ভোটার নিবন্ধন
ছবি তোলার সময় ৩০০ টাকা দাবি করে তা নাহলে ছবি তুলতে রাজি নয়।তার পরে আমি ৩০০ টাকা পরিশোধ করি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ছবি তোলার সময় ৩০০ টাকা দাবি করে তা নাহলে ছবি তুলতে রাজি নয়।তার পরে আমি ৩০০ টাকা পরিশোধ করি।
Union er sochib saheb prootekta birth certificate theke gush dabi kore, Gush chara birth certificate pawa jaina, tai nijer familyr birth certificate gulo correction korte pari nai..100 takar jaigai per certificate e 250 taka lagche, eita Brahmanbaria zillar Ashuganj upzillar Lalpur grame..
এই নির্বাচন অফিসে টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না ভোটার থেকে শুরু করে ভোটার ট্রান্সফার ও আইডি সংশোধন সহ নানা ধরণের টাকা চেয়ে থাকে সোজা কথা প্রতি মঙ্গল বার টাকা ছাড়া কোন প্রকার ভোটার করা হয় না টাকা না দিলে না ধরণের ভূল ধরে আজ না কাল কাল না পরশু তারিয়ে দেয়
জন্ম নিবন্ধন বাবা এবং মায়ের নাম ইংরেজিতে ছিল নাহ,, এইটা ঠিক করে দেবার জন্য ৪,০০০ টাকা নিয়েছে,,২ দিন দেখার পর কোনভাবেই পারতেছিলাম নাহ ইমার্জেন্সি ছিল তারপর ৪,০০০ টাকা দিয়েই নিতে হল।।
সিলেট জেলা পুলিশ লাইন্স রিজার্ভ অফিসের রিজার্ভ অফিসার এসআই (নি:) — তাহার অধিনস্থ হিসেবে ভালো থানায় পদায়ন করে দিবে বলে ৯৫,০০০/- টাকা ঘুস নেয়। সে দীর্ঘদিন যাবৎ উক্ত অফিসে কর্মরত থেকে পুলিশ সদস্যদের নিকট থেকে পোস্টিং বানিজ্য করে আসছে।
আমি একজন ঠিকাদার এলজিইডির একটা কাজ করতে গিয়ে, কালিয়া উপজেলা এলজিইডি অফিস এবং নড়াইল এলজিইডি অফিস আমার কাজের টোটাল বিলের ৫% টাকা অগ্রিম না দিলে আমার বিল ছাড়েনা,
আমার বাবার হজের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য টাকা চেয়েছিল। কেন দিতে হবে জানতে চাইলে বাজে ব্যবহার করেছিল। আমার চাকরির সময় পুলিশ ভেরিফিকেশন এর নামেও টাকা নিয়েছে। পুলিশ জনগণের বন্ধু হয়ে উঠতে পারেনি, আতঙ্কের নাম হয়েছে।
ল্যাব সহকারী পদে চাকরির জন্য
For the extension of a gas stove connection at my residence, I was forced to pay a total of BDT 50,000 in bribes to officials at Titas Gas Transmission in Motijheel. Initially, an officer demanded BDT 30,000 and promised approval within one week. Later, another official claimed he had not received any money and suggested that additional payments were needed for senior officials. The first officer then demanded another BDT 20,000, which I paid. Despite these payments, I faced repeated delays, negligence, and excuses. After I complained directly to a supervisor, I was promised a quick resolution, but the process ultimately took about three months and required constant follow-up. experience
Medical device registration purpose for two product
গাড়ীতে লেগে ইন্টারনেটের তার ছিড়ে গিয়েছিলে, তার জোড়া লাগানোর সময় রেলওয়ে পুলিশ ধরে নিয়ে গিয়ে বলতেছিলো আপনারা এখানে তার দিয়েছেন কেন ? ২০০০০ টাকা না দিলে যন্ত্রপাতি দেবো না, মামলা করবো, জেলেদিবো ইত্যাদি
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থা (WARPO) এর স্মারক নং ৪২.০২.০০০০.০০৩.১৮.০১০.১৯(৩য় খন্ড)-৬৩৯, তারিখ ১৯/০১/২০২২ খ্রি. নিয়োগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী/কার্টোগ্রাফার পদের নিয়োগ পরীক্ষা ঢাকার নিজ ভবনে ডেকোরেটর থেকে গোল টেবিল ভাড়া করে পরীক্ষা নেয়া হয়। পরীক্ষা শেষে ঐদিনই রেজাল্ট না দিয়ে সরাসরি ভাইভা প্রার্থীদের কাছে ১৮,০০,০০০ (আঠারো লক্ষ) টাকা করে দাবী করে। যারা আঠারো লক্ষ টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে তাদেরকে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করা হয় নি। ১৪জনের থেকে জনপ্রতি ১৫-১৮ লাখ করে নিয়ে ১৪জনকে চূড়ান্ত নিয়োগ দেয়া হয়।
খাদ্য অধিদপ্তর থেকে ইস্যুকৃত সুলভ মুল্য কার্ড যার মাধ্যমে ৩০ কেজি চাল প্রতি কেজি ১৫টাকা করে দেয় । অধিদপ্তর হতে পুরাতন কার্ড নবায়ন করে ডিলারের কাছে পাঠানো হয়েছে বিতরণ করার জন্য। সেই কার্ড নিতে ১০০টাকা ঘুষ দিতে হয়।
আমি নোয়াখালীে জেলা কোম্পানীগঞ্জ থানা বরাবর একটি চেক হারানোর জিডি অনলাইনে আবেদন করি। দীর্ঘক্ষন অনলাইনে অটো এপ্রুভ বা জিডি নম্বর না পড়ায়, থানায় ডিউটি অফিসার হিসেবে কর্মরত আমার কাছ হইতে ৫০০ টাকা দাবি করিলে, আমি ৫০০ টাকার রশিদ চাওয়ায় তিনি আর টাকা দাবী করেন নাই।
চাকুরির জন্য আবশ্যক স্থায়ী ঠিকানায় পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য দিতে হয়েছে
আমি যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর মনিরামপুর অফিসের একজন গ্রাহক। আমার বাড়ির বিদ্যুতের খুঁটি ও লাইনের রুট পরিবর্তনের জন্য গত জুন মাসে নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করি। পরবর্তীতে এ কাজের জন্য অফিসের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় টাকা জমাও প্রদান করি। কিন্তু কিছুদিন পর পল্লী বিদ্যুতের সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার আমাকে ফোন করে জানান যে, আমি যদি তাকে অতিরিক্ত ৮,০০০/- (আট হাজার) টাকা প্রদান করি, তাহলে তিনি এক-দুই দিনের মধ্যে কাজটি করে দেবেন। অন্যথায় কাজ করতে প্রায় এক মাস সময় লাগবে বলে জানান। আমি ওই অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, এরপরও দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও আমার খুঁটি ও বিদ্যুতের লাইনের রুট পরিবর্তনের কাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি এবং বিষয়টি ঝুলে আছে।
মোট মূল্য থেকে প্রত্যেক বিদেশগামী যাত্রীদের থেকে অতিরিক্ত টাকা রাখা হয় অথচ অথচ নতুন করে BMET রেজিস্ট্রেশন করতে ২০২ টাকা এবং ট্রেনিংয়ের জন্য আবেদন করতে ২০০ টাকা লাগলেও মোট ৪০৪ টাকা লাগলেও আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া কর্মসংস্থান অফিসে ৪৭০ টাকা নেয়া হয়। কোন উপায় না দেখে বাধ্য হয়ে ৪৭০ টাকা পরিশোধ করি।
রাজশাহী নিউ.গভঃ ডিগ্রি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক লিখিত পরীক্ষা শেষে, ব্যবহারিক পরীক্ষার সময় অবৈধভাবে টাকা তোলা হয়। এছাড়া শিক্ষা সফর বাধ্যতামূলক করা হয়। কোন শিক্ষার্থী শিক্ষা সফরে না গেলে তাকে ব্যবহারিক মার্ক দেয়া হয়না। শুধু যারা শিক্ষা সফরে যায় তাদেরকে A+ দেওয়া হয়। চাঁদার পরিমাণ 6 থেকে 10 হাজার টাকা। এই টাকা শিক্ষার্থীদের থেকে জোর করে তুলে নেয়া হয়।এটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত একটি কলেজ । যদি কোন শিক্ষার্থী এই ব্যাপারে নিজ বিভাগে কথা বলতে চায়, তাহলে তাকে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়। প্রথম বর্ষ থেকে ৪র্থ বর্ষ পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা সবাই ভুক্তভোগী। এই ব্যাপারে সাধারণ শিক্ষার্থীরা কিছুই করতে পারছে না। কারণ পরীক্ষায় সিজিপিএ কম আসবে তাই।এছাড়া পরীক্ষায় ফেল করার ভয় দেখানো হয়।
এনআইডি কার্ড সংশোধনের জন্য সবকিছু ওকে থাকার পরে Afis যাচাইয়ের জন্য হেড অফিস মেসেজ দিয়েছিল কিন্তু সিলেটে কম্পিউটার অপারেটর ফিঙ্গার নিয়ে অন্য মানুষের ফিঙ্গার ডাউনলোড দিয়া দিছে এতে আবেদন সাইডে গেলে দেখা যায় ফিঙ্গার ম্যাচ করে নাই কিন্তু বাহিরে সিমের দোকান থেকে সিম উঠালে ওইখানে ফিঙ্গার ম্যাচ হয় এই কথা আবার ওদেরকে বলেছিলাম ওরা বলেছিল আবার ট্রাই করে দেখেন কিন্তু কম্পিউটার অপারেটর বলে নেট নেই আরো বলে বেশি কথা বললে আবেদন ক্যানসেল করে দিব পরে দালালের শরণাপন্ন হয়েছিলাম দালাল বলেছিল ৮৫ হাজার টাকা দিলে নাকি তিন দিনের ভিতরে সমাধান হয়ে যাবে এখন আবেদন পেন্ডিং অবস্থায় আছে
আমার আব্বা একজন প্রবাসী ছিলেন, প্রবাসে থাকাকালীন উনার ভিসা জটিলতার জন্য নাম পরিবর্তন করা হয়, এবং পরবর্তীতে সেই নামেই উনার এন আই ডি কার্ড হয়ে যায়। আমদের সবার ভোটার আইডি, স্কুল কলেজ সার্টিফিকেট ও উনার জমির দলিল সব খানে উনার নাম ভিন্ন হওয়ায় উনি একেবারে দেশে চলে আসার পরে আমরা সেটা সংশোধন এর জন্য আবেদন করি৷ প্রথমবার ঘুষ না দেওয়ায় আবেদনটি বাতিল হয়, দ্বিতীয় বার এলাকার এক দালালের ক্ষপ্পরে পড়ে ভুল ভাবে আবেদন করায় বাতিল হয় ৩য় বারে সব কিছু ঠিকঠাক করে এফডএফিড করে,পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে,উনার সার্টিফিকেট সব দিয়ে আবেদন করার পর সেটা উপজেলায় তদন্তের জন্য পাঠানো হয়। সেখানে এক দালাল মারফত তদন্ত পজেটিভ করানোর জন্য আমাদের ৩৫০০০ পরিশোধ করতে হয়, এবং তদন্ত পজেটিভ যাওয়ার পর আমাদের আবেদন মঞ্জুর হয়।