বিল্ডিং নকশার অনুমোদন
৯ম তলায় ২টি নামাজের ঘর করায় আপত্তি হিসাবে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
৯ম তলায় ২টি নামাজের ঘর করায় আপত্তি হিসাবে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে
নতুন ১২০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে, এ সকল সংযোগ পাওয়ার জন্য বিদ্যুৎ অফিস ঘুষ না দিলে অনেক হয়রানি ও সময়ক্ষেপণ হয়,,,,, এসব কাজ প্রতিনিয়ত করা হয় বলে, পূর্বের খারাপ অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে, আগেভাগেই কন্টাক করে নেই, যে কত টাকা দেওয়া হবে বা উনারা কত টাকা নিবেন।
ট্রেড লাইসেন্স এ উৎস কর যোগ করছে গতবার ছিলো না, উৎস কর আদৌ যৌক্তিক কিছু কিনা? তারপর নোটারি করতে ৫০০ টাকা নিছে? এটাও কি যৌক্তিক
বাড়ি প্লানিং পাশ এর জন্য আবেদন করছিলাম, একজন ইঞ্জিনিয়ার আছে সে সমস্ত প্লানিং এর কাজ নিয়ন্ত্রন করে, আমার কাছে ২০০০০/- চাইছিল পরে ১৫০০০/- দিলে কাজ করে দিছিল।
কবিরহাট থানায় জিডি করতে ৩০০টাকা নেওয়া হয়েছে,
লাইসেন্স এর সরকারি ফি ২৫০০ টাকা। তারা প্রথম দিন ২০ হাজার টাকা দাবি করে, তারাই সব কাজ করে দিবে এবং আমারও লাইসেন্সটি টেন্ডার জমা দেবার জন্য জরুরি দরকার ছিল তাই ২০ হাজারে রাজি হয়ে টাকা দিয়ে চলে আসি। পরে তারা ফোন দিয়ে জানায় আপনি রপ্তানি করেন, কিন্তু আজ অবধি রপ্তানির জন্য লাইসেন্স নেননি। এটার জন্য ২৫ টাকা দিতে হবে এবং যত বছর যাবত ব্যবসা করছেন তত বছরের লাইসেন্স এর টাকা জরিমানা দিতে হবে। আমি তাদের বলছি এটি নেওয়া বাধ্যতামূলক নয় তাহলে আমি কেন নিব। এটা না নিলে তারা আগেরটাও দিবেনা। তখন এডি সাহেব এসে বলে আমাদের আর ১০ হাজার টাকা দেন আর লাইসেন্স নিয়ে যান। ২৫০০ টাকার লাইসেন্স এর জন্য ৩০ হাজার দিতে হয়েছে। আর টেন্ডার ধরার জন্য খাদ্য অধিদপ্তরে ২০-২৫ ঘুষ না দিলে টেন্ডার পাওয়া যায় না।
সেবাটি ছিল মুক্তিযুদ্ধার ভাতার অ্যাকাউন্ট লাইফ ভ্যারিফিকেশন জন্য দাবি কৃত অর্থ ১০/১২ হাজার নিয়েছিল।
অভিযোগপত্র বরোবর মোননীয় চেয়োরম্যোন বাংলাদেশ ক্ষ ু দে্র ও ক ু টির শল্প কর্পারশন (বসিক) বসিক ভবন, ১৩৭–১৩৮ মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০। বষয়: বসিক, জামালুর জলা কার্পালয়ের সিহকারী মহাব্যবস্থাক (জলা কার্পালয়ের ্রধান) —-এর বরুদ্ধে অনয়েম, দেুনর্নীতি, ক্ষমতিার অব্যবহার ও ্রশাসিনক হয়েরানর অভাগ এবং ্রয়োজনীয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের আবদেন। জনোব, সিবনয়ে নবদেন এই , আম বসিক শল্পনগরীর একজন উদে্যাক্তা/ব্যবসিায়েী। অতি্যন্ত দেুঃখের সিঙ্গে জানাচ্ছি , বসিক, জামালুর জলা কার্পালয়ের সিহকারী মহাব্যবস্থাক (জলা কার্পালয়ের ্রধান) —-এর বরুদ্ধে নম্নাক্ত গুরুতির অভাগসিমূহ আনার সিদেয়ে ববচনার জন্য উস্থান করছি— অভিযোগসমূহ ১। বভনম্ন কারখোনার মালক ও উদে্যাক্তাদের নকট অবধভাব ঘুষ দোব করা হয়ে । ২।
আমি একটি মামলা করি আমার অফিস লুটপাটের বিষয় কিন্তু থানায় অভিযোগ এবং সিআইডি পিবিআই অফিসে রিপোর্ট দিতে ঘুষ দাবি করে আমি ঘুষ না দেয়ায় তারা মিথ্যা রিপোর্ট প্রদান করে এবং আমার মামলার পক্ষে তাদের যেসকল ডকুমেন্টস সরবরাহ করি তা কোর্টে জমা দেয়নি এবং রিপোর্টে সংযুক্ত করেনি। ২০ হাজার থেকে বিভিন্ন জায়গায় ৫ লাখ পর্যন্ত ঘুষ দাবী করেন। পিবিআই অফিসার — সিআইডি অফিসার — এবং অন্য একজন
কিশোরগঞ্জ পৌরসভার ভিতরে একটি ৬ তলা বাড়ি নির্মানের জন্য পৌরসভার অনুমোদন নিতে যাই। দায়িত্ব প্রাপ্ত একজন দ্রুত পাশ করে দিবেন বলে ৬০ হাজার টাকা দাবি করেন এবং পৌরসভার বাহিরে দেখা করতে বলেন। অভিযোগ আছে তাদের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা না দিলে বছরের পর বছর অনুমোদন আটকা থাকে। বিভিন্ন ইস্যু দেখিয়ে তাদের মিটিংয়ে সেইসব ফাইল উত্থাপন করা হয়না আর উত্থাপন করলেও কোন না কোন বাহানা দাঁড় করান। আর যেগুলাতে ঘুষ দেয়া হয় সেগুলা এক মিটিংয়েই পাশ হয়ে আসে।
২০২২ সাল ফেব্রুয়ারি মাসের ২৮ তারিখ আমি একটি সাধারণ ডায়েরি করি (জিডি নং ১৭২৭) দক্ষিণখান থানা আমার ভাড়াটিয়ার ব্যাপারে অভিযোগ জানাই তাকে উচ্ছেদ করার জন্য আমি অনেকগুলা নোটিশ দিয়েছি নোটিশে কাজ না হওয়ার কারণে আমি থানায় জিডি করি। থানার তদন্ত অফিসার আমার ভাড়াটিয়া কে বিদায় করার জন্য পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করে। আমি ৫০০০০ তাকে না দেওয়ার কারনে ভাড়াটিয়া যুদ্ধভি দখল করে আমার বাসা থেকে যায়। ২০২৩ সালের অক্টোবর শেষের দিকে আমি আমার বিল্ডিং মেরামত করতে যেয়ে একটা চুরি ধরা পড়ে। সেই ভাড়াটিয়া গত ৮ বছরে ৬০% বিদ্যুৎ নিউটন করে চুরি করে। ভাড়াটিয়া আমাকে একটা মিথ্যা মামলা দেয়।তদন্ত অফিস ৫০ হাজার টাকা এত তথ্য প্রমান থাকা সত্ত্বেও তিনটি বছর মামলা আমাকে চলাইতে হয়। এই দেশে কোন ন্যায়বিচার পাওয়া যাবে
আমার মোবাইল হারিয়ে গেলে আমি জিডি করি। তদন্ত কারী SI এর সাথে দেখা করলে উনি মোবাইল ট্রেকিং করে উদ্ধার করার খরচ বাবদ ২০০০ টাকা দাবি করেন। না হয় উনি খুঁজে দিবেন না।
নতুন প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন করতে এই টাকা দিতে হবে।
আমার পরিবারিক জমি রাস্তার জন্য অধিগ্রহণ করা হয়। উক্ত জমির ক্ষতিপূরণ এর অর্থ উত্তোলন করতে গেলে মোট প্রাপ্য টাকার ৫% ঘুষ প্রদান করার পরই চেক হাতে পেয়েছি।
পুলিশ ভেরিভিকেশন করতে এসে তারা চা নাস্তা বাবদ ১০০০০ টাকার অর্থ দাবি করে।এতো বেশি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিভিন্ন ভয় ভীতি দেখানো শুরু করে।পরে আমার মা ভয় পাওয়ায় নাস্তা বাবদ পুলিশকে ৮০০০ টাকা দিতে হয়।
৩ phase মিটার নতুন করে আনার জন্য...............
যেখানে লাইসেনস এমনি দেবার কথা,সেখানে বিশ হাজার টাকা চায়। শ্রম ও কলকারখানা DIFEঅফিস।
মুক্তিযোদ্ধা অনি মারা গেছে ওনার ছেলে মেয়ে বাতা অফ করে রাখে।বার বার ডেট ডিসে কাজ করে না।গড়াচ্ছে টাকা দেওয়া লাগবে
আমি বৈধ বাভে সব কাগজ পত্র নিয়ে গেলেও দেরি হবে বলে। দেরি হলে আমার ক্ষতি হবে।তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়।
মাত্র ৪ দিন আগে আমার বউয়ের সরকারি চাকরিতে যোগদানের ক্ষেত্রে পুলিশ ভ্যারিফিকেশন এর জন্য এই অর্থ দাবি করা হয়েছিল