ভেরিফিকেশন
আমার পরিচয় ভেরিফাই এর জন্য কোর্ট থেকে থানায় একটি কাগজ পাঠানো হয়, পুলিশ ভেরিফাই এর জন্য আমাকে থানায় ডাকে এবং কাগজটি অনুমোদন দেওয়ার জন্য নাস্তা খরচ হিসেবে ১০ টাকা দাবি করে, পরবর্তীতে আমি সেটা পরিশোধ করি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার পরিচয় ভেরিফাই এর জন্য কোর্ট থেকে থানায় একটি কাগজ পাঠানো হয়, পুলিশ ভেরিফাই এর জন্য আমাকে থানায় ডাকে এবং কাগজটি অনুমোদন দেওয়ার জন্য নাস্তা খরচ হিসেবে ১০ টাকা দাবি করে, পরবর্তীতে আমি সেটা পরিশোধ করি
আমার সাথে অনেক কথা কাটাকাটি হয় তারপর ও টাকা দিয়ে ভোটার আইডি কার্ডে বানাতে হয় তাহলে কিছুই করার ছিল না
আমি একজন চায়নিজ গার্মেন্টস ব্যাবসায়ী কে বাংলা দেশে গার্মেন্ট ব্যবসার জন্য আনি ।তারা অনেক কাজ আইনজীবী মাধ্যমে সম্পন্ন করে। কিছু কাজ করতে তারা লোকাল মানুষের সাহায্য নেন।এই লোকাল মানুষের সাহায্য নিতে তারা কৌশলে চাঁদাবাজি শিকার হন।6000স্কায়ার ফিট এর একটি ফায়ার লাইসেন্স করতে কম্পানির কাছ থেকে 160000 টাকা নেন। এটি আমাদের দেশের জন্য ভাবমূর্তি নষ্টের কারণ । বিদেশীরা আমাদেরকে বলে তোমরা চোর। তোমাদের দপ্তর গুলো চোর। তোমাদের এলাকার লোকগুলা চাঁদাবাজ। আমার এই রিপোর্টটি আপনারা গুরুত্বের সাথে প্রচার করবেন। বিদেশীরা আমাদের দেশে ব্যবসা করতে এসে আমাদের দেশে কিছু চাঁদাবাজার কারণে তারা ব্যবসা করতে অনিয়া প্রকাশ করি।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী উপ সহকারী প্রকৌশলীর মাধ্যমে প্রতি বিলের ২% টাকা দাবি করে। (উক্ত কমিশন কনস্ট্রাকশন কোম্পানিগুলোতে PC হিসেবে পরিচিত।এটা সারা বাংলাদেশের BWDB & LGED তে না দিলে কাজও দেয় না বিলও আটকে রাখে।)
না না অযুহাতে তিতাস গ্যাসের যার খুলে নিয়ে গিয়েছিল। টাকা পরিশোধ করার পর আবার ভাইজান লাগিয়ে দিয়ে গেছে।
আমার এইচএসসি এর রেজিষ্ট্রেশন কার্ড হারিয়ে যাওয়ার কারণে, জিডি করতে হয়েছিলো। তো থানার পুলিশ, সরাসরি চা পানির কথা বলে টাকা চেয়েছিলো।।
আমি বিদেশ যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট বানাবো তাই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বানানোর জন্য পুলিশ সুপার বা উর্ধতন কর্মকর্তার বলা যায় সম্মতি লাগে তাই আমি ফাইলগুলো জমা দিতে গিয়ে পুলিশের সাথে সাক্ষাৎ করার সময় সে আমার কাছে স্পষ্টভাবে ঘুস দাবি করেছে। পরে আমাকে কথা কাটাকাটির এক পর্যায় বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা। আমি তো তাও ৫০০ টাকার উপর দিয়ে পার পেয়ে গেছি কেউ আছে ১৫০০ বা ২০০০ দিয়েও পার পাইনি।
জাপানি টুবাকো ( নেভী সিগারেট ) কম্পানির ডিলার আমি । টাঙ্গাইলের ৮ থানার ডিলার আমি । গত ২৪ তারিখ মধুপুর ডিলার পয়েন্ট থেকে আমার মেনেজার আর সুপারভাইজার মিলে বাকি সকল স্টাফ জিম্মি করে ৪৫ লক্ষ টারার উপর নিয়ে চলে যায় । তখনি আমি কোন উপায় না দেখে মধুপুর থানায় যাই মামলা করতে । ওসি মামলা নিতে চায় না উনি বলে কোটে গিয়ে মামলা করেন । পরে আমি কোন উপায় না দেখে এসপি সাহেবের কাছে যাই উনি সাথে সাথে ওসিকে কল দিয়ে বলে দেন । বলে রাখি টাঙ্গাইলের এসপি সাহেব খুব ভাল মানুষ । তারপর গত ০১/০৯/২০২৬ তারিখ আবার মধুপুর থানায় যাই । ওসি সাহেব মামলা নিবে বলে কিন্তু ২-৩ লাখ টাকার মামলা করতে বলে তার বেশি টাকার মামলা উনি নিবে না। আমার ৪৫ লাখ গেছে ২-৩ কেন । অনেক রিকোয়েস্ট করার পর উনি ৫০ হাজার টাকা ঘুষ এর বিনিময়ে মামলা নেন ।
সৌদি আরবে কাজের ভিসার আবেদন করতে হলে TAKAMUL একটি ট্রেনিং করতে হয়। সেই TAKAMUL রেজিস্ট্রেশন ফি মাত্র ৫০ ডলার। সেই ট্রেনিং সেন্টারে সরাসরি পরীক্ষা দিতে গেলে নিশ্চিত ফেল করিয়া দেয় । যখন তাদের সাথে কন্টাক করে যাওয়া হয় ২৫ হাজার ৩০ হাজার ৩৫ হাজার ৪০ হাজার টাকায় তখন তারা পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দেয়। সারা বাংলাদেশে সম্ভবত ১৬ টি TTC সেন্টার আছে যা সবগুলোই এই কাজ করে থাকে। এতে করে নবাগত সৌদি প্রবাসীরা হেনস্তার শিকার হচ্ছে
জমি মাপার কাজে অনিয়ম করেছে। অপরপক্ষের কাছ থেকে টাকা খেয়ে একপক্ষের জমি অপরপক্ষকে বুঝিয়ে দিয়েছে।
বিদেশে যাওয়ার জন্য তিন লক্ষ টাকা লোন এর আবেদন করে ছিলাম,প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও একমাস হয়রানি করার পর বলে বিশ হাজার টাকা দিলে তিন দিনের মধ্যে লোন পাওয়া যাবে, আমি বিনয়ের সাথে বলি পনের হাজার দেবো, রাজি হয়, পরের দিন টাকা নিয়ে যাবো বলে বেরিয়ে এসেছি,আর যাইনি,
Police passport er verification e tk chaiche 1000 tk. Na dile passport hobe na.
আসসালামু আলাইকুম। আমার বাবা মারা গেছে দীর্ঘ সাত বছর। উনাকে বিভিন্নভাবে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে যাতে পেনশন না নিতে পারে। পরবর্তীতে হাইকোর্ট থেকে একাধিকবার রায় ওনার পক্ষে আসছে এবং পেট্রোবাংলা কে বলছে উনার পেনশন গুলো দিয়ে দেওয়ার জন্য। কিন্তু পরবর্তীতে কোন অগ্রগতি না হতে আমরা পরবর্তীতে যোগাযোগ করি। ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর আবার তারা আমাদেরকে সব কাগজ জমা দিতে বলে আমরা সব কিছু জমা দিয়েছে কিন্তু কোন ফলশ্রুতি হচ্ছে না মোভ করতেছে না সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতি। এমতাবস্থায় সরকারি অফিসগুলো পেনশন এর জন্য খুবই হতাশার জায়গায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমার আম্মা বয়স্ক এবং খুবই অসুস্থ মানুষ উনার চিকিৎসা দরকার এবং এই টাকাটা ওনার খুবই দরকার। যদি সরকারের নজরে পড়ে তাহলে আশা করি ফল পাবো।
Nana Mara jawar por , Nanur name pantion transfer Korarr jonnow khush chichilo Bangladesh railway, chattogram
ট্রেনে টিকেট না কেটে খাবারের বগিতে সিলেট টু আখাউড়া ৩০০ টাকা করে দেওয়ার জন্য, আমরা ৩ জন ছিলাম।
সরকারের সেবা খাত সাধারণ মানুষের জন্য ওএমএসে সুলভ মূল্য চাল আটা ক্রয়ে সুবিধা দেওয়ার ব্যবস্হায় ওএমএসের ডিলারদের নিকট হতে ডি'ও প্রতি ৫,০০০/- টাকা না দিলে এলাকা রেশনিং কর্মকর্তা সেবা দেয় না। ঢাকা মহানগরীতে প্রতি দিন ১৯১ টা ওএমএস বিক্রয় পয়েন্টে ৫,০০০/- করে ঘুষ নিয়ে সরকারি উক্ত সেবা পরিচালিত হচ্ছে ।
আমার অভিযোগ বেসরকারি পর্যায়ের একজন নিয়ম করদাতা। আমার উপজেলা এলাকা অনুযায়ী বাৎসরিক ন্যূনতম কর ৩,০০০ টাকা হওয়া সত্ত্বেও, আমার রিটার্ন দাখিলকারী আইনজীবী মিথ্যা তথ্য দিয়ে দাবি করেন যে সরকারি কর ৫,০০০ টাকা এবং ফিসহ ৬,০০০ টাকা দিতে হবে। তাঁর ওপর সরল বিশ্বাস রেখে আমি বিগত দুই বছরে মোট ১২,০০০ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে তিনি আমাকে কোনো চালান বা প্রাপ্তিস্বীকারপত্র না দিয়ে কেবল একটি কর সার্টিফিকেট দেন। এতে সন্দেহ হওয়ায় আমি অনলাইনে সরকারি ট্যাক্স স্টেটমেন্ট যাচাই করে দেখি যে প্রতি বছর প্রকৃতপক্ষে মাত্র ৩,০০০ টাকা জমা হয়েছে। অর্থাৎ, সরকারি করের ভুল হিসাব দেখিয়ে তিনি আমার সরল বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে প্রতারণামূলকভাবে বাকি অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাৎ করেছেন এবং বিষয়টি গোপন রাখতে প্রকৃত জমার স্লিপ আটকে রেখেছিলেন।
এখানে পুলিশ স্টেশন কোথায়? বাংলাদেশ পুলিশ স্টেশনে অনেক বেশি দুর্নীতি হয়।
আমি প্রবাসী। সদর থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য গেলে থানায় আমার কাছ থেকে ১৫০০ টাকা চাওয়া হয়। আমি যেহেতু বিদেশ যাবো । তাই ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছি।
জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন ও নতুন করে তৈরি করা নিয়ে ঝামেলায় পড়তে হয় বাংলাদেশের সকল প্রান্তের মানুষের।