ফায়ার লাইসেন্স
গার্মেন্ট ফেক্টরির ফায়ার লাইসেন্স করতে হবে। না করলে ব্যবসা করতে দিবে না । লাইসেন্স করতে গেলে বার হাজার ২৫০ টাকার জায়গায় ত্রিশ হাজার টাকা দিতে হবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
গার্মেন্ট ফেক্টরির ফায়ার লাইসেন্স করতে হবে। না করলে ব্যবসা করতে দিবে না । লাইসেন্স করতে গেলে বার হাজার ২৫০ টাকার জায়গায় ত্রিশ হাজার টাকা দিতে হবে।
টিকেট কালোবাজারী বাধ্য হয়ে নিতে হয়েছিল
আমি আমাদের ওয়ারিশ সনদ করার পর স্বাক্ষর এর জন্য দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রধান এর কাছে যাই। উনি স্বাক্ষর করার পর আমার কাছে সরাসরি ১০০ টাকা ঘুষ চাই। আমার কাছে টাকা নাই বলি। বলি ভাড়া ছাড়া টাকা নাই। তখন উনি আমাকে গালিগালাজ করে। দেশের শিক্ষিত মানুষ দেশের সবচাইতে উন্নয়নের বাধা ।
আমার কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে এবং আমাকে ৫ মাস ঘুরায়৷
দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় ভোটার লিস্টে নাম তোলার জন্য আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে টাকা দাবি করে। যেহেতু আঞ্চলিক অফিসে যাওয়া কাষ্টসাধ্য কাজ এজন্য দাবীকৃত অর্থ পরিশোধ করে ভোটার লিস্টে নাম দেখানো হয়েছে।
আমি গত ৪ আগষ্ট আমার বড় ভাইয়ের কাবিননামা সত্যয়নের জন্য mygov.bd তে আবেদন করি।সাধারনত এই কায় ৫-৭ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা।এটা ফণী রেজিস্ট্রার অফিসে পড়ে আছে।পরে একজনের পরামর্শে কাজীর সাথে যোগাযোগ করলে উনি বলেন এমনিতেত কাজ হবেনা।কিছু অফিস খরচ আছে ও আমার সম্মানি ও যাতায়তায় ভাড়া দিলে আমি অফিসে গিয়ে কাজ ওকে করে দিবো।
পেনশন জনিত কারণে পেনশনের প্রসেসিং এ বান্দরবান বন বিভাগের অফিসে ২০১৯-২১ এর দিকে অফিস সহায়ক আমাদের কাছ হতে নগদ টাকা এবং ৮ মাসের বেতন নিয়ে ফেলে।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে, গত বছর নিয়েছিল ৮৫০ টাকা। এবারে ২,০০০ টাকা দাবী করে।
আমি ভিসা করার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হচ্ছিলো আর পুলিশ ভেরিফিকেশনের আবেদনের জন্য চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট নিতে গেলে তারা ১২০ টাকা দাবি করে এবং কোনো রিসিপ্ট দিতে অস্বিকৃতি জানায়। বি: দ্র- আমি আগেও ঢাকা থেকে নিয়েছি কোনো প্রকার ফি ছাড়া। স্থান-রায়পুর পৌরসভা লক্ষীপুর।
আমি বিদেশে আসার সময় ভিসা হওয়ার পর প্রাবসী ব্যাংক (ভাংগা শাখা) তে যায়। আমার জামিনদার ছিলেন সরকারি চাকুরী জিবি। ২ লক্ষ টাকা লোনের জন্য ম্যানেজার আমার কাছে ৫ হাজার টাকা দাবি করে।আমার টিকিট এর ডেট পরে গেছে টাকা ও জুরুরি তার আমি ৫ হাজার টাকা দিয়ে লোন পাশ করিয়ে নিয়ে আসি। বলে না দেন লোন হবে না বাধ্য হয়ে দেয়া লাগছে। এদেশের সরকারি অফিস গুলা এত বাজে অবস্থা তা আর ভাষায় প্রকাশ করা যায় না
আমার সদ্য একটি সরকারি দপ্তরে চাকরি হয়। উক্ত চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়, চট্টগ্রাম, ডিএসবি শাখা হতে এসআই (—) ফোন করেন। উনার সাথে সংশ্লিষ্ট কাজে উনার অফিসে দেখা করতে যাই। উনি আমার কাছ থেকে 5000 টাকা পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পাদনের জন্য দাবি করেন। পরিশোধে ব্যর্থ হলে আমার নামে বিরুপ প্রতিবেদন প্রেরণ করবেন বলে হুমকি দেন। আমি বাধ্য হয়ে 3000 টাকা পরিশোধ করি। এক্ষেত্রে তার ব্যবহার দেখে মনে হয়েছে আমি তার কাছ থেকে টাকা ধার করেছি।
আমার বাবা হজের জন্য পাসপোর্ট করতে প্রয়োজনীয় কাগজের আওতায় ইউনিয়ন পরিষদ নাগরিক সনদের জন্য গেলে সচিব বলে ৫০০ টাকা দিতে হবে।হজের নিবন্ধনের তারিখ ঘনিয়ে আসছে দেখে অত্যন্ত জরুরি ছিল। তাই বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে সনদ নিয়ে পরের দিন আজকে বাবা নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে রওয়ানা দেন।
বিদ্যুৎ অফিসে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে গেলে টাকা ছারা ফাইল চলে না এবং মিটার কেনা বেচায় অতিরিক্ত টাকা ব্যায় করা হয়,। আমার নাম প্রচার করা যাবেনা তবে অাপনারা আমার সাথে যোগাযোগ করা হলে আমি প্রমাণ দিতে পারবো
আমি বাংলাদেশের স্বনামধন্য একটা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২ বছর আগে পাশ করেছি। ৫০ তম বিসিএস রিটেন দিয়েছি। অন্যান্য চাকরির জন্যও চেষ্টা করছি। কিন্তুু বর্তমানে আমার পরিচিত অনেকেই ১০,১১ গ্রেডের চাকরিতে ডুকেছে ২৫/৩০ লক্ষ টাকা খরচ করে। অতীতে ভার্সিটির ছাত্র থাকাকালীন সময়ে দেখতাম ১৬-২০ গ্রেডের চাকরিগুলো টাকার মাধ্যমে হতো কিন্তুু উপরের চাকরিগুলো মেধার মাধ্যমেই বেশি হতো। কিন্তুু বর্তমানে যা দেখছি তা দেখে দিন দিন আমি কনফিডেন্স হারিয়ে ফেলছি,২০ টা পদ থাকলেও সেখান থেকে ১০-১৫ জন টাকার মাধ্যমে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। এ থেকে পরিত্রাণ চাই আমরা, অতীতে এসবের উপরে বিভিন্ন কার্যক্রম চোখে পড়তো পুলিশ বা অন্যান্য বাহিনীর। কিন্তুু বর্তমানে কি হচ্ছে, টাকা ছাড়া চাকরি হচ্ছে না।
বাবার আগে পোস্ট অফিসে চাকরি করতেন । পেনশন পেতেন পোস্ট অফিসে পরে পেনশন Bank এ দিবে বলেন । কাগজ জমা দিয়ে ৩ মাস পরেও টাকা পাচ্ছি না । এর মধ্যে অনেক বার অফিসে যোগাযোগ করি কোন ভাবে সাইন হচ্ছে না । পরে ২৫০০ টাকা দিতে বলেছে কোন উপায় না পেয়ে দিতে বাধ্য হয়েছি এর ১ সপ্তাহ পরে টাকা জমা হয়ে গেছে বাবার একাউন্টে
Direct bolsa lichens paita hola opura sir der taka Dita hoba. Taka dila hoba na hola hoba na. Then ami baddo Hoya pay korsi lichens Jonno.
পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য চা খাওয়ার টাকা না দিলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট আটকে থাকবে। তারপর ১৫০০ টাকার কাজের জন্য ৩০০০ হাজার টাকা দেওয়া লাগছে। আর আমি বিপদে আছি ভাই ঘুষ দেয়া লাগছে, কারণ সৌদি ভিসা পাইছি কিন্তু পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ছাড়া ভিসা প্রসেসিং করা যাচ্ছে না।
আমি মূলত ২০২৩ সালের দিকে পাসপোর্টের যাবতীয় আনুষ্ঠানিক নিয়ম মেনেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করি। কিছুদিন পর, পুলিশ ভেরিফিকেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তা আমাকে ফোন করে তাঁর নির্দেশিত একটি নির্দিষ্ট স্থানে দেখা করতে বলেন। কথামতো আমি সেখানে উপস্থিত হওয়ার পর তিনি আমাকে কিছু রুটিনমাফিক প্রশ্ন করেন। কথোপকথনের একপর্যায়ে তিনি ভেরিফিকেশন বাবদ আমার কাছে দেড় হাজার (১৫০০) টাকা দাবি করেন। আমি কিছুটা বিস্মিত হয়ে এর কারণ জানতে চাইলে তিনি যুক্তি দেন,তথ্য যাচাই-বাছাই ও নথিপত্র প্রক্রিয়াকরণে তাঁদের কিছু দাপ্তরিক বা আনুষঙ্গিক খরচ হয়, যা আবেদনকারীকেই বহন করতে হয়। আমি সরকারি নিয়মের প্রসঙ্গ তুলে আরও বিস্তারিত জানতে চেয়ে আপত্তি জানালে তিনি স্পষ্ট কোনো গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা দিতে পারেননি, বরং বিষয়টি নিয়ে কিছুটা জটিল
একটি এগ্রো ফার্মের জন্য ট্রেড লাইসেন্স করতে গেলে এটি দাবি করা হয়। দুইদিন ঘোরাঘুরি করে অবশেষে পরিশোধ করলে আবেদন নেয়া হয়।
ভোটার আইডি কার্ড করার জন্য পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসে গেলে উপজেলা নির্বাচন অফিসার — আমার কাছে ৩,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন বলে অভিযোগ করছি। তিনি টাকা না দিলে কাজ করবেন না বলেও জানান। সরকারি সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে এমন ঘুষ দাবি অনৈতিক ও আইনবিরোধী। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।