পুলিশ ভেরিফিকেশন
৭০০০ টাকা চেয়েছে অনেক কষ্টে এক জনের পরিচয় দিয়ে ৫০০০ টাকা দিয়ে করেছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
৭০০০ টাকা চেয়েছে অনেক কষ্টে এক জনের পরিচয় দিয়ে ৫০০০ টাকা দিয়ে করেছি।
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য নিজে নিজে আবেদন করেছিলাম অনলাইনে, কিন্তু তারা প্রত্যাখ্যান করেছিল রিমার্কসের লেখা ছিল অ্যাটেস্টেড করা নাই। পরে একই ডকুমেন্ট দিয়ে তারা করে দিয়েছিল অতিরিক্ত বারোশো টাকা নিয়েছিল।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের সার্টিফিকেটের জন্য আবেদনপত্র জমা করতে গিয়েছিলাম ফটিকছড়ি থানায়, সেখানে থাকা অফিসার আমার কাছ থেকে নাস্তা পানির নাম করে ৩০০টাকা নেয়।
সরকারি খাতে জমা হয় ২০০ রেখেছে ৫০০ ম্যানপাওয়ারের জন্য ৯৫০০ দিয়েছি
বেতাগি পৌরসভা কার্যালয়ে নকশাকার পদে নিয়োগের সময় ৩০লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করে ২০২৪সালে থাকা মেয়র এবং বর্তমান কর্মরত প্রধান প্রকৌশলী সাহেব,পরবর্তীতে নিয়োগ পরিক্ষায় আমি প্রথম হলেও যে ঘুষ দেয় তাকে চাকরি দেয়া হয়।
They want bribe to change my electric meter when I started a clinic . After giving 5 lac taka the engineer who took the money through a broker had transferred to another area but my didn’t complete.
যেকোনো পরিবেশ ছাড় পত্রের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর রয়েছে সেখানে ঘুষ ছাড়া কিছু হয় না আমার একটা ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর পরিবেশ ছাড়পত্রের জন্য পঞ্চাশ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে এবং দেওয়া হয়। পরিবেশ কর্মকর্তার নাম —
— dalal udhunia union er taka chara kono free kaj o kore dey na. Ghush khaite khaite pet fulaya felse, jekono somoy fete jabe. Allah'r lanot or ar or poribarer upore poruk.
আমি আমার জন্মনিবন্ধন সনদ তৈরি করতে গিয়েছিলাম। সব ফর্ম পূরণ করে আমি তা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে জমা দিলাম; তিনি জানতে চাইলেন কে এগুলো পূরণ করেছে, আমি বললাম আমি নিজেই করেছি। তিনি ফর্মগুলো রেখে দিলেন এবং জানালেন যে এটি হতে ৭ দিন সময় লাগবে। ৭ দিন পর আমি আবার সেখানে গেলাম, কিন্তু তারা জানাল যে ফর্ম পূরণে কোনো সমস্যা হয়েছে এবং আমাকে এটি পুনরায় করতে হবে। এরপর আমি আবার ফর্মগুলো পূরণ করলাম। ফি জমা দিয়ে বাইরে আসার পর একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী আমার কাছে এসে বললেন যে, তাকে ৭০০০ টাকা দিলে তিনি ৩ দিনের মধ্যেই কাজটি করিয়ে দিতে পারবেন—এক্ষেত্রে আমার ফর্ম পূরণের সব তথ্য ঠিকঠাক আছে এবং আমাকে আর বাড়তি কোনো কাজ করতে হবে না
বিয়ে বাড়িতে রাতে গান বাজানোয় স্পিকার এর এম মেশিন নিয়া গেছে থানায়। পড়ে ৫০০০ টাকা দাবি করছে এক এস আই। ছোটলোক অফিসার টাকে ২৫০০ টাকা দিয়ে পড়ে ছাড়ায়া এনেছি।
আমি মুদি দোকানদার। আমি ব্যবসা করি বাজার এর মধ্যে। — আগে আওয়ামী লীগ করত। যার সাথে আমার আজকে ১১ বছর বেশি সম্পর্ক নেই । কিন্তু ও আওয়ামী লীগ করত তাই ওর জন্য এখন আমার কাছে ব্যবসা করতে হলে ২ লাখ টাকা দাবি তুলছে। ২ লাখ না দিলে আমার ছেলে মেয়ের ক্ষতি করবে। পড়ালিখা করতে দিবে না।
১৯ আগস্ট ২০২৬, বেনাপোল স্থলবন্দর হয়ে ভারত যাওয়ার সময় বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন পুলিশ আমার পাসপোর্ট নিয়ে নেয় এবং ইন্টেরোগেশন রুমে (৩০২ নম্বর রুম) নিয়ে সব কাগজপত্র চেক করে দেখে বৈধ তখন কোনো উপায় না পেয়ে বলে যে আপনি তো ডলার এনডোর্স করেননি, আপনি যাইতে পারবেন না । ২০০ ডলার এনডোর্স করেন না হয় ৫,০০০(পাঁচ হাজার)টাকা দেন তবেই যাইতে পারবেন । দিতে অস্বীকৃতি জানালে ২/৩ কথায় বাকবিতন্ডা বাঁধে আমার সাথে । অন্য এক পুলিশ এসে আমায় কনভিয়েন্স করতে থাকে,তাও সায় দি নি । পরে এক দালাল আসে এন্ড সে নিজেই নিজেকে দালাল বলে আমায় পরিচয় দে ও তার নম্বর দেয় । তখন সে আমায় ২,৫০০ লাস্ট অফার করে ও বলে যে ভাই এটা না করলে আপনার পাসপোর্ট এ অফলোড করে দিবে,নানান ভাবে আমায় কনভিয়েন্স করে এন্ড টাকা দিতে বাধ্য হই আমি ।
আমি নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার একজন সাধারণ নাগরিক। আইনগত সহায়তার উদ্দেশ্যে অনলাইনে মান্দা থানায় একই বিষয়ে তিনটি GD করি। কিন্তু কোনোটিই অনুমোদন না হওয়ায় বাধ্য হয়ে নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার মহোদয়ের নিকট লিখিত অভিযোগ করি। পরবর্তীতে তাঁর নির্দেশে একটি GD অনুমোদন করা হয় এবং তদন্তের জন্য মান্দা থানার একজন ASI-কে দায়িত্ব দেওয়া হয়। অভিযোগের বিষয় হলো, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা GD-টি আদালত থেকে অনুমোদন করানো, ঘটনাস্থলে তদন্ত এবং তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে পাঠানোর বিভিন্ন পর্যায়ে আমার কাছে টাকা দাবি করেন। বাধ্য হয়ে আমি পর্যায়ক্রমে ২,০০০ + ২,০০০ + ২,০০০ = মোট ৬,০০০ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে একই কর্মকর্তার কাছে আমার আরেকটি GD-এর তদন্তের দায়িত্ব পড়লে তিনি তদন্তের জন্য আরও ২,০০০ টাকা দাবি করি
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আপনি পন্য সরবারাহের কাজ করতে গেলে।। ক্রয় কর্মকর্তা টাকা দাবী করে।। এছাড়া ও বেসরকারি ব্যাংক লোন লিমিট বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য শতকরা হারে টাকা দাবী করে।।বীমা দাবী উত্তোলনের জন্য টাকা দাবী করে।। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি জন্য সাইটে আপশন যুক্ত করবেন বলে আশা করছি।।
মটর ছাড়ার পর বারবার ফেইস পড়ে যাচ্ছিল, DPDC বিদ্যুৎ অফিসে ফোন দিলে তারা KV বাড়াতে বলে, এটা বাড়াতে সে বিকাশে টাকা বকশিশ চায়। 1000 টাকা দেয়ার পর তাৎক্ষণিক KV বৃদ্ধি করে দেয়।
খুলনা জেলার নলিয়ান ফরেস্ট অফিস ৩৬ টাকার পাশ নিতে দিতে হয় ২৫০০ টাকা। এছাড়া দায়িত্বরত প্রতি ওসি বাবদ দিতে হয় অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা।দাকোপ থানার পানখালি ইউনিয়নের তিনজন ব্যক্তি এই কার্য পরিচালনা করেন তারা হলেন —। — মেম্বার ও —। টাকা উত্তোলন হয় এনাদের হাত দিয়ে। এছাড়া সুন্দরবনের বনদস্যদের টাকাও তারা গ্রহণ করেন। বনদস্য কাছে পৌঁছে দেন। প্রতিটা বনদস্যু বাহিনীর জন্য নেন ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা।এই সিন্ডিকেট ভাঙতে পারলে দক্ষিণ অঞ্চলের জেলেলেদের জীবনে শান্তি ফিরবে। প্রায় এক হাজার লোক এখান থেকে জঙ্গলে কাকড়া শিকারে যায় হিসাব করলে দেখা যায় হাজার হাজার কোটি টাকা এখান থেকে দুর্নীতি করে নিয়ে যাচ্ছে প্রশাসন ও সহযোগীরা। এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিন।প্রমাণ চাইলে দেওয়া যাবে।
Company registration
Meter reading besi tai besi kore deya lagbe.
I submitted my Client’s application for recording FORM-XII and providing certified copy of the same. However, it got stuck in the middle of the process. The relevant Assistant Director asked he would need 2 lacs for the job. We had to pay, there was no other option. In rjsc, you don’t pay, you don’t get the service, as simple as that.
আমি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি তে পাসপোর্ট এর জন্য নিজে নিজে আবেদন করি , তখনও পাসপোর্ট এর জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন চালু ছিলো। আমাকে নবীনগর থানা থেকে কল করা হয় , আমিও সেখানে যাই। যাওয়ার সব আমার সব তথ্য উনারা মৌখিক ভাবে কাগজের সাথে মিলিয়ে যাচাই করেন এবং এর পরেই ১০০০ টাকা দাবি করে বসেন খরচ বাবদ । তখন আমি না বুঝার ভান করে কিছু প্রশ্ন করি কিন্তু সেই কর্মরত এস আই বলেন যে এইগুলা দিতে হয় , সরকার থেকে নাকি এই খাতা কলম এর খরচ দেওয়া হয় না , উনারা এইটা নিজ পকেট থেকে করেন । যেহেতু আমার পাসপোর্ট জরুরি ছিলো তাই আমি আর কথা না বাড়িয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে আসি ।