ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন
ফায়ার লাইসেন্স এর জন্য ফি হলো ৩৪০০/- আমার নিকট হইতে নিয়েছে ১৫০০০/- আমার সাথে ১৫০০০ এর চুক্তি হয়েছে। লাইসেন্স হাতে পেয়ে দেখি সেখানে সরকারী ফি নিয়েছে ৩৪০০/- আর ভ্যাট বাবদ নিয়েছে ৫১০/-
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ফায়ার লাইসেন্স এর জন্য ফি হলো ৩৪০০/- আমার নিকট হইতে নিয়েছে ১৫০০০/- আমার সাথে ১৫০০০ এর চুক্তি হয়েছে। লাইসেন্স হাতে পেয়ে দেখি সেখানে সরকারী ফি নিয়েছে ৩৪০০/- আর ভ্যাট বাবদ নিয়েছে ৫১০/-
আমার ছেলের জন্ম নিবন্ধন এর জন্য স্থানীয় গ্রাম পুলিশ জন্ম নিবন্ধন করে দেবার কথা বলে ৫০০ টাকা দেই উনি আমাকে বলে জন্ম নিবন্ধন করে আমার বাসায় এনে দিয়ে যাবে ছয় মাস পর যখন আমি খোঁজ নেই তখন বলে হচ্ছে হবে দিচ্ছি এরকম করে আমাকে ঘুরায় আরো দেড় বছর আমি ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব রক্ষক কে বলি উনি বলে টাকা লাগবে তাহলে আমি তাড়াতাড়ি করে দিতে পারব ওইখানে দিলাম সাড়ে চার হাজার বলল হলে আমি ফোন দিব ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব রক্ষক বলল জন্ম নিবন্ধন কমপ্লিট হলে আমি আপনাকে ফোন দিব ফোনের অপেক্ষায় থাকতে থাকতে আমি আবার গেলাম ইউনিয়ন পরিষদে এখন বললে সার্ভার সমস্যা বয়স বেশি বিভিন্ন ইস্যু এখন আমার ছেলের বয়স ২৫ মাস করতে এখনো জন্ম নিবন্ধন করতে পারিনি আর করতে পারব কিনা তাও জানিনা
পোলটি শরানোর জন্য ৯০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল কিন্তু পরবর্তীতে ৩০০০০ টাকা ব্যাংক জমা দেওয়ার পর এখন পর্যন্ত 10% কাজ হয়েছে বাকিটা পেন্ডিং এ আছে।
ফেনী ধলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে ঘুষ দেয়া ছাড়া ওয়ারিশ সনদ , মৃত্যু সনদ ও অন্যান্য সেবা পাওয়া যায় না
জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করতে সরকারের ফি ৩৫০ টাকা। কিন্তু আমার কাজ থেকে ৭/১০ দিনের মধ্যে করে দিবে বলে ১০০০০ টাকা চেয়েছে।
মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে একটা চাকরির জন্য ক্যারেক্টর সার্টিফিকেট(চেয়ারম্যান সনদ) প্রয়োজন ছিল। পুলিশ টাকা ছাড়া সাইন করবে না।
ঢাকা জজ কোর্টে একটি দেওয়ানী মামলা ফাইলিং করতে গিয়েছিলাম , সেখানকার কোর্ট স্টাফ সিগনেচার করতে ,কোর্টের সিল মারতে এবং কোর্ট ফ্রি এন্ট্রি করতে ইত্যাদি কাজে প্রায় ২০০০ টাকার মতো লেগেছে। টাকা না দিলে তারা কোন কাজ করে না। এমনকি ওপেন এজলাসে বিচারক থাকা অবস্থায় তারা টাকা নেয়। এটা তো খুব সামান্য ঘটনা। প্রতিদিন কোর্টের স্টাফরা লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ নেয়। আদালত প্রাঙ্গনে ঘুষ ছাড়া প্রপারলি কোন কাজ করা যায় না। আর আমরা আইনজীবীরা বাধ্য হয়ে , এইসব ঘুষ দিয়ে থাকি।
Police clearence ar jonno printing fee babod 5000 tk Sarail thanar SI ke diyachi.
ট্রেডমার্ক নিবন্ধন করার জন্য প্রত্যেকটা ধাপে সময়ক্ষেপণ আর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য অর্থ দাবী করার বিষয়ে আমার অভিজ্ঞতা জানাচ্ছি । একবছর হলো আবেদন করেছি কিন্তু আজ পর্যন্ত আমার আবেদনটি দেখেনি এক্সামিনি করেনি। এখন আমার জরুরী প্রয়োজন হলে যখন যাই তখন অরথছাড়া কাজ কবে হবে কোন ঠিক নেই। ২-৩ বছরও লেগে যেতে পারে। টাকা দিলে তাহলে ২-৩ মাসের মধ্যে আমার কাজটি সম্পন্ন হবে। সম্পূর্ণ কাজটি করার জন্য আমার অতিরিক্ত খরচ হতে পারে ৪০-৫০ হাজার টাকা। শুরুতে শুধু ফাইলটি এক্সামিনি করার জন্য দিবে সেজন্নই ৩-৫ হাজার পর্যন্ত দাবি করেন। আমি তখন টাকা না দিয়ে ফিরে আসি। এখন আমার কাজটি ওভাবেই পড়ে আছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে ঠিকাদারি করতে গেলে সেখানে প্রতিটি সেকশানে নির্ধারিত ঘুষের রেট আছে চীফ ইন্জিনিয়ার ৫%,জি এম ৫% এভাবে অন্যান্য কর্মকর্তাদের ভিন্ন ভিন্ন দিয়ে কাজ পেতে হয়, অথবা কাজ পেলে এভাবে দিতে দিতে ফাইল প্রসেস করতে হয়। এরকম প্রায় সব দপ্তরে।
ট্রেড লাইসেন্স নিতে গিয়ে আযাচিত ভাবে সাইন বোর্ড এর সাইজ বেশি দেখানোর চেষ্টা করা হয়। বিভিন্ন হুমকি ধামকি আইন দেখানো হয়। যেখানে আমার সাইন বোর্ড নেই শুধু সাটারের উপর ১০*১ স্টিকার আছে সেখানে প্রত্যেক বার তার ফি দিয়ে এসেছি। এইবার সরাসরি টাকা দাবি করা হয় না হলে সাইন বোর্ড এর সাইজ বাড়াতে বলে।নিরুপায় হয়ে পরিশোধ করেছি
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইন ফি জমা দিলেও থানায় এক্সট্রা ঘুষ দিতে হয়, নয়তো সময়মতো তা পাওয়া যায়না, যদিও নিয়ম হলো আবেদনের ১ সপ্তাহ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে তা দিয়ে দেয়া
৩৫ হাজার একটা অনুদান। সে আমাকে ১৫ হাজার টাকা দিতে চাইছিল। বাদ বাকি টাকা সে নেবে
ঝিনাইদহ যুব উন্নয়নে ৩ মাসের প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তি হয়ে ছিলাম, প্রতিক্ষণে প্রতিদিন ১৫০ টাকা বরাদ্দ ছিলো, ৩ মাসে যা হয় ১৩৫০০ টাকা, পুরো টাকাটা আত্মসাৎ করেছে, ঝিনাইদহ যুব উন্নয়নো ডিডি বিলকিস আফরোজ
আপনি ইউনিয়ন পরিষদের যেকোনো উন্নয়নমূলক কাজ যেমন :টিয়ার বলেন, কাবি খা, কাবিটা, বলেন এসব কাজগুলো সবকিছুই পিআইও অফিসের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ হয়। কাজ শেষে আপনাকে লাখে 20% বা ২১% দেওয়া লাগবে পিআইও অফিসে।আপনি কাজ সিডিউল অনুপাতে যতই ভালো করুন না কেন, আপনাকে এ পার্সেন্টেজ দেওয়াই লাগবে।
মামলার রায় দেওার জন্য জজ আমার কাছে এই পরিমান টাকা দাবি করে। আমি তার বাসায় গিয়ে তাকে এই টাকা দেই। বিকাশেও টাকা পাঠাই। কিন্তু টাকা নেওয়ার পর ও সে আমার কাজ করে দেয় নাই। এখন টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য টাল বাহানা করছে।
আমি একজন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। আমাদের প্রতিটি খাতেই ঘুষ দেওয়া লাগে। বিশেষ করে সাইন ওন এবং সাইন ওফ। প্রতিবারই এসব কাজ করতে ১০০ থেকে ৫০০ আরও বেশি দেওয়া লাগে। আমাদের শুধু এই খাতে না। CDC নবায়ন কিংবা নিবন্ধন এর জন্যও ঘুষ দেওয়া লাগে। CDC নিবন্ধনের জন্য ঘুষ দেওয়ার সিস্টেম ও আবার ভিন্ন। উনারা সেখানে টাকা চায় না বলবে যে এক ডজন কলম নিয়ে আসেন কিংবা এয়ার ফ্রেশনার কিংবা মশা লাগতাছে এজন্য কয়েল এসব বিভিন্ন পদ্ধতিতে তারা আমাদের কাছ থেকে ঘুষ নেয়।
প্রতিষ্ঠানের ফায়ার লাইসেন্স পুনঃ মূল্যায়ন এর জন্য ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অফিসে পনের হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে।
আমার বাবা ২০১৮ সালের ১৪ মার্চ সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়, আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে ওই বছরই পাওয়ার অফ আর্টনির পেপার পাঠানো হয়। দির্ঘ ৮ বছর পর ক্ষতিপূরন বাবদ যে টাকা আমার পরিবারের কাছে আসে ওই টাকা সম্পর্ন বৈধ উপায়ে কুষ্টিয়া প্রবাসী কল্যান সেন্টার থেকে বৈধ সব ধরনের প্রয়জনীয় কাগজ জমা দেওয়ার পরও আমার পরিবার এবং আমাকে বিভিন্ন উপায়ে হেনস্তা করা হয় এবং ঘুষ ছাড়া কাগজ ছাড়বে না বলে হুমকি দেওয়া হয়। কুষ্টিয়া প্রবাসী কল্যান সেন্টারের সহকারী পরিচালকঃ — আমার পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করে ৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করে। আমি এই অন্যায়ের সুষ্ট ও নিরপেক্ষ বিচার দাবি করছি যে আর কোন ভিক্টিমের পরিবারের সাথে এই ধরনের অন্যায় না হয়।
৯৯৯ এ কল করে পুলিশ ডাকছিলাম পুলিশ এসে ১০০০ ঘুশ নিছে