ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন
ই-লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য প্রতিষ্ঠানে ফায়ারের পর্যপ্ত ইকপমেন্ট না থাকায় - 50,000.00 টাকা চেয়েছে এবং তা না দিলে বলে নবায়ন হবে না। তাই দিতে বাধ্য হয়েছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ই-লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য প্রতিষ্ঠানে ফায়ারের পর্যপ্ত ইকপমেন্ট না থাকায় - 50,000.00 টাকা চেয়েছে এবং তা না দিলে বলে নবায়ন হবে না। তাই দিতে বাধ্য হয়েছি।
নিম্নমান সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক, টাকা না দিলে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস ঘুরায়
সেবাটি ছিলো বিনামূল্যে একটি মামলার রায় খালাসের যেহেতু আমার সব ডকুমেন্টস সঠিক এবং আমি নির্দোষ ব্যাক্তি। তারপর ও সেই অফিসার আমার পরিবারের কাছ থেকে ৪৮,০০০ টাকা নিয়েছে এবং তা দিতে আমার পরিবার বাধ্য ছিলো।
অফিসের বাহিরে টাকা হস্তান্তর করতে হয়েছিল
সরকারি প্রাইমারি সহকারী শিক্ষকের চাকরি ভ্যারিফিকেশনের জন্য এসআই টাকা নেয়।২০০০ টাকা দাবি করলেও অনুরোধ করার পর ১৫০০ রাখছে।তবে দেখে অবাক হয়ছি ব্যাটা জোহরের নামাজ পড়ে এসেই এ আকাম করছে। লেবাসও মাশাআল্লাহ একে বারে জিন্দা ওলি।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম, তারপর অভ্যন্তরীন দালাল ১২ হাজার টাকা দাবী করেছেন,,না দেওয়াতে আমাকে ফেইল করে দিয়েছে😭😭
নেত্রকোনা জেলার উপপরিচালক —, এবং তার সহযোগী — দুই জনই দুর্নীতি পরায়ন অফিসার। টাকা ছাড়া কোন কাজ করেনা। তাদের চাহিদা মতো টাকা না দিলে দূরে বদলি করে দেয়। আমাকে কয়েকবার বদলি করা হয়েছে। আমি অসুস্থ মানুষ, হাটতে সমস্যা হয় এর পরেও আমাকে দুরবর্তী উপজেলায় বদলি করা হইছে চাহিদা অনুযায়ী টাকা প্রদান না করায়।
Getting a driving license to pass my exam has been difficult. I already attempted and passed, but they didn’t acknowledge my effort. Finally, I had to take an illegal route.
আমি ১৪ই আগস্ট ভারত ভ্রমণ শেষে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দেশে ঢুকছিলাম তখন বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন এর আগে যারা পার্সপোর্ট সীল যাচাই করে( ইনি সম্ভবত তাপমাত্রা মাপেন) তারা সরাসরি ঘুষ দাবি করে বলে বিদেশ ঘুরে আসছো আমাদের চা নাস্তার খরচ দাও,, আমরা কি করতে বসে আছি এখানে?? তো আমি ২০০ টাকা দিচ্ছিলাম তা নেয় নাই৷ আমি বললাম আমার বাড়ি বেনাপোল থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে মনিরামপুর থানায়, আমার কাছে বেশি টাকা নাই৷ তখন উনি ধমক দিয়ে বলে টাকা নাই আবার মনিরামপুরের লোক পরিচয় দিচ্ছো তা বর্ডার দিয়ে না গিয়ে বাগান দিয়ে যেতে৷ তারপর আমি টাকা না দিয়ে চলে আসি৷ আমি টাকা কখনোই দিতাম না কিন্তু আমি প্রথম বার যাতায়াত করছি এবং আমার কাছে পরিবারের জন্য কেনা কিছু জিনিস ছিল সেগুলো যাতে হানা না দেয় তাই সহজে পার হতে টাকা দিতে চেয়েছিলাম৷
প্রতি ড্রেসিং ২০০-৫০০ টাকা নিয়ে থাকে। লোকেশন: জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনিস্টিউট
এসবি অফিসে, থানা।পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন।হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন। টাকা দিতে চাপ প্রয়োগ করলেও টাকা দেইনি।অন্যায়ের সাথে আপোষ নয়।
লিয়াজো মেনটেইন। ( পানির বিল রিলেটেড ৫০০০০/-) থানা পুলিশ নিয়েছে ১০০০০/- (সব সময় দেখে রাখবে বলে)
ঔষধের দোকানের লাইসেন্স করতে ৫০০ টাকা না আমি ঘুষ দিয়েছে।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিস, শাজাহানপুর, বগুড়া। মোট টিএ/ডিএ বিলের ২৫% কর্মচারীদের থেকে কেটে নেয়। না দিলে কর্মচারীদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে।তাই দিতে বাধ্য হয়।
প্রতি সাপ্তায় এই টাকা বিএমইটির কিছু কর্মকর্তাদের দিতে হয় যেসব এজেন্সি রেগুলার ইমিগ্রেশনের জন্য ফাইল জমা দেয়। এটা সর্বনিম্ন।
pension of my father in law, government servents asked for money
সরকারি কর্মচারী কল্যাণ তহবিল থেকে চিকিৎসা অনুদান এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজসহ আবেদন করা হলেও টাকা না দোয়াও জন্য অনুদান হয় না
আমি একজন প্রবাসী আমি শুধু পাসপোর্ট নবায়ন করতে গিয়েছিলাম তারা আমাকে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা ভুল ধরিয়ে অনেক দিন ঘুরিয়েছে ২০০০ টাকা দেয়ার পর আমার কাজ হয়ে গেছে।
কোর্টের রায়ের পর খাস জমির রেকর্ড সংশোধনের জন্য আবেদন করি, সেখানে এডিসির সাক্ষর নিয়ে শুধু আঞ্চলিক ভূমি অফিসে পাঠাবে এজন্য সহায়ক ১০ হাজার টাকা ঘুষ খুজে। বলেছে আবার প্রতিবেদনের পর আরও লাগতে পারে।
ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জন্ম নিবন্ধন করতে বাড়তি টাকা নিয়েছে এবং জন্মনিবন্ধনের সংশোধন করতে টাকা ছাড়া কাজ হয় না। আমি সাত মাসেও নিবন্ধন হাতে পাই নি। সরকারি কোন কর্মকর্তা কর্মচারী অফিস সময়ে অফিসে আসে না। আমি এই সেবায় বিরক্ত। জন্মনিবন্ধন ইচ্ছা করেই ভুল করে টাকা দাবি করে সংশোধন করতে।