উত্তরাধীকার সনদ
নিম্নমান সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক, টাকা না দিলে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস ঘুরায়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নিম্নমান সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক, টাকা না দিলে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস ঘুরায়
২০২২ -২৩ সালে আমরা একটা সেবা মূলক ডায়াগনস্টিক দেওয়ার লক্ষ্যে ব্যাবসা শুরু করি কিন্তু আমাদের সব কিছু অকে হওয়ার পরও ২০২৬ জুন পর্যন্ত আমার ফাইল টা চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন অফিসে পেইন্ডিং রয়ে যায়। আমরা অনেক বার যোগাযোগ করি প্রতিবারই আমাদের বলে এই সমস্যা সেই সমস্যা, এবং ৪-৫ বার পোর্টফলিও বুক রেডি করে দিতে বলায় রেডি করে দেয়। ২০২৩ সালে আমাদের একজন পার্টনারকে ৬০০০০ টাকা দাবি করেন কাজ টা করে দেওয়ার জন্য। তখন আমরা বলছিলাম আমাদের ত সব অকে তারপরও কেন টাকা দিব তারপর উনি ফাইল টা পেন্ডিং রাখেন পরবর্তীতে জুলাই ২৪ এর পর থেকে আর যোগাযোগ করি নাই। উনাদের এহ্ন আচরণে আমরা খুব বিরক্ত হয়। এবং আমরা ব্যাবসায় বিনিয়োগ হারাতে থাকি। ২০২৬ এ এসে ১২০০০০ টাকা দিলে দিলে ফাইল্ টা অটো কাজ হয়ে যায়।
সমাজসেবাতে বিদবা বাতার আবেদন করেদিয়েছি একমহিলাকে কিন্তু এই https://dss.bhata.gov.bd/ সাইটে আবেদন করার পর আবেদন কপি ডাওনলোড হয় না। এমতাবন্থায় আমি সমাজসেবা অফিসে পাঠাই মহিলাকে সে অফিসথেকে ২০০ টাকার বিনিময়ে তার আবেদন কপি সংগ্রহ করে। তাহলে গরীব মানুষ ভাতা পাওয়ার আবেদন করতেই ঘুস দিয়ে আবেদন শুরু।
লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য
I used to work for a company. For share transfer of 02 directors the incident happened. Since these 02 directors were unable to present at RJSC office the commissioner demanded tk. 1,00,000.00 for signing at directors office to collect sign during a meeting of the board of directors and thus had to pay. One of the Two directors forgot to bring main copy of NID and for this the commissioner demanded tk. 10,000.00 more. We had to pay all these amount otherwise the share transfer formalities would never ends.
জন্ম নিবন্ধনের নাম সংশোধন করতে উপজেলা ইউএনও অফিসে এপ্রুভ করতে গেলে সেখানে ১০০ টাকা চাওয়া হয় পরে ৭০ টাকায় কাজ করে দেয়। যদি টাকা না দেওয়া হয় তাইলে কাজ কবে হবে তার ঠিক নাই। আর টাকা দেওয়ার সাথে সাথে কাজ হয়ে যায়। যদিও টাকার পরিমান কম কিন্তু প্রতিদিন অনেক লোক যায় এই কাজে। তাই দিনশেষে অনেক টাকা পায় তারা।
পারিবারিক বিষয়ে অভিযোগের ভিত্তিতে জোরারগঞ্জ থানার এসআই — কর্তৃক বিবাদী পক্ষের নিকট ২০ হাজার টাকা সালিশ ফি দাবি
ডাকঘরের মাধ্যমে বিদেশে পার্সেল পাঠাবো।এই কারণে উনাদের প্রতি পার্সেল ৫০০৳ দিতে হবে। অথচ একটা পার্সেল ডেলিভারি হলে আমার আনুমানিক লাভ ২০০-৩০০৳।
আমি যখন প্রথম প্রথম আদালতে প্রাক্টিসের জন্য আসি, সে সময়ে সিএমএম চট্টগ্রাম আদালতের বায়েজিদ বোস্তামী জিআরওতে এক আসামীর জামিনের পরবর্তী বেইলবন্ড দিতে গিয়েছিলাম। ২ টি মামলার জামিনের জন্য ২ টি বেইলবন্ড। তিনি আমির কাছে নিয়মবহির্ভূত টাকা দাবি করেন ১০০০ টাকা। আমি কারণ জানতে চাইলে তিনি কোনো পর্যাপ্ত কারণ দেখাতে পারেননি। এবং কোনো ঘুষ ছাড়াই বেইলবন্ড জমা করে প্রস্তান করি। সে ঘুষকোর পুলিশ জিআরও টাকা না দেয়ার জেরে আমার আসামীর ২টি বেইলবন্ডের মধ্য ১টি জেলখানায় প্রদান করে আরেকটি নিজের কাছে রেখে দেয়। যার কারণে আসার আসামী ১দিন বেশি জেলহাজতে থাকতে হয়েছিলো বেআইনিভাবে ।
নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আহবায়ক — স্বাস্থ্য মন্ত্রী এর নাম ভাঙিয়ে পোস্টিং প্রমোশন এর জন্য ৫ লক্ষ টাকা দাবি করেছে
আমি ১৪ই আগস্ট ভারত ভ্রমণ শেষে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দেশে ঢুকছিলাম তখন বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন এর আগে যারা পার্সপোর্ট সীল যাচাই করে( ইনি সম্ভবত তাপমাত্রা মাপেন) তারা সরাসরি ঘুষ দাবি করে বলে বিদেশ ঘুরে আসছো আমাদের চা নাস্তার খরচ দাও,, আমরা কি করতে বসে আছি এখানে?? তো আমি ২০০ টাকা দিচ্ছিলাম তা নেয় নাই৷ আমি বললাম আমার বাড়ি বেনাপোল থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে মনিরামপুর থানায়, আমার কাছে বেশি টাকা নাই৷ তখন উনি ধমক দিয়ে বলে টাকা নাই আবার মনিরামপুরের লোক পরিচয় দিচ্ছো তা বর্ডার দিয়ে না গিয়ে বাগান দিয়ে যেতে৷ তারপর আমি টাকা না দিয়ে চলে আসি৷ আমি টাকা কখনোই দিতাম না কিন্তু আমি প্রথম বার যাতায়াত করছি এবং আমার কাছে পরিবারের জন্য কেনা কিছু জিনিস ছিল সেগুলো যাতে হানা না দেয় তাই সহজে পার হতে টাকা দিতে চেয়েছিলাম৷
A case filed against me by my ex wife. The notice serving staff came at my vatara houuse and claimed Tk. 3000 for the notice. He told they will normalize the case later on.
নেত্রকোনা জেলার উপপরিচালক —, এবং তার সহযোগী — দুই জনই দুর্নীতি পরায়ন অফিসার। টাকা ছাড়া কোন কাজ করেনা। তাদের চাহিদা মতো টাকা না দিলে দূরে বদলি করে দেয়। আমাকে কয়েকবার বদলি করা হয়েছে। আমি অসুস্থ মানুষ, হাটতে সমস্যা হয় এর পরেও আমাকে দুরবর্তী উপজেলায় বদলি করা হইছে চাহিদা অনুযায়ী টাকা প্রদান না করায়।
সরকারি প্রাইমারি সহকারী শিক্ষকের চাকরি ভ্যারিফিকেশনের জন্য এসআই টাকা নেয়।২০০০ টাকা দাবি করলেও অনুরোধ করার পর ১৫০০ রাখছে।তবে দেখে অবাক হয়ছি ব্যাটা জোহরের নামাজ পড়ে এসেই এ আকাম করছে। লেবাসও মাশাআল্লাহ একে বারে জিন্দা ওলি।
ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জন্ম নিবন্ধন করতে বাড়তি টাকা নিয়েছে এবং জন্মনিবন্ধনের সংশোধন করতে টাকা ছাড়া কাজ হয় না। আমি সাত মাসেও নিবন্ধন হাতে পাই নি। সরকারি কোন কর্মকর্তা কর্মচারী অফিস সময়ে অফিসে আসে না। আমি এই সেবায় বিরক্ত। জন্মনিবন্ধন ইচ্ছা করেই ভুল করে টাকা দাবি করে সংশোধন করতে।
ট্রেনের টিকেট না পাওয়ায় এবং পরীক্ষা থাকায় ট্রেনে উঠি পুলিশ একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে 600 টাকা নেয় কিন্তু কোনো টিকেট দেয় না, বলে যে গেট পার করিয়ে দেওয়া উনার দায়িত্ব, পরে গেট পার করিয়ে দিতে গেলে কর্তৃপক্ষ বলে যে উনার কথায় কাজ হবে না, ঘুষ গ্রহণকারী একজনকে ফোন দেয় কিন্তু কর্তৃপক্ষ উনার ফোন কেটে দিয়ে পকেটে রাখে, তারপর বলে উনার টাকা ফেরত দেন, ট্রেনের হর্ন বাজিয়ে ট্রেন start করলে ঘুষখোর দৌড়ে গিয়ে ট্রেনে ওঠেন কর্তৃপক্ষ বলেন উনাকে ধরেন, দৌড়ে গিয়ে ট্রেনে উঠি তারপর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন এর আগে নেমে যাই।
সেবাটি ছিলো বিনামূল্যে একটি মামলার রায় খালাসের যেহেতু আমার সব ডকুমেন্টস সঠিক এবং আমি নির্দোষ ব্যাক্তি। তারপর ও সেই অফিসার আমার পরিবারের কাছ থেকে ৪৮,০০০ টাকা নিয়েছে এবং তা দিতে আমার পরিবার বাধ্য ছিলো।
Jamin cilo paribarik adalot theke. tarpor o rat 1 tar dike eshe paper dekhe bole apnar name warrent ache case koita chole. amake tow niye jete hobe apni dui din pore chole jaben amader kache sob information ache. keno jhamelai porben kicu den, ar kono problrm nai. pore 1500 taka dite chaile bole 4000 kom nibo na. pore seta dite baddho hoi. Jessore, Sharsha, Gorpara fari SI —.
Amar name 290,000tk dabite 1ti mittha GD kore, GD Mimangsha korar jonno police amar kace 50,000tk dabi kore. na hole amake fashiye deyar humki dai. baddho hoye amke amount porishod kora lagce.
এসবি অফিসে, থানা।পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন।হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন। টাকা দিতে চাপ প্রয়োগ করলেও টাকা দেইনি।অন্যায়ের সাথে আপোষ নয়।