, বয়স্ক ভাতা সহ সমস্ত ভাতার অন্তর্ভুক্ত হতে হলে, প্রত্যেক ব্যক্তিকেই ৫০০০/৭০০০ টাকা করে দিতে হয়, এটা তাঁরা ভুক্তভোগীকে প্রচন্ড চাপ ও হুমকি ধমকির মাধ্যমে গোপন রাখতে বাধ্য করে থাকে। পাশাপাশি ইউনিয়নিয়নের প্রতিটি সরকারি সেবা ক্ষাতকেই দুর্নিতির চরম পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে, যেমন ইউনিয়ন ভুমি অফিস, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, তথ্যকেন্দ্র, ঘুস, চাঁদাবাজি সহ নানা ধরনের অন্যায় অত্যাচারে সাধারণ মানুষ আজ অতিষ্ঠ। দেখার কেউ নেই।
Fire লাইসেন্স করার জন্য , দালালদের মাধ্যমে লিয়াজো করে এই লাইসেন্স লাইসেন্স নিতে হয়, বর্তমানে এই সার্ভিস আরও জটিল করা হয়েছে, যার জন্য দালালের মাধ্যমে কাজ করতে হয় এবং তাদের সাথে লেনদেন ছাড়া এটা পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
পুলিশ দাবি করেছিল, আমার পাসপোর্ট খুব দরকার ছিল আমি কিছু বলতে পারি নাই
আমার জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে ইউনিয়ন পরিষদ গিয়েছিলাম। জন্ম তারিখের সাল ভূল। এটার জন্য ৫০০০ টাকা দাবি করেন।
সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের চাকরীর প্রতিশ্রুতি দিয়ে। কুমিল্লা জোনের কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে ৫৪৮০০০ টাকা নেয়। পরে চাকরি ওহয় নাই টাকা ও ফেরত দেয় নাই।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য সচরাচর একজন ডিউটি পুলিশ বাসায় আসেন, কাগজপত্র দেখেন। গত ২ বার (২০১৯, ২০২৪) এভাবেই হয়েছিল, কোন অতিরিক্ত টাকা পরিশোধ করা লাগে নাই। অথচ, এবার, ২০২৬ এ এসে একই থানা থেকে এক ডিউটি অফিসার ফোন করে জানালো কাগজপত্র নিয়ে থানায় যেতে ভেরিফিকেশনের জন্য। গেলাম, আমাকে একটা কক্ষে নিল যেইখানে সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। কাগজপত্র দেখে বলল, "সব ঠিক আছে, ফটোকপি প্রিন্টের খরচ বাবদ কিছু টাকা লাগবে।" আমি বললাম, "সব কিছু মিলায়ে তো আমরা ১৫০০ টাকা করে দিচ্ছি, আগে যেটা ৫০০ টাকা ছিল।" তিনি বললেন, "সেটা আমাদের ব্যাপার না, সরকারের ব্যাপার। আপনার কাজ আমার করে দিতে হচ্ছে, সেই হিসাবে প্রত্যেক থানাতেই একটা ফিক্সড পেমেন্ট থাকে"। পরে দরকষাকষির পর ১০০০ টাকায় কাজ করে দিতে রাজি হলেন।
বন বিভাগ থেকে নবায়নকৃত করাত কলের লাইসেন্স। পাঠানো হয় ইউএনও'র অফিসে। সেখান থেকে ফোন করে কাগজ পত্র নেয়ার জন্য দেখা করতে বলা হয়। ইউএনও'র সহকারী আগেই বলে রাখে স্যারের বিষয়টা মনে রাইখেন। কথা অনুযায়ী ইউএনও অফিসে গেলে ইউএনওর সহকারী ৩০০০০ টাকা দাবী করে। পরে ২৪০০০ হাজার টাকা দিয়ে কাগজ নিয়ে আসি।
ছোট একটি হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য কলকারখানার লাইসেন্স জন্য আবেদন করছিলাম অনলাইনে। অধিদপ্তর থেকে লোক এসে যাচাই বাচাই করে গিয়ে ৪০০০০ টাকা দাবি করে লাইসেন্স দিবার জন্য। শেষ পর্যন্ত ২৪ হাজার টাকায় রফা হয় এবং আমি তা পরিশোধ করি।