কারাকান্টিন ম্যানেজার নির্বাচনে প্রতি ৩ মাসে ১ বার
কারা ক্যান্টিন ম্যানেজার হতে হলে জেল সুপার এর বউকে এ পরিমাণ টাকা দিয়ে আসতে হয় , তিনি সব নিয়ন্ত্রণ করেন পোষ্টিং
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
কারা ক্যান্টিন ম্যানেজার হতে হলে জেল সুপার এর বউকে এ পরিমাণ টাকা দিয়ে আসতে হয় , তিনি সব নিয়ন্ত্রণ করেন পোষ্টিং
জাহাজের এনওসি নেওয়ার জন্য আমাদের সব কিছু ঠিক থাকার পরও টাকা না দিলে উনারা এনওসি অনলাইনে সাবমিট করে না।
LGED-এর সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলীর (XEN) অফিস থেকে প্রথম পেমেন্ট গ্রহণের সময় চেক প্রদানের পূর্বে XEN-এর কক্ষে Accounts Officer সহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা আমার বিলের ১.৫% টাকা PC Money হিসেবে দাবি করেন। আমি উক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই। এরপর প্রায় এক মাস ধরে আমার দ্বিতীয় পেমেন্ট প্রক্রিয়াধীন থাকলেও পেমেন্টের কোনো ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। একই সঙ্গে বিল প্রস্তুত ও পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত আমার Measurement Book (MB Book) আমার কাছে ফেরত দেওয়া হচ্ছে না/গোপন রাখা হয়েছে। ফলে আমি আমার প্রাপ্য দ্বিতীয় পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারছি না।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য থানাই যাই, সরকারি ফী বাদে ৫০০ টাকা খরচ বাবাদ দারগা দাবি করে, পরে ঐটা দিতে হিছে বাদ্য হয়ে
ঢাকা মহানগরীর ৬৬নং ওয়ার্ডস্থ গ্রীনসিটি আবাসিক এলাকায় নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রহণের জন্যে ডিপিডিসি (DPDC)-এর এনওসিএস মাতুয়াইল অফিসে যোগাযোগ করলে নানা রকম কাগজপত্রের বাহানায় প্রায় ৬ মাস ঘুরায়। পরবর্তীতে এক দালালের সাথে চুক্তিকরে প্যাকেজ ৬০,০০০টাকা দিয়ে তাদের মর্জি মতো ২ ফেইজের নরমালতার ও প্রিপেইড মিটার সংযোগ নিতে হয়।
ডেভেলপার কোম্পানি হতে ফ্ল্যাট কেনায় বিদ্যুৎ মিটারের নাম ডেভেলপার কোম্পানির নামে থাকায় তা নিজের নামে পরিবর্তন করা অত্যাবশকীয়। কেননা ব্যাংক, ভিসা সহ অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রে ইলেক্ট্রিসিটি বা পানির বিলের কপি সাবমিট করার প্রয়োজন পড়ে। পূর্বে গ্যাস মিটারের নাম পরিবর্তন করতে যেয়ে তারা আমার নিকট ১০ হাজার টাকা দাবী করেন, যা আমি পরিশোধ করিনি। কিন্তু অত্যন্ত জরুরী হওয়ায় আমি আমার সকল কাগজপত্র জমা দেই এবং একইভাবে অন্যান্য অধিদপ্তরের অফিসের মতো এরাও আমার নিকট ১০ হাজার টাকা দাবী করেন। আমি তাৎক্ষণিক ৩ হাজার টাকা পরিশোধ করি এবং বাকি টাকা কাজ সম্পন্ন হবার পর পরিশোধ করবো বলে জানাই। পরবর্তী ১৫ দিন ধরে বার বার ধর্ণা দেওয়া সত্বেও কাজটি সম্পন্ন না হওয়ায় আমি ৪ হাজার টাকা পরিশোধ করে তাদের নিকট মাফ চেয়ে নিই।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইন ফি জমা দিলেও থানায় এক্সট্রা ঘুষ দিতে হয়, নয়তো সময়মতো তা পাওয়া যায়না, যদিও নিয়ম হলো আবেদনের ১ সপ্তাহ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে তা দিয়ে দেয়া
মাল্টিপল পাসপোর্ট ইস্যুতে একটি বাতিল ও সঠিক টি সচল রাখার জন্য বেরিফিকেশন পাসপোর্ট ইস্যু
আমি ইংল্যান্ড এ একটি ছোট পার্সেল দিচ্ছিলাম, তখন সব কিছু ঠিক থাকার পরেও পোস্ট অফিস এর একজন কর্মচারী — (গাজিপুর-১৭০০) যে কিনা পার্সেল প্যাকিং করে সে জাস্ট আমর পার্সেল এ তাদের ডকুমেন্ট গ্লু করেছে এই কাজের জন্য সে জোর করে আমার থেকে ৪০০tk নিয়ে গিয়েছে, এইটা নাকি তাদের প্রাপ্য তা বলে নিয়েছে, ওইটাই আমরা লাইফ এ প্রথম পোস্ট অফিস এ ডেলিভারি
সরকারি ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য সরকারি ফ্রি এর অতিরিক্ত আরো ২০০০০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। সেটা দিতে অস্বীকৃতি জানালে লাইসেন্স দিতে গড়িমসি শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে টাকা দেওয়ার পর লাইসেন্স নবায়ন হয়।
এনজিও বিষয়ক ব্যুরো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ হলেও সেখানে ২ কোটি টাকার বিদেশি অনুদানপ্রাপ্ত প্রকল্পের এফডি-৬ ফরম অনুমোদনের বিনিময়ে ১ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার ঘটনা প্রশাসনিক স্বচ্ছতার ওপর গভীর প্রশ্নচিহ্ন বসিয়েছে। আইন অনুযায়ী প্রকল্প অনুমোদন একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া হলেও ঘুষের বিনিময়ে এই অনুমোদন দেয়া দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের সুস্পষ্ট উদাহরণ। বিশেষত যখন এই ব্যুরো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত, তখন এই ঘটনা শুধু একটি প্রকল্পের গতি ধীর করেই ক্ষান্ত নয়, বরং শীর্ষ পর্যায়ের একটি সংস্থার বিরুদ্ধে জনআস্থার সংকট তৈরি করে।
চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ শিপিং অফিসের প্রতিটি টেবিল যেন এক একটা ঘুষের খনি। সাইন অন, সাইন অফ থেকে শুরু করে প্রতিটি টেবিল টাকা ছাড়া কথা বলে না। যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে কাগজ পত্র এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে যায় না। যে কাজের সময় লাগে ২০/৩০ মিনিট সেখানে ১/২দিন ও লাগতে পারে।
রাজউকের উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরে একটি জি+৯ ভবনের জন্য এলইউসি চাওয়া হয়েছিলো বিগত মে ২০২৬ তারিখে। আমার ব্যক্তিগত মতে, সার্ভিসটি চাইলে রাজউক সর্বোচ্চ এক সপ্তাহের ভেতর দিতে পারে বা পারতো। (বর্তমানে অফিসিয়ালি আবেদন করতে ১০০০টাকা + ভ্যাট লাগে ও সময় এক মাস দেখানো আছে)! কিন্তু আজকে প্রায় ৪ মাস অপেক্ষা করেও এল ইউ সি পাইনি, গত সপ্তাহে তারা জানায় যে, আমরা যে আবেদন করেছিলাম সেটা তারা খুঁজে পাচ্ছে না!! (ফাইলে কপি নেই, কিন্তু আমার হাতে তাদের রিসিভ করা কপি আছে) যাহোক, দুটি এল ইউ সি ৭০,০০০ টাকায় চুক্তি করি (ঘূষ) এবং ৫০,০০০ ইতিমধ্যে পরিশোধ করেছি (একটি হাতে পাবার পর)। ২০,০০০ টাকা অন্যটি পেলে দিতে হবে।
প্রতিষ্ঠানের পরিবেশগত ছাড়পত্রের জন্য সহকারী পরিদর্শক এর কার্যালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, দিনাজপুর অফিসে বিশ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হয়।
এনআইডি কার্ড সংশোধন জন্য
ডেভেলপার কোম্পানি হতে ফ্ল্যাট কেনায় গ্যাস একাউন্টের নাম ডেভেলপার কোম্পানির নামে থাকায় তা পরিবর্তন করে নিজ নামে করার জন্য যাবতীয় সকল কাগজপত্র জমা দেওয়া হলে উক্ত অফিসে চাকুরীরত পিয়ন আমার নিকট ১০ হাজার টাকা দাবী করেন এবং আমি তা দিতে প্রত্যাখ্যান করি। আজও আমি আমার গ্যাস মিটারের নাম পরিবর্তন করিনি এবং ব্যাংক, ভিসা, হোল্ডিং ট্যাক্সের কাজের জন্য ডিপিডিসি অফিসেও ঘুষ প্রদান করে মিটারের নাম নিজের নামে করে নিতে হয়েছে, যা আমি পরবর্তীতে প্রকাশ করছি।
nid সংশোধনের জন্য আবেদন করা হলে তারা বললো জন্ম তারিখ পাল্টানো যাবে না, কিন্তু পাসপোর্টে সঠিক জন্ম তারিখ ছিলো এখন আমার মাত্র ৫ দিন আগ পিছ হয়েছে টাইপিং এ ভুলের কারনে এর জন্য ২ লাখ টাকা চাইছে, পরবর্তীতে আমি ঠিক করাতে পারি নি এখনো কারন এতো টাকা আমার কাছে নাই
ফ্রি কম্পিউটার ট্রেনিং এর রেজিষ্ট্রেশন নাম করে প্রথমে ১০০ টাকা নিছে। তারপর স্টাম্প সিগনেচার, ও আর বিভিন্ন খরচের নামে মোটামুটি ২৫০০ টাকা নিছে।
আমি আমার NID কার্ড করার জন্য অনলাইনে আবেদন করে কাজগ অফিসে জমা দিতে যাই যাওয়ার পর নির্রবাচন অফিসের চোকজন বলে আরো কাগজ লাগবে যে কাগজ গুলোর কথা বলে ওগুলো নিয়ে আসার পর জানায় এগুলো সপ্তায়িত করা লাগবে তারপর তাই করলে বলে জমা দিয়ে চলে যেতে। তারপর ২ মাস পর যাইতে বলে গেলেে বলে আরো ২ মাস পর আসতে তারপরও গেলে বলে তোমার কাগজ দেখা লাগবে তখন বলে আমার কাগজ নাকি জমা দেওয়া নাই। ভালো করে খুজে দেখে কাগজ ডয়ারে এমনি পরে আছে ওরা আমাকে তারপর বলে কাগজ রেজিস্ট্রার করে জমা দাও মাই কেনো।তারপর রেজিস্ট্রার করে রেখে দেয় বলে পরের মাসে আসতে। তারপরের মাসে গেলে বলে আজকে সার্ভার বন্ধ কালকে আসিও পরের গিয়ে দেখি আমার এলাকার আরো কয়েজন ছবি তুলার জন্য আসছে ওদের বলল্লে ওরা বলে আমরা ৩০০ করে টাকা একজনকে দিছি সেই সব কাজ করে দিছে।
আমাদের একটা মামলার রায় হইছে। কিন্তু মামলার রায়ের কপি আনতে গেলে উকিল আমাদের থেকে ১৫ হাজার টাকা দাবী করে কিন্তু লিগাল ভাবে নিতে গেলে এর জন্য ম্যাক্সিমাম খরচ হবে ২ হাজার টাকা।