ব্যা্এক কাউন্ট পরিবর্তন
আমার একটা সনচয় পত্র ক্রয় করা ছিল বেনাপোল পোস্ট অফিস থেকে, আমি ব্যাংক হিসাব নম্বর পরিবর্তন করতে চেয়েছিলাম, পোস্ট মাস্টার ১৫০০০ টাকা দাবি করেছিল
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমার একটা সনচয় পত্র ক্রয় করা ছিল বেনাপোল পোস্ট অফিস থেকে, আমি ব্যাংক হিসাব নম্বর পরিবর্তন করতে চেয়েছিলাম, পোস্ট মাস্টার ১৫০০০ টাকা দাবি করেছিল
একেকটা চেকের জন্য এক পারসেন্ট দিতে হয় না দিলে চেক দেয়া হয়না। শুধু সাধারন ঠিকাদার না নৌ কল্যাণ ফাউন্ডেশনেরও দেয়া লাগে। কাজ শেষে বিলের চেকের জন্য কর্মকর্তারা ক্যালকুলেটর নিয়ে বসে পারসেন্ট নেওয়ার জন্য। এগুলো নিয়ে কেউ প্রতিবাদ করে না স্বয়ং নৌ কর্মকর্তারা সবাই জানে বিষয়টি।
সিসিটিভিতে দুর্ধর্ষ চুরিতে শনাক্ত হওয়া চোরের বাসায় যাওয়ার জন্য পুলিশকে অনুরোধ করাতে তিনি টাকা দাবি করেছেন।
Trade License fee on paper Tk 2,400 and I had to pay tk 15,000 to Tetuljhora Union Parishad
আমার বাবার পেনশনের কাজে একটি তথ্য উদ্ধারের জন্য একটি ফাইল খোঁজা দরকার ছিল। সেই ফাইল খুঁজতে হলে নাকি দায়িত্বে থাকা একজনকে ১০০ নাকি ২০০ টাকা দিতে হবে(টাকার পরিমাণ খেয়াল নেই সঠিক। তবে ১০০/২০০ ই হবে)। পরে টাকা দেওয়ার পর কাজ হয়েছে।
আমাদের জমি সরকারি ভাবে অধিগ্রহণ করা হয় রাস্তা নির্মাণের কাজে। সরকার মূল্য পরিশোধ করে ১ কোটি ৭০ লক্ষ প্রায়। এই টাকা উত্তোলনের সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিসি অফিসের এল এ শাখা থেকে ৮ লক্ষ টাকা ঘুষ চায়, বললো ৮ লক্ষ টাকা না দিলে মূল টাকা দিবে না। বাধ্য হয়ে এই টাকা দিতে হয়। ব্যাংকের চেক দিতে চাইলে ওনারা নিতে অস্বীকার করে এবং বলে ক্যাশ টাকা দিবেন। পরে ক্যাশ টাকা নিয়ে যায়। রুমে সিসিটিভি থাকায় টাকা টা একটা সিক্রেট রুমের মধ্যে গিয়ে তারপর ওনারা গ্রহণ করে।
গাজীপুর জেলায় বনবিভাগের জমিতে বাড়ি করতে দেয় বনবিভাগের লোকজন।বনকর্মী,বিট অফিসার সহ।একটি পাকা ঘর করতে নেয় ৩০০০০ টাকা।এভাবে গাজীপুরে থাকা বনভূমিতে হাজার হাজার বাড়ি-ঘর নির্মাণ করছে প্রতিদিন।বিষয়টি অতিব জরুরি।টাকা নেয়ার কোনো প্রমাণ রাখে না।টাকা না দিলে বাড়ি ভেঙ্গে দেয়।প্রতি সপ্তাহে এ ব্যাপারে "ঘটনার আড়ালে" পত্রিকা নিউজ করছে কিন্তু সবাই নিশ্চুপ।
কর্মস্থল বদলীর আবেদন করে সেটা কর্মকর্তা কর্তৃক স্বাক্ষর করাতে এবং অফিস আদেশ করাতে ৭০০০টাকা দাবী করা হয়। সেই টাকা পরিশোধ করে কর্মস্থল পরিবর্তনের অফিস আদেশ হাতে পাই।
গ্রামে বাড়ি করার উদ্দেশ্যে ইঞ্জিনিয়ার কর্তৃক তৈরিকৃত তিন তলা বাড়ির ডিজাইন পাস করানোর জন্য উপজেলা প্রকৌশলীর অফিসে জমা দিলে উনারা সেটা রিসিভ করেন এবং ১ সপ্তাহ পরে আসতে বলেন। ২ দিন পর ঐ অফিসের একজন অফিস সহকারী প্রকৌশলীর রেফারেন্স দিয়ে ডিজাইন পাস করানোর জন্য ১৫০০০ টাকা দাবি করেন এবং এই টাকা না দিলে ডিজাইন পাস হবে না বলেও জানিয়ে দেন। আমি পরদিন সকালে অফিস কক্ষে উনার হাতে ১৫০০০ টাকা দিয়ে আসি। ঠিক ১ দিন পর কল দিয়ে জানায়, আপনার বাড়ির ডিজাইন পাস হয়েছে এসে নিয়ে যান। আমি যেয়ে নিয়ে আসি। ডিজাইনে প্রকৌশলীর সিল, স্বাক্ষর সবই ছিল। উল্লেখ্য, আমি প্রকৌশলীর চেহারাও কখনো দেখিনি। উনাদের অফিস থেকে কেউ আমার বাড়িতেও আসেনি ভিজিট করতে। জাস্ট ১৫০০০ টাকা দিলাম আর পাস হয়ে গেল।
আমি একটা মামলা করেছিলাম ভূমি সংক্রান্ত। মামলাটি কোর্টে করেছিলাম । কোর্ট থেকে থানা ও ভূমি অফিসকে বিবাদীকে নোটিশ করার জন্য বলা হয়েছিল। কোর্টের পেশকারকে দিতে হয়েছিল ৫০০ টাকা। তারপর কোর্ট থেকে ভূমি অফিস, থানা ও বিবাদীর কাছে নোটিশ পৌঁছানোর জন্য পিয়নকে দিতে হয়েছিল ৫০০ টাকা। তারপর যখন কোর্টের নোটিশগুলো থানা এবং ভূমি অফিসে পৌঁছালো তখন থানা থেকে বিবাদীপক্ষকে নোটিশ পাঠানো হলো একজন এ এস আই এর (পুলিশ)মাধ্যমে। এই এ এস আইকে দিতে হয়েছিল ৩৫০০ টাকা যদিও তিনি পাঁচ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন । এবং এই এ এস আই এর সাথে একজন গ্রাম পুলিশ ছিলেন তাকে দিতে হয়েছিল ৫০০ টাকা। এবং তাদেরকে হোটেলে নিয়ে খাওয়াতে হয়েছে আরো ৫০০ টাকা। এটি হচ্ছে আমাদের বাংলাদেশের অবস্থা। আমরা শুরু হওয়ার আগেই খালি খাওয়াইতে হয়।
অত্র দপ্তরে আমি আমার নামীয় ঠিকাদারি লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে অফিস সহকারী আমাকে বলে খরচাপাতি দেওয়া লাগবে। আমি ভেবেছি অল্প কিছু টাকা চা নাস্তার জন্যে এই ৫০০ বা ১০০০টাকা। কিন্তু উনি পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করে বসে। আমি রীতিমতো অবাক হয়েছি সেই সাথে এইখানে প্রতিটি প্রত্যয়ন নিতে ২ হাজার টাকা করে দিতে হয়। এক প্রকারের জুলুমের মতো। সকল ঠিকাদার এই ঘুষ দিতে বাধ্য, না হলে কাজ হয় না। আমি টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় আমার সাথে বাকবিতণ্ডা হয়। এখনও পর্যন্ত আমার কাজটি হয় নাই। গণপূর্ত বিভাগের অফিস সহকারীদের মাফিয়াতন্ত্র চলতেছে। আমরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এর থেকে মুক্তি চাই।
টাকা তুলতে গেছি তারপর সেই কর্মকর্তা টাকা চায়
জন্ম নিবন্ধন করতে গেছি বাচ্চার। অমুক তমুক সমস্যা বের করতে করতে অনেকদিন ঘুরাইছে। টাকা ২ হাজার দেওয়ার সাথে সাথে ১ দিন নিবন্ধন করে দিছে। টাকা দেওয়াতে সব সমস্যা সমাধান।
এন আইডি কার্ডে ঠিকানা সংশোধনের জন্য আবেদন করি। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পার হলেও আবেদন এপ্রুভ হয়না।পরে উপজেলা নির্বাচন কমিশনারের সাথে যোগাযোগ করতে গেলে, এক কম্পিউটার অপারেটর উনার কাছে যেতে বাধা দেয়।
আমার মনে হয় সকল সরকারি অফিসগুলো অন্তর্ভুক্ত করা উচিৎ
NGOAB অডিট বিভাগের একজন সংশ্লিষ্ট কর্মী অডিট রিপোর্ট ক্লিয়ার করার জন্য নিয়মিত অর্থ গ্রহণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু অর্থ নেওয়ার পরও তিনি রিপোর্ট নিয়ে অযথা জটিলতা সৃষ্টি করেন এবং বারবার নতুন নতুন আপত্তি তুলে হয়রানি করেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
শ্রীপুর উপজেলার একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের নাম বা কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ না করে বিষয়টি তুলে ধরা হচ্ছে। অভিযোগ অনুযায়ী, নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশনে নির্ধারিত ফি না থাকলেও প্রথমে ৫০০, পরে ১,০০০ টাকা দাবি করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। আরও অভিযোগ, কিছু শিক্ষার্থীকে টেস্ট পরীক্ষায় ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমোদনের জন্য প্রতিটি বিষয়ে ১,০০০ টাকা করে নেওয়া হয়। এছাড়া শোনা যাচ্ছে, বিদ্যালয়ের উন্নয়নে ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ হলেও প্রায় ৫ লাখ টাকার কাজ হয়েছে এবং বাকি ২০ লাখ টাকার কোনো সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না।
শহরের এস বি অফিসে পুলিশ প্রতিবেদনের জন্য গেলে এস আই সাহেব সরাসরি খরচ দাবী করে। দরদেনা করে ৩০০০টাকা পরিশোধ করে পুলিশ রিপোর্ট হাতে পেয়েছিলাম। দুইবার আলাদা সময়ের ব্যবধানে গিয়েছিলাম,একই লোক এর কাছেই যাওয়া লেগেছিল। দুইবারই ৩০০০+৩০০০=মোট ৬০০০টাকা দিয়েছিলাম।
Police Clearance korte gele computer operator — ghus nei, Tk na dile kaj kore na r tui kore kotha bole... chatmohar thana, pabna
উনি UNO অফিসের নাজির। সব কাজে ঘুষ খায়।