সরকারি চাকরি
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এর বর্তমান নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তির্ন হওয়ার জন্য ঘুষ দিয়ে শতকরা ৯০% চাকরি প্রত্যাশি টাকার বিনিময়ে চাকরি নিচ্ছে।বিষয় টি ক্ষতিয়ে দেখার বিনিত অনুরোধ রইলো।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এর বর্তমান নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তির্ন হওয়ার জন্য ঘুষ দিয়ে শতকরা ৯০% চাকরি প্রত্যাশি টাকার বিনিময়ে চাকরি নিচ্ছে।বিষয় টি ক্ষতিয়ে দেখার বিনিত অনুরোধ রইলো।
আমরা ভূমিহীন হওয়ায় বন বিভাগের জায়গাতে বসতি তৈরি করি,বন বিভাগের তারা ১০০০০ টাকায় মৌখিক সম্মতি দেয়, পরবতীতে আমি জানতে পারি এটা বৈধ নয়। ১বছর পরে বন বিভাগের লোক এসে আবার ৫০০০টাকা দাবি করে আমি টাকা দিতে অস্বীকার করি,এবং তাদের কে বলি আপনারা যা করছেন তা আইনের বিরুদ্ধে, আমি টাকা না দেওয়ায় রেঞ্জ অফিসার বাদি হয়ে আমার জন্য বন থেকে গাছ কাটার মামলা করে মামলাটি এখনো চলমান
ঢাকা জেলা জজ আদালত এ সিভিল কোর্ট কমিশনার হিসেবে তালিকা ভুক্ত হয়েছি। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী আদালত হতে আমাদের আইডি কার্ড ও অনলাইনে যুক্ত করার জন্য 10000 টাকা দাবি করছিল,তা এখনো দেই না।
২০১৮ সালে একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছিল midwife সে পরীক্ষা ২০২১ সালে হয় এবং ২১ সালের নিয়োগ হয় সেখানে ১৮৪৭ জন নিয়োগের জায়গায় ১৪০্১ একজন নিয়োগ হয় সরাসরি সেখানে শুধু পরীক্ষা হয় কোনটাই হয় না করোনা মহামারী কারণে তখন মোটামুটি ২২৪৬ জন সেখানে তারা পিলি পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়, সেখানে ১৮৪৭ জন নিয়োগ হবে হবে মোটামুটি সবাই শিওর ছিল তাদের সরকার চাকরিটা হয়ে যাবে কিন্তু দুর্নীতি কারণে ঘুষ লেনদেনের কারণে , তারা জরুরী ভিত্তিতে বিপিএস ৫ পেপার সহ সকল সার্টিফিকেট এবং জরির কাগজপত্র সনদ ফার্স্ট ক্লাস অফিস জমা দিতে বলেন তখন করোনা কারণে কোন গাড়ি-ঘোড়া চলতেছিল না সবাই প্রাইভেটকার সিএনজির হিসাব নিয়ে ঢাকায় এসে কাগজপত্র জমা দেয় কিন্তু তারা কাগজপত্র জমা দেওয়ার তিন দিনে মাথায় ফাইনাল শিট রেজাল্ট দিয়ে
টিসিবির ডিলারশিপ নিতে বাধ্য করা হয় নতুবা ডিলারশিপ দিবেনা।আমি একজনের পক্ষ হয়ে রিপোর্ট করতে বাধ্য হলাম।আমি নিজে ওই প্রতিষ্ঠানে একসময় কর্মরত ছিলাম।
আমি সৌদি আরবে আসার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য সরকারি ফি দিয়ে অনলাইনে আবেদন করি, তারপর থানা থেকে একজন ফোন দিয়ে আমার কাছে ২০০০ টাকা দাবি করে প্রথমে আমারে টাকা দিতে আপত্তি জানাই তার পর তারা বলে যে টাকা না দিলে ভেরিফিকেশন খারাপ রিপোর্ট দিবে, যদিও আমাদের নামে থানায় অথবা অন্য কোথাও কোন প্রকারের অভিযোগ ছিল না, তারপর নেগোসিয়েশনে করে পনেরশো টাকা দিয়ে ভেরিফিকেশনটি নিয়ে আসতে হয়
বয়লার সার্ভিস ও রিপেয়ার প্রতিষ্ঠান এনলিস্টমেন্ট সংক্রান্ত অভিযোগ ও ঘটনা প্রতিবেদন বিষয়: বয়লার সার্ভিস ও রিপেয়ার প্রতিষ্ঠানের এনলিস্টমেন্ট প্রক্রিয়ায় সরকারি নির্ধারিত ফি-এর অতিরিক্ত অর্থ দাবি করার অভিযোগ। ১. পটভূমি আমি একটি বয়লার সার্ভিস ও রিপেয়ার প্রতিষ্ঠানের মালিক। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের প্রতিষ্ঠান শিল্পকারখানায় বয়লার সার্ভিসিং, মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট কারিগরি সেবা প্রদান করে আসছে। গত প্রায় দুই বছর ধরে বয়লার সংক্রান্ত কাজের ক্ষেত্রে একটি নতুন নিয়ম/প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে, যার আওতায় বয়লার সার্ভিস ও রিপেয়ার কাজে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংশ্লিষ্ট বয়লার অফিসে Supplier/Service Provider হিসেবে Enlisted হতে হয়। বয়লার অফিসের ওয়েবসাইট boiler.gov.bd-এ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অনুমোদিত/এন
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আমি গত ০৬/০২/২০২৬ ইং তারিখে সৌদি আরব এসেছি। সৌদি আরব আসার জন্য আমি PDO সার্টিফিকেটের জন্য মোবাইল থেকে রেজিস্ট্রেশন করে পরে ট্রেনিং শেষ করি। যখন আমি ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর জন্য গিয়েছি ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে তখন দেখতেছি সিরিয়াল ধরে সবাই টাকা জমা দিচ্ছে কেউ দিচ্ছে২৩০ আর কেউ ৩০ টাকা। যাদের রেজিস্ট্রেশন করা নাই তারা ২৩০ টাকা যাদের রেজিস্ট্রেশন করা আছে তারা শুধু ৩০ টাকা।কিন্তু আমার জানা আছে ফিঙ্গারপ্রিন্টের জন্য কোন টাকা লাগে না।সিরিয়ালে থাকা ব্যক্তিদের কে আমি জিজ্ঞেস করলাম ৩০ টাকা কেন দিচ্ছেন আপনাদের তো রেজিস্ট্রেশন বাইরে থেকে করে নিয়ে আসছেন কম্পিউটার দোকান থেকে তারা বললো ৩০ টাকা চাইতেছে তাই দিতেছি। পরবর্তীতে যখন আমার সিরিয়াল আসে আমি আমার রেজিস্ট্রেশনের পেপারটি তাদ
For getting building plan approval from Cantonment Board
আমার সার্টিফিকেট অনুযায়ী নিজের নাম ও বাবার নাম NIDতে ভুল ছিলো। সার্টিফিকেট অনুয়ায়ী NID করতে উক্ত ৮০০০ হাজার টাকা চেয়েছিলো। আমি দিয়ে করে নিছি।
for getting occupancy certificate from RAJUK
আমি ঘুষের টাকা না দেওয়ার কারনে আমার নকলটি এখনও সরবারহ করে নাই।আমি নকল আনিতে গেলে সে আৃার কাছে ২০০০ টাকা ঘুষ দাবী করিতেছে।
গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানার শ্রীপুর পৌরসভা কার্যালয়ে জন্ম সনদ সংশোধনের জন্য গেলে একজন কর্মকর্তা বলেন যে তাকে টাকা দিলে সে আর্জেন্ট কাজটা করে দিবেন দুই দিনের ভেতরে। আর টাকা না দিলে মাসের পর মাস ঘুরতে হবে অফিসে এবং আমি ঘুস দেয়নি স্বাভাবিক ভাবেই জমা দিয়েছি আজ একমাস হলো এখনও কাজটি হয়নি।
হাসপাতালে ভর্তি গরিব রোগির ওষুধ কিনে দেয়ার জন্য কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে অবস্থিত সমাজসেবা কার্যালয়ে গেলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ১০০০ টাকা চা খাওয়ার জন্য দাবি করেন।ওখানে আসা আরও অনেকের সাথে কথা বলে জানলাম যে রি কর্মকর্তা এরকম ভর্তি গরিব রোগিদের ওষুধ না দিয়েই ভুয়া বিল ভাউচার দিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরে।
গর্ভবতী ভাতার জন্য কালিয়াকৈর পৌরসভায় গিয়েছিলাম। গর্ভবতী ভাতার দায়ীত্বে থাকা কম্পিউটারে সামনে বসা দায়ীত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বললেন ফি লাগবে ৫০০ টাকা। কিসের ফি, কেন ফি দিতে হবে এটার কোন জবাব নেই। যাই হোক ভাতাটি খুবই প্রয়োজন বিধায় উক্ত অর্থ পরিশোধ করে আবেদন করতে হয়েছে।
babar pension er tk uthabe seikha tk chay
রাউজান থানায় সেন্ডব্যাক এ না মারার শর্তে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল এক এসআই কে ২০২৩ সালে।
পেনশন হিসাবের জন্যে, যদি টাকা না দেই তাহলে আমাকে ৩থেকে ৪ লক্ষ টাকা কম দেবে।পরে ঠিক ই কম দিয়েছে।
একটা জিডি করতে থানায় যাই প্রথমে জিডি লিখতে ৫০০ টাকা তা জমা নেয়ার সময় ৫০০ টাকা। এলাকায় পুলিশ গিয়েছিলো কল করে ৩৫০০ টাকা গাড়ির তেল খরচ হয়েছে তার জন্য। মোট ৫০০০ টাকা নিয়েও কোন সমাধান হয় নি। পুলিশ সব সময় এই কাজ টা করছে৷ প্রতিরোধ চাই
ন্যাশনাল হাউজিং অথরিটি ঠিকাদারের নিকট থেকে মোটা অংকের ঘুষ গ্রহন করে