মাল্টিপল পাসপোর্ট ইস্যুতে জেলা পুলিশ চুয়াডাঙ্গা
মাল্টিপল পাসপোর্ট ইস্যুতে একটি বাতিল ও সঠিক টি সচল রাখার জন্য বেরিফিকেশন পাসপোর্ট ইস্যু
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মাল্টিপল পাসপোর্ট ইস্যুতে একটি বাতিল ও সঠিক টি সচল রাখার জন্য বেরিফিকেশন পাসপোর্ট ইস্যু
আমি একজন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। আমাদের প্রতিটি খাতেই ঘুষ দেওয়া লাগে। বিশেষ করে সাইন ওন এবং সাইন ওফ। প্রতিবারই এসব কাজ করতে ১০০ থেকে ৫০০ আরও বেশি দেওয়া লাগে। আমাদের শুধু এই খাতে না। CDC নবায়ন কিংবা নিবন্ধন এর জন্যও ঘুষ দেওয়া লাগে। CDC নিবন্ধনের জন্য ঘুষ দেওয়ার সিস্টেম ও আবার ভিন্ন। উনারা সেখানে টাকা চায় না বলবে যে এক ডজন কলম নিয়ে আসেন কিংবা এয়ার ফ্রেশনার কিংবা মশা লাগতাছে এজন্য কয়েল এসব বিভিন্ন পদ্ধতিতে তারা আমাদের কাছ থেকে ঘুষ নেয়।
আমাদের একটা মামলার রায় হইছে। কিন্তু মামলার রায়ের কপি আনতে গেলে উকিল আমাদের থেকে ১৫ হাজার টাকা দাবী করে কিন্তু লিগাল ভাবে নিতে গেলে এর জন্য ম্যাক্সিমাম খরচ হবে ২ হাজার টাকা।
রাজউকের উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরে একটি জি+৯ ভবনের জন্য এলইউসি চাওয়া হয়েছিলো বিগত মে ২০২৬ তারিখে। আমার ব্যক্তিগত মতে, সার্ভিসটি চাইলে রাজউক সর্বোচ্চ এক সপ্তাহের ভেতর দিতে পারে বা পারতো। (বর্তমানে অফিসিয়ালি আবেদন করতে ১০০০টাকা + ভ্যাট লাগে ও সময় এক মাস দেখানো আছে)! কিন্তু আজকে প্রায় ৪ মাস অপেক্ষা করেও এল ইউ সি পাইনি, গত সপ্তাহে তারা জানায় যে, আমরা যে আবেদন করেছিলাম সেটা তারা খুঁজে পাচ্ছে না!! (ফাইলে কপি নেই, কিন্তু আমার হাতে তাদের রিসিভ করা কপি আছে) যাহোক, দুটি এল ইউ সি ৭০,০০০ টাকায় চুক্তি করি (ঘূষ) এবং ৫০,০০০ ইতিমধ্যে পরিশোধ করেছি (একটি হাতে পাবার পর)। ২০,০০০ টাকা অন্যটি পেলে দিতে হবে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পিওএম পূর্ব বিভাগের বিএইচএম এএসআই(সঃ) — আমার কাছে সিগারেট খাওয়ার জন্য ৫০০ টাকা চেয়েছিলেন। আমি টাকা না দেওয়ায় আমাকে অতিরিক্ত ডিউটি এবং মানসিক টর্চার প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছেন। এএসআই(সঃ) — প্রতিটি পুলিশ সদ্যসের কাছে টাকা দাবী করেন। টাকা না দিলে অতিরিক্ত ডিউটি এবং মানসিক টর্চার করেন।
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার বইলর ইউনিয়ন পরিষদ হতে কোন প্রত্যয় নিতে গেলে যেমন নামের ভুল, ওয়ারিশান সনদ ইত্যাদি। কম্পিউটার অপারেটর সাহেব,। উনি প্রতীকাগজে ২শত টাকা করে ঘুষ দাবি করেন।
পদ্মা ব্যাংকের একটি শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ সিন্ডিকেট রয়েছে, যারা কোনো গ্রাহক টাকা উত্তোলন করতে চাইলে সেই টাকার ১০% থেকে ২০% পর্যন্ত ঘুষ নেয়। তাদের সঙ্গে লেনদেন না করলে আপনি কোনো টাকা উত্তোলন করতে পারবেন না।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইন ফি জমা দিলেও থানায় এক্সট্রা ঘুষ দিতে হয়, নয়তো সময়মতো তা পাওয়া যায়না, যদিও নিয়ম হলো আবেদনের ১ সপ্তাহ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে তা দিয়ে দেয়া
জন্মনিবন্ধন এর নাম সংশোধন করতে বোর্ড অফিস এ গেলে তারা আমার কাছে ১৫০০ টাকা দাবি করে পরবর্তীতে ৯০০ টাকার বিনিময়ে আমার জন্মনিবন্ধন টি সংশোধন করে দেয়
প্রতিষ্ঠানের পরিবেশগত ছাড়পত্রের জন্য সহকারী পরিদর্শক এর কার্যালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, দিনাজপুর অফিসে বিশ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হয়।
ভালুকা বাহিরপাথার ৩৮নং গোয়ারি ধীরপাড়া স:প্রা: বিদ্যালয়। এই স্কুলে সৃজনশীল পরিক্ষার নামে বাচ্চাদের কাছ থেকে গোসলের সাবান ঘুষ নেয় শিক্ষক শিক্ষিকারা। আমার মেয়ে খেলনা বানিয়ে নিয়ে গেলে তার বদলে সাবান নিয়ে যেতে বলে। এসব সাবান পরে শিক্ষক ও কমিটির লোকেরা ভাগাভাগি করে নেয়
নোয়াখালী সদর উপজেলার ইজিপি টেন্ডার ইস্যু করা হয় মেসার্স হারুন ট্রেডার্স নামে ২৫-২৬ অর্থ বছরে, সরজমিনে কাজটি সম্পাদন করার পরে । নোয়াখালী সদর উপজেলা সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার — বিভিন্ন অজুহাত দিয়ে আমার কাজের বিল বন্ধ করে রাখে। আমার প্রাপ্য বিলের এক পারসেন্ট তাকে দেওয়ার শর্তে বিলটি ফাইলটি সে স্বাক্ষর করে অন্য টেবিল হস্তান্তর করে ( তাকে ৬০০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি )। এরপর কম্পিউটার অপারেটর — বিলের তৈরি জন্য১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। সহকারী একাউন্ট —কে ১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। মূল অ্যাকাউন্টস এর দায়িত্বে থাকা একজন কর্মকর্তা বলেন অফিসে সকলের জন্য বিলের ২.৫০% দিতে ২৬০০০ ঘুষ দিতে হবে। তা দিয়ে কাজ সম্পন্ন করিতেছি 😭😭
আমি ইংল্যান্ড এ একটি ছোট পার্সেল দিচ্ছিলাম, তখন সব কিছু ঠিক থাকার পরেও পোস্ট অফিস এর একজন কর্মচারী — (গাজিপুর-১৭০০) যে কিনা পার্সেল প্যাকিং করে সে জাস্ট আমর পার্সেল এ তাদের ডকুমেন্ট গ্লু করেছে এই কাজের জন্য সে জোর করে আমার থেকে ৪০০tk নিয়ে গিয়েছে, এইটা নাকি তাদের প্রাপ্য তা বলে নিয়েছে, ওইটাই আমরা লাইফ এ প্রথম পোস্ট অফিস এ ডেলিভারি
ডেভেলপার কোম্পানি হতে ফ্ল্যাট কেনায় গ্যাস একাউন্টের নাম ডেভেলপার কোম্পানির নামে থাকায় তা পরিবর্তন করে নিজ নামে করার জন্য যাবতীয় সকল কাগজপত্র জমা দেওয়া হলে উক্ত অফিসে চাকুরীরত পিয়ন আমার নিকট ১০ হাজার টাকা দাবী করেন এবং আমি তা দিতে প্রত্যাখ্যান করি। আজও আমি আমার গ্যাস মিটারের নাম পরিবর্তন করিনি এবং ব্যাংক, ভিসা, হোল্ডিং ট্যাক্সের কাজের জন্য ডিপিডিসি অফিসেও ঘুষ প্রদান করে মিটারের নাম নিজের নামে করে নিতে হয়েছে, যা আমি পরবর্তীতে প্রকাশ করছি।
কলকারখানা লাইসেন্স নবায়নের জন্য কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শকের কার্যালয়, দিনাজপুর অফিসে দশ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হয়।
রেলওয়ে ভূসম্পত্তির যে খাজনা তা পরিশোধ করার জন্য প্রথমে গাইবান্ধা রেলওয়ে কানুনগো অফিসে যাই,কারণ বেশ কিছু বছরের খাজনা বাকি ছিল, সেখানে প্রথমে একজন পাচ হাজার টাকা দাবি করে, তারপরে পাশের টেবিলের লোকের কাছে যাওয়ার পর দশ হাজার টাকা দাবি করে। এরপর উপায় না পেয়ে আমরা লালমনিরহাট রেলওয়ে কানুনগো অফিসে যাই, সেখানে গিয়ে দেখি সেখানকার অবস্থা আরো বেশি খারাপ, আমার সামনেই একজন রেলওয়ে কর্মকর্তা কর আদায় করে তারা সবার কাছ থেকে ঘুষ চাচ্ছে, কেউ যদি বলে একটু কমান, তখন সাথে সাথে উনি বলে কথা বললেই আরো ১০০০ টাকা করে বাড়বে, আর এই লোক গাইবান্ধারই সেই লোক ছিলেন। পরে আমার খাজনাটা অন্য এক লোকের কাছে দেই সহ সে আমাদের কাছে টোটাল ৯০ হাজার টাকার হিসাব দিয়েছিল, যার মধ্যে পরিশোধিত রিসিটে আমাদের খাজনা ছিল ৪৯ হাজার
কারপাশা ইউনিয়ন পরিষদ বর্তমান সচিব প্রটি প্রত্যয়ন পত্র এর ১৫০ টাকা দাবি করেন অথচ এগুলো বিনামূল্যে পাওয়ার কথা। আমার কাছ থেকে ৪ টি প্রত্যয়ন পত্র এর জন্য মোট ৬০০ টাকা নিয়েছেন। শুধু আমার কাছ থেকে নয়, সকল সেবা গ্রহীতার কাছ থেকেই তিনি প্রতিটি প্রত্যয়ন পত্র এর জন্য ১৫০ টাকা করে না। টাকা না দিলে প্রতয়ন পত্র দেন না। তাছাড়া তিনি প্রতিটি জন্মনিবন্ধন এর জন্য ২০০ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে জন্মনিবন্ধন করে দেন না।
ফ্রি কম্পিউটার ট্রেনিং এর রেজিষ্ট্রেশন নাম করে প্রথমে ১০০ টাকা নিছে। তারপর স্টাম্প সিগনেচার, ও আর বিভিন্ন খরচের নামে মোটামুটি ২৫০০ টাকা নিছে।
বিআরটিএ কপি না দিয়ে ২৫০০ টাকা দাবি করে
জাহাজের এনওসি নেওয়ার জন্য আমাদের সব কিছু ঠিক থাকার পরও টাকা না দিলে উনারা এনওসি অনলাইনে সাবমিট করে না।