বিদ্যুতের মিটার লাগানো বাবদ
মিটার জন্য আবেদন করেছি কিন্তু ইলেক্টিশিয়ান এসে বলে ১৩০ ফুটের বাহিরে আমার ঘর পড়েছে তাই দিবে না,পরে আমাদের এলাকার এক দালাল আমার কাছে ৩৫০০ টাকা চায় টোটাল খরচ দিলে মিটার লাগিয়ে দিবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মিটার জন্য আবেদন করেছি কিন্তু ইলেক্টিশিয়ান এসে বলে ১৩০ ফুটের বাহিরে আমার ঘর পড়েছে তাই দিবে না,পরে আমাদের এলাকার এক দালাল আমার কাছে ৩৫০০ টাকা চায় টোটাল খরচ দিলে মিটার লাগিয়ে দিবে।
বিদ্যুতের মিটারের লোড বাড়ানোর জন্য স্থানীয় বিএনপি নেতা আমার থেকে ৬৫০/- বেশি নিয়েছে। ৩০ মিনিটের মধ্যে কাজ করে দিয়েছে।
Bill ar file atkiyea Taka dabi
দুই মাস ধরে ট্রে লাইসেন্স দিচ্ছে না।
আমার আম্মুর জন্ম সাল ভুল ছিল।যেটা আমার বড় বোনের থেকেও কম। আম্মুর পাসপোর্ট করতে গিয়ে এটা সংশোধন করা অনেক জরুরি হয়ে গিয়েছিল। আমার বোন আমাকে বাইরে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। এক বছর অনেক চেষ্টা করেও আমি পারিনি। পরের 85 হাজার টাকা দিয়ে কাজটি করিয়েছি।
Civil aviation licence official cost around 70,000/- additional Around 55,000/- need to pay for approval
Meter load increase 2kilo and it takes 3days.
ডিপার্টমেন্ট অব শিপিং, এক টা অনাপত্তি সনতের জন্য ৫ বছর গুরছি। পরে ১২লাখ টাকা দিয়ে তা সংগ্রহ করি
আমার পাসপোর্ট ভ্যারিফিকেশনের জন্য যখন আসি তখন দায়িত্বরত এসআই চট্টগ্রাম পুলিশ ৫০০০ টাকা দাবি করে। আমি দিতে অস্বীকার করলে ভয় ভীতি দেখায়। পরবর্তীতে আমার চাচা কে দিয়ে যোগাযোগ করালে রাতের ১১টার পর অফিসে দেখা করতে বলে। রাতে দেখা করলে পরে ২০০০ টাকা নেয় কিন্তু ভ্যারিফিকেশন না করে পরে বাতিল করে দেয়।
ঢাকার প্রতিটি পোশাক কারখানায় পানি পরিশোধনাগার আছে। এগুলো কোন ফ্যাক্টরী ভালোভাবে পরিচালনা করে আবার কোন ফ্যাক্টরী ঘুষ দিয়ে মেইনটেইন করে। পরিবেশের ছাড়পত্র ও ভালো টেস্ট রিপোর্ট নিতে চাইলে গুনতে হয় ৫০ হাজার থেকে ৫/১০ লাখ টাকা পর্যন্ত। ১০০% অথেনটিক রিপোর্ট, কারণ আমি নিজে এটা ফেস করি প্রতিনিয়ত।
আমাদের জেলা নেত্রকোনা চল্লিশা ইউনিয়নের একজন প্রতিনিধির নেতা আমার কাছে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দাবি করে টাকা না দেওয়াই আমাকে একটি মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে যার কোন প্রমাণ কিছুই নেই এবং এই মামলাতে আমাদেরকে দিয়ে আমলা খারিজ করার জন্য হলে তারা হুমকি দিচ্ছে এখন আমাদের জমিজমা বেদখল দিবে এই বলে আমাদেরকে ফাঁসাচ্ছে। জনপ্রতিনিধি নেতার নাম হচ্ছে — এবং — ইউনিয়নের নাম চল্লিশা বাজার। আমি যদিও বা ওই ফ্যামিলির কোন সদস্য না আমি এটা বলতে বাধ্য হয়েছি আমার দেখতে খুব খারাপ লাগছে ওই ফ্যামিলিদের লোকজন সবাই সরল সোজা এবং খুবই নম্র ভদ্রলোক তোর উপরে বিপদ মানুষের ঠেলে দিচ্ছে বিশেষ করে এই দুইটা লোক সবচেয়ে বেশি কাজ করছে এমনকি একটি মেয়েকেও তাদের পিছনে লেলিয়ে দিয়েছে মেয়েটি হচ্ছে জজ মিয়া
ওয়াসার পানির সমস্যা মিরপুরে প্রকট। সাপ্লাই পানি দেয় না। প্রদিন কল করেও সমাধা হয়না। কিন্তু গাড়ি গাড়ি পানি তারা বিক্রি করে। এইটা জনগনকে জিম্মি করে রাখা। প্রতি গাড়িতে ড্রাইভারকে ১০০/২০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। নয়তো পানি দিতে গড়িমসি করে। গত তিন বছর এভাবে চলছে।
আমি একজন ঠিকাদার pwd সহ বিভিন্ন দপ্তর a কাজ করি . আমি জাস্ট ছোট্ট করে একটা ঘুষ এর টাকার হিসাব দেবো যা প্রতিনিয়ত চলছে. এখানে আমি একটি উদাহরণ দাওয়ার চেষ্টা করছি. উদাহরণ . আনুমানিক কাজ . সদর হাসপাতাল ইলেকট্রিক মেরামত প্রকলন মূল্য ৪৯৯০০০ ঘুষের বিবরণ প্রক্রিয়া Se অফিস ২% কাজের মূল্য এর উপর (১% se বাকিটা অফিস স্টাফ) স্টাফ অফিসার ২% কন্টাক্ট এর সময় কম্পিউটার ১০০০টাকা SD office ২% Accounts ২% Total ১০% ঘুষ তবে ক্ষমতার দাপট ও রাজনৈতিক পরিচয় থাকলে কম দিতে হয় ভ্যাট ইনকাম ট্যাক্স ১০% সিকিউরিটি ১০% যা ৬মাশ পরে পাওয়া যায় ৪%ঘুষ দিয়ে বাকি ৭০% এর মধ্যে ঠিকাদার প্রফিট করে ও কাজ করে এ ছাড়া আর ও অনেক ইন্টারনাল অনেক অনিয়ম আছে যার কারণ এ মূলত কাজ হয় ৪০% এর ও কম
আমি বিদুৎ এর মিটারের লোড বাড়ানোর আবেদন করেছিলাম টঙ্গী পূর্ব ডেস্কো বিদুৎ অফিসে। সেখানে আমার কাছে 2500 টাকা ঘুষ দাবি করা হয়েছে কিলোওয়াট বাড়ানোর জন্য।
70 হাজার টাকা দুই মামলায় ঘুষ দিতে হয় আমার আমি একজন ভুক্তভোগী ঘুষ ছাড়া সহ জুগিথা পাওয়া জাই না এই থানায় আমি একটা চাঁদাবাজির মামলা করছি কিন্তু দারোগা — আমার কাছ তেকে করচ নিয়েছে কিন্তু চাঁদাবাজ দের থেকে আমার থেকেও বেশী টাকা খেয়ে হাত মিলিয়েছে চাঁদাবাজদের সাথে একন তদন্ত রিপোর্ট পাঠাই না সত্যি ঘটনা মিথ্যা বলে চালিয়ে দেয় আমি নির ওপাই আমি কি বিচার পাবনা এই জেলায় বা এই থানায় গটানা জায়গা কিশোরগঞ্জ অষ্টগ্রাম থানা ৩ উপজেলা, আমি নিজেই বাদী পুলিশের ওপর বিশ্বাস ওটে গেছে আমরা সাধারণ জনগণের সরকার সদু সদু বেতন তাদের কে ঘুষ চারা কোনো ধরনের সহযোগিতা পাওয়া যায় না অষ্টগ্রাম থানায়
আমার একটা মুক্তিযুদ্ধোর বীর নিবাস ঘরের জন্য প্রায় দেড়বছর হয়রানি করেছে, তারপর বীর নিবাস ঘরের প্রতিবেদন ঢাকা পাঠানো হয়েছে,, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে, সেখান থেকে শুধু অনুমোদন কিন্তু মন্ত্রণালয় পরিকল্পনা শাখার এক ব্যক্তি ৭০ হাজার টাকা, চাচ্ছে,, এজন্য টাকা দিতে না পারায় আমার ঘরও হলো না,, ঐ ভাবে চিঠিটা মন্ত্রণালয়ে পড়ে আছে,,কারণ আমার পিতা-মাতা মারা গেছে আমি নানিদের বাড়ি থাকি, নানিদের ভিটেবাড়ি পর্যন্ত নেই
রেস্টুরেন্টের ৫ বছরের পুরোন ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে ৫০০০টাকা চাওয়া হয়, এখনো দর কষাকষি চলছে। ১৫০০-২০০০ দিতে ইচ্ছুক
আমার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, কাজের বিলের জন্য পিডি অফিসে ফান্ড ট্রান্সফার করার জন্য ১.৫% টাকা দাবি করা হয়।
জমি সংক্রান্ত জিডি করার পর তদন্তের জন্য দেখা করতে বলে। কাগজ পত্র নিয়ে দেখা করার পর এক দুই দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিবে বলেছে। বিদায় নেবার আগে যার রেফারেন্স এ গিয়েছিলাম তার পরামর্শ অনুযায়ী উল্লেখিত পরিমাণ টাকা প্রদান করি। এখনো রিপোর্ট দেয় নাই
জেলা থেকে সরাসরি বলে দিলো ৫০০,০০০/ লাগবে।