গ্রাম চোকিদার নিয়োগ
একজন চোকিদার নিয়োগ এ ৫০০০০০ পাচ লক্ষ টাকা চাওয়া হচ্ছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
একজন চোকিদার নিয়োগ এ ৫০০০০০ পাচ লক্ষ টাকা চাওয়া হচ্ছে
আমিসহ আরো ১০ জন একসাথে ২০২৪ সালে দক্ষিন কোরিয়ার ভাষা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলাম। কোরিয়া যাওয়ার প্রক্রিয়া হিসেবে প্রত্যেক চাকুরী প্রার্থীকে মেডিকেল রিপোর্ট দিতে হবে। প্রত্যেকের নিজ জেলার সিভিল সার্জন সেটাকে অনুমোদন করবে। এবং কোন কোন টেস্ট করানো লাগবে সেটা বোয়েসেলের নোটিশে বলা ছিলো। আমরা সকল টেস্ট সম্পন্ন করে রিপোর্ট নিয়ে জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গেলে উনার পিয়ন প্রত্যেকের কাছথেকে ৩,০০০ করে চায়। অথচ, সরকারি ফি-২৫০টাকা। যেহেতু, আমাদের এই রিপোর্ট সাবমিট করার লাস্ট ডেইট ছিলো তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে স্বাক্ষর নিতে হয়েছিলো। আর হ্যাঁ উনি আমাদের জেলার তৎকালীন সিভিল সার্জনের পিয়ন। মানে টাকাটা সিভিল সার্জনই নিয়েছিলো।
থানায় অভিযোগ করলে তদন্তে যাওয়ার জন্য ৫০০০ টাকা দিতে হয়।
নামীয় ঠিকাদারি লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে অফিস সহকারী আমাকে বলে খরচাপাতি দেওয়া লাগবে। উনি ২০ হাজার টাকা দাবি করে বসে। প্রকারের জুলুমের মতো। সকল ঠিকাদার এই ঘুষ দিতে বাধ্য, না হলে কাজ হয় না। লক্ষ্মীপুর গণপূর্ত বিভাগের অফিস সহকারীদের মাফিয়াতন্ত্র চলতেছে। আমরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এর থেকে মুক্তি চাই।
LGED-এর সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলীর (XEN) অফিস ও উপজিলা ইঞ্জিনিয়ার এর অফিসে প্রতি বিলের ৪% টাকা প্রদান করতে অস্বীকার জানাই। ফলে, জুন ক্লোসিং এর সময়ে আমাকে বিল প্রদান না করে টাকা ফেরত পাঠায়। এখন চলতি মাসের শুরুতে আমার প্রকল্পের ফান্ড এসেছে কিন্তু আমি টাকার জন্য প্রতিদিন জুতা ক্ষয় করছি তারপরও টাকা পাচ্ছি না। উল্লেখ , আমার বিল পাস হয়েই আছে।
আমার ফ্যক্টরির ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে স্থানীয় ওয়ারহাউজ ইন্সপেক্টর এই টাকা দাবি করে সরকারি ফি এর বাহিরে। আমি অন লাইনে আবেদন করে প্রায় ২ মাস অপেক্ষা করি কোন পদক্ষেপ নেয় নাই। তখন ব্যক্তিগত ভাবে যোগাযোগ করলে সে এসে টাকা দাবি করে। তখন কোন উপায় অন্ত না দেখে টাকা দিতে বাধ্য হই।
পরিবারের কাছের কর্মস্থলে বদলির জন্য আবেদন করেছিলাম। আমার কাছে উক্ত টাকা চাওয়া হয়েছে
নতুন ১২০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে, এ সকল সংযোগ পাওয়ার জন্য বিদ্যুৎ অফিস ঘুষ না দিলে অনেক হয়রানি ও সময়ক্ষেপণ হয়,,,,, এসব কাজ প্রতিনিয়ত করা হয় বলে, পূর্বের খারাপ অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে, আগেভাগেই কন্টাক করে নেই, যে কত টাকা দেওয়া হবে বা উনারা কত টাকা নিবেন।
চাকুরির স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদের জন্য টাকা দিতে হয়েছে। সনদ দিয়ে বলেছেন ৫০০ টাকা দেন। এছাড়াও উনাদের নির্ধারিত হাসপাতাল থেকে টেস্ট করাতে হয়েছে। সেখানেও মনে হয়েছে উনাদের কমিশনের টাকা বরাদ্দ ছিলো। সে টাকার এমাউন্ট উল্লেখ করি নি। যেহেতু তার প্রমাণ আমার কাছে নেই।
একটা মামলার কাগজ হাইকোর্ট থেকে আসছে তা রিসিভ করতে ৫০০ টাকা দেওয়া লাগবে,কইলাম যে টাকা কিশের এইটা তো ডাকে আসছে, এই কথা বলাতে এখন নিতে লাগ,না হলে সিরিয়াল অনুযায়ী ২/৩ দিন পরে আসুন খুজে দিবো,আমার সেই দিন এ জামিন এর কাগজ লাগবে তাই দেওয়া লাগছে,
আমি ৫০০০০ টাকা সোনালি ব্যাংক এ ঋণের জন্য জন্য আবেদন করি সেখানে দালান ছাড়া কাজ হয়না পরে বাধ্য হয়ে ৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
লাইসেন্স এর সরকারি ফি ২৫০০ টাকা। তারা প্রথম দিন ২০ হাজার টাকা দাবি করে, তারাই সব কাজ করে দিবে এবং আমারও লাইসেন্সটি টেন্ডার জমা দেবার জন্য জরুরি দরকার ছিল তাই ২০ হাজারে রাজি হয়ে টাকা দিয়ে চলে আসি। পরে তারা ফোন দিয়ে জানায় আপনি রপ্তানি করেন, কিন্তু আজ অবধি রপ্তানির জন্য লাইসেন্স নেননি। এটার জন্য ২৫ টাকা দিতে হবে এবং যত বছর যাবত ব্যবসা করছেন তত বছরের লাইসেন্স এর টাকা জরিমানা দিতে হবে। আমি তাদের বলছি এটি নেওয়া বাধ্যতামূলক নয় তাহলে আমি কেন নিব। এটা না নিলে তারা আগেরটাও দিবেনা। তখন এডি সাহেব এসে বলে আমাদের আর ১০ হাজার টাকা দেন আর লাইসেন্স নিয়ে যান। ২৫০০ টাকার লাইসেন্স এর জন্য ৩০ হাজার দিতে হয়েছে। আর টেন্ডার ধরার জন্য খাদ্য অধিদপ্তরে ২০-২৫ ঘুষ না দিলে টেন্ডার পাওয়া যায় না।
সেবাটি ছিল মুক্তিযুদ্ধার ভাতার অ্যাকাউন্ট লাইফ ভ্যারিফিকেশন জন্য দাবি কৃত অর্থ ১০/১২ হাজার নিয়েছিল।
আমি সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর সলঙ্গা জোনাল অফিসে ৫ কেভি ট্রান্সফরমারের জন্য আবেদন করি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী আবেদন করার পরও প্রায় ৩ মাস আবেদনটি পেন্ডিং রেখে পরবর্তীতে বাতিল করা হয়। এরপর পুনরায় আবেদন করলে, বর্তমানে দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার পক্ষ থেকে একজন দালালের মাধ্যমে আমার কাছে ২০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়। আমি ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে ওই কর্মকর্তা আমাকে বলেন, “আমি অফিসে থাকাকালীন আপনার কোনো সংযোগ হবে না।” বিষয়টি তদন্ত করে ঘুষ দাবির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আমার বৈধ আবেদনটি বিধি অনুযায়ী নিষ্পত্তির জন্য অনুরোধ করছি।
সোনালী ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখার ম্যানেজার ঋণ কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। নিজেকে 'এজিএম ম্যানেজার' পরিচয় দিয়ে তিনি গ্রাহক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে দাম্ভিক ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। আমার নিজেরসহ অনেকের অভিজ্ঞতা হলো, অর্থ ছাড়া ঋণ অনুমোদন করা হয় না। একটি নির্দিষ্ট মহলের মাধ্যমে ঋণসংক্রান্ত কাজ ও অর্থ লেনদেন পরিচালিত হচ্ছে। শিক্ষক লোনের ক্ষেত্রেও শিক্ষকদের হয়রানি ও তিরস্কার করা হয়। গ্রাহকদের সামনেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অপমান করার ঘটনাও ঘটছে। বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে ঋণ অনুমোদনের নথি, সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও আর্থিক লেনদেন যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
সরকারি অফিসের কর্মচারী / কর্মকর্তা মিলে অল্প কিছু মানুষের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিতেছে। তার প্রতিকারের জন্য কোর্টে মামলা করতে চাওয়া। কিন্তু উক্ত মামলার বাদি সরকার হওয়ায় তা খারিজ করা। টাকা প্রদান করলে মামলা গ্রহণ করা হবে মর্মে তথ্য দেয়া। 😭
পুলিশের SI আমার বাবার NID তে উনার নাম এবং আমার NID তে উনার নামের বানানে কার চিহ্ন না থাকা নিয়ে আমায় বলল যে এইসব ঠিক করতে টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে নামের বানান ভুল হিসেবে রিপোর্ট করে দিবে বলে থ্রেট দেয়। বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে আসি। এমন ৫০ জনের ভেরিফিকেশনে তিনি ডেকেছিলেন আমাদের মিরপুর থানায়।
সৌদি প্রবাসীদের বিদেশ যাওয়ার জন্য বহির্গমন ছাড়পত্র প্রয়োজন হয় । যা প্রতি পাসপোর্ট প্রতি সরকারি ফি ৫৩০০ টাকা । নানা নিয়ম করে শুধু মাত্র ফাইল অ্যাপ্রুভ করতে বাড়তি ৫০০০ টাকা দিতে হয় নাহয় কাজ হবে না ।
All government services are online but in the name of cross verification, the authorised officer charged me 3000tk for each police clearence report. Though I have filled up and uploaded all necessary documents properly.
মাল্টিন্যাশনাল একটা কোম্পানিতে জয়েন করার জন্য চারিত্রিক সনদ প্রয়োজন ছিল যেটা পুলিশ কর্তৃক দস্তখত করা হতে হবে। নিকটস্থ থানায় যাওয়ার পরে পুলিশ টাকা ছাড়া সাইন করবে না বলে জানিয়েছে। খুব আর্জেন্ট প্রয়োজন ছিল বলে উপায় না পেয়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম।