Rabies Vaccine injection
after injection the doctor wanted tip and the government provided syringe has to bought selling by the vendor outside of the Government hospital premises (Anderkilla 250 seat government hospital)
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
after injection the doctor wanted tip and the government provided syringe has to bought selling by the vendor outside of the Government hospital premises (Anderkilla 250 seat government hospital)
আমি আমার সংস্থার অডিট রিপোর্ট নিয়ে গেছিলাম, আমার সব কিছু ঠিক থাকার পরও আমার কাছে অর্থ দাবি করা হয় । উনি বললেন এটা উনার হক।
বিদ্যুত্ব্রর মিটার নেয়ার জন্য এই টাকা দিতে হ্যেয়েছিল। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যুতের তার সরকার দেয়, এটাও দেয় নাই। তার কিনে দেয়া লাগসে। বিদ্যুতের মিটাতের জন্য ২৫ হাজার নিসে। মাসে মাসে মিটারের ভাড়া আসে। এককালিন মিটার না, ভাড়ার মিটার।
মামলার তদন্তের জন্য আসবে তাই দিতে হবে ।এই টাকায় অনেক অনুরোধ করার পর নিতে রাজি হয়েছে ।
পাসপোর্ট এর জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন এর সময় পজিটিভ রিপোর্ট দেয়ার জন্য ৩০০০ টাকা চেয়েছিলো নাহলে নেগেটিভ রিপোর্ট প্রদান করবে, ১৫০০ টাকা দিয়েছিলাম পজেটিভ রিপোর্ট এর জন্য
প্রবাসি কল্যাণ ব্যাংক থেকে টাকা নেওয়া জন্য গিয়ে ছিলাম, ম্যানেজার সাথে কথা বললে সে আমাকে নানা রকম সমস্যা কথা বলে,পরে বলে এখন লোন দেওয়া বন্ধ আছে, পরে একজন দালাল আমাকে বলে ভাই আমাকে ১০০০০ টাকা দিলে লোন পাশ করাই দিবো, আমি প্রথমে রাজি হয় নাই অনেক টাকা বলে, সে আমাকে বলে ভাই আট হাজার টাকা ম্যানেজারকে দেওয়া লাগবে, আমার টাকার অনেক প্রয়োজন বলে আমি রাজি হয়ে যায়
আমার প্রশ্ন হলো ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রনালয়ে ১০ হাজার কোটি টাকা বাজেট দেয়ার পরও কেন দুর্যোগে মানুষের দ্বারে হাত পাততে হয়...??? বছরে ১/২ বার এর বেশি কি দুর্যোগ হয়...?? অথচ স্টাফরা মহিলাদের প্যাড পর্যন্ত নিয়ে বাসা ভর্তি করে রাখে। ২ বছরের চাকুরিতে বাড়ি গাড়ি করে ফেলেন একজন সামান্য কর্মচারী... আশা করি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবেন... ধন্যবাদ
আমরা বিভিন্ন জব ফেয়ার আয়োজন করতাম তো সেটার পারমিশনের জন্য আমাদের মেট্রোপলিটন হয়ে ট্রাফিক বিভাগ এবং সংলিস্ট থানা থেকে অনুমতি নিতে হয় । সেটার জন্য থানার এস আই ২৫০০ টাকা ঘোষ দাবি করে এবং মেলার দিন এক প্লাটুন পুলিশের খাবার-দাবার ব্যবস্থা করার জন্য বলে।
২০২১ সালে আমার NID সার্ভারে ঠিকানা ভুল থাকায় সেটি সংশোধনের জন্য চট্টগ্রাম নির্বাচন অফিসে যাই। ভুলটি মূলত তাদের করা ছিল। আগে থেকেই অনলাইনে ফি পরিশোধ করে স্লিপসহ সকাল ৮টায় অফিসে গিয়ে লাইনে দাঁড়াই। প্রায় ১১টার দিকে কর্মকর্তারা অফিসে আসেন এবং শুরু থেকেই সবার সঙ্গে রূঢ় আচরণ করছিলেন। এরপর বিভিন্ন অজুহাতে আমাকে হয়রানি করতে থাকেন। প্রথমে আমার সব কাগজপত্র দেখে বলল ফরমটি ওমুখ দোকান থেকে করিয়ে আনতে বলেন। সেটি করতে আমার আরও ২০০ টাকা খরচ হয়। পরে এসে বললেন, এটিও হবে না, আমাকে ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে যেতে হবে। তখন তাদের সঙ্গে আমার কথা কাটাকাটি হয়। পরে সেখানকার এক পিয়ন মামার সঙ্গে কথা বললে তিনি ৬০০ টাকা চান এবং বাইরে অপেক্ষা করতে বলেন। এরপর তিনি আমার কাজটি করিয়ে দেন এক মাসের মধ্যেই NID এর সব ঠিক হয়ে যায়
সিভিল সার্জন অফিসের একজন স্টাফ, নাম —, — এবং অফিস সহকারী — আমার প্রত্যয়ন করে দিবে বলে ১৫০০ টাকা নেয়। বলেছে তাহলে হাসপাতালে গিয়ে পরীক্ষা করা লাগবেনা। এখনি দিয়ে দিবে।
আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার সময় ডেলিভারির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি আমার কাছে অতিরিক্ত টাকা দাবি করেন এবং প্রথমে সেটিকে ফি হিসেবে উল্লেখ করেন। আমি টাকা দেওয়ার পর রসিদ চাইলে তিনি জানান, এ টাকার কোনো রসিদ দেওয়া হবে না এবং এটি তাদের “মিষ্টি খাওয়ার টাকা” ও “তেলের খরচ” হিসেবে নেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আমি আপত্তি জানাই এবং ঘটনার ভিডিও ধারণ শুরু করলে তিনি আমার কাছ থেকে নেওয়া টাকা ফেরত দেন। উক্ত ঘটনার ভিডিও প্রমাণ আমার কাছে সংরক্ষিত আছে এবং তদন্তের প্রয়োজনে তা প্রদান করতে পারি। আমার জানা মতে, শুধু আমার ক্ষেত্রেই নয়, কালীগঞ্জ উপজেলার আরও অনেক ব্যক্তির কাছ থেকেও ড্রাইভিং লাইসেন্স পৌঁছে দেওয়ার সময় এভাবে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়েছে। বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুর
হারানো মোবাইল খুজে পেতে ১০ হাজার দাবী করেছিল। আমি ৫ দিয়ে করাতে হয়েছে
চাকুরির ভেরিফিকেশনের জন্য ২০২৫ সালের জুলাই মাসে আমার এলাকায় কাগজ যায়। ভেরিফিকেশনের জন্য ৫০০০ টাকা দাবি করে তখন। যার জন্য আমার বাবাকে বিরক্ত করা হয়। বাবাকে বলেছি ঘুষখোর পুলিশ যেন আমাকে কল দিয়ে টাকা চায়। যদিও আমার কাছে চাওয়ার সাহস পায়নি পরে।
মিটারে রিডিং আসে না তবুও বিল বেশি লিখে। টাকা না দিলে পরের মাস থেকে আরো বেশি বিল আসবে বলে হুমকি দেয়।
আমি একটা নতুন মিটারের জন্য আবেদন করতে চেয়েছিলাম, আমাকে বলেছে আবেদন করলে ৬-৭মাস লাগবে। কিন্তু ১০০০০ টাকা দিলে ১০ দিনের মধ্যে দিয়ে দিবে।
আমি বর্তমানে রাঙাামাটিতে চাকুরী করি। পারিবারিক কারণে চট্টগ্রামে বদলী হতে চাই। চট্টগ্রামে পদ ফাঁকা থাকা সাপেক্ষেও দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা নানান আইন কানুন দেখায়। পরবর্তীতে আকারে ইঙ্গিতে আর্থিক লেনদেনের কথা বলেন। আমি সেটা দিতে রাজি হয়নি। পরে একই পদে অন্য একজনকে ৩ লক্ষ টাকার বিনিময়ে পদায়ন দেয়। সম্প্রতি ঐ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পত্রপত্রিকায় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ২৩ কোটি টাকার বিনিময়ে চট্টগ্রামের ডিসি হবার খবর ছড়িয়ে পড়ে।
আমি প্রথমবার আবেদন করেছিলাম বৈধ পথে আমার আবেদন বাতিল করা হয়েছে সার্টিফিকেট ভুল এমন একটি মেসেজ এর মত লেখা এসেছে , পরবর্তীতে আবেদন করে দালালকে টাকা দেওয়ার পর আমার পুলিশ কিয়ারেন্স টি সম্পূর্ণ হয়েছে , প্রথমবারের মতন দ্বিতীয়বার সেম ডকুমেন্টস দিয়ে আবেদন করেছি দ্বিতীয়বার কেন হয়েছে আমার প্রশ্ন ?
When i went there to submit my all documents required for Police clearance then took those papers and ask me for their service charge in outside i gave them 500 but they told me to give more but i told them to keep that. Note that I've paid my police clearance fees on online when i applied for that.
সরকারি চাকরি তে যোগদান করার পর,বেতন নিতে যেতে হয়,ag office এ,মানে accounts office, বলে চা খেতে ৩/৪ হাজার টাকা লাগবে,আমি অফিস এ সিনিয়র দের সাথে আলাপ করি, তারা বলে ২০ বছর ধরে সরকারি চাকরি করছি এখন ও বদলি হলে ঘুশ ছাড়া বেতন হয় না,আমার department এ dhaka তে প্রায় ৫০ জনের সাথে আলাপ করেছি,এদের মধ্যে একজন কেও পায় নাই যে কি না ঘুষ ছাড়া বেতন পেয়েছে,মানে প্রায় ৯৯.৯৯% চাকরিজীবী কে বেতন নিতে ঘূষ দিতে হয়।অফিস এ একজন মারা গেলে তার পরিবার প্রায় ১ বছর ধরে ঘোরাঘুরি করে ও পেনসন পায় নাই,পরে ৫০ হাজার টাকার উপর দিয়ে ফাইল পাশ করাতে হয়েছে,নিজের সামান্য বেতন পেতে ও ঘুষ দিতে হয় পরে এরাও আর ভাল থাকে না।সিনিয়রদের কাছে শুনলাম পাকিস্তান আমল থেকেই এমন ই চলছে।
আমি আমার গার্লফ্রেন্ডের সাথে সিএনজি করে পতেঙ্গা থেকে ফিরছিলাম। তার খারাপ লাগছিল তাই আমার কাঁধের উপর মাথা রেখেছিল একটু। এটা দেখে পুলিশ আমাদের সিএনজি দাঁড় করালো। আমাকে আগাগোঁড়া ব্যাগসহ চেকিং করল। এরপর বলে বাসাই ফোন দিবে। আমি নিষেধ করায় সাইডে নিয়ে বলে চা নাস্তার পয়সা দিতে। আমাদের কাছে ২০০টাকা ছিল দিলাম। বলল ২০০টাকা কোন টাকা! আমরা সবশেষে আমাদের কাছে যা যা ছিল সব মিলিয়ে ৫০০টাকা দিয়ে দিলাম। আমি আমার জীবনে কখনো ঘুষ দেইনি।এটাকে আমি খুবই ঘৃণা করি কিন্তু সেদিন প্রিয় মানুষটাকে বাঁচাতে দিতে হলো। এরা কত খারাপ। পর্যটন এলাকায়ও ছাড়েনি। পুলিশটার নাম: — গাড়ি নং: সিএমপি: ১০৫