থানায় জিডি
কবিরহাট থানায় জিডি করতে ৩০০টাকা নেওয়া হয়েছে,
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
কবিরহাট থানায় জিডি করতে ৩০০টাকা নেওয়া হয়েছে,
চাকুরির স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদের জন্য টাকা দিতে হয়েছে। সনদ দিয়ে বলেছেন ৫০০ টাকা দেন। এছাড়াও উনাদের নির্ধারিত হাসপাতাল থেকে টেস্ট করাতে হয়েছে। সেখানেও মনে হয়েছে উনাদের কমিশনের টাকা বরাদ্দ ছিলো। সে টাকার এমাউন্ট উল্লেখ করি নি। যেহেতু তার প্রমাণ আমার কাছে নেই।
চাকরির জন্য পুলিশ ভেরিফাই করতে আসে, আমার সমস্ত কিছু যথাযথ থাকার পরেও ঐ পুলিশ ২০০০ টাকা নাস্তা খরচ দাবি করে, আমি চাকরি না হওয়ার ভয়ে ১০০০ টাকা প্রদান করি। ১০০০ টাকা গ্রহণ না করায় পরে ২০০০ টাকা দিয়ে দিছি।
ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চ্যায়ারম্যান একটি প্রত্যায়ন পত্র নিতে গেলে এই টাকা দাবি করে।
লাইসেন্স এর সরকারি ফি ২৫০০ টাকা। তারা প্রথম দিন ২০ হাজার টাকা দাবি করে, তারাই সব কাজ করে দিবে এবং আমারও লাইসেন্সটি টেন্ডার জমা দেবার জন্য জরুরি দরকার ছিল তাই ২০ হাজারে রাজি হয়ে টাকা দিয়ে চলে আসি। পরে তারা ফোন দিয়ে জানায় আপনি রপ্তানি করেন, কিন্তু আজ অবধি রপ্তানির জন্য লাইসেন্স নেননি। এটার জন্য ২৫ টাকা দিতে হবে এবং যত বছর যাবত ব্যবসা করছেন তত বছরের লাইসেন্স এর টাকা জরিমানা দিতে হবে। আমি তাদের বলছি এটি নেওয়া বাধ্যতামূলক নয় তাহলে আমি কেন নিব। এটা না নিলে তারা আগেরটাও দিবেনা। তখন এডি সাহেব এসে বলে আমাদের আর ১০ হাজার টাকা দেন আর লাইসেন্স নিয়ে যান। ২৫০০ টাকার লাইসেন্স এর জন্য ৩০ হাজার দিতে হয়েছে। আর টেন্ডার ধরার জন্য খাদ্য অধিদপ্তরে ২০-২৫ ঘুষ না দিলে টেন্ডার পাওয়া যায় না।
All government services are online but in the name of cross verification, the authorised officer charged me 3000tk for each police clearence report. Though I have filled up and uploaded all necessary documents properly.
সৌদি প্রবাসীদের বিদেশ যাওয়ার জন্য বহির্গমন ছাড়পত্র প্রয়োজন হয় । যা প্রতি পাসপোর্ট প্রতি সরকারি ফি ৫৩০০ টাকা । নানা নিয়ম করে শুধু মাত্র ফাইল অ্যাপ্রুভ করতে বাড়তি ৫০০০ টাকা দিতে হয় নাহয় কাজ হবে না ।
2012 সালে ঢাকার মাতুয়াইলে বাড়ি করার জন্য রাজউক থেকে G+ 5, মাণে ৬ তলা বাড়ির করার জন্য প্লান পাশের আবেদন করি, ২ বছর ঘুরানোর পরে ৩ লক্ষ টাকা দিয়ে সেই প্লান পাশ করি। তখন অনেক দিন আমি রাজউকে গিয়েছি অনেকের সাথে কথা ব লেছি, রাজউকের ইঞ্জিনিয়ার বলল ঢাকা শহরের ৯৯.৯৯% বাড়ির প্লান পাশ ঘুষ ছাড়া সম্ভব হয় নাই। আর কোন দিন হবে ও না। দিন দিন আরো বাড়বে ,আপনি আগে টাকা দিলে আরো ২০ হাজার কমে করানো যেত। সরকারি কাজের যেহেতু কোন টাইম লাইন নাই তাই যত দিন আপনি টাকা না দিবেন তত দিন আপনাকে ধুরাতে থাকবে।
amar bari nirman korar somoy wasa r billing officer construction bill babod ai tk cai.ami bill dibo but ghus noi bolai amar barir bill 70% comarcial kore dai, ja max 30% houar niom.
সরকারি চাকরিতে যোগদানের পূর্বে পুলিশ ভেরিফিকেশন করার সময় ৩ বারে এই টাকাটা পরিশোধ করতে বাধ্য হয়েছিলাম।
সাস্থ্য অধিদপ্তর এ — অফিস সহকারী ঘুষ দাবি করে একটা এপ্লিকেশন ফরোয়ার্ড করিয়ে দেয়ার জন্য
একটা মামলার কাগজ হাইকোর্ট থেকে আসছে তা রিসিভ করতে ৫০০ টাকা দেওয়া লাগবে,কইলাম যে টাকা কিশের এইটা তো ডাকে আসছে, এই কথা বলাতে এখন নিতে লাগ,না হলে সিরিয়াল অনুযায়ী ২/৩ দিন পরে আসুন খুজে দিবো,আমার সেই দিন এ জামিন এর কাগজ লাগবে তাই দেওয়া লাগছে,
কোম্পানির বাৎসরিক রিটার্ন ফাইল ( প্রতি টেবিলে) দিতে হয়। টেবিল সংখ্যা ৩ টি।
প্রথমত আমি নিওম অনুযায়ী অনলাইন এর মাধ্যমে আমার ডকুমেন্টস সহ ১৫০০ টাকা সরকারি ফি দিয়ে আবেদন করি। এরপর নির্ধারিত আমি নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী সেই থানার দায়িত্ব প্রাপ্ত কম্পিউটার অপারেটর এর কাছে যাই, বিস্তারিত বলি এবং তিনি একটা পর্যায়ে আমাকে বলে আপনার আবেদন রিজেক্ট করা হয়েছে, তিনি বিভিন্ন কারণ দেখান এবং বলেন সব কিছু নতুন করে আবেদন করতে হবে অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা দিতে হবে।আমার হাতে সময় ছিলনা, ভিসার তারিখ কম থাকায়, আমি তার সাথে আর কোন আরগুমেন্ট এ না গিয়ে টাকাটা দিয়ে দিতে বাধ্য হই। আমি আরো কয়েকজন এর সাথে কথা বলে বুঝলাম বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এমন হেনস্তার শিকার হচ্ছে সেবা গ্রহিতারা।
আমি ৫০০০০ টাকা সোনালি ব্যাংক এ ঋণের জন্য জন্য আবেদন করি সেখানে দালান ছাড়া কাজ হয়না পরে বাধ্য হয়ে ৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
LGED-এর সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলীর (XEN) অফিস ও উপজিলা ইঞ্জিনিয়ার এর অফিসে প্রতি বিলের ৪% টাকা প্রদান করতে অস্বীকার জানাই। ফলে, জুন ক্লোসিং এর সময়ে আমাকে বিল প্রদান না করে টাকা ফেরত পাঠায়। এখন চলতি মাসের শুরুতে আমার প্রকল্পের ফান্ড এসেছে কিন্তু আমি টাকার জন্য প্রতিদিন জুতা ক্ষয় করছি তারপরও টাকা পাচ্ছি না। উল্লেখ , আমার বিল পাস হয়েই আছে।
আমি পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ঘরে বসে আবেদন করেছিলাম আমাকে শুক্রবারে কল করে থানায় যেতে বলে। আমি সেখানে যাই । আমি প্রায় 2 ঘন্টা তার জন্য বসে থাকি । ২ ঘন্টা পরে এসে আমার আবেদন পত্র দেখে বলেন যে আবেদনে ভুল আছে বাহিরে দোকান আছে সেখান থেকে আবার কেরে আসেন । আমি সেখানে ২০০ টাকা দিয়ে করে আসি । আসার পর আমার কাছে চা খাওয়ার জন্য টাকা চায় আমি বলি স্যার আমি তো বিদেশে যাব এখন টাকা পয়সার খুব প্রয়োজন আমি তো দিতে পারবনা । সে বলে বিদেশ যাবেন আর আমাদের এই অল্প টাকার জন্য আপনার সমস্যা! আমি তাকে বললাম কত দিতে হবে ? সে বলে অনেকে 2-3-5 হাজার দেয় ।তখন বললাম আমি তো স্যার এত দিতে পারবোনা আমার কাছে এত টাকা নাই ।তখন বলে কত দিতে পারবনে আমি বলি 500 । আমার পুলিশ ভেরিফিকেশন তখন জরুরি দরকার তাই বাধ্য হয়ে দেই।
আমিসহ আরো ১০ জন একসাথে ২০২৪ সালে দক্ষিন কোরিয়ার ভাষা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলাম। কোরিয়া যাওয়ার প্রক্রিয়া হিসেবে প্রত্যেক চাকুরী প্রার্থীকে মেডিকেল রিপোর্ট দিতে হবে। প্রত্যেকের নিজ জেলার সিভিল সার্জন সেটাকে অনুমোদন করবে। এবং কোন কোন টেস্ট করানো লাগবে সেটা বোয়েসেলের নোটিশে বলা ছিলো। আমরা সকল টেস্ট সম্পন্ন করে রিপোর্ট নিয়ে জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গেলে উনার পিয়ন প্রত্যেকের কাছথেকে ৩,০০০ করে চায়। অথচ, সরকারি ফি-২৫০টাকা। যেহেতু, আমাদের এই রিপোর্ট সাবমিট করার লাস্ট ডেইট ছিলো তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে স্বাক্ষর নিতে হয়েছিলো। আর হ্যাঁ উনি আমাদের জেলার তৎকালীন সিভিল সার্জনের পিয়ন। মানে টাকাটা সিভিল সার্জনই নিয়েছিলো।
সোনালী ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখার ম্যানেজার ঋণ কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। নিজেকে 'এজিএম ম্যানেজার' পরিচয় দিয়ে তিনি গ্রাহক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে দাম্ভিক ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। আমার নিজেরসহ অনেকের অভিজ্ঞতা হলো, অর্থ ছাড়া ঋণ অনুমোদন করা হয় না। একটি নির্দিষ্ট মহলের মাধ্যমে ঋণসংক্রান্ত কাজ ও অর্থ লেনদেন পরিচালিত হচ্ছে। শিক্ষক লোনের ক্ষেত্রেও শিক্ষকদের হয়রানি ও তিরস্কার করা হয়। গ্রাহকদের সামনেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অপমান করার ঘটনাও ঘটছে। বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে ঋণ অনুমোদনের নথি, সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও আর্থিক লেনদেন যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
মাল্টিন্যাশনাল একটা কোম্পানিতে জয়েন করার জন্য চারিত্রিক সনদ প্রয়োজন ছিল যেটা পুলিশ কর্তৃক দস্তখত করা হতে হবে। নিকটস্থ থানায় যাওয়ার পরে পুলিশ টাকা ছাড়া সাইন করবে না বলে জানিয়েছে। খুব আর্জেন্ট প্রয়োজন ছিল বলে উপায় না পেয়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম।