পুলিশ ভেরিফিকেশন
পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
টাকা না দিলে NID দিবে না
সরকারি সেবা দিয়ে তারা টাকা নিয়েছে।
ডিসি অফিসের নাম সংশোধন সংক্রান্ত নথি যিনি জমা নেন উনি প্রথমে বলেছিলেন দেড় মাস পর সংশোধন করা হবে, টাকা জমা দিলে ৩ দিনেই সংশোধন।
প্রতিটি এক্সপোর্ট ডকুমেন্টস এর সাথে ১ টা করে সিও/ সাফটা লাগে, যা ৩ টি টেবিল হয়ে ই পি বি থেকে পাশ করতে হয়। সরকারী ফিস ছাড়াও অতিরিক্ত আর ১৫০০ দাবি করে, যা শেষ পর্যন্ত কোম্পানির স্বার্থে এক্সপোর্ট বাধাগ্রস্ত যাতে নাহয় সেজন্য দিতে হয়। যা নিয়মে পরিণত হয়েছে।
চাকুরির জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হয়, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আনতে পুলিশকে টাকা দিতেই হবে না হলে রিপোর্ট খারাপ দিয়ে দেবে।
ডাইরেক্ট টাকা চাইছে দিতে হয়েছে। না দিলে লাইন দিবেনা
টেন্ডার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হতে সিগনেচার হওয়ার পর সিস্টেম এনালিস্ট এর দপ্তরে আটকে রাখে। উনার মন মতো কোম্পানি না হইলে ওই টেন্ডার পাশ করেনা। "সিস্টেম এনালিস্ট কম্পিউটার সেন্টার" বিভিন্ন ভেন্ডর থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে তাঁদের কাছে টেন্ডার হওয়ার আগে এস্টিমেট শেয়ার করে দেয়, যেন তার মন মতো পার্টি টেন্ডার পাই. ওনার অপকর্মের জন্য গত ২মাস বদলি ছিলেন। তার অধীনস্ত সকল কর্মচারী কর্মকর্তা সবসময় চাকরিচ্যুত করার ভয় দেখিয়ে মুখ বন্ধ রাখে। সবাই তারউপর বিরক্ত হলেও কেউ মুখ খুলে না.
বি ডি এস জরিপে টাকা না দেওয়ায় খাস হিসেবে দেখিয়েছে।।অভিযোগ করতে ১০০০টাকা নিয়েছে এবং শুনানি করতে ২০০০০ টাকা দাবি করেছে।।কক্সবাজার সদর পৌরসভা
Ami union office e jai amar nagorikotto sonod anar jonne Kintu amar kach theke ekjon gram police 100tk dabi kore r na hoy Nagorik sonod pabo na eta naki member er adesh chilo. Amar joruri proyujon howar karone ei tk diye ei son[d ti nithe hoyechilo.
অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার রাজস্ব এর অফিস থেকে আমাকে বলা হয়েছিল যে, তাদের ২.৫ লক্ষ টাকা দিলে সঠিক রায় নিয়ে দিবে অনথায় আমি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব এর কাছে যে রায় পেয়েছি সেটা বাতিল করে পুনরায় এসি ল্যান্ডের অফিসে পাঠানো হবে। আমি টাকা না দেওয়ায় আমার মামলার বিরোধী পক্ষের কাছে টাকা নিয়ে আমার মামলা পুনরায় এসি ল্যান্ডের অফিসে পাঠানো হয়েছে।
হাউজিং অফিসে যে কোন মানুষ যদি সেল পারমিশন বা নামজারি বা আনুষঙ্গিক যে কোন কাজ করতে যায় তার এই টাকা পরিশোধ করতেই হবে। আমাকে ও করতে হয়েছে।
There is a electric line in front of our building but it's load capacity is not adequate. So we have applied and paid for a new pole and high capacity cable. But DESCO is not installing the said pole and we are suffering for last six months.
একজন জর্জ টাকার বিনিময়ে রায় দেয় কেমনে তিনি একজন নেয় বিচারক হয়ে এটা করলে মানুষ কোথায় জাবে টাকার কাছে কি অনায় জিতে যাবে।
ঢাকা ওয়াসা তাদের রাস্তা খনন করতে গিয়ে আমাদের গলির ৪ ইঞ্চি মোটা পানির পাইপ সম্পূর্ণ ভেঙ্গে দুই টুকরা করে ফেলে। পরে তাদের কাছে জানালে এলাকার লোকজনের কাছে ১০০০০ টাকা ঘুষ চায়। অথচ ভেঙ্গেছে তারাই। পরে আমরা চাঁদা তুলে তাদের দাবিকৃত টাকা পরিশোধ করি।
সরকারি হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন থেকে টাকা নিয়ে বাড়ি করে তাদের সমস্ত পাওনা পরিশোধ করে সার্টিফিকেট নেওয়ার পরে তাদের কাছে জমা থাকা আমার মূল দলিল উঠাতে গেলে আমার জীবিত সব ওয়ারিশকে তাদের সামনে হাজিরা দিতে বলা হয়। অথচ ওয়ারিশরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়ানো ছিটানো! শেষে দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার জানায় ২০০০০ দিলে সব কিছু সমাধান সম্ভব। পরে তাকে টাকা দিয়ে দেই। মজার ব্যাপার হল টাকা তিনি অফিসে নেন নি, কারণ অফিসে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো, নিয়েছেন অফিসের অন্ধকার সিড়িতে।
দিনাজপুর ধান ও চাল এর জন্য বিখ্যাত। বাংলাদেশের ৭৫% চাল দিনাজপুর এ উৎপাদন হয়। তাই দিনাজপুর সদর এর খাদ্যগুদাম এল,এস,ডি ও সিএসডি প্রচুর পরিমান চাল সংগ্রহ করে আমন ও ইরি তাদের লক্ষমাএা ৫০০০০মে.টন।৷ এখানে এল,এস,ডি (ওসিএলএসডি) ও সিএসডি (ম্যানেজার) তাদের রেস্টুরেন্টের মত ম্যানু কার্ড আছে। আমাদের ৩০ কেজি বস্তা প্রতি ২০ টাকা নির্ধারন করা হয়েছে। যেটা না পৌছালে কোন অটো রাইস মিলের গাড়ি আনলোড হয় না। প্রতি সিজনে ৪/৫ কোটি টাকা এল,এস,ডি (ওসিএলএসডি) ও সিএসডি (ম্যানেজার) আদায় করেন। আমার কাছে ১১ লাখ টাকা চেয়েছে দেই নাই তাই আমার চাল আজ ৯দিন দারিয়ে আছে
সরকারি ফি বাবদ ৫০ টাকা সরকারি কোষাগারে অর্থাৎ ব্যাংকে জমা দিয়ে স্লিপ নিয়ে আমাকে প্রত্যয়ন পত্র হস্তান্তর করার কথা।কিন্তু চা খাওয়ার টাকা হিসেবে ৫০ টাকা দাবি করা হলো। সরকারি টাকা আমি তো দিয়েই দিলাম তাহলে কেন দাবি করা হলো। কর্তৃপক্ষের কাছে এটা টোটালি ওপেন সিক্রেট এর মতো। দিন দিন দেশে থাকার মায়া চলে যাচ্ছে এসবের কারণেই।
আমার নষ্ট পানির মিটার বদলাতে চাইলে ২০০০০ টাকা দাবী করা হয়। অথচ সমস্ত খরচ সহ নতুন মিটার লাগানোর খরচ ৭০০০ টাকা।
জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল করতে গিয়ে যতরকম সরকারি ফ্রি আছে সবকিছু পরিষদ করে যারা কাজ করেছে তাদের টাকা দিয়েও ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শুধুমাত্র স্বাক্ষর করার জন্য ১৫০০ টাকা নিয়েছে।