Holding kor
Holding kor notoun korta
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Holding kor notoun korta
টাকা না দিলে NID দিবে না
আমি ঢাকা ওয়াসা-জোন-4 আবাসিক 1" লাইন নিতে যাই।বিলিং সহকারী — আমার কাছে ৩৫,০০০/- দাবি করে।আমি ২মাস গুরে লাইন নেই।এখন সে আমাকে বেশি বেশি বিল করে হয়রানি করছে।— ও আমর ফাইল 1মাস আটকাই রাখছে,আমাকে বলে নতুন আবেদন দিতে। প্রধান নির্বাহি সহয়তা আমি লাইন নেয়া হয়।
আমি গাইবান্ধা জেলার পলাশ বাড়ি থানার একজন বাসিন্দা।আমার পিতার দেড় শতক জমি রোডস এন্ড হাইওয়ে তে গেলে সেই টাকা উত্তোলনের জন্য গাইবান্ধা জেলার ডিসি অফিসের এল এ শাখায় গেলে তারা আমার ফাইল খুজে দেয় না। বিভিন্ন অযুহাত দেখাতে থাকে।তারপর আমি যখন অনুসন্ধান করতে থাকি পরে জানতে পারি এখানে মোট টাকার পাঁচ পার্সেন্ট গাইবান্ধা জেলার ডিসি,এডিসি (রেভিনিউ),এল এ শাখার অফিসার,কানুনগো সহ প্রতিটি ব্যক্তির মাঝে এই পাঁচ পার্সেন্ট টাকা ভাগ করে দেয়া হয়। পাঁচ পার্সেন্ট ছাড়া টাকা উত্তোলন তো দূরের কথা ফাইল পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায় না। আমরা হচ্ছি ক্ষতিগ্রস্ত এই ক্ষতিগ্রস্তদের সাথে এমন অমানবিক আচারন বলার মত না।এটা গাইবান্ধা জেলার ডিসি অফিসে কাউকে ফোন দিলে জানতে পারবেন।
উত্তরখান থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়। নারী শিশু নির্যাতনের জন্য। কিন্তু তারা ৫০০০০ টাকার বিনিময়ে মামদানিতে অস্বীকার জানায়। তাছাড়া আরও টাকা খায় যার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছিল তার কাছ থেকে। কিন্তু আমাদের উল্টো হয়রানি করা হয় উদ্যোগ দেওয়ার কারণে। এটা ২০২২ সালের কথা। এখানে আরো একটি অপশন যুক্ত করা দরকার ট্রাফিক পুলিশের পরে পুলিশ স্টেশন
আমরা আমাদের পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণের জন্য সিএম লাইসেন্স করতে চেয়েছিলাম। তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার কথা থাকলেও আমাদের এই সেবাগুলো বিলম্ব করা হতো এবং একেকজন একেকজনের নাম্বার দেন। পরবর্তীতে নাম্বার পাওয়া গেছে এমন একজনের সাথে যোগাযোগ করে দেখা গেলো। প্রতিটি প্রডাক্টের জন্য তার দাবী ৯০০০০ টাকা, আমাদের ১০টি প্রডাক্টের জন্য ৯ লাখ টাকা দিতে হবে। পরে আমরা আমাদের প্রডাক্ট লিস্ট থেকে ঐ আইটেমগুলো বাদ দিয়েছি। বাংলাদেশে ব্যবসা করা একটা অভিশাপের মতো, এখানে ব্যবসায়ীদের বলা হয় অনৈতিক কিন্তু পিছনে যতো টাকা ঘুষ দিতে হয়, এগুলো রিকভার করতে গেলে ব্যবসায়ী অসৎ হলে শুধু ব্যবসায়ীর দোষ। রাষ্ট্র এই ফকিরগুলো সরকারি চাকুরি কেন দিয়েছে এটাই আমার বোধগম্য হয়না, এরা ভিক্ষা করে খেতে পারতো আজীবন।
Amar trade license er janne 20000 hajar dabi korse pore ami license banayni ….
বিভিন্ন সেবার জন্য ঘুষ পূর্ব নির্ধারিত।
উনারা আর্মি যে বাজেট আসে সেটা চেক পাশ করে টাকা নেয় ১ লাখে পাচ হাজার অনেক অনেক টাকা খায়
পুলিশ লাইন্স সিলেট রিজার্ভ অফিসার এসআই — উক্ত অফিসে দীর্ঘদিন কর্মরত থেকে অধিনস্থদের বিভিন্ন ইউনিটে বদলী করিয়ে দিবে বলে এমনকি অন্য অফিসার দিয়ে অধিনস্থদের নামে অভিযোগ দিয়ে জিম্মি করে বিভিন্ন এ্যামাউন্টের টাকা আদায় করে আসছে।
যে কোন কাজের জন্য ১০০০০০ টাকা জন্য তাদের কে ২০০০০টাকা ঘুস দিতে হয়। এবং টাকা পেমেন্ট না করলে চেক দেওয়া হয় না।
একটি এগ্রো ফার্মের জন্য ট্রেড লাইসেন্স করতে গেলে এটি দাবি করা হয়। দুইদিন ঘোরাঘুরি করে অবশেষে পরিশোধ করলে আবেদন নেয়া হয়।
Police clarence ৭ দিনের মধ্যে নিতে গেলে ২ হাজার extra দিতে হবে. Government fee বাদে। আমার ২ বার police clarence এর জন্য application করা লাগছে। প্রথম বার করেছিলাম নরমাল মনে করোছি ১ সপ্তাহে চলে আসবে। কিন্তু ৭ দিন পর থানা থেকে কল দিয়েছে ঠিকই। কিন্তু ২ মাসেও পরে আসে নাই। কিন্তু পরবর্তী ২ হাজার৷ ঘুষ সহ দেওয়াতে ৭ দিনের মধ্যে পাইছি
ফায়ার লাইসেন্স অনলাইনে আবেদন করার পর যখন পরিদর্শন এর সময় হয়েছে তখন তাকে প্রদান করতে বাধ্য হয়েছি
আমার কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে এবং আমাকে ৫ মাস ঘুরায়৷
বিদ্যুৎ অফিসে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে গেলে টাকা ছারা ফাইল চলে না এবং মিটার কেনা বেচায় অতিরিক্ত টাকা ব্যায় করা হয়,। আমার নাম প্রচার করা যাবেনা তবে অাপনারা আমার সাথে যোগাযোগ করা হলে আমি প্রমাণ দিতে পারবো
দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় ভোটার লিস্টে নাম তোলার জন্য আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে টাকা দাবি করে। যেহেতু আঞ্চলিক অফিসে যাওয়া কাষ্টসাধ্য কাজ এজন্য দাবীকৃত অর্থ পরিশোধ করে ভোটার লিস্টে নাম দেখানো হয়েছে।
ডিমান্ড নোট অনুযায়ী টাকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু যিনি সংযোগ হাতে কলমে দিবেন,তাকে এই টাকা বা দিলে তিনি সংযোগ প্রদান করতে আসতে চাচ্ছিলেন না। এদিকে জরুরি সংযোগ দরকার। তাই দিয়েছি।কিন্তু এই খরচ সরকার ইতোমধ্যে আমার কাছ থেকে নিয়েছে এবং সে এই টাকা পারেও। কিন্তু আমাদের তো উপায় নাই।
আমি আমাদের ওয়ারিশ সনদ করার পর স্বাক্ষর এর জন্য দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রধান এর কাছে যাই। উনি স্বাক্ষর করার পর আমার কাছে সরাসরি ১০০ টাকা ঘুষ চাই। আমার কাছে টাকা নাই বলি। বলি ভাড়া ছাড়া টাকা নাই। তখন উনি আমাকে গালিগালাজ করে। দেশের শিক্ষিত মানুষ দেশের সবচাইতে উন্নয়নের বাধা ।
আমার সদ্য একটি সরকারি দপ্তরে চাকরি হয়। উক্ত চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়, চট্টগ্রাম, ডিএসবি শাখা হতে এসআই (—) ফোন করেন। উনার সাথে সংশ্লিষ্ট কাজে উনার অফিসে দেখা করতে যাই। উনি আমার কাছ থেকে 5000 টাকা পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পাদনের জন্য দাবি করেন। পরিশোধে ব্যর্থ হলে আমার নামে বিরুপ প্রতিবেদন প্রেরণ করবেন বলে হুমকি দেন। আমি বাধ্য হয়ে 3000 টাকা পরিশোধ করি। এক্ষেত্রে তার ব্যবহার দেখে মনে হয়েছে আমি তার কাছ থেকে টাকা ধার করেছি।