বিল্ডিং এর প্ল্যান অনুমোদন
বিল্ডিং এর প্ল্যান পাস করানোর জন্য ফায়ার ব্রিগেড কর্তৃপক্ষকে ঘুষ দিতে হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বিল্ডিং এর প্ল্যান পাস করানোর জন্য ফায়ার ব্রিগেড কর্তৃপক্ষকে ঘুষ দিতে হয়েছে।
আমার দুই ছেলের জন্ম নিবন্দন করতে ইউনিয়ন পরিষদের গেলে সেখান থেকে সরকারি মূল্য ৫০ টাকা তা দিয়ে করতে চাইলে করতে পারিনি। পরে অনেক দিন গুরাগুরির পর এক মহিলা ( কর্মরত) বল্ল সে ৩০০ করে নিবে কোন সমস্যা হবে না। পরে আর সমস্যা ছাড়ায় পেয়েগেলাম। এর প্রতিকার চাই।
আমি একটি NID সংশোধন কাজে গেছিলাম যেটা আমার জন্য খুব জরুরি,তারা যখন বুঝতে পারলো যে বিষয়টা জরুরি তখন ৪৫০ টাকার কাজ ৪০০০ টাকা চাচ্ছে 😡। এতো দুর্নীতি হলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়?
ফ্যাক্টরি লাইসেন্স নবায়ন করতে এই পরিমান টাকা দাবি করা হয়।
ঘুস না দিলে সরকারী পিপি হাযিরা নেয় না। আমি বাদি পক্ষ।
জন্মনিবন্ধন করতে গিয়ে হয়রানি শিকার, তার সাথে ঘুষ না দিলে কাজ করে। বিভিন্ন তাল বাহানা দেখায়। — নামের লোকটা — দুর্নীতি বাজ। এবং আরও অনেক দালাল আছে যেমন — পাশের রুমে বসে। এবং সবচেয়ে বড় কথা সেখানে থাকা প্রতিটা লোক চাদা বাজ। টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না।
সঞ্চয়পত্র ক্রয় করতে গেছিলাম, ফরম দিবে এমন সময় মিষ্টি খেতে ১০০০/- চাইছে। আমি আর ফরম ক্রয় করিনি।
Ami nid er jonn apply korsi then amk form joma dawar jonno 3k chaise
ফায়ার লাইসেন্স করার জন্য প্রতি বছর ২৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়, না দিলে তারা বলে ফায়ার এক্সিট প্লান করায় নিয়ে আসেন , আর যদি ফায়ার এক্সিট প্ল্যান করা হয় তারপর আরও কিছু করতে বলে যা সকল ব্যবসায়ীর জন্য কস্টকর ।
আমি একজন প্রবাসী জনতা ব্যাংক লোকাল অফিস থেকে রেমিট্যান্স এর মাধ্যমে ওয়েব আনার বন্ড কিনার সময় , যতবার ফরিদ করেছি ততবারই ১০০০ করে ঘুষ দিতে হয়েছে
আমাদের একটি মামলা আছে গাইবান্ধা সাদুল্লাহপুর থানায়।থানার si — মামলার তদন্ত করমোকরতা আমার কাছে ১০০০০ টাকা চায় বলে মামলার ধারা বারিে দিবে। আমি বলছি টাকা দিতে পারবো না জা আছে তাই দিন।তার পরো ৫০০০ টাকা চাচ্ছে না দেয়ার কারনে চাজশিট দিচ্ছে না এই ঘটনার প্রমান আছে।ফোন রেকরডিং।চাজশিট না দিলে মামলার বিচারিক কাজ হবে না এমনি ঝুলে থাকবে।আসামি পক্ষে একটা সুজুগ করে দিচ্ছে।মামলা করচ্ছি ১০/১২/২৪ তারিখ।বিচার পাচছি না। এ সিস্টম কবে চেন্জ হবে আল্লাহ জানে
আমি কাজ যথাযথ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করেছি কিন্তু জেলা পরিষদ এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমার কাছে সব বিল বাবদ ২০০০০০/- টাকা দাবি করেন। দেই নাই বলে এখনো আমি বিল পাই নি ৬ মাস ধরে
কলকারখানার লাইসেন্স বাৎসরিক নবায়ন। গত বৎসর ঘুষ লাগছে ৫০০০।= টাকা। এবার দিতে হয়েছে ২০০০০।= টাকা। বিভিন্ন অজুহাতে মাসের পর মাস ঘুরাতে থাকে। পরে টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি । নবায়ন কপি ও পেয়ে গেছি। গত বৎসর থেকে ৪ গুন বৃদ্ধি পেয়েছে ঘুষের পরিমান। ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে আরও অনেক বেশী টাকা দেয়া হয়েছে। সাথে ৬ মাস ঘুরিয়েছে। এই হলো বর্তমান অবস্থা।
বিল্ডিং এর প্ল্যান অনুমোদন করানো বাবদ নোয়াখালী পৌরসভা অফিসকে টেবিল খরচ বাবদ দিতে হয়েছে। ঘুষ ছাড়া ফাইল ফেলে রাখে। বারবার ফেরত দেয়। অপ্রয়োজনীয় তথ্য ও একটা কাগজপত্র চায়।
পাসপোর্ট করার জন্য একটি ন্যাশনাল আইডি কার্ড প্রয়োজন ছিল, ফেসবুকের একটা গ্রুপে পোস্ট করি "ইমারজেন্সি ন্যাশনাল আইডি কার্ড বানাবো কিভাবে সে ব্যাপারে কেউ একজন সাহায্য করুন, একটা মেয়ে সেখানে কমেন্ট করলো, সে নাকি তিন দিনের মধ্যে ন্যাশনাল আইডি কার্ড বানিয়েছে, তাই আমি তার কাছে জানতে চাইলাম, আপনি কাকে দিয়ে এই ন্যাশনাল আইডি কার্ডটি বানিয়েছেন, সে আমাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় নির্বাচন অফিসের একজনের নাম্বার দিয়েছে, এবং বলল সে একদিনের ভিতর ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর ব্যবস্থা করে ফেলে, কি বলল ৭ হাজার টাকার মতো খরচও হতে পারে, তাই আমি ওই লোকটিকে ফোন করে কথা.......... এত লিখা এখানে জায়গা নিচ্ছে না, তাই বিস্তারিত জানতে [redacted] এটা আমার নাম্বার কাইন্ডলি নক দিন। আমি বিস্তারিত ঘটনা বলতে চাই
সরকারি কাজের বিল, ৭% হারে ঘুস না দিলে বিল হবে না।
পরিবেশ ছাড়পত্র নবায়নের জন্য এই অফিসের ডি ডি, ইন্সপেক্টর, পিয়ন সবাই কে কোন কোন পর্যায়ে ঘুষ দিতে হয়, ঘুষ না দিলে তারা আপনার সাথে কথাই বলতে চাইবে না এবং আপনি আরো নানা ধরনের জটিলতায় পড়বেন।
Ei office e every step e proti ta kajer jonno ghush neya hoy. Last time amr babar account theke mar account e taka transfer (after father died) tok money also did not pay money for 2 months. 2 months er taka mere dise.
গাড়ির জেটফাস্ট থাকা সত্ত্বেও ১০ টাকা করে ঘুষ দেওয়া লাগবে আনসার কে
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানায় জিডি করতে সবার থেকে থানার ভিতরেই ওপেনলি ৩০০ টাকা করে নেওয়া হয়। আমার এসএসসি সার্টিফিকেট হরিয়ে যাওয়াতে জিডি করতে গেসিলাম কয়েকদিন আগে, আমার সামনে থেকে ৫ জনের থেকে টাকা নিচে, আমার থেকেও চেয়ে বসছে। আমি টাকা দি নাই, কিন্তু অফিসের ইনচার্জ কে ও বলার সাহস হয় নাই কারণ হয়তো এই টাকার ভাগ সবার পকেটেই যায় যার কারণে অপেনলি নেওয়া হয়।