NID Verification
নির্বাচন কমিশন। এনআইডি ভেরিফিকেশনের জন্য সরকারি ফি জমা দিয়েও গত ১০ মাস থেকে ধরনা দিয়েও সেবা পাওয়া যাচ্ছে না। অথচ দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যাক্তি সরকারিভাবে না করে ব্যাক্তিগত ভাবে কাজ করে দেয়ার প্রলোভন দেখাচ্ছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নির্বাচন কমিশন। এনআইডি ভেরিফিকেশনের জন্য সরকারি ফি জমা দিয়েও গত ১০ মাস থেকে ধরনা দিয়েও সেবা পাওয়া যাচ্ছে না। অথচ দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যাক্তি সরকারিভাবে না করে ব্যাক্তিগত ভাবে কাজ করে দেয়ার প্রলোভন দেখাচ্ছে।
Factory visit of Labour Inspector
SSC সার্টিফিকেট, markshit দেওয়া, প্রত্যয়নপত্র৷ দেওয়ার জন্য অফিস সহকারী খাদেমুল (বর্তমানে মৃত ) ৫০০ টাকা নিয়েছে। এটি নাকি ম্যানেজ করে দেওয়া বাবদ তার খরচ দিতে হবে।
সরকারি চাকরিতে যোগদানের জন্য সিভিল সার্জন কার্যালয়ে মেডিকেল ফিটনেস সার্টিফিকেট এর জন্য ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।
৫০০০০০ লক্ষ টাকার রাস্তার কাজ নিম্নমানের ইট দিয়ে আমার মনে হয় ২৫০০০৯ টাকায় শেষ করে দিয়েছে। গফরগাঁও উপজেলায় কোন উন্নয়নমূলক কাজের ৪০% এর বেশি কাজ হয় না। সরকারি অফিসার আর নেতারা মিলে সব লুটপাট করে খাচ্ছে।
সরকারি কাজের বিল থেকে ৫% অফিসে দিতেই হবে বিল থেকে এবং নোয়া বা সি এস নামে আরো ২% প্রতিটি ডিপার্টমেন্ট প্রতিনিয়ত নিচ্ছে। যেমন আমি দিয়েছি যে সকল ডিপার্টমেন্ট জন সাস্ত ভিবাগ ভোলা,সড়ক ভিবাগ ভোলা,শিক্ষা প্রোকৌশল ভোলা,এলজি ইডি ভোলা, ত্রান ভিবাগ ভোলা
জন্ম নিবন্ধন সনদের জন্য সরকার নির্ধারিত ফি ৫০ টাকা, আমি নিজে বাসা থেকে অনলাইনে আবেদন সম্পূর্ণ করেছি। তবু আমার বাচ্চাদের জন্ম নিবন্ধন সনদের জন্য ১৫০ টাকা বেশি পরিশোধ করে সংগ্রহ করতে হয়েছে। জানতে চাইলাম কেন দিতে হবে? উত্তর: সবাই তো দিচ্ছে এবং সবার নিকট থেকে নেয়া হচ্ছে ক্ষেত্র বিশেষ আরও বেশি নেওয়া হয়ে থাকে। আমি আপনাকে দিয়ে এই নিবন্ধনের জন্য অনলাইনে কোন কাজই করাই নাই, যাবতীয় কাজ আমি নিজে সম্পন্ন করে এনেছি? উত্তর: আমাদের অফিসের খরচ আছে এই টাকাগুলো দিয়ে তা সম্পন্ন করতে হয়। টাকা নেওয়ার বিপরীতে রশিদ প্রদান করবেন কি না? উত্তর : এই সকল সনদের ফি এর জন্য কোন রশিদ প্রদান করা হয় না। অবশেষে কি আর কারার সময় নষ্ট ছাড়া কিছু হবে না, বাধ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করে জন্মনিবন্ধন নিয়ে বের হয়ে আসলাম।
চাদা চেয়ে না পেয়ে বাড়ির মিস্তিরির মাথায় কোপ দেয় দাড়ালো কোরাল দিয়ে। থানায় মামলা দিতে ৪০ হাজার টাকা নিয়েছে আই ও।
২০১৯ সালে আমার নামে একটি মিথ্যা মামলা করা হয়। পুলিশ আমার থেকে অসদুপায়ে কোন টাকা নিতে না ফেরে আমাকে রিমান্ডে নেয়। এবং না মারার কথা বলে আমার দরিদ্র বাবা থেকে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নেয়। এস আই জাহিদ। চাঁদপুর সদর ডিবি অফিস
১০ কাঠা জমিতে ১০ তলা ভবনের নকশা অনুমোদনের জন্য রাজউকে এই ঘুষ চাওয়া হয়েছিল
সরাসরি চাওয়া হয়েছে। নতুন লাইনের জন্য।
আমি রূপগঞ্জ থানায় বার প্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে কথা বলে, সঠিক সময় যাই এবং আমার কাগজ প্রত্য যাইযাই করে আমাকে কিছু প্রশ্ন করেন সব কিছু ক্লিলার করার পর আমাকে ডেকে নিয়ে যায় বাজারে চা এর দোকানে চিপার এক গলিতে নিয়ে গিয়ে খরচ চায় সেখানে ৮০০ টাকা দিয়েলে সে নিতে পায় না, অনেক কষ্টে দিয়ে ছিলাম ৮০০ টাকা
জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করার জন্য পৌরসভা থেকে প্রত্যয়ন পত্র লাগে এই টাকা লাগে রশিদ ছাড়া কিভাবে বুজবো এই টাকা সরকারি ফি আমার মনে হয় অতিরিক্ত টাকা নিছে
চট্টগ্রাম বন্দরে বিল তুলতে গেলে একাউন্স অফিসারদের ঘুষ দিতে হয় শতকরা হারে। প্রতি লাখে ১০০ টাকা করে। সর্বমোট ৬জন অফিসার আছে। সবাইকেই দিতে হয়। না হয় বিল তোলা সম্ভব না। যতবার ফাইল যাবে ততবারই ঘুষ দিতে হবে।
কামরাঙ্গীরচর কুড়ারঘাট বিদ্যুৎ অফিসে প্রত্যেকটা নতুন প্রিপেইড মিটার কেনা ও লাগানোর জন্য সর্বনিম্ন ১২ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে হয়, বাধ্য হয়ে তাদের কথামতোই বিল্ডিংয়ের জন্য বিভিন্ন সময়ে ১ টি প্রিপেইড মাদার মিটার এবং ৮ টি প্রিপেইড মিটার কেনা হয়েছে প্রায় ১.৫ লক্ষ+ টাকা দিয়ে।
প্রতিটি পেট্রোল পাম্পের Fire Service License নবায়ন করার সময় Fire Inspector-কে ৩,০০০ থেকে ৬,০০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়। এই টাকা না দিলে অনেক ক্ষেত্রে লাইসেন্স নবায়ন করা হয় না এবং অযথা হয়রানির শিকার হতে হয়। প্রতিবছরই প্রায় প্রতিটি পাম্প মালিককে এভাবে টাকা দিতে বাধ্য করা হয়। তবে এবার এই দাবির পরিমাণ আরও বেড়েছে—কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রায় ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছে।
আমরা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করি আমার বোন ৭ মাসের অন্তসত্তা। তার স্বামী তাকে মেরে একটা রুমে আটকে রেখে আমাদের ফোন দিয়ে হুমকি দিচ্ছে।এমতাবস্থায় আমরা পুলিশ নিয়ে বোনকে উদ্ধার করতে যাওয়ার আগে থানায় পুলিশ আমাদের কাছে বলে খরচ দিন।তখন বাদ্ধ হয়ে ২ হাজার টাকা দিই।সে বলে এই টাকা তো আমাদের গাড়ির তেলের টাকা ও হবেনা।এরপর আরো ৫০০ টাকা দিই।আমরা গরিব আমাদের ঘেকে যে এ আড়াই হাজার টাকা নেয়া হলো এটা কেন নেয়া হলো সরকারের কাছে আমাদের প্রশ্ন।
ভুমি রেকর্ড জরিপ রেকর্ড করার জন্য দুজন সেটেলমেন্ট অফিসার তাদের দুজনের কাছে আলাদা আলাদা খতিয়ন রহিয়াছে — ১,৫০,০০০/- টাকা দাবি করে ও — সেটেলমেন্ট অফিসার ৫০,০০০/- টাকা দাবি করে তারপর আর টাকা দিয়ে খতিয়ান স্বাক্ষর করাইবা। [redacted] — [redacted] —
২০২৩ সালে NTRCA এর মাধ্যমে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে একটি বিদ্যালয়ে যোগদান করি। চাকুরির পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ফোন দেয়। তারপর বাসায় একজন পুলিশ আসে। উনি বলেন যে উনি ঘাটাইল থানার ডিএসবি শাখার একজন এস আই। প্রয়োজনীয় কাগজ দেখতে চান। সবকিছু দেখানো হয়। সব ঠিক থাকলে উনি কালক্ষেপন করতে থাকেন। বলেন যে আগামীকাল কাগজপত্র নিয়ে দেখা করেন। আরো নানান তালবাহানা করে। পরে বুঝতে পেরে প্রথমে ১০০০ টাকা দেই, কিন্তু উনি বলেন যে প্রতি ফাইলে স্যারকেই দিতে হয় ২০০০/-, আমার খরচ আছে। এই টাকায় হবেনা। পরে আরো ৫০০ দেয়া হয়। তাতেও তিনি সন্তুষ্ট হন না। শেষ পর্যন্ত ২০০০/- টাকা দিলে উনি বাড়ি ত্যাগ করেন। পরদিন কাগজপত্র নিয়ে দেখা করতে গেলেও, উনি আর দেখা করেনি। একটা দোকানে রেখে যেতে বলে। উনার দেয়া ঠিকানা অনুযায়ী সেই দোকানে কাগজ রেখে আসি।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য অনলাইনে আবেদন করার পর সেটা জমা দিতে যাই তাদেরকে বলি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাজটা করেন। তারা বিভিন্ন অজুহাত দেখায় এবং বলে যে রেগুলার পথে যা আছে সেটাই কাজ হবে এত এত সময় লাগবে। তারপরেও তাদেরকে বলার পর বলে যে টাকা তো আমরা একা নিই না বিভিন্ন ধাপে ধাপে বিভিন্ন খাতে দিতে হয় আমরা না হয় ফ্রিতে করে দিলাম কিন্তু অন্যরা ফ্রিতে করে না। সবাইকে দিতে হয় এটা বলে দুই হাজার টাকা নেই অনেক কমিয়ে। এর জন্য নাকি সবাই আরো বেশি দেয়।