জ্বালানি ও বিদ্যুৎ
লোকাল রাজনীতিবিদ কাজে সমস্যা করছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
লোকাল রাজনীতিবিদ কাজে সমস্যা করছে।
বিষয়: শ্রম কর্মকর্তা —-এর বিরুদ্ধে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ফ্যাক্টরি ম্যানেজমেন্টের কাছ থেকে প্রতি মাসে অনৈতিকভাবে ৫০,০০০ টাকা আদায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ।মহোদয়,আমরা 'পাকিজা নিট কম্পোজিট' (Pakiza Knit Composite) কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আপনার সদয় অবগতির জন্য একটি অত্যন্ত গুরুতর ও অনৈতিক বিষয়ে অভিযোগ জানাচ্ছি।শ্রম দপ্তরের শ্রম কর্মকর্তা (Labour Officer) — দীর্ঘদিন ধরে আমাদের ফ্যাক্টরি এবং ম্যানেজমেন্টকে নানাভাবে হয়রানি ও ব্ল্যাকমেইল করে আসছেন। অভিযোগের বিবরণ নিম্নরূপ:১. ট্রেড ইউনিয়নের নামে ভয়ভীতি: আমাদের ফ্যাক্টরিতে ট্রেড ইউনিয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন নিয়মকানুন বা আইনি জটিলতার অজুহাত দেখিয়ে তিনি ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দেওয়া বা বড় ধরনের আইনি শাস্তির ভয় দেখিয়ে আসছেন।২. মাসিক অর্থ আদায়: ফ্যাক্টরির উৎ
২০২২ সাল ফেব্রুয়ারি মাসের ২৮ তারিখ আমি একটি সাধারণ ডায়েরি করি (জিডি নং ১৭২৭) দক্ষিণখান থানা আমার ভাড়াটিয়ার ব্যাপারে অভিযোগ জানাই তাকে উচ্ছেদ করার জন্য আমি অনেকগুলা নোটিশ দিয়েছি নোটিশে কাজ না হওয়ার কারণে আমি থানায় জিডি করি। থানার তদন্ত অফিসার আমার ভাড়াটিয়া কে বিদায় করার জন্য পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করে। আমি ৫০০০০ তাকে না দেওয়ার কারনে ভাড়াটিয়া যুদ্ধভি দখল করে আমার বাসা থেকে যায়। ২০২৩ সালের অক্টোবর শেষের দিকে আমি আমার বিল্ডিং মেরামত করতে যেয়ে একটা চুরি ধরা পড়ে। সেই ভাড়াটিয়া গত ৮ বছরে ৬০% বিদ্যুৎ নিউটন করে চুরি করে। ভাড়াটিয়া আমাকে একটা মিথ্যা মামলা দেয়।তদন্ত অফিস ৫০ হাজার টাকা এত তথ্য প্রমান থাকা সত্ত্বেও তিনটি বছর মামলা আমাকে চলাইতে হয়। এই দেশে কোন ন্যায়বিচার পাওয়া যাবে
আমি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের একজন কর্মচারী হিসাবে খুলনা জোনে চাকরিরত অবস্থায় আছি। আমার যখন সিলেকশন গ্রেড প্রাপ্তির সময় হয় তখন আমি যথারিতি অফিসে আবেদন করি কিন্তু আমার এই ন্যায্য অধিকার আমি অফিসিয়াল নিয়ম অনুযায়ি সহজে পাই নাই। আবেদনের পর থেকে আমার নিজ অফিসের উপপরিচালক কে বারবার কাজটি করে দেওয়ার জন্য বললেও সে নানা বাহানায় করতো না, যারা সুবিধা দিতো তাদের সবার কাজ দ্রুত হয়ে যেতো কিন্তু আমারটা দিনের পর দিন পড়ে থাকতে থাকতে ৬ মাস পার হওয়ার পর আমি একরকম নিরুপায় এবং বাধ্য হয়ে (কারন এটা আমার চাকরির একটা স্টাটাস + বেতন ভাতার বিষয়, এর মাধ্যমে আমার স্কেল পরিবর্তন হবে এবং বেতন বাড়বে) তাকে কয়েক ধাপে এই টাকা দেই। টাকা পাওয়ার পর সে আমার কাজ আগ্রহচিত্তে হাতে নেয় এবং কাজটি করে দেয়।
রেলওয়ে বানিজ্যিক লাইসেন্স করে দিবে বলে টাকা নেয়,এবং আরও টাকা দাবি করে,কাজ না করে দিয়ে ঘুরাচ্ছে ৩ বছর যাবত,তাদের ম্যাজিষ্টেট এর সামনে শিকারোক্তি লিখিত রয়েছে
বিদেশীদের ভিসা তদন্ত রিপোর্ট ছিলো। রিপোর্টের জন্য টাকা না দিলে নেগেটিভ দেয়। আমরা কোম্পানিরা ওদের কাছে জিম্মি। তারা কয়েকজন মিলে সিন্ডিকেট হয়ে তদন্ত গুলো করে। দায়িত্ব থাকা লোক সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে। সে এমনভাবে চলে মনে হয় ভালো লোক। কিন্তু সবকিছু সে নিয়ন্ত্রণ করে।
দপ্তরে থানা যুক্ত করার অনুরোধ করছি। আমার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা অনেক পুরাতন। আমার মা হজ্ব এ যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট করতে দিছিলো আর সেই পাসপোর্ট ভেরিফিকাশন আসে গাবতলী থানায়। থানা থেকে ফোন দেয় সেখানে যাওয়ার জন্য। যাওয়ার পর টাকা দাবি করে তাছাড়া পাসপোর্ট হবে না বলে দেয়। হজ্ব এর কথা বলার পর ও পুলিশ ঘুষ খাইলো।
আমি বৈধ বাভে সব কাগজ পত্র নিয়ে গেলেও দেরি হবে বলে। দেরি হলে আমার ক্ষতি হবে।তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়।
৩ phase মিটার নতুন করে আনার জন্য...............
রেলওয়ে জায়গাতে আমার একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান আছে তার লাইসেন্স অনেক পুরনা বর্তমানে অনলাইন করার জন্য ১০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে আমি জানিনা অনলাইন করতে কোন টাকা লাগে কিনা
পুলিশ এর কাছে মামলা করতে গেলে, ১০০০০ টাকা, দিয়ে করতে হয়,, না হয় তারা মামলা নেয় না। হয়রানি করে,,মামলার স্থান তুরাগ থানা, টাকা দাবি SI ও OC, মামলার কারণ শিশু অপহরণ।
জন্ম নিবন্ধনের আবেদন করতে গিয়ে আবেদন ফ্রি ২৫০ টাকা আমার কাছে চাওয়া হয়েছে না দিলে আবেদন করে দিবে না । আমি ঢাকা থেকে গিয়েছি আমার মেয়ের জন্ম নিবন্ধন এর আবেদন করতে অতঃপর বাধ্য হয়ে দুইশত ৫০ টাকা দেওয়া লাগছে।
সত্য ঘটনা মামলা করা হয়েছে সেটার তদন্তের জন্য এ এস আই আসলেন এবং আট হাজার টাকা চাইলেন। বাধ্য হয়ে টাকাটা দিতে হলো। অবাক করা বিষয়, আসামি পক্ষের নিকট হতে ও টাকা নিলেন।
ট্রেডমার্ক নিবন্ধন করার জন্য প্রত্যেকটা ধাপে সময়ক্ষেপণ আর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য অর্থ দাবী করার বিষয়ে আমার অভিজ্ঞতা জানাচ্ছি । একবছর হলো আবেদন করেছি কিন্তু আজ পর্যন্ত আমার আবেদনটি দেখেনি এক্সামিনি করেনি। এখন আমার জরুরী প্রয়োজন হলে যখন যাই তখন অরথছাড়া কাজ কবে হবে কোন ঠিক নেই। ২-৩ বছরও লেগে যেতে পারে। টাকা দিলে তাহলে ২-৩ মাসের মধ্যে আমার কাজটি সম্পন্ন হবে। সম্পূর্ণ কাজটি করার জন্য আমার অতিরিক্ত খরচ হতে পারে ৪০-৫০ হাজার টাকা। শুরুতে শুধু ফাইলটি এক্সামিনি করার জন্য দিবে সেজন্নই ৩-৫ হাজার পর্যন্ত দাবি করেন। আমি তখন টাকা না দিয়ে ফিরে আসি। এখন আমার কাজটি ওভাবেই পড়ে আছে।
একজন আমার ওপরে ভুয়া মামলা করেছিল, পরবর্তীতে বাদী আপোষ করতে চাই এবং আমরা অপেক্ষা করি। কিন্তু নারী ও শিশু কোর্টের পিপি ঘুষ ছাড়া কাজ করতে চায়না বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে চায়নি এজন্য বাধ্য হয়ে আমাদের এই টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। আর উকিলরা ও অনেক টাকা আত্মসাৎ করেছে, তাই বুঝি কোর্টের উকিলদের নির্ধারিত ফি ধারণ করা যাতে সাধারণ মানুষ জালিয়াতি শিকার না হয়।
পোলটি শরানোর জন্য ৯০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল কিন্তু পরবর্তীতে ৩০০০০ টাকা ব্যাংক জমা দেওয়ার পর এখন পর্যন্ত 10% কাজ হয়েছে বাকিটা পেন্ডিং এ আছে।
ফায়ার লাইসেন্স এর জন্য ফি হলো ৩৪০০/- আমার নিকট হইতে নিয়েছে ১৫০০০/- আমার সাথে ১৫০০০ এর চুক্তি হয়েছে। লাইসেন্স হাতে পেয়ে দেখি সেখানে সরকারী ফি নিয়েছে ৩৪০০/- আর ভ্যাট বাবদ নিয়েছে ৫১০/-
আমার ছেলের জন্ম নিবন্ধন এর জন্য স্থানীয় গ্রাম পুলিশ জন্ম নিবন্ধন করে দেবার কথা বলে ৫০০ টাকা দেই উনি আমাকে বলে জন্ম নিবন্ধন করে আমার বাসায় এনে দিয়ে যাবে ছয় মাস পর যখন আমি খোঁজ নেই তখন বলে হচ্ছে হবে দিচ্ছি এরকম করে আমাকে ঘুরায় আরো দেড় বছর আমি ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব রক্ষক কে বলি উনি বলে টাকা লাগবে তাহলে আমি তাড়াতাড়ি করে দিতে পারব ওইখানে দিলাম সাড়ে চার হাজার বলল হলে আমি ফোন দিব ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব রক্ষক বলল জন্ম নিবন্ধন কমপ্লিট হলে আমি আপনাকে ফোন দিব ফোনের অপেক্ষায় থাকতে থাকতে আমি আবার গেলাম ইউনিয়ন পরিষদে এখন বললে সার্ভার সমস্যা বয়স বেশি বিভিন্ন ইস্যু এখন আমার ছেলের বয়স ২৫ মাস করতে এখনো জন্ম নিবন্ধন করতে পারিনি আর করতে পারব কিনা তাও জানিনা
সিলেট জেলা পুলিশ লাইন্স রিজার্ভ অফিসে কর্মরত আরও-১ / রিজার্ভ অফিসার এসআই (নি:) — দীর্ঘদিন যাবৎ উক্ত অফিসে কর্মরত আছেন। অধিনস্থ পুলিশ সদস্যদের ভালো জায়গায় পোস্টিং করে দিবেন মর্মে ৩০,০০০/- থেকে ৬০,০০০/- টাকা ঘুস গ্রহণ করে থাকেন। কারো নামে কোন অফিসার কর্তৃক অভিযোগ গেলে সেই অভিযোগ হাতে রেখে যাচাই-বাছাইয়ের নামে অভিযুক্তের নিকট ৮০,০০০/- ( আশি হাজার) থেকে ১,০০০০০/- ( এক লক্ষ) টাকা দাবী করেন। ভুক্তভোগী বিপদ থেকে বাঁচতে এসআই —র হাতে পায়ে ধরে মিনিমাম ৫০,০০০/- ( পঞ্চাশ হাজার টাকা দিতে বাধ্য থাকেন। কোন অফিসে এলসি বা কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ নিতে হলে যোগ্যতা থাকাসত্বেও তাকে ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার ঘুস দিতে হয়। অন্যতায় এসআই — রাগ করে কয়েক মাসের ভিতর বদলী করে দেন।
আমার মোবাইল হারিয়ে গেলে আমি জিডি করি। তদন্ত কারী SI এর সাথে দেখা করলে উনি মোবাইল ট্রেকিং করে উদ্ধার করার খরচ বাবদ ২০০০ টাকা দাবি করেন। না হয় উনি খুঁজে দিবেন না।