আদালত
নোটিশ দেওয়া হবে, বিবাদীদেরকে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নোটিশ দেওয়া হবে, বিবাদীদেরকে।
কারিগরি Certificate এর ডুপ্লিকেট উঠাতে গিয়ে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে এমন কি সার্টিফিকেট পিয়ন এর কাছে আসার পর ও পিয়ন দিবে না , বললো কালকে আছেন তারপর আমি বললাম আপনার কাছে তো আসছে দেন তারপর বললো নাস্তা পানির জন্য 500 টাকা দিতে তারপর 200 টাকা দিয়ে নিয়ে আসছি ,
রেলওয়ে পাকশী ডিভিশন হতে লালমনি ডিভিশনে যাওয়ার জন্য ডিটিও সাইন এবং সিওপিএস ছাড়পত্রের জন্য ডিটিও অফিস এর অফিস সহায়ক পুরো প্রক্রিয়ার জন্য ৪৫০০০ টাকা দাবি করেন, ৩৫০০০ পরিশোধ করে এই সেবাটি নিয়েছি। যা সম্পূর্ণ অতিরিক্ত মানি কোনো সরকারি ফি না।
আমার জাতীয় পরিচয়পত্র তুলতে গিয়ে ৩৭০ টাকা নির্বাচন অফিসের এক কর্মকর্তাকে দিতে হয়েছিলো
বোয়েসেলের মাধ্যমে সিজনাল শ্রমিক হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ায় যাওয়ার জন্য সরকারি এজেন্সি বোয়েসেল নিয়োগ সার্কুলার দেয়। কিন্তু নিয়োগকর্তা তথা যারা ইন্টারভিউ নিয়ে সিলেক্ট করবে তারা ফোন দিয়ে ২৫০০০০ টাকা দাবি করে সিলেক্ট করার জন্য
জাহাজ থেকে নামার সময় প্রত্যেক নাবিকের জন্য অনুমোদিত CDC (Continuous Discharge Certificate) তে সরকারি ভাবে সীল এবং সাক্ষর লাগে। এই সীল এবং সাক্ষর নিতে পিয়নকে দিতে হয় ঘোষ।
বাংলাদেশের এক নম্বর কেবল কম্পানি তার কর্মচারী ও কর্মকর্তা দের চাকুরী থেকে বিনা কারনে বিদায় করে তাদের পাওনা টাকা/ ফাইনাল পেমেন্ট এর টাকা যেন না দেওয়া লাগে সেকারনে কলকার খানা অফিস এ ২,০০,০০০/- টাকা ঘুস দেওয়া লাগে
ব্যবসা বাড়ানোর জন্য কোনো ব্যবসায়ীর হয়তো ২০ লাখ টাকা প্রয়োজন। তিনি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে সরকারি ব্যাংক (যেমন: সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক, কৃষি) বা কিছু বেসরকারি ব্যাংকে গেলে অসাধু ক্রেডিট অফিসার বা ব্রাঞ্চ ম্যানেজার নিচের প্রক্রিয়ায় ঘুস দাবি করেন: অতিরিক্ত ঋণের প্রস্তাব: ব্যাংকার কাগজপত্র ঠিক দেখে ব্যবসায়ীকে ২০ লাখের বদলে ৩০ লাখ টাকার আবেদন করতে বলেন। ফাইল প্রসেসিং ফি (চা-পানির খরচ): হেড অফিসে আবেদনের প্রস্তাব (Proposal) পাঠানোর নাম করে প্রথমেই নগদ ৫,০০০ টাকা চাওয়া হয়। অনুমোদন কমিশন (৫%): ঋণ পাস হলে মোট টাকার উপর ৫% কমিশন দাবি করা হয়। কমিশনের হিসাব: ৩০ লাখ টাকা ঋণ অনুমোদন হলে ৫% হারে ঘুস দিতে হয় ১,৫০,০০০ (এক লাখ ৫০ হাজার) টাকা। এর ফলে ব্যবসায়ী প্রয়োজন ছাড়াই অতিরিক্ত ১০ লাখ টাক
দুই মাস ধরে ট্রে লাইসেন্স দিচ্ছে না।
আমার আম্মুর জন্ম সাল ভুল ছিল।যেটা আমার বড় বোনের থেকেও কম। আম্মুর পাসপোর্ট করতে গিয়ে এটা সংশোধন করা অনেক জরুরি হয়ে গিয়েছিল। আমার বোন আমাকে বাইরে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। এক বছর অনেক চেষ্টা করেও আমি পারিনি। পরের 85 হাজার টাকা দিয়ে কাজটি করিয়েছি।
আমার একটা মুক্তিযুদ্ধোর বীর নিবাস ঘরের জন্য প্রায় দেড়বছর হয়রানি করেছে, তারপর বীর নিবাস ঘরের প্রতিবেদন ঢাকা পাঠানো হয়েছে,, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে, সেখান থেকে শুধু অনুমোদন কিন্তু মন্ত্রণালয় পরিকল্পনা শাখার এক ব্যক্তি ৭০ হাজার টাকা, চাচ্ছে,, এজন্য টাকা দিতে না পারায় আমার ঘরও হলো না,, ঐ ভাবে চিঠিটা মন্ত্রণালয়ে পড়ে আছে,,কারণ আমার পিতা-মাতা মারা গেছে আমি নানিদের বাড়ি থাকি, নানিদের ভিটেবাড়ি পর্যন্ত নেই
আমার বাড়িতে যে মিস্ত্রি কাজ করে তাকে অন্য একজন মিস্ত্রি পরিকল্পিতভাবে ও সদল বলে প্রহার করে আহত করে। সাভার থানার অভিযোগ দেয়া হলে, হেমায়েতপুর পুলিশ ফাঁড়ি থেকে অভিযোগ তদন্তে পুলিশ টিম ঘটনাস্থলে গমন করে। তাদেরকে ১০০০ টাকা বস্তুত প্রদান করতে হয়। আপনাদের এখানে থানা পুলিশ ডিপার্টমেন্টের নাম নাই কেন, ঘুষের বিরাট অংশ পুলিশ বহন করে প্রতিদিন।
জিয়া উদ্যান পার্কে ঘুরতে গিয়ে, আমাকে ২০০টাকা আনসারদের।
আমার পাসপোর্ট ভ্যারিফিকেশনের জন্য যখন আসি তখন দায়িত্বরত এসআই চট্টগ্রাম পুলিশ ৫০০০ টাকা দাবি করে। আমি দিতে অস্বীকার করলে ভয় ভীতি দেখায়। পরবর্তীতে আমার চাচা কে দিয়ে যোগাযোগ করালে রাতের ১১টার পর অফিসে দেখা করতে বলে। রাতে দেখা করলে পরে ২০০০ টাকা নেয় কিন্তু ভ্যারিফিকেশন না করে পরে বাতিল করে দেয়।
আমি ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে আমাকে বলে ৩০০০ টাকা দিতে হবে পরে জোরাজোরি করে ২৫০০ টাকা দিই কিন্তু ট্রেড লাইসেন্স সরকারি ফি মাত্র ১২০ টাকা।
প্রথমত আমি একজন সাধারণ কর্মচারি একটি প্রতিষ্ঠানের। সেই প্রতিষ্ঠানের শ্রম আইনের লাইসেন্স প্রতি ৬ মাসে আপডেট করতে হয়। কুষ্টিয়া কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তর কাটাইখানার মোর থেকে —ের কবরের দিকে যেতে গিয়ে অবস্থিত। যতবার লাইসেন্স রিনুয়াল করতে গিয়েছি ৩০০০ টাকা বেশি দিতে হয়েছে। যার হাতে টাকা দেয়া হয় তিনিই প্রথম দিকে জানিয়েছিলেন, এই টাকার অনেক ভাগ। এমনকি এডিসির হাত ধরেও উপরে যায়। আমার কোন মন্তব্য বা আশা নেই। আর হ্যা কুষ্টিয়া কাস্টমস অফিস নিয়ে ভবিষ্যতে জানাবো। সম্ভব হলে ভিডিও করে রাখবো ইনশাআল্লাহ। ওটার অবস্থা আরও করুন।
আমাদের জমির মালিকের বৈধ উত্তরাধিকারীরা বাংলাদেশেই আছেন, কোথাও যাননি; তা সত্ত্বেও ভূমি অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ভুল রিপোর্টের কারণে আমাদেরবৈধ জমি "ভিপি" বা অর্পিত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত করে ফেল। এতে করে আমরা অনেক হয়রানি শিকার হয় এবং বহু বছর যাবৎ মামলা করে মামলা ডিক্রি পাই, এখানে আমার এক লক্ষ টাকা সরকারি খরচের বাইরে ঘুষ দিতে হয় এবং দীর্ঘদিন যাবত হ্যারেজমেন্টের শিকার হয়েছি। তারপর উক্ত জমিন নামজারি করতে ডিসি অফিস থেকে অর্ডার নামা আনতে আরো ১০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। ওই কেরানি আমাকে বলল অনেকদিন ধরে আপনার একটা পড়ে আছে কিছু খরচ পাত্রী দিন ভিসি স্যারের কাছ থেকে এটা সাইন করে নিয়ে আসব উপরে কিছু দেওয়া লাগে। তারপর অবশেষে ১০ হাজার টাকা দিয়ে কাগজটা আনলাম। এখন শ্রীপুর ভূমি ১০০০০ টাকা ঘুষ
পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে গেলাম নতুন মিটার এর আবেদন করতে তখনই বললো, আপনার এলাকার টেকনিশিয়ান এর সাথে যোগাযোগ করুন, টেকনিশিয়ান বললো মিটার নামাতে ৫০০০ টাকা দিতে হবে আমি বললাম সরকারি জমা কতো? উনি উত্তর দিলো ১০০০ + আমি বললাম নিজে জমা দিলে কি হবেনা? উনি বললো দিতে পারেন তবে কবে পাবেন সেটার গ্যারান্টি নেই। স্যারেরা তো ঐ ফাইল ৬ মাসেও দেখে না, এমনিতেই যে চাপ তার সট এরপর নতুন কাজ এগুলো তো আপনি বুঝবেন না, সবাই ৮০০০ টাকা করে দিচ্ছে এখন রেট ই এটা, আপনি এলাকার জন্য আমি ৫ হাজার এর কথা বলছি, আর আমরাই তো ওয়ারিং করবো নিঃচিন্তে থাকুন। শেষে ৪ হাজারে রাজি হলাম দুজন, আমরা তো মাজলুম, আল্লাহ এদের বিচার করবেন এ বিশ্বাস রাখি,
Meter load increase 2kilo and it takes 3days.
জেলা থেকে সরাসরি বলে দিলো ৫০০,০০০/ লাগবে।