পুলিশ ভ্যারিফিকেশন
সরকারি প্রাইমারি সহকারী শিক্ষকের চাকরি ভ্যারিফিকেশনের জন্য এসআই টাকা নেয়।২০০০ টাকা দাবি করলেও অনুরোধ করার পর ১৫০০ রাখছে।তবে দেখে অবাক হয়ছি ব্যাটা জোহরের নামাজ পড়ে এসেই এ আকাম করছে। লেবাসও মাশাআল্লাহ একে বারে জিন্দা ওলি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সরকারি প্রাইমারি সহকারী শিক্ষকের চাকরি ভ্যারিফিকেশনের জন্য এসআই টাকা নেয়।২০০০ টাকা দাবি করলেও অনুরোধ করার পর ১৫০০ রাখছে।তবে দেখে অবাক হয়ছি ব্যাটা জোহরের নামাজ পড়ে এসেই এ আকাম করছে। লেবাসও মাশাআল্লাহ একে বারে জিন্দা ওলি।
নেত্রকোনা জেলার উপপরিচালক —, এবং তার সহযোগী — দুই জনই দুর্নীতি পরায়ন অফিসার। টাকা ছাড়া কোন কাজ করেনা। তাদের চাহিদা মতো টাকা না দিলে দূরে বদলি করে দেয়। আমাকে কয়েকবার বদলি করা হয়েছে। আমি অসুস্থ মানুষ, হাটতে সমস্যা হয় এর পরেও আমাকে দুরবর্তী উপজেলায় বদলি করা হইছে চাহিদা অনুযায়ী টাকা প্রদান না করায়।
A case filed against me by my ex wife. The notice serving staff came at my vatara houuse and claimed Tk. 3000 for the notice. He told they will normalize the case later on.
আমি ১৪ই আগস্ট ভারত ভ্রমণ শেষে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দেশে ঢুকছিলাম তখন বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন এর আগে যারা পার্সপোর্ট সীল যাচাই করে( ইনি সম্ভবত তাপমাত্রা মাপেন) তারা সরাসরি ঘুষ দাবি করে বলে বিদেশ ঘুরে আসছো আমাদের চা নাস্তার খরচ দাও,, আমরা কি করতে বসে আছি এখানে?? তো আমি ২০০ টাকা দিচ্ছিলাম তা নেয় নাই৷ আমি বললাম আমার বাড়ি বেনাপোল থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে মনিরামপুর থানায়, আমার কাছে বেশি টাকা নাই৷ তখন উনি ধমক দিয়ে বলে টাকা নাই আবার মনিরামপুরের লোক পরিচয় দিচ্ছো তা বর্ডার দিয়ে না গিয়ে বাগান দিয়ে যেতে৷ তারপর আমি টাকা না দিয়ে চলে আসি৷ আমি টাকা কখনোই দিতাম না কিন্তু আমি প্রথম বার যাতায়াত করছি এবং আমার কাছে পরিবারের জন্য কেনা কিছু জিনিস ছিল সেগুলো যাতে হানা না দেয় তাই সহজে পার হতে টাকা দিতে চেয়েছিলাম৷
বিএসটিআইয়ের অনুমোদনের জন্য সকল কাগজ পত্র থাকলেও ঘুষ না দিলে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন দেওয়া হয় না, উল্টো হয়রানির করা হয়।
ঔষধের দোকানের লাইসেন্স করতে ৫০০ টাকা না আমি ঘুষ দিয়েছে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম, তারপর অভ্যন্তরীন দালাল ১২ হাজার টাকা দাবী করেছেন,,না দেওয়াতে আমাকে ফেইল করে দিয়েছে😭😭
অফিসের বাহিরে টাকা হস্তান্তর করতে হয়েছিল
নিম্নমান সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক, টাকা না দিলে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস ঘুরায়
ডাকঘরের মাধ্যমে বিদেশে পার্সেল পাঠাবো।এই কারণে উনাদের প্রতি পার্সেল ৫০০৳ দিতে হবে। অথচ একটা পার্সেল ডেলিভারি হলে আমার আনুমানিক লাভ ২০০-৩০০৳।
আমি আর্থিক প্রতারণার শিকার হয়ে থানায় অভিযোগ করেছি অভিযোগ গ্রহণ করে এসআই — আসামিদের গ্রেফতার করতে আমার কাছে খরচের দাবি জানিয়েছেন 5000 টাকা আমি টাকা দিয়েছি কিন্তু এখনো কোন কাজ করেনি বরং কল করলে কল ধরছে না ।
প্রথমে জন্ম নিবন্ধন করার জন্য ইউপি পরিষদে যাই। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আমাকে গুঁড়িয়ে দেয় বলছে সার্ভার সমস্যা হবে না। তারপর আমার পরিচিত একজন দালালের মাধ্যমে দেই ব্যাক্তির হাতে
উপ সহকারী প্রকৌশলী ঠিকাদারের কাজ পরিদর্শন/বুঝে নিয়ে প্রতিবেদন/চালানে অনুমোদন করেন যা ব্যাতীত ঊর্ধ্বতন বিল প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ বিল প্রদান করেন না। উপ সহকারী প্রকৌশলীর দপ্তরের অধীনস্থ কর্মচারীগণ একটি যোগসাজশের মাধ্যমে উপসহকারী প্রকৌশলীর হয়ে বিল/প্রতিবেদন প্রতি ২০০০০ টাকা বা তারো বেশি টাকা নেন এবং না দিলে পন্য/কাজে নানান ভুল ধরে আটকে দেন। আগেই টাকা দিয়ে দিলে দ্রুত পাশ করে দেন। টাকা ক্যাশে বা বড় অংক হলে বিভিন্ন বেনামি বিকাশ নম্বরে দিতে হয়।
মামলা/ডায়েরির তদন্তের জন্য কিছু খরচ চায়
চাকুরির স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদের জন্য টাকা দিতে হয়েছে। সনদ দিয়ে বলেছেন ৫০০ টাকা দেন। এছাড়াও উনাদের নির্ধারিত হাসপাতাল থেকে টেস্ট করাতে হয়েছে। সেখানেও মনে হয়েছে উনাদের কমিশনের টাকা বরাদ্দ ছিলো। সে টাকার এমাউন্ট উল্লেখ করি নি। যেহেতু তার প্রমাণ আমার কাছে নেই।
একটা মামলার কাগজ হাইকোর্ট থেকে আসছে তা রিসিভ করতে ৫০০ টাকা দেওয়া লাগবে,কইলাম যে টাকা কিশের এইটা তো ডাকে আসছে, এই কথা বলাতে এখন নিতে লাগ,না হলে সিরিয়াল অনুযায়ী ২/৩ দিন পরে আসুন খুজে দিবো,আমার সেই দিন এ জামিন এর কাগজ লাগবে তাই দেওয়া লাগছে,
পরিবারের কাছের কর্মস্থলে বদলির জন্য আবেদন করেছিলাম। আমার কাছে উক্ত টাকা চাওয়া হয়েছে
ফ্লাটের জমির (জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের আওতায় ) সেল পারমিসন ও রেজিস্ট্রেসনের জন্য উক্ত টাকা দেয়া লাগছে।
ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চ্যায়ারম্যান একটি প্রত্যায়ন পত্র নিতে গেলে এই টাকা দাবি করে।
আমি পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ঘরে বসে আবেদন করেছিলাম আমাকে শুক্রবারে কল করে থানায় যেতে বলে। আমি সেখানে যাই । আমি প্রায় ২ ঘন্টা তার জন্য বসে থাকি । ২ ঘন্টা পরে এসে আমার আবেদন পত্র দেখে বলেন যে আবেদনে ভুল আছে বাহিরে দোকান আছে সেখান থেকে আবার কেরে আসেন । আমি সেখানে ২০০ টাকা দিয়ে করে আসি । আসার পর আমার কাছে চা খাওয়ার জন্য টাকা চায় আমি বলি স্যার আমি তো বিদেশে যাব এখন টাকা পয়সার খুব প্রয়োজন আমি তো দিতে পারবনা । সে বলে বিদেশ যাবেন আর আমাদের এই অল্প টাকার জন্য আপনার সমস্যা! আমি তাকে বললাম কত দিতে হবে ? সে বলে অনেকে ২-৩-৫ হাজার দেয় । আমি তখন বললাম আমি তো স্যার এত দিতে পারবোনা আমার কাছে এত টাকা নাই । তখন বলে কত দিতে পারবনে আমি বলি ৫০০ । আমার পুলিশ ভেরিফিকেশন তখন জরুরি দরকার তাই বাধ্য হয়ে দেই।