মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের আদেশ ও সচিব পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগে আদেশ বাস্তবায়ন/ পদায়ন
বিভিন্ন মাধ্যমে পদায়ন ও বকেয়া জন্য দাবী
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বিভিন্ন মাধ্যমে পদায়ন ও বকেয়া জন্য দাবী
আমি আমাদের ওয়ারিশ সনদ করার পর স্বাক্ষর এর জন্য দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রধান এর কাছে যাই। উনি স্বাক্ষর করার পর আমার কাছে সরাসরি ১০০ টাকা ঘুষ চাই। আমার কাছে টাকা নাই বলি। বলি ভাড়া ছাড়া টাকা নাই। তখন উনি আমাকে গালিগালাজ করে। দেশের শিক্ষিত মানুষ দেশের সবচাইতে উন্নয়নের বাধা ।
আবেদন করেছি ১ বছর আগে। এখনো সংযোগ দেয়নি। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে হয়রানি করতেছে।
১ মাসের বেতন আটকা পড়ে এবং সেই বেতন দিবে বলে + এবং ibas++ TA বিল দিবে বলে টাকা হাতিয়ে নেন।
আমি ভিসা করার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হচ্ছিলো আর পুলিশ ভেরিফিকেশনের আবেদনের জন্য চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট নিতে গেলে তারা ১২০ টাকা দাবি করে এবং কোনো রিসিপ্ট দিতে অস্বিকৃতি জানায়। বি: দ্র- আমি আগেও ঢাকা থেকে নিয়েছি কোনো প্রকার ফি ছাড়া। স্থান-রায়পুর পৌরসভা লক্ষীপুর।
আমি গত ৪ আগষ্ট আমার বড় ভাইয়ের কাবিননামা সত্যয়নের জন্য mygov.bd তে আবেদন করি।সাধারনত এই কায় ৫-৭ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা।এটা ফণী রেজিস্ট্রার অফিসে পড়ে আছে।পরে একজনের পরামর্শে কাজীর সাথে যোগাযোগ করলে উনি বলেন এমনিতেত কাজ হবেনা।কিছু অফিস খরচ আছে ও আমার সম্মানি ও যাতায়তায় ভাড়া দিলে আমি অফিসে গিয়ে কাজ ওকে করে দিবো।
পেনশন জনিত কারণে পেনশনের প্রসেসিং এ বান্দরবান বন বিভাগের অফিসে ২০১৯-২১ এর দিকে অফিস সহায়ক আমাদের কাছ হতে নগদ টাকা এবং ৮ মাসের বেতন নিয়ে ফেলে।
বাবার আগে পোস্ট অফিসে চাকরি করতেন । পেনশন পেতেন পোস্ট অফিসে পরে পেনশন Bank এ দিবে বলেন । কাগজ জমা দিয়ে ৩ মাস পরেও টাকা পাচ্ছি না । এর মধ্যে অনেক বার অফিসে যোগাযোগ করি কোন ভাবে সাইন হচ্ছে না । পরে ২৫০০ টাকা দিতে বলেছে কোন উপায় না পেয়ে দিতে বাধ্য হয়েছি এর ১ সপ্তাহ পরে টাকা জমা হয়ে গেছে বাবার একাউন্টে
আমি বাংলাদেশের স্বনামধন্য একটা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২ বছর আগে পাশ করেছি। ৫০ তম বিসিএস রিটেন দিয়েছি। অন্যান্য চাকরির জন্যও চেষ্টা করছি। কিন্তুু বর্তমানে আমার পরিচিত অনেকেই ১০,১১ গ্রেডের চাকরিতে ডুকেছে ২৫/৩০ লক্ষ টাকা খরচ করে। অতীতে ভার্সিটির ছাত্র থাকাকালীন সময়ে দেখতাম ১৬-২০ গ্রেডের চাকরিগুলো টাকার মাধ্যমে হতো কিন্তুু উপরের চাকরিগুলো মেধার মাধ্যমেই বেশি হতো। কিন্তুু বর্তমানে যা দেখছি তা দেখে দিন দিন আমি কনফিডেন্স হারিয়ে ফেলছি,২০ টা পদ থাকলেও সেখান থেকে ১০-১৫ জন টাকার মাধ্যমে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। এ থেকে পরিত্রাণ চাই আমরা, অতীতে এসবের উপরে বিভিন্ন কার্যক্রম চোখে পড়তো পুলিশ বা অন্যান্য বাহিনীর। কিন্তুু বর্তমানে কি হচ্ছে, টাকা ছাড়া চাকরি হচ্ছে না।
Direct bolsa lichens paita hola opura sir der taka Dita hoba. Taka dila hoba na hola hoba na. Then ami baddo Hoya pay korsi lichens Jonno.
যে কোন কাজের জন্য ১০০০০০ টাকা জন্য তাদের কে ২০০০০টাকা ঘুস দিতে হয়। এবং টাকা পেমেন্ট না করলে চেক দেওয়া হয় না।
চুয়াডাঙ্গা সদর এর ২ নং মোমিনপুর ইউনিয়ন এর সরকারি খরচের বাইরে টাকা চায়, জন্ম নিবন্ধন কাগজ বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য। কিন্তু আমি বলেছি আমি নিজে কম্পিউটার থেকে এপ্লাই করেছি, আপনি শুধু কপি বের করে দিবেন, বলে হবে না টাকা ছারা তারা কাজ করবে না। বলে অনলাইন এ হলে কি সবাই ইউনিয়ন এ আসে।
আমার কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে এবং আমাকে ৫ মাস ঘুরায়৷
ssc exam er practical exam e number na dewar voi dekhie othoba nasta khawar nam kore student der kach theke tk chawa hoi. abong tk er poriman kom howar karone beshirbhag student dieo dei jeta khubi lojjajonok. bisoy ta khotie dekha houk.
পুলিশ লাইন্স সিলেট রিজার্ভ অফিসার এসআই — উক্ত অফিসে দীর্ঘদিন কর্মরত থেকে অধিনস্থদের বিভিন্ন ইউনিটে বদলী করিয়ে দিবে বলে এমনকি অন্য অফিসার দিয়ে অধিনস্থদের নামে অভিযোগ দিয়ে জিম্মি করে বিভিন্ন এ্যামাউন্টের টাকা আদায় করে আসছে।
Police clarence ৭ দিনের মধ্যে নিতে গেলে ২ হাজার extra দিতে হবে. Government fee বাদে। আমার ২ বার police clarence এর জন্য application করা লাগছে। প্রথম বার করেছিলাম নরমাল মনে করোছি ১ সপ্তাহে চলে আসবে। কিন্তু ৭ দিন পর থানা থেকে কল দিয়েছে ঠিকই। কিন্তু ২ মাসেও পরে আসে নাই। কিন্তু পরবর্তী ২ হাজার৷ ঘুষ সহ দেওয়াতে ৭ দিনের মধ্যে পাইছি
আমাদের রেলের বড় বাবু ছুটির আবেদন পাশ করানোর জন্য ঘুষ নেয় প্রতিনিয়ত। রেলের অন্য বড় বাবু ঘুষ নেয় যে কোন বিল পাশ করানোর জন্য বড় বড় অঙ্কের টাকা নেয়
চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট-১০০, জন্ম নিবন্ধন অনলাইন-৩০০, ট্রেডলাইসেন্স-৫৪৫, এই তিনটি জিনিস এর জন্য অফিসে যাই এবং তারা সরকারি ফি এর অধিক টাকা চাই। এত টাকা কেন জানতে চাইলে তারা খারাপ আচরন ও গালমন্দ করে। এবং সার্টিফিকেট ইসু করছিল না পরে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে বাধ্য হই।
ফায়ার লাইসেন্স অনলাইনে আবেদন করার পর যখন পরিদর্শন এর সময় হয়েছে তখন তাকে প্রদান করতে বাধ্য হয়েছি
প্রথমে চিঠি দিয়ে অফিসে আসতে বলে, লাইসেন্স করতে সরকারি খরচ ৫০০ টাকা কিন্তু অনেক নিয়ম মানতে হবে।অনেক ডকুমেন্ট দিতে হবে,যা দিয়া অনেক ক্ষেত্রে সম্ভব না।যেমন : সরকারের নিধারিত ইলেক্ট্রক দোকানের ওয়ারিং ডিজাইন করতে হবে।ভাড়ার দোকানে মালিক ও করে দিবে না