চুরির অভিযোগ জানাতে গিয়ে।
ঘরের তালা ভেঙ্গে লেপটপ ও ২৪০০০ টাকা চুরি হয়। থানায় জানাতে গিয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে হয় । আর পুলিশ দেখতে এসে আরো ২০০০ টাকা জোর করে নিয়ে যা। মিরপুর থানার ঘটনা। ২৩ আগস্ট ২০২৬ এর ঘটনা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ঘরের তালা ভেঙ্গে লেপটপ ও ২৪০০০ টাকা চুরি হয়। থানায় জানাতে গিয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে হয় । আর পুলিশ দেখতে এসে আরো ২০০০ টাকা জোর করে নিয়ে যা। মিরপুর থানার ঘটনা। ২৩ আগস্ট ২০২৬ এর ঘটনা।
পুলিশ ফাঁড়িতে জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে মারামারি ও জবর দখল সংক্রান্ত অভিযোগ করেছিলাম। আমার কাছ থেকে ফাড়ি ইনচার্জ টাকা নিয়েছে। অভিযোগ আমিই করেছি। আবার প্রতিপক্ষের কাছ থেকে আরও বেশি টাকা নিয়ে তাদের পক্ষ হয়ে রায় দিয়েছে।
ওএমএস এর ডিও প্রদানে টাকা চেয়েছিলেন। আমি প্রত্যাখান করেছি।
আমি কিছুদিন আগে Police clearance এর জন্য apply করি। গতকাল Shailkupa থানার এক police call দিয়ে বলতেছে কাগজ উপরে পাঠাতে মালপানি লাগবে🙂। আমি কিছুটা রেগে গেলে আমার কাকাকে বলতেছে আপনার ভাতিজা অনেক বেশি বোঝে। টাকা দেইনি but আমার কাজটা এখনো Approve করেনি। জানিনা কি করবে, যাই করুক টাকা আমি দিব না।
পে ২ থেকে আপনার যত টাকা বিল হয়েছে তার ১৮% টাকা পরিশোধ না করলে কোন বিল পাশ হয় না। যা আমার ন্যায্য প্রাপ্য।
রেলওয়ে ভূমি অফিসের আন্ডারে আমার একটি দোকান আছে যেটার রিপোর্ট বিভাগীয় রেলওয়ে ভূমি অফিস লালমনিরহাট একটা রিপোর্ট পাঠানো বাবদ ১০ হাজার টাকা চেয়েছে টাকা দিইনি যার কারণে সাত মাস ফাইল পড়ে রয়েছে ঘুস চাওয়া ব্যক্তির নাম কানুঙ্গ — রেল ভূমি অফিস পার্বতীপুর দিনাজপুর
আমি আমার বোন এবং আমার জন্য একটি নাগরিক সনদপত্র নিতে চাই, কাউন্সিলর অফিস থেকে আমার কাছ থেকে ২০০ টাকা করে ৪০০ টাকা নেওয়া হয়েছে দুইটা নাগরিক সনদপত্রের জন্য! কিন্তু এটি নিতে নরমালি ১০০ টাকা লাগে আমার জানা মতে তারা আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত ২০০ টাকা নিয়েছে
বাসা বরাদ্দ বাতিলের পরে সকল অর্থ পরিশোধের পর প্রত্যয়ন নিতে গেলে হিসাব সহকারী এ অর্থ দাবি করেন। না দেয়ায় হয়রানী করেই যাচ্ছেন।
ডিউটিতে নাম নিতে টাকা চাইছিলো।
সন্দেহভাজন দাবি করে তুলে নিয়ে একরাত থানায় রেখে নেগোসিয়েশন করে উক্ত অর্থ দাবী করে ডিসি অফিস এ নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর ৮০০০০ টাকা নিয়ে ডিসি অফিস থেকে ১০০০ টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়।
আমার মামলার ব্যাপারে ম্যাজিস্ট্রেট তার কক্ষে ডেকেছিল জবান বন্দি দেওয়ার জন্য,আমি ৪ জন আসামির কথা বলেছি কিন্তু তার সহকারী ৪ জন আসামী থেকে ১জন কে বাদ দিয়ে পুরো ঘটনা লিখেছে । পরে এটা সংশোধনের জন্য সহকারীর কাছে গেলে বলে এটা আর ঠিক হবে না। অনেক ক্ষণ পরে সে আমাদের বাহিরে নিয়ে গিয়ে ১০০০ টাকা দাবি করে আর বলে ঠিক করে দিব। কিন্তু সে ১০০০ টাকা নিয়ে আর ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে কথা বলায় দেয় নাই। আর বলছে যে তাকে জানিয়েছি হবে না। পরে টাকা চাইলে সে আর ফিরত দেয় না। ম্যাজিস্ট্রেট:মো:জাহিদুর রহমান (সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট) এনার সহকারী
একটি সরকারি চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশন ছিল। পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য বাড়ি আসল। সব যাচাই করল, সব ঠিক ঠাক থাকার পরও পুলিশ টাকা দাবি করল। তারপর ৫০০০ টাকা পরিশোধ করি।
আমার বাবা মারা যাওয়ার পর মা গৃহায়নে ফ্লাটের সংশোধিত বরাদ্দপত্রের জন্য আবেদন করে। এখনো বরাদ্দপত্র পাই নি মা কিন্তু যখনই খোজ নেই আমরা যে আমাদের আবেদনের কি অবস্থা তখনই এই অফিসের লোকজন টাকা দাবি করে। ২০০০ এর নিচে টাকা দিলে যাতা কথা শুনায় আমাদেরকে। বলে যে এই টাকায় কি কাজ হয়! অথচ লাস্ট ২ মাস ধরে আমরা এই অফিসে ঘুরে বেরাচ্ছি। এই অফিসের প্রতিটা মানুষ দুর্নীতিবাজ। আমাদের মতো অসহায় মানুষকে এত কষ্ট দিয়ে তারা টাকা নেই। এই টাকা যেনো এদের জীবনে দোযখ হয়ে আসে বিচার দিলাম।
সরকারী চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ডিএসবি শাখা হইতে একজন কর্মকর্তা ৫০০০ টাকা দাবি করেন। পরবর্তীতে ভেরিফিকেশন রিপোর্ট যেন নেগেটিভ না দিতে পারে এই ভয়ে টাকাটা পরিশোধ করি।
সরকারি চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য পুলিশ আমার কাছে ৫০০০ টাকা দাবি করেছে। এবং দিতে বাধ্য করেছে।
সরকারী গর্ভবতী ভাতা পাওয়ার জন্য ৫০০টাকা ঘুষ দিতে হয় সবাইকে নাহয় আবেদন বাতিল করে দেয়
আমার জন্মনিবন্ধন বাংলায় ছিল। সেটাতে ইংরেজি যুক্ত করে বর্তমান সিস্টেমে সংযুক্ত করার জন্য ৫০০/- ঘুষ দিয়েছিলাম।
কুষ্টিয়া নারী সহিংস দমন ট্রাইবুনালে, সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য,নাম জমা দেওয়ার সময় পেশকার নেয় ১৫০।তারপর সাক্ষ্য শেষ হলে,বেঞ্চ সহকারী ছেলেটা আদালত কক্ষের বাইরে আসে সিগনেচার নেয়ার জন্য তখন আবার পেশাকারের জন্য নেয় ২০০ আর তার নিজের জন্য নেয় ১০০।
পারিবারিক সনদ তৈরি করতে ইউনিয়ন পরিষদ, ফুলগাজীর মুন্সীরহাট ইউনিয়নর চেয়ারম্যান ও তথ্য সেবা কেন্দ্রর কম্পিউটার অপারেটর ২৭০০ টাকা নিছে।
অত্র ফরিদপুর জেলা পুলিশ কর্মরত কনস্টেবল/—, পূর্বের এসপির বডিগার্ড সে লক্ষ লক্ষ টাকা টি এ বিল করে আত্মসাৎ করেছে। এই টি এ বিলের অধিকার সকল অফিসার ও ফোর্সের রয়েছে। সে কেনো একা এই টি এ বিল নিবে। পূর্বের এসপি কোনো টি এ বিল দেয়নি। অথচ তিনি প্রতিমাসে ১ লক্ষ টাকা টি এ বিল নিয়েছে। এর তদন্ত হয়ে তাকে কঠোর শাস্তির মুখে আনতে হবে।