ঠিকাদারি কাজ
আমি একজন ঠিকাদার এলজিইডির একটা কাজ করতে গিয়ে, কালিয়া উপজেলা এলজিইডি অফিস এবং নড়াইল এলজিইডি অফিস আমার কাজের টোটাল বিলের ৫% টাকা অগ্রিম না দিলে আমার বিল ছাড়েনা,
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি একজন ঠিকাদার এলজিইডির একটা কাজ করতে গিয়ে, কালিয়া উপজেলা এলজিইডি অফিস এবং নড়াইল এলজিইডি অফিস আমার কাজের টোটাল বিলের ৫% টাকা অগ্রিম না দিলে আমার বিল ছাড়েনা,
আমি নতুন police clarence এর জন্য দিছিলাম।আমার পাসপোর্ট অনুযায়ী আমার current adress and permanent address আলাদা।এখন আমি যখন আবেদন করলাম তারা আমাকে বলে permanent address যেখানে এইখানে করতে আবার permanent address এ করলে অইখানে বলে তোমার national id card ত current address এর ওইখানে তাহলে এখানে করা যাবে না। ওইখানে কর।অথচ দুই address এই একই জেলার।এভাবে তারা আমাকে ৪ বার রিজেক্ট করে।এরপর police station এ গিয়ে সরাসরি যোগাযোগ করে তাদের ২০০০ টাকা ঘুষ দেয়ার পর ৬-৭ দিনের মধ্যে পেয়ে যাই।এর আগে আমার ১ মাস সময় নষ্ট হইছে।
নতুন করে ইজারা নবায়ন করতে গেলে দিতে হবে।
BIWTA বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন নারায়নগঞ্জে শাখায় যারা গ্রেজার হিসাবে চাকুরি করে মাসে ৫ হাজার টাকা প্রতি মাসে অফিস এ বস কে দিয়ে দেয় একমাসের হাজিরা খাতা তারা পুরন করে দেয়। আর এখানকার চাকুরিজীবিরা বাসায় ঘুমিয়ে থাকে এবং মাস শেষে একদিন আসে টাকা উত্তলনের জন্যে। হাজিরা খাতা গুলু উপস্তিতি কর্মচারী অনুযায়ী ভেরিফাই করলে জানতে পারবেন।
আমি একটা জিডি করার জন্য গেছি, ওখানে আমার থেকে ৬০০ টাকা নিয়েছে, আমার একটা ফোন হারানো গিয়েছে
Union er sochib saheb prootekta birth certificate theke gush dabi kore, Gush chara birth certificate pawa jaina, tai nijer familyr birth certificate gulo correction korte pari nai..100 takar jaigai per certificate e 250 taka lagche, eita Brahmanbaria zillar Ashuganj upzillar Lalpur grame..
আমি নোয়াখালীে জেলা কোম্পানীগঞ্জ থানা বরাবর একটি চেক হারানোর জিডি অনলাইনে আবেদন করি। দীর্ঘক্ষন অনলাইনে অটো এপ্রুভ বা জিডি নম্বর না পড়ায়, থানায় ডিউটি অফিসার হিসেবে কর্মরত আমার কাছ হইতে ৫০০ টাকা দাবি করিলে, আমি ৫০০ টাকার রশিদ চাওয়ায় তিনি আর টাকা দাবী করেন নাই।
জন্ম নিবন্ধন বাবা এবং মায়ের নাম ইংরেজিতে ছিল নাহ,, এইটা ঠিক করে দেবার জন্য ৪,০০০ টাকা নিয়েছে,,২ দিন দেখার পর কোনভাবেই পারতেছিলাম নাহ ইমার্জেন্সি ছিল তারপর ৪,০০০ টাকা দিয়েই নিতে হল।।
আমি স্টুডেন্ট ভিসায় নিউজিল্যান্ডের জন্য আবেদন করার সময় ভিসা ডকুমেন্ট চেকলিস্ট অনুযায়ী আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ম্যান্ডেটরি হওয়ায় আমি আমার লোকাল থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করি। প্রথমবার আমাকে বলা হয় আমার আবেদনটি ঠিক হয়নি এবং আবেদনটি পেন্ডিং রাখা হয়। পরে কয়েকদিন পর আবার থানায় গেলে আমাকে বলা হয়, “আপনি জানেন না, আমাদেরও কিছু চাওয়ার থাকে। কিছু টাকা দিয়ে যান, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স হয়ে যাবে।” পরে আমার কাছ থেকে ১,৩০০ টাকা নেওয়া হয় এবং এরপর আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের কাজ সম্পূর্ণ করা হয়। বিষয়টি অনিয়ম ও ঘুষ গ্রহণের আওতায় পড়ে বলে আমি মনে করি।
went to grab a map for my land issues. couldn't resist but had to pay to that bloody bastard.
একটি ড্রাইভিং লাইসেন্সের ভর্তি ফরম তুলতে গিয়ে সেখানে আমাকে ২০০ টাকা এটি ফর্ম তুলতে দেওয়া লাগছে যা অত্যন্ত নিন্দনীয়..
ছবি তোলার সময় ৩০০ টাকা দাবি করে তা নাহলে ছবি তুলতে রাজি নয়।তার পরে আমি ৩০০ টাকা পরিশোধ করি।
আমার বাবার হজের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য টাকা চেয়েছিল। কেন দিতে হবে জানতে চাইলে বাজে ব্যবহার করেছিল। আমার চাকরির সময় পুলিশ ভেরিফিকেশন এর নামেও টাকা নিয়েছে। পুলিশ জনগণের বন্ধু হয়ে উঠতে পারেনি, আতঙ্কের নাম হয়েছে।
পুলিশ ভেরিফিকেশন হওয়া উচিত আমাকে না জানিয়ে পথবা জানিয়ে আমার ঠিকানা অনুযায়ী নিশ্চিত করা, কিন্তু একজন সাব ইন্সপেক্টর ফোন করে বলে, পুলিশ সুপার এর অফিসের সামনে এসে আমাকে ফোন দেন আর সাথে বাসার বিদ্যুৎ বিল নিয়ে আসবেন, গিয়ে ফোন দিলে বলে পাশের দোকানে আসেন, দোকানে বসে দেখি একজন করে আসে, আর উনার কাছে টাকাসহ বিদ্যুতবিল দিয়ে যায়, আমাকে পাশের এক চামচা বলে ৫০০টাকা দিয়ে যান, কাজ তারাতাড়ি হয়ে যাবে, নয়তো ভেজালে পরবেন, আমার জরুরী প্রয়োজন হওয়ায় টাকা দিয়ে আসি।
এই নির্বাচন অফিসে টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না ভোটার থেকে শুরু করে ভোটার ট্রান্সফার ও আইডি সংশোধন সহ নানা ধরণের টাকা চেয়ে থাকে সোজা কথা প্রতি মঙ্গল বার টাকা ছাড়া কোন প্রকার ভোটার করা হয় না টাকা না দিলে না ধরণের ভূল ধরে আজ না কাল কাল না পরশু তারিয়ে দেয়
ঠাকুরগাঁও কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ড্রাইভিং লাইসেন্স ভর্তি পরীক্ষার জন্য যে ফরম তোলার লাগে সেই ফর্মটি নেওয়ার জন্য প্রতিফরমের জন্য ২০০ টাকা করে দেওয়ার লাগে যেটা বিএমইটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দিয়েছে।
সিলেট জেলা পুলিশ লাইন্স রিজার্ভ অফিসের রিজার্ভ অফিসার এসআই (নি:) — তাহার অধিনস্থ হিসেবে ভালো থানায় পদায়ন করে দিবে বলে ৯৫,০০০/- টাকা ঘুস নেয়। সে দীর্ঘদিন যাবৎ উক্ত অফিসে কর্মরত থেকে পুলিশ সদস্যদের নিকট থেকে পোস্টিং বানিজ্য করে আসছে।
নন্দিপাড়া ব্রিজের পাশে বটতলা রোডে রাস্তার পাশে প্রতিটি দোকান থেকে দোকান প্রতি 100 টাকা করে নেওয়া হয় এই চাঁদাবাজের নাম হল — দৈনিক এই চাঁদা উঠানো হয় ।
Medical device registration purpose for two product
জেলা পরিষদ,বরিশালের সহকারী প্রকৌশলী — নিয়ম বর্হিভুত ভাবে একজন সহকারী রেখেছে — নামে যার কোন নিয়োগ বা চাকরি কিছুই নাই জেলা পরিষিদে অথচ সে অনেক ক্ষমতার অধিকারি।বাবুগঞ্জ উপজেলার একটা মসজিদের জন্য সব সঠিক কাগজপত্র নিয়ে জেলা পরিষদের প্রকৌশলীর দপ্তরে গেলে সে তার ওই সহকারীর মারফত জানায় প্রকল্প নিতে প্রতি লাখে ২৫০০০/- করে দিতে হবে এর কম ১ টাকা হলেও প্রকল্প আসবে না দেওয়া হবে না।পরে অনেক বুঝিয়ে শুনিয়ে ২০ হাজার টাকায় রাজি করানো গেছে টাকা নিছে তারপর প্রকল্প পাইয়ে দিছে তারপরবর্তীতে সে দফায় দফায় ফাইল আটকে আর ও ৫০০০ টাকা নিয়েই ছাড়ছে।