পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রজেক্টের বিল উত্থাপন করতে, ৭% হারে ঘুস দিয়েছি এক কুটি টাকা
সরকারি কাজের বিল, ৭% হারে ঘুস না দিলে বিল হবে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সরকারি কাজের বিল, ৭% হারে ঘুস না দিলে বিল হবে না।
অনলাইনে ওয়ারিশ সনদ নিবন্ধন করা।
ঢাকা-ঘাটে লঞ্চ চলাচলের অনুমোদন দিয়ে থাকে। তারা সব সময় বিভিন্ন লঞ্চ থেকে এভাবে টাকা উত্তোলন করে। নাহলে প্রচুর ঝামেলা করে। লঞ্চ চল্লেই কোন না, কোন বাহানায় টাকা আদায় করে। ওই টাকা সবাই ভাগকরে নেয়।
জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলা তাদের অফিসের সামনে হেল্প দেখছে বসে থাকা দালাল অফিসের কর্মচারী তাদের কাছে নতুন ভোটারের জন্য গেলে টাকা ছাড়া হয়রানি করা হয়। এটি প্রত্যেকটি ভোটারের ক্ষেত্রে
এখানে জন্ম নিবন্ধন করতে হলে তিনশত টাকা ফি দিতে হবে। এটা নাকি সরকারি ফি। কিন্তু এটাও দেখেছি এই উপজেলার কিছুই ইউয়নে দুইশত টাকা নেওয়া হয়। ৩ নং চরএকরিয়া ইউনিয়ন, মেহেন্দিগঞ্জ, বরিশাল। ইউনিয়ন সচিব ঘুষ গ্রহণ করেন। আবার জন্ম নিবন্ধনে নাম সংশোধন করতে গেলে তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করে। সেই টাকা পরিশোধ না করলে তার জন্ম নিবন্ধন সংশোধন হয় না।
যোগ্য ব্যাক্তির সার্টিফিকেট এর জন্য আমার কাছে ৫০০০০০ লক্ষ টাকা চেয়েছিলো। কলকারখানা অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়।
আমার আম্মু আব্বুর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করার জন্য, থানার কম্পিউটার অপারেটর ২০০০ টাকা দাবি করে নিছে!
আমি একটি ১০০% রপ্তানি কারক শিল্প প্রতিষ্ঠানের কমার্শিয়াল ম্যানেজার। আমার প্রতিষ্ঠানের সহগ রিনিউ করার জন্য আবেদন করি, সব কিছু ঠিক থাকার পরো, ARO অফিসার আমার কাছ থেকে এই অর্থ দাবি করে। সে বলে এই টাকা সকল অফিছার কে ভাগ করে দিতে হবে। অফিসের পিয়ন থেকে শুরু করে মহাপরিচালক পর্যন্ত টাকা ছাড়া ১ টি স্বাক্ষর ও করে না।তার পর আমি আমার কোম্পানির মালিক কে বলে এই টাকা দিতে বাধ্য হয়। কারণ সহগ ছাড়া আমরা কোন পণ্য রপ্তানি করতে পারবো না।
গৃহসম্পদ হস্তান্তর অনুমতি নেওয়ার জন্য আবেদন করি। কয়েকদিন ঘোরাঘুরি করে বুঝতে পারলাম সিস্টেমটা প্যাকেজ প্রথা। সিদ্ধান্ত নিলাম নিজেই চেষ্টা করব। রাজশাহী ঢাকা কয়েকবার দৌড়াদৌড়ি করলাম। কয়েক টেবিলে অল্প টাকার ঘুষ গুলো পরিশোধ করলাম। প্রায় ২০ হাজার টাকার কাছাকাছি খরচ করে অনুমতি মিলল না। অবশেষে প্যাকেজ সিস্টেম এর কাছে আত্মসমর্পণ করলাম।
কোর্টে মামলা করেছি। থানায় তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা ১৫ হাজার টাকা দাবি করছে। টাকা দেইনি হলে ছয় মাস যাবত প্রতিবেদন আটকে রাখছে।
Ei office e every step e proti ta kajer jonno ghush neya hoy. Last time amr babar account theke mar account e taka transfer (after father died) tok money also did not pay money for 2 months. 2 months er taka mere dise.
ফায়ার লাইসেন্স করার জন্য প্রতি বছর ২৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়, না দিলে তারা বলে ফায়ার এক্সিট প্লান করায় নিয়ে আসেন , আর যদি ফায়ার এক্সিট প্ল্যান করা হয় তারপর আরও কিছু করতে বলে যা সকল ব্যবসায়ীর জন্য কস্টকর ।
ফ্যাক্টরি লাইসেন্স নবায়ন করতে এই পরিমান টাকা দাবি করা হয়।
পরিবেশ ছাড়পত্র নবায়নের জন্য এই অফিসের ডি ডি, ইন্সপেক্টর, পিয়ন সবাই কে কোন কোন পর্যায়ে ঘুষ দিতে হয়, ঘুষ না দিলে তারা আপনার সাথে কথাই বলতে চাইবে না এবং আপনি আরো নানা ধরনের জটিলতায় পড়বেন।
“ময়মনসিংহ পিডিবির একজন অসাধু ইঞ্জিনিয়ার মালিকের অনুপস্থিতিতে মিটার খুলে নিয়ে আসে। পরে প্রিপেইড মিটারে বিভিন্ন ধরনের কারচুপি হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে বিষয়টি নিয়ে আপস করতে বলে। এরপর আপসের জন্য ৫০ হাজার টাকা দাবি করে এবং বলে, টাকা দিলে সে নিজে থেকেই বিষয়টি ঠিক করে দেবে। অথচ প্রকৃত সমস্যা মিটারের সফটওয়্যারজনিত। অর্থাৎ, সফটওয়্যারের সমস্যাকে মিটার কারচুপির অভিযোগ হিসেবে দেখিয়ে আপসের নামে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হচ্ছে।”
আমাদের একটি মামলা আছে গাইবান্ধা সাদুল্লাহপুর থানায়।থানার si — মামলার তদন্ত করমোকরতা আমার কাছে ১০০০০ টাকা চায় বলে মামলার ধারা বারিে দিবে। আমি বলছি টাকা দিতে পারবো না জা আছে তাই দিন।তার পরো ৫০০০ টাকা চাচ্ছে না দেয়ার কারনে চাজশিট দিচ্ছে না এই ঘটনার প্রমান আছে।ফোন রেকরডিং।চাজশিট না দিলে মামলার বিচারিক কাজ হবে না এমনি ঝুলে থাকবে।আসামি পক্ষে একটা সুজুগ করে দিচ্ছে।মামলা করচ্ছি ১০/১২/২৪ তারিখ।বিচার পাচছি না। এ সিস্টম কবে চেন্জ হবে আল্লাহ জানে
গাড়ির জেটফাস্ট থাকা সত্ত্বেও ১০ টাকা করে ঘুষ দেওয়া লাগবে আনসার কে
আমি কাজ যথাযথ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করেছি কিন্তু জেলা পরিষদ এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমার কাছে সব বিল বাবদ ২০০০০০/- টাকা দাবি করেন। দেই নাই বলে এখনো আমি বিল পাই নি ৬ মাস ধরে
ঘুস না দিলে সরকারী পিপি হাযিরা নেয় না। আমি বাদি পক্ষ।
কলকারখানার লাইসেন্স বাৎসরিক নবায়ন। গত বৎসর ঘুষ লাগছে ৫০০০।= টাকা। এবার দিতে হয়েছে ২০০০০।= টাকা। বিভিন্ন অজুহাতে মাসের পর মাস ঘুরাতে থাকে। পরে টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি । নবায়ন কপি ও পেয়ে গেছি। গত বৎসর থেকে ৪ গুন বৃদ্ধি পেয়েছে ঘুষের পরিমান। ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে আরও অনেক বেশী টাকা দেয়া হয়েছে। সাথে ৬ মাস ঘুরিয়েছে। এই হলো বর্তমান অবস্থা।