পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইন ফি জমা দিলেও থানায় এক্সট্রা ঘুষ দিতে হয়, নয়তো সময়মতো তা পাওয়া যায়না, যদিও নিয়ম হলো আবেদনের ১ সপ্তাহ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে তা দিয়ে দেয়া
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইন ফি জমা দিলেও থানায় এক্সট্রা ঘুষ দিতে হয়, নয়তো সময়মতো তা পাওয়া যায়না, যদিও নিয়ম হলো আবেদনের ১ সপ্তাহ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে তা দিয়ে দেয়া
প্রতিষ্ঠানের ফায়ার লাইসেন্স পুনঃ মূল্যায়ন এর জন্য ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অফিসে পনের হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে।
থানায় জিডি না জেনারেল ডায়েরি করতে গিয়েছিলাম। আমাকে নানাভাবে বুঝিয়ে ক্যামেরার বাইরে গিয়ে একজন মহিলা পুলিশ ১০০ টাকা নিয়েছে।
মামলার রায় দেওার জন্য জজ আমার কাছে এই পরিমান টাকা দাবি করে। আমি তার বাসায় গিয়ে তাকে এই টাকা দেই। বিকাশেও টাকা পাঠাই। কিন্তু টাকা নেওয়ার পর ও সে আমার কাজ করে দেয় নাই। এখন টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য টাল বাহানা করছে।
বিআরটিএ কপি না দিয়ে ২৫০০ টাকা দাবি করে
আমি বিবাহ সনদ/নিকাহ নামা সত্যায়নের জন্য আবেদন করি, আমার আবেদন বার বার কারন ছাড়াই বাতিল করে দেয়। পরে জেলা রেজিস্ট্রারের কার্যালয় গিয়ে জানতে চাইলে তিনি আকার ইঙ্গিতে বুঝাই দিলেন যে আপানার আবেদন নতুন ভাবে করতে হবে আপনারা করলে হবে না, এই আবেদন শুধু না.... জেলা একজন ই করতে পারে তার আবেদনন শুধু সঠিক হয়! আমি বললাম তিনাকে তো আমি চিনিনা,তিনার সাথে যোগাযোগ করবো কিভাবে পরে তার whattsapp নাম্বার দিলো, পরে জানতে পারি অফিসারে নিজের ভাগ্নে তিনি। এবং তিনি সরাসির টাকা দাবি করেছে। আমিও প্রথ্যাখান করে দিয়েছি, আবার আবেদন করলাম তারপর হয়নি, বাধ্য হয়ে পরে কাজীর মাধ্যমে ৭০০০ টাকার বিনিময়ে কাজ টি করে দেয় । এখানে কাজী ও দালালী কমিশন পাইছে । কিছু করার নাই, এই দেশের সাধরন মানুষ হিসাবে জন্মগ্রহণ করাটাই পাপ হইছে ।
ঢাকা মহানগরীর ৬৬নং ওয়ার্ডস্থ গ্রীনসিটি আবাসিক এলাকায় নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রহণের জন্যে ডিপিডিসি (DPDC)-এর এনওসিএস মাতুয়াইল অফিসে যোগাযোগ করলে নানা রকম কাগজপত্রের বাহানায় প্রায় ৬ মাস ঘুরায়। পরবর্তীতে এক দালালের সাথে চুক্তিকরে প্যাকেজ ৬০,০০০টাকা দিয়ে তাদের মর্জি মতো ২ ফেইজের নরমালতার ও প্রিপেইড মিটার সংযোগ নিতে হয়।
গর্ভবতী ভাতা করে দিবে এর জন্য ৫৫০০ টাকা দাবি করে। কোন এক জন প্রতিনিধি (মহিলা মেম্বার)। গর্ভবতী ভাতা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে জনগন সুবিধা পাবে।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য থানাই যাই, সরকারি ফী বাদে ৫০০ টাকা খরচ বাবাদ দারগা দাবি করে, পরে ঐটা দিতে হিছে বাদ্য হয়ে
LGED-এর সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলীর (XEN) অফিস থেকে প্রথম পেমেন্ট গ্রহণের সময় চেক প্রদানের পূর্বে XEN-এর কক্ষে Accounts Officer সহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা আমার বিলের ১.৫% টাকা PC Money হিসেবে দাবি করেন। আমি উক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই। এরপর প্রায় এক মাস ধরে আমার দ্বিতীয় পেমেন্ট প্রক্রিয়াধীন থাকলেও পেমেন্টের কোনো ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। একই সঙ্গে বিল প্রস্তুত ও পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত আমার Measurement Book (MB Book) আমার কাছে ফেরত দেওয়া হচ্ছে না/গোপন রাখা হয়েছে। ফলে আমি আমার প্রাপ্য দ্বিতীয় পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারছি না।
জাহাজের এনওসি নেওয়ার জন্য আমাদের সব কিছু ঠিক থাকার পরও টাকা না দিলে উনারা এনওসি অনলাইনে সাবমিট করে না।
কারা ক্যান্টিন ম্যানেজার হতে হলে জেল সুপার এর বউকে এ পরিমাণ টাকা দিয়ে আসতে হয় , তিনি সব নিয়ন্ত্রণ করেন পোষ্টিং
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পিওএম পূর্ব বিভাগের বিএইচএম এএসআই(সঃ) — আমার কাছে সিগারেট খাওয়ার জন্য ৫০০ টাকা চেয়েছিলেন। আমি টাকা না দেওয়ায় আমাকে অতিরিক্ত ডিউটি এবং মানসিক টর্চার প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছেন। এএসআই(সঃ) — প্রতিটি পুলিশ সদ্যসের কাছে টাকা দাবী করেন। টাকা না দিলে অতিরিক্ত ডিউটি এবং মানসিক টর্চার করেন।
চাকরিতে যোগদানের পর আমার প্রতিষ্ঠান হতে SB অফিসে ভেরিফিকেশন এর জন্য কাগজপত্র পাঠানো হয়। নিয়মানুযায়ী আমার বর্তমান ঠিকানা ঢাকায় একজন এসআই ভেরিফিকেশন করার স্বার্থে আমার সকল সার্টিফিকেট এর কপি নেন। বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে খোঁজ নেয়ার পরে উনার দায়িত্ব ছিলো আমার জেলার SB অফিসে ভেরিফিকেশন সংক্রান্ত কাগজপত্র পাঠানোর। কিন্তু তিনি প্রায় ৩/৪ মাস ধরে উক্ত আমার জেলার SB অফিসে কাগজপত্র প্রেরণ করেননি। উনার সাথে যোগাযোগ করা হলে বলেন যে পাঠিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু বাস্তবে পাঠাননি। এরপর জেলার SB অফিস হতে যোগাযোগ করে হলে তিনি জানান যে কাগজ হারিয়ে ফেলেছেন। এদিকে আমার ভেরিফিকেশনের জন্য আমার ব্যাচের সবার স্থায়ীকরণ আটকে ছিলো। তাই আমার এক স্যারের পরামর্শে উনার বিকাশ নম্বরে ২০০০ টাকা পাঠাই। তারপর তিনি কাগজ প্রেরণ করেন।
৯৯৯ এ কল করে পুলিশ ডাকছিলাম পুলিশ এসে ১০০০ ঘুশ নিছে
আপনি ইউনিয়ন পরিষদের যেকোনো উন্নয়নমূলক কাজ যেমন :টিয়ার বলেন, কাবি খা, কাবিটা, বলেন এসব কাজগুলো সবকিছুই পিআইও অফিসের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ হয়। কাজ শেষে আপনাকে লাখে 20% বা ২১% দেওয়া লাগবে পিআইও অফিসে।আপনি কাজ সিডিউল অনুপাতে যতই ভালো করুন না কেন, আপনাকে এ পার্সেন্টেজ দেওয়াই লাগবে।
৩৫ হাজার একটা অনুদান। সে আমাকে ১৫ হাজার টাকা দিতে চাইছিল। বাদ বাকি টাকা সে নেবে
আমার একটা অভিমত যে,পুলিশ বাহিনীতে বদলিজনিত ঘুষ আর কতদিন চলব?এই ঘুষ সাময়িক পুলিশ দিলেও, সেটা উসুল করে জনগনের উপর দিয়ে। এমন অনেক পুলিশ সদস্য আছে যাহারা চান না ঘুষ দিয়ে কিছু করতে।কিন্তু বাধ্য করা হয় ঘুষ দিতে।এমন বাংলাদেশ কি আসলেই কাম্য! আমি আম জনতা।কিন্তু এই পরিবারের একজন।
আমি স্কুল থেকে আমার বাবা মার নাম সংশোধন করতে গেছিলাম তখন স্কুল কেরানি মাকে বলে আমি আবেদন করে দিব কিন্তু সরকারি ফি ছাড়া আমাকে দুজনের জন্য ১০০ টাকা ঘুষ দিতে হবে। আমি বলি যে আমি টাকা দিব না সে বলে আমি টাকা ছাড়া আবেদন করে দিব। পরে বাদ্দ হয়ে ৮০০ টাকা দিছি ঘুষ তার পরে আবেদন করে দেন।
এনটিআরসিএ মাধ্যমে কলেজে নিয়োগ পেলেও প্রতিষ্ঠান প্রধান ও প্রতিষ্ঠাতা জানায় টাকা ছাড়া নিয়োগ পত্র দেবে না।বাধ্য হয়ে নতুন নিয়োগ পাওয়া আমাদের কাছ থেকে জন প্রতি একলাখ টাকা করে নেয়। সিনিয়র শিক্ষক দের সাহায্য চাইলে তারা জানায় কমিটির নিয়োগের সময় তাদের বিশ লাখ করে দিতে হয়েছে। তোমরা তো বেঁচে গেছ। এর আগে হাইস্কুলে একই ঘটনার শিকার হই। কেউ দেখার নেই। 😢😢😢