নির্বাচনে পোলিং অফিসারের দায়িত্ব পালনের জন্য ট্রেনিং করার পর ঘুষ নিয়ে বাদ দেওয়া হয়,দেওয়া হয় নতুন লোক
নির্বাচনে পোলিং অফিসারের দায়িত্ব পালনের জন্য ট্রেনিং করার পর ঘুষ নিয়ে বাদ দেওয়া হয়,দেওয়া হয় ঘুষের বিনিময়ে দেওয়া হয় নতুন নিয়োগ। প্রায়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নির্বাচনে পোলিং অফিসারের দায়িত্ব পালনের জন্য ট্রেনিং করার পর ঘুষ নিয়ে বাদ দেওয়া হয়,দেওয়া হয় ঘুষের বিনিময়ে দেওয়া হয় নতুন নিয়োগ। প্রায়
Lakshmipur LGED Total 7% dewa lagcha. 1ta kaj complete korta
ট্রেডমার্ক নিবন্ধন করার জন্য প্রত্যেকটা ধাপে সময়ক্ষেপণ আর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য অর্থ দাবী করার বিষয়ে আমার অভিজ্ঞতা জানাচ্ছি । একবছর হলো আবেদন করেছি কিন্তু আজ পর্যন্ত আমার আবেদনটি দেখেনি এক্সামিনি করেনি। এখন আমার জরুরী প্রয়োজন হলে যখন যাই তখন অরথছাড়া কাজ কবে হবে কোন ঠিক নেই। ২-৩ বছরও লেগে যেতে পারে। টাকা দিলে তাহলে ২-৩ মাসের মধ্যে আমার কাজটি সম্পন্ন হবে। সম্পূর্ণ কাজটি করার জন্য আমার অতিরিক্ত খরচ হতে পারে ৪০-৫০ হাজার টাকা। শুরুতে শুধু ফাইলটি এক্সামিনি করার জন্য দিবে সেজন্নই ৩-৫ হাজার পর্যন্ত দাবি করেন। আমি তখন টাকা না দিয়ে ফিরে আসি। এখন আমার কাজটি ওভাবেই পড়ে আছে।
সত্য ঘটনা মামলা করা হয়েছে সেটার তদন্তের জন্য এ এস আই আসলেন এবং আট হাজার টাকা চাইলেন। বাধ্য হয়ে টাকাটা দিতে হলো। অবাক করা বিষয়, আসামি পক্ষের নিকট হতে ও টাকা নিলেন।
একজন আমার ওপরে ভুয়া মামলা করেছিল, পরবর্তীতে বাদী আপোষ করতে চাই এবং আমরা অপেক্ষা করি। কিন্তু নারী ও শিশু কোর্টের পিপি ঘুষ ছাড়া কাজ করতে চায়না বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে চায়নি এজন্য বাধ্য হয়ে আমাদের এই টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। আর উকিলরা ও অনেক টাকা আত্মসাৎ করেছে, তাই বুঝি কোর্টের উকিলদের নির্ধারিত ফি ধারণ করা যাতে সাধারণ মানুষ জালিয়াতি শিকার না হয়।
আমি অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করি, তারপর ডকুমেন্টস থানায় জমা দিতে যাই, তারপর পুলিশ কর্মকর্তা ডকুমেন্টস হাতে নেওয়ার পর কিছু খরচা পানি দেওয়ার দাবি করে, আমি প্রথমে ২০০ টাকা দিয়েছি তারপর বলল হবে না আরো কিছু লাগবে, এরপর আরো ১০০ টাকা দিয়েছি,তারপর কাজ সাথে সাথে হয়ে গেছে।
আমি আত্মরক্ষার জন্য একটি অস্ত্রের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করি ২০২০ সালে। এটি সিটি এসবি তে পাঠানো হয় ভেরিফিকেশন এর জন্য। থানা পর্যায়ে অল্প কিছু টাকা দেয়া হলেও পরবর্তীতে রিপোর্ট ছাড়ার জন্য ৪০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। আমি দিতে অস্বীকার করার কারণে আজ পর্যন্ত সেটি আর আগ্নেয়াস্ত্র বিভাগের কাছে ভেরিফিকেশন শেষে পাঠানো হয়নি সিটি এসবি থেকে।
দপ্তরে থানা যুক্ত করার অনুরোধ করছি। আমার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা অনেক পুরাতন। আমার মা হজ্ব এ যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট করতে দিছিলো আর সেই পাসপোর্ট ভেরিফিকাশন আসে গাবতলী থানায়। থানা থেকে ফোন দেয় সেখানে যাওয়ার জন্য। যাওয়ার পর টাকা দাবি করে তাছাড়া পাসপোর্ট হবে না বলে দেয়। হজ্ব এর কথা বলার পর ও পুলিশ ঘুষ খাইলো।
বিষয়: শ্রম কর্মকর্তা —-এর বিরুদ্ধে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ফ্যাক্টরি ম্যানেজমেন্টের কাছ থেকে প্রতি মাসে অনৈতিকভাবে ৫০,০০০ টাকা আদায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ।মহোদয়,আমরা 'পাকিজা নিট কম্পোজিট' (Pakiza Knit Composite) কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আপনার সদয় অবগতির জন্য একটি অত্যন্ত গুরুতর ও অনৈতিক বিষয়ে অভিযোগ জানাচ্ছি।শ্রম দপ্তরের শ্রম কর্মকর্তা (Labour Officer) — দীর্ঘদিন ধরে আমাদের ফ্যাক্টরি এবং ম্যানেজমেন্টকে নানাভাবে হয়রানি ও ব্ল্যাকমেইল করে আসছেন। অভিযোগের বিবরণ নিম্নরূপ:১. ট্রেড ইউনিয়নের নামে ভয়ভীতি: আমাদের ফ্যাক্টরিতে ট্রেড ইউনিয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন নিয়মকানুন বা আইনি জটিলতার অজুহাত দেখিয়ে তিনি ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দেওয়া বা বড় ধরনের আইনি শাস্তির ভয় দেখিয়ে আসছেন।২. মাসিক অর্থ আদায়: ফ্যাক্টরির উৎ
জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করতে সরকারের ফি ৩৫০ টাকা। কিন্তু আমার কাজ থেকে ৭/১০ দিনের মধ্যে করে দিবে বলে ১০০০০ টাকা চেয়েছে।
আমি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের একজন কর্মচারী হিসাবে খুলনা জোনে চাকরিরত অবস্থায় আছি। আমার যখন সিলেকশন গ্রেড প্রাপ্তির সময় হয় তখন আমি যথারিতি অফিসে আবেদন করি কিন্তু আমার এই ন্যায্য অধিকার আমি অফিসিয়াল নিয়ম অনুযায়ি সহজে পাই নাই। আবেদনের পর থেকে আমার নিজ অফিসের উপপরিচালক কে বারবার কাজটি করে দেওয়ার জন্য বললেও সে নানা বাহানায় করতো না, যারা সুবিধা দিতো তাদের সবার কাজ দ্রুত হয়ে যেতো কিন্তু আমারটা দিনের পর দিন পড়ে থাকতে থাকতে ৬ মাস পার হওয়ার পর আমি একরকম নিরুপায় এবং বাধ্য হয়ে (কারন এটা আমার চাকরির একটা স্টাটাস + বেতন ভাতার বিষয়, এর মাধ্যমে আমার স্কেল পরিবর্তন হবে এবং বেতন বাড়বে) তাকে কয়েক ধাপে এই টাকা দেই। টাকা পাওয়ার পর সে আমার কাজ আগ্রহচিত্তে হাতে নেয় এবং কাজটি করে দেয়।
আমি আইডি কার্ডের নাম সংশোধন করতে গিয়েছিলাম।তারপর উনি প্রায় ৭ টা পেপার রেডি করে আনতে বলেছিলেন।জেলা শহর এবং ইউনিয়ন অফিস এবং কাজীর কাছ থেকে যাবতীয় কাগজগুলা আনার পরে জমা দিতে গেলে।উনি বলেন যে, আপনার আইডি কার্ডে তো সমস্যা অনেক,আমাকে অনেক শ্রম দিতে হবে,আপনি কিছু টাকা দিলে দ্রুত কাজটা হবে।আমি থ হয়ে অবাক হলাম,কারণ এত কষ্ট করিয়ে এখন টাকা চাইতেছে।টাকার পরিমাণ জিজ্ঞাসা করলে উনি কি কি জানি হিসাব দেখাইয়া কইছে ১৭ হাজার লাগবে টোটাল।এর কমে হবেনা।আমি বলছি,আচ্ছা ঠিক আছে আমি দেখি।আমাদের ইউএনও স্যারকে জানানোর পরেও,কোনো কাজ হয় নাই।
Amar baby er EPI vaccine seba niyechi, jeta govt. er free program but 12 No ward councilor er EPI center er mohila per vaccination er jonno 200taka charge niyechen, na hole seba dite pabe na. onara 2 jon and babohar khub kharap.
নতুন ব্যাংক একাউন্ট করতে গেলে কর্মকর্তারা জানায়, এক সপ্তাহ পর চেক বই নিয়ে আসতে। ইমার্জেন্সি দরকার হওয়ার কথা বলতেই নাস্তা খাওয়ার টাকা চায়। শেষমেষ ১০০০৳ দিতে হলো।
আমার পরিবারিক জমি রাস্তার জন্য অধিগ্রহণ করা হয়। উক্ত জমির ক্ষতিপূরণ এর অর্থ উত্তোলন করতে গেলে মোট প্রাপ্য টাকার ৫% ঘুষ প্রদান করার পরই চেক হাতে পেয়েছি।
কক্সবাজার জেলা হতে বান্দরবান পার্বত্য জেলায় বদলীর জন্য আবেদন করেছিলাম। খামারবাড়ী, ঢাকায় আমার এক কলিগের কাছে ফোন করে আমার বদলীর আবেদনের কথা বলেছিলাম। উনি আমাকে বদলী করিয়ে দিবে বলেছিলো। কিন্তু খরচ বাবদ ১ লক্ষ টাকা দাবী করেছিলো। আমি যাস্ট একটা কথা বলে ফোন টা কেটে দিয়েছিলাম। চাকুরী নিতে ১টাকাও লাগেনি, সেখানে বদলীর জন্য ১ লাখ টাকা দিবো?
পোলটি শরানোর জন্য ৯০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল কিন্তু পরবর্তীতে ৩০০০০ টাকা ব্যাংক জমা দেওয়ার পর এখন পর্যন্ত 10% কাজ হয়েছে বাকিটা পেন্ডিং এ আছে।
মাত্র ৪ দিন আগে আমার বউয়ের সরকারি চাকরিতে যোগদানের ক্ষেত্রে পুলিশ ভ্যারিফিকেশন এর জন্য এই অর্থ দাবি করা হয়েছিল
nida name ,present address and permanent address correction
রেলওয়ে বানিজ্যিক লাইসেন্স করে দিবে বলে টাকা নেয়,এবং আরও টাকা দাবি করে,কাজ না করে দিয়ে ঘুরাচ্ছে ৩ বছর যাবত,তাদের ম্যাজিষ্টেট এর সামনে শিকারোক্তি লিখিত রয়েছে