অধিগ্রহণ করা জমির মূল্য পরিষোধ
আমার পরিবারিক জমি রাস্তার জন্য অধিগ্রহণ করা হয়। উক্ত জমির ক্ষতিপূরণ এর অর্থ উত্তোলন করতে গেলে মোট প্রাপ্য টাকার ৫% ঘুষ প্রদান করার পরই চেক হাতে পেয়েছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার পরিবারিক জমি রাস্তার জন্য অধিগ্রহণ করা হয়। উক্ত জমির ক্ষতিপূরণ এর অর্থ উত্তোলন করতে গেলে মোট প্রাপ্য টাকার ৫% ঘুষ প্রদান করার পরই চেক হাতে পেয়েছি।
পোলটি শরানোর জন্য ৯০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল কিন্তু পরবর্তীতে ৩০০০০ টাকা ব্যাংক জমা দেওয়ার পর এখন পর্যন্ত 10% কাজ হয়েছে বাকিটা পেন্ডিং এ আছে।
আমি অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করি, তারপর ডকুমেন্টস থানায় জমা দিতে যাই, তারপর পুলিশ কর্মকর্তা ডকুমেন্টস হাতে নেওয়ার পর কিছু খরচা পানি দেওয়ার দাবি করে, আমি প্রথমে ২০০ টাকা দিয়েছি তারপর বলল হবে না আরো কিছু লাগবে, এরপর আরো ১০০ টাকা দিয়েছি,তারপর কাজ সাথে সাথে হয়ে গেছে।
আমি বৈধ বাভে সব কাগজ পত্র নিয়ে গেলেও দেরি হবে বলে। দেরি হলে আমার ক্ষতি হবে।তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়।
আমি লাইসেন্স নবায়নের জন্য যাই ওখানে ওরা 5000 টাকা দাবী করে টাকা না দিলে এ কাগজ লাগবে ও কাগজ লাগবে কত বাহানা। তারপর শেষমেশ 1000 টাকা দিয়ে তাই করে আসছি।
আমি একটা ব্যবসা করি। প্রতি মাসে সাংবাদিকের নাম করে কিছু ব্যক্তি আসে। তারা কাড দিয়ে টাকা দাবি করে. তানাহলে আমার ব্যবসার নামে উল্টাপাল্টা নিউজ করবে , এই কথা বলে।
ফায়ার লাইসেন্স এর জন্য ফি হলো ৩৪০০/- আমার নিকট হইতে নিয়েছে ১৫০০০/- আমার সাথে ১৫০০০ এর চুক্তি হয়েছে। লাইসেন্স হাতে পেয়ে দেখি সেখানে সরকারী ফি নিয়েছে ৩৪০০/- আর ভ্যাট বাবদ নিয়েছে ৫১০/-
বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাচন অফিস হতে আমার স্মার্ট এনআইডি কার্ড নিতে । দায়িত্বতর কর্মকর্তা ২০০০ টাকা দাবি করে ।
দপ্তরে থানা যুক্ত করার অনুরোধ করছি। আমার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা অনেক পুরাতন। আমার মা হজ্ব এ যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট করতে দিছিলো আর সেই পাসপোর্ট ভেরিফিকাশন আসে গাবতলী থানায়। থানা থেকে ফোন দেয় সেখানে যাওয়ার জন্য। যাওয়ার পর টাকা দাবি করে তাছাড়া পাসপোর্ট হবে না বলে দেয়। হজ্ব এর কথা বলার পর ও পুলিশ ঘুষ খাইলো।
ট্রেড লাইসেন্স নিতে গিয়ে আযাচিত ভাবে সাইন বোর্ড এর সাইজ বেশি দেখানোর চেষ্টা করা হয়। বিভিন্ন হুমকি ধামকি আইন দেখানো হয়। যেখানে আমার সাইন বোর্ড নেই শুধু সাটারের উপর ১০*১ স্টিকার আছে সেখানে প্রত্যেক বার তার ফি দিয়ে এসেছি। এইবার সরাসরি টাকা দাবি করা হয় না হলে সাইন বোর্ড এর সাইজ বাড়াতে বলে।নিরুপায় হয়ে পরিশোধ করেছি
স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে যোগদান করার পরে পুলিশ ভেরিফিশনের জন্য DSB কর্তৃক নির্ধারিত কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, NID কার্ড প্রদান করা হলো তখন তিনি সরাসরি টাকা না চাইলেও কৌশলে এটার জন্য কিছু খরচ আছে এটা বলে ৪-৫ হাজার টাকার কথা বললেন! তাকে প্রথমে টাকা না দিলেও পরবর্তীতে বাধ্য হয়েই ৪ হাজার টাকা দিতে হলো! মেধায় চাকরি (লিখিত,ভাইভা) পেয়েও পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হলো! যারা সরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরি পান সবারই এমন অভিজ্ঞতা আছে!
আমি আত্মরক্ষার জন্য একটি অস্ত্রের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করি ২০২০ সালে। এটি সিটি এসবি তে পাঠানো হয় ভেরিফিকেশন এর জন্য। থানা পর্যায়ে অল্প কিছু টাকা দেয়া হলেও পরবর্তীতে রিপোর্ট ছাড়ার জন্য ৪০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। আমি দিতে অস্বীকার করার কারণে আজ পর্যন্ত সেটি আর আগ্নেয়াস্ত্র বিভাগের কাছে ভেরিফিকেশন শেষে পাঠানো হয়নি সিটি এসবি থেকে।
বিদেশীদের ভিসা তদন্ত রিপোর্ট ছিলো। রিপোর্টের জন্য টাকা না দিলে নেগেটিভ দেয়। আমরা কোম্পানিরা ওদের কাছে জিম্মি। তারা কয়েকজন মিলে সিন্ডিকেট হয়ে তদন্ত গুলো করে। দায়িত্ব থাকা লোক সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে। সে এমনভাবে চলে মনে হয় ভালো লোক। কিন্তু সবকিছু সে নিয়ন্ত্রণ করে।
পুলিশ এর কাছে মামলা করতে গেলে, ১০০০০ টাকা, দিয়ে করতে হয়,, না হয় তারা মামলা নেয় না। হয়রানি করে,,মামলার স্থান তুরাগ থানা, টাকা দাবি SI ও OC, মামলার কারণ শিশু অপহরণ।
নতুন প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন করতে এই টাকা দিতে হবে।
বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত হতে আদালতের আদেশ অনুযায়ী জিম্মার আদেশ প্রেরন করতে সদর জিআরও নাম — ২০০০/ টাকা দাবী করে নতুবা আদেশ দেরিতে যাবে মর্মে জানাই। পরবর্তীতে ২০০০ টাকা দিলে আদেশ পাঠালেও মূল ডকুমেন্টস্ রেখে দিয়ে আরও ১০০০/-টাকা দাবী করে। যা এখও দেইনি বলে ডকুমেন্টস রেখে দিয়েছে।
বিষয়: শ্রম কর্মকর্তা —-এর বিরুদ্ধে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ফ্যাক্টরি ম্যানেজমেন্টের কাছ থেকে প্রতি মাসে অনৈতিকভাবে ৫০,০০০ টাকা আদায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ।মহোদয়,আমরা 'পাকিজা নিট কম্পোজিট' (Pakiza Knit Composite) কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আপনার সদয় অবগতির জন্য একটি অত্যন্ত গুরুতর ও অনৈতিক বিষয়ে অভিযোগ জানাচ্ছি।শ্রম দপ্তরের শ্রম কর্মকর্তা (Labour Officer) — দীর্ঘদিন ধরে আমাদের ফ্যাক্টরি এবং ম্যানেজমেন্টকে নানাভাবে হয়রানি ও ব্ল্যাকমেইল করে আসছেন। অভিযোগের বিবরণ নিম্নরূপ:১. ট্রেড ইউনিয়নের নামে ভয়ভীতি: আমাদের ফ্যাক্টরিতে ট্রেড ইউনিয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন নিয়মকানুন বা আইনি জটিলতার অজুহাত দেখিয়ে তিনি ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দেওয়া বা বড় ধরনের আইনি শাস্তির ভয় দেখিয়ে আসছেন।২. মাসিক অর্থ আদায়: ফ্যাক্টরির উৎ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গাজীপুর। আমি আমার সার্টিফিকেট উত্তোলন করতে গেলে আনসার সদস্য + অফিস সহায়ক আমার থেকে এই টাকা নেয়।
৩ নং মংগলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ, সচিব —, মানুষের সাথে খুব খারাপ ব্যবাহার করে মানুষকে ঘন্টার পরে ঘন্টা সামান্য কাজের জন্য ইচ্ছা করে অপেক্ষা করিয়ে রাখে! যাতে তার দালাল দের কাছে মানুষ যায় এবং ঘুস দিয়ে কাজ করায়! সাধারণ মানুষ এর সাথে খুব খারাপ ব্যবহার করে! মানুষ আসলে এটা লাগবে ওটা লাগবে মানুষ জিজ্ঞাসা করলে বলে আমি জানি না কোথায় পাবেন!! তারা কথা বলার ভাংগি খুব খারাপ। সে সরাসরি ঘুস চায় না, তার দালাল এর মাধ্যমে কাজ করতে হয়। ৫ হাজার, ১০ হাজার ২০ হাজার!!
জন্মনিবন্ধন এর নাম সংশোধন করতে বোর্ড অফিস এ গেলে তারা আমার কাছে ১৫০০ টাকা দাবি করে পরবর্তীতে ৯০০ টাকার বিনিময়ে আমার জন্মনিবন্ধন টি সংশোধন করে দেয়