মামলা বানিজ্য
মিথ্যা মামলা দিয়ে টাকা নিয়েছে। হয়রানি করার ভয় দেখিয়েছে। হত্যা মামলার নাম দিয়ে মামলা বানিজ্য করে পুলিশ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মিথ্যা মামলা দিয়ে টাকা নিয়েছে। হয়রানি করার ভয় দেখিয়েছে। হত্যা মামলার নাম দিয়ে মামলা বানিজ্য করে পুলিশ।
১৮ বছরের ২ জন জরুরী প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে গেলে পুলিশী হয়রানি মূলক মাদক মামলার ভয় দেখিয়ে ৫ হাজার ঘুষ নেয়।
Renewal License for 2026-27
আমি সরকার এটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় চাকরি করি। আমার পদোন্নতি জন্য টাকা চাওয়া হয় । কিন্তু আমি এ বিষয়ে আর কোন কথা বলতে রাজি না হওয়াতে টাকার পরিমাণ তারা উল্লেখ করতে পারেনি। আমি যে টাকার পরিমাণে উল্লেখ করেছি সেটা ধারণা। তবে টাকা দিতে অস্বীকার করাতে আমার নিয়োগ বিধি বাতিল করা হয়েছে। টাকা না দেওয়ার কারণে আমি একই পদে ২৮ বৎসর চাকরি করছি। আমাকে এই পদের থেকে রিটায়ারমেন্টে যেতে হবে। আমার মন্ত্রণালয়ের সবাই জানে।
ইন্টারনেটের নতুন সংযোগ স্থাপন করার জন্য বলেছিল যে আলাদা করে যদি আমি 500 টাকা দেই তাহলে দ্রুত কাজ করা হবে আর এর সাথে এটাও বলেছিল যে অনেক দেরি হবে লাইন ম্যান কার কথা শোনে না কাজ করে না কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে সবার আগে সে আমাকে এটা জিজ্ঞেস করেছিল যে ইন্টারনেট আমরা সেবা প্রোভাইড করি এটার ব্যাপার আপনাকে কে বলেছে। মিরপুর দুই স্টেডিয়াম ম্যাচ সাথে যে বিটিসিএল এর অফিসে।
ডাক্তারদের ট্রেনিং পোস্ট নরমালি আবেদন করলে পাওয়া যায় না।তদবির এবং টাকা লাগে।
আমার plan অনুসারে বিল্ডিং ঠিক থাকার পরও আমাকে নোটিশ দিয়ে দেখা করতে বলে। আমি plan এর কপি জমা দিয়েছি। সরজমিনে মাপ না দিয়ে আমাকে আবার নোটিশ দেয় তখন বুঝলাম টাকা ছাড়া নোটিশ বন্দ হবে না। টাকা দিবার পর সব ঠিক হয়ে গেছে।
আমার বাড়ি গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের এক নাম্বার ওয়ার্ড, আমার গরুর ডেইরি ফার্ম আছে আমি গাজীপুর জয়দেবপুর রেলগেটে গেছিলাম ভ্যাকসিন আনার জন্য একটা হইল এলএসডি লাব্বি স্কিন ম্যাকসিন ,আরেকটা হলো খোঁড়া রোগের ভ্যাকসিন ওই হাসপাতলে একজন ডাক্তার কিছু পানিকে ভ্যাকসিন বা ইনজেকশন পুশ করছিল তখন আমি তার সাথে কথা বলি যে আমার একটা লাম্পিং স্ক্রিন ভ্যাক্সিন লাগবে উনি আমাকে জানাবে বলে কোথায় জানি চলে গেল, তারপরে এসে আমাকে বলে নাই কিন্তু ব্যবস্থা করে দেওয়া যাবে ৬০০ টাকা লাগবে, আর খোঁআড়া রোগের জন্য আমি জিজ্ঞেস করলাম সে বলল ১৮০০ টাকা লাগবো আমি ৬০০ টাকা দিয়ে এলএসডি ভ্যাকসিনটা নিলাম আর নাম্বারটা দিয়ে আসলাম আমাকে এখনো ফোন দেয় নাই ডাক্তার
অফিসার ফাইলে সংকেত থাকলে দিনে দিনে করে দেয়। যারা কন্ট্রাক করে তাদের ফাইলে সংকেত দেয় দালালেরা, আর যদি সংকেত না থাকে অফিসার শুধু ঘুরাই , সব ঠিক থাকলেও আবার ডেট দেয়। টাকা দিলে সাথে সাথে করে দেয়। সরেজমিনে গেলে তা হাতে নাতে প্রমাণ পাবেন। সরাসরি ফাইল চেক করে। যত অপকর্ম সেই করে। জাল ডকুমেন্স দিয়ে অন্য উপজেলার লোককে হাটহাজারীতে ভোটার করে। টাকা দিলে সব করে।
আমি আমার কাবিননামা Apostle করতে দিয়েছিলাম , এটা সরকারি ভাবে সম্পুর্ন ফ্রী তারপর ও এক দল লোক টাকা নিয়ে কাজ করে দিয়েছে ।
চট্টগ্রাম বন্দরে অঘোষিতভাবে প্রত্যেকেই টাকা ছাড়া কাজ করে না হিসাব থাকায় ১০০০ টাকা বিনিময় ছাড়া জাহাজের এনওসি দিবেনা রেডিও কন্ট্রোলের ৫০০ টাকা ছাড়া জাহাজের তথ্য গুলার এন্ট্রি করে দিবে না ৫০০০ টাকা ছাড়া একজন পাইলট জাহাজ স্থানান্তর করবে না আর যদি টাকা দিতে প্রত্যাখ্যান করি পরেরবার আমাদের প্রত্যেকটি জাহাজের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দেখিয়ে জাহাজটিকে কাজ না করিয়ে বসিয়ে রাখবে চট্টগ্রাম বন্দরে একজন পিয়ন থেকে শুরু করে হারবাল মাস্টার চেয়ারম্যান পর্যন্ত সবাই ঘুষ খায় বিশ্বাস না হলে চট্টগ্রাম বন্দরে সিসি ক্যামেরা দেখলেই পাওয়া যাবে
আমি আমার জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সংশোধন, আমার ছেলের জন্ম নিবন্ধন করা এবং একই সঙ্গে আমার ছোট ভাই-বোনের জন্ম নিবন্ধন বাংলা থেকে ইংরেজিতে রূপান্তর/সংশোধন করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে যাই। নবজাতকের জন্ম নিবন্ধনের সরকারি ফি ২৫ টাকা হলেও, বাস্তবে আমাকে এর চেয়ে অনেক বেশি টাকা দিতে হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তার মাধ্যমে আবেদন না করলে অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংশোধন বা আবেদন সম্পন্ন করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে বাধ্য হয়েই উদ্যোক্তার মাধ্যমে কাজ করাতে হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ফটোকপি ও প্রিন্ট করতে হয়েছে। ফটোকপির জন্য প্রতি কপি প্রায় ৫ টাকা এবং প্রিন্টের জন্য প্রতি কপি প্রায় ২০ টাকা খরচ হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে উদ্যোক্তার খরচ এবং কাজের জন্য বারবার ইউনিয়ন পরিষদে দৌড়াদৌড়ি ও সময় ব্যয়।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর ফাইল জমা দিতে গিয়ে ৫০০ টাকা ফিতে হয়েছে 🫡
নিকলী উপজেলার কারপাশা ইউনিয়ন পরিষদ হতে প্রতিটি প্রত্যয়ন পত্র এর জন্য ১৫০ টাকা করে নিচ্ছে। তারা আমার কাছ থেকে ৪ টি প্রত্যয়ন পত্র বাবদ ৬০০ টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে প্রত্যয়ন পত্র দিতে চাই না। টাকা দেওয়ার পর তারা প্রত্যয়ন পত্র করে দেই। তাছাড়া প্রটি জন্মনিবন্ধন করার জন্য তারা ২০০ টাকা চাঁদা দাবি করে।
Abedon korar por onk somoy nicchilo. Kno progress chilona. Poroborti te akjn constable dhore tk dia kaj ti korano lage. Jeta neoa lage bagerhat theke. Okhaneo tk dabi kore. But na thakay dite pari ni. Pore se doya kore dia dy
সরকারি চাকুরির ভেরিফিকেশনের জন্য , পুলিশ বাড়িতে এসে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের পর, পরের দিন বিকালে মাহিগঞ্জ বাজারে ২০০০০ টাকা নিয়ে দেখা করতে বলে। অফিসে স্যারদের পিছনে খরচ রয়েছে জানান না হলে ভেরিফিকেশন নো হবে।
সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের ১ লক্ষ টাকার কাজে ৩০০০০ হাজার টাকা দিতে হয়।
জিডি ও অভিযোগের তদন্ত ও আইনি সহায়তার জন্য
খরচ দিতে হবে। না দিলে তো হবে না।
ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি প্রকল্পে ইউএনও অফিসে ১০%, পিআইও অফিসে ১০%, ইঞ্জিনিয়ার অফিসে ১০%, চেয়ারম্যান ৫%, সচিব ৫%, ভ্যাট, ৮-১০% খরচ হয়। অবশিষ্ট টাকার কাজ হয়। এবার বোঝেন কতটা কাজ হয়। অনেক প্রকল্পের কিছুই হয় না। শুধু তুলে খায়।