থানা পুলিশ
আভিযোগ লিখে এনে জমা দিসি শধু
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আভিযোগ লিখে এনে জমা দিসি শধু
একটি সরকারি চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশন ছিল।। আমার নামে কোন মামলা কিংবা অন্য কোন কিছুই ছিল না।।। দায়িত্বরত অফিসার ২০০০ দাবি করেন এবং পরোক্ষভাবে বুঝিয়ে দেন না দিলে তিনি ভেরিফিকেশনে বেড রিপোর্ট দেবেন।।।
রেলওয়ে পাকশী ডিভিশন হতে লালমনি ডিভিশনে যাওয়ার জন্য ডিটিও সাইন এবং সিওপিএস ছাড়পত্রের জন্য ডিটিও অফিস এর অফিস সহায়ক পুরো প্রক্রিয়ার জন্য ৪৫০০০ টাকা দাবি করেন, ৩৫০০০ পরিশোধ করে এই সেবাটি নিয়েছি। যা সম্পূর্ণ অতিরিক্ত মানি কোনো সরকারি ফি না।
বিদ্যুতের মিটারের লোড বাড়ানোর জন্য স্থানীয় বিএনপি নেতা আমার থেকে ৬৫০/- বেশি নিয়েছে। ৩০ মিনিটের মধ্যে কাজ করে দিয়েছে।
আদালতের CR মামলা তদন্ত দেওয়া হয়েছে পুলিশের একটা সংস্থা বা ইউনিট কে,তদন্তকারী কর্মকর্তা আমার সত্য, সঠিক কাগজপত্র বা ডকুমেন্ট থাকার পরেও আমার কাছে টাকা দাবি করে বলেন যে আমি যদি টাকা দেই তাহলে আমার পক্ষে পজেটিভ রির্পোট দিবে। আমি রাজি না হওয়াতে আমার প্রতিপক্ষের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে ওনার পক্ষে রির্পোট দেয়।
কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় মাদক ব্যবসা, চুরি, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের নেপথ্য কাহিনী এবার প্রকাশ পেয়েছে। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ও অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই অপরাধ সিন্ডিকেটের মূল হোতা বা প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছেন স্বয়ং অষ্টগ্রাম থানার থানার অফিসার ইনচার্জ। আর তার এই বিশাল 'অর্থ বাণিজ্য' ও মাদক সাম্রাজ্য সচল রাখার মাঠপর্যায়ের দায়িত্ব ভাগ করে নিয়েছেন এএসআই (নিঃ) —, এএসআই —, থানার মুন্সি — এবং ওসির বডিগার্ড —। অভিযোগ , এই পুলিশ কর্মকর্তারা আমি থানায় মামলা করতে গেলে মামলা এফআই আর জন্য ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা নিয়ে থাকে মামলাটি সত্য হোক কিংবা মিথ্যা হোক
মিটার জন্য আবেদন করেছি কিন্তু ইলেক্টিশিয়ান এসে বলে ১৩০ ফুটের বাহিরে আমার ঘর পড়েছে তাই দিবে না,পরে আমাদের এলাকার এক দালাল আমার কাছে ৩৫০০ টাকা চায় টোটাল খরচ দিলে মিটার লাগিয়ে দিবে।
ডিপার্টমেন্ট অব শিপিং, এক টা অনাপত্তি সনতের জন্য ৫ বছর গুরছি। পরে ১২লাখ টাকা দিয়ে তা সংগ্রহ করি
আমার পাসপোর্ট ভ্যারিফিকেশনের জন্য যখন আসি তখন দায়িত্বরত এসআই চট্টগ্রাম পুলিশ ৫০০০ টাকা দাবি করে। আমি দিতে অস্বীকার করলে ভয় ভীতি দেখায়। পরবর্তীতে আমার চাচা কে দিয়ে যোগাযোগ করালে রাতের ১১টার পর অফিসে দেখা করতে বলে। রাতে দেখা করলে পরে ২০০০ টাকা নেয় কিন্তু ভ্যারিফিকেশন না করে পরে বাতিল করে দেয়।
রেডক্রিসেন্ট সোসাইটিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল ডাইরেক্টর, এসিসটেন্ট ডাইরেকটর এবং অফিসার, সোসাইটির ভিতর দির্ঘীদিন যাতব ৮-১০ বছর মাস্টাররোলে কাজ করছে এমন অভিজ্ঞ প্রার্থীদের মূল্যায়ন না করে । বাইরে থেকে অনভজ্ঞ, লোকজনকে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আমরা জানি না তাদের কাছে ঘুস নেওয়া হচ্ছে কিনা। তবে যারা বঞ্চিত হচ্ছে তারা বলছে এগুলো ঘুস বানিজ্য হচ্ছে। প্রতিকার চায়।
এনআইডিতে জন্ম তারিখ সংশোধন এর জন্য অনলাইনে কয়েকবার আবেদন করি। সর্বশেষ আগারগাঁও এনআইডি অফিসে গেলে বিভিন্ন টালবাহানা শুরু করে। তখন অফিসের একজন স্টাফ কাগজগুলো দেখে বলে এই সংশোধন করতে আড়াই লাখ টাকা লাগবে। দুই দিনে এনআইডি পেয়ে যাবেন। ঘুষের এই টাকা রাজি না হওয়ায় ঐদিন ই আমার আবেদনটি বাতিল করে দেয়।
চেয়েছিলেন ওয়ার্ড মেম্বার, বলছিল ২০০০ টাকা দেন, সচিবকে দিলে দ্রুত কাজ করে দিবে।
আমার স্ত্রীকে গ্রাম থেকে ঢাকায় বদলির জন্যে সচিবালয়ের এক সচিবকে এই টাকা ঘুষ হিসেবে দিতে হয়েছে। পরবর্তীতে উপায় না পেয়ে সংযুক্তিতে মাত্র এক বছরের জন্যে এই ঘুষ দিতে হয়েছে। (নোট:আপনাদের সাইটে অফিস হিসেবে সচিব বালয়ের নামটা রাখা উচিৎ)
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এ লোন এর জন্য আবেদন করি । আমার সমস্ত জমির কাগজ ঠিক থাকা সত্ত্বেও ৮০০০ হাজার টাকা লাগবে এমন বলেছে ।আমি জানতে চাইলাম এই টাকা টা কিসের জন্য বলেছে স্যার কে দেওয়া লাগবে মিষ্টি খাওয়ার জন্যে 🥹🥹
সরকারি ফি ২৫৳/৫০৳/১০০৳ সেখানে সচিব নেয়, ৩০০/৬০০/৫০০০ ৳, একটা কাগুজে যতগুলো ভুল থাকে সবগুলো আলাদা হিসাব করে আরো বেশি নেয়,
কোর্টে মামলা করেছি। থানায় তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা ১৫ হাজার টাকা দাবি করছে। টাকা দেইনি হলে ছয় মাস যাবত প্রতিবেদন আটকে রাখছে।
আমার কোম্পানির একটা ফায়ার লাইসেন্স করতে হবে না হলে বিদ্যুৎ সংযোগ দিবেনা তাই আবেদন করি কিন্তু যে ফায়ার সার্ভিসের লোক এই কাজ দেখেন তিনি বলেন উনি এই কাজ ১ লাখের নিচে করেন না, বাধ্য হয়ে অনেক রিকোয়েস্ট করে ৫০k দিয়া এই সনদ নিয়ে থাকি
বিল্ডিং এর প্ল্যান পাস করানোর জন্য ফায়ার ব্রিগেড কর্তৃপক্ষকে ঘুষ দিতে হয়েছে।
ঘুস না দিলে সরকারী পিপি হাযিরা নেয় না। আমি বাদি পক্ষ।
বি ,এস, টি, আই লাইসেন্স নবায়নে আর প্রতি বছর ঈদের আগে এসে ১০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে । এদের বাচ্চা প্রতিবন্ধী হোক ।