চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি
নতুন সংযোগের জন্য আমাদের কাছে ৩৭,০০০ টাকা দাবি করা হয়েছিল আর আমরা তা দিতে বাধ্য হই কারণ আমাদের দরকার ছিল তাই।
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নতুন সংযোগের জন্য আমাদের কাছে ৩৭,০০০ টাকা দাবি করা হয়েছিল আর আমরা তা দিতে বাধ্য হই কারণ আমাদের দরকার ছিল তাই।
গত ২০শে আগষ্ট ২০২৬ তারিখে ঢাকা জিপিওতে জাপানে কিছু পোশাক পাঠাতে গেলে আমার স্ত্রীর নিকট ২টি কার্টুন, প্যাকিং, কাস্টমস চার্জ ও ডাকমাশুল বাবদ ২২,০০০/- দাবি করা হয়। চাপাচাপি করার পর ৫০০/- টাকা কমিয়ে ২১,৫০০/- পরিশোধ করতে বাধ্য করা হয়। অথচ পরবর্তীতে দেয়া ২টি রশিদে ১৪,৫০২/- টাকা পরিশোধ দেখানো হয়।
আমার বাবা একজন সরকারি ডাক্তার ছিলেন। উনার প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা আমরা আজ পর্যন্ত পাই নাই। বছরের পর বছর নানা অজুহাতে বার বার ঘোরানো হয়েছে আমাকে কিন্তু এখনো টাকা পাই নাই। আমার কাছে সব কাগজ আসে। উপযুক্ত কাগজ পত্র আছে।
খুলশী থানা, চট্টগ্রাম। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের এর জন্য, আইন বহির্ভূত রুল বুঝিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা করা হয়। যখন বাড়াবাড়ি করি তখন, আমার কাগজপত্রে এই সমস্যা, সে সমস্যা ধরে আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট টা বিলম্ব অথবা না দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তখন প্রয়োজনের কারণে বাধ্য হয়ে এই 5000 টাকা ঘুস দিতে হয়।
নাবিকরা যখন জাহাজ থেকে আসে তখন সাইন অফ করতে হয়। সাইন অফের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমাকে বাধ্য করে টাকা নিয়েছে। টাকা ছাড়া সরকারি শিপিং অফিস থেকে কোন কাজই হয় না।
ফায়ার লাইসেন্স এর জন্য ১৫০০০ হাজার ঘুষ দিতে হয়েছে সরকারি ফি ৫৭৫ টাকা ছিলো। আর পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের জন্য ১০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। সরকারি ফি পরিশোধ করেছি সাথে সমস্ত লিগ্যাল ডকুমেন্টস ও দিতে হয়েছে
সাধারণ ম্যারেজ সার্টিফিকেটকে ডিজিটাল ম্যারেজ সার্টিফিকেটে রূপান্তর
ফোন করে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য হয়রানি করেছিল। পরে দালালদের মাধ্যমে 2500 টাকায় মিটমাট করি। তারজন্য আজীবন বদদোয়া করে যাবো । ও এবং ওর সহযোগীদের সন্তান যেন প্রতিবন্ধী হয়ে যায়।
ডেনমার্কে আসার দুই মাস পর কোপেনহেগেন এয়ারপোর্টে আমার চাকুরী হয়েছিলো এবং তারা আমার দেশ থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট চেয়েছিল। সেজন্য আমি আমার লোকাল থানা (মনোহরগঞ্জ থানা, কুমিল্লা) যোগাযোগ করলে একজন দালালের সাথে কথা বলতে বলে। পরবর্তীতে সেই দালাল আমার কাছে ৩০০০০ টাকা ঘুষ হিসেবে দাবি করে বলে এটা পুলিশ সুপারের সম্মানী হিসেবে দেয়া লাগবে, না হয় আমি সেই সার্টিফিকেট পাবো না । আমার আর কোন উপায় ছিল না বলে পরে ডেনমার্ক থেকে ত্রিশ হাজার টাকা পাঠিয়ে আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সংগ্রহ করি ।
উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইং, কৃষি সম্প্রসারণ উইং এ পেস্টিসাইড এর লাইসেন্স নবায়নের জন্য বিভিন্ন ডেস্কের খরচ।
রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর পরিচয় দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক (লেকচারার) নিয়োগের জন্য ১২ লাখ (120000) টাকা দাবি করে। সে বলেছিল আমার লিখিত এক্সামে পাশ করতে কিছু নাম্বার কম আছে। তাই টাকা দিলে পাশ করিয়ে ভাইভা বোর্ডে পাঠানো হবে। টাকার অর্ধেক ভাইভার আগে, বাকিটা নিয়োগের পর দিতে হবে। আমি তার প্রস্তাব এড়িয়ে যাই নিজের উপর আত্মবিশ্বাসের জোরে। কিন্তু আমার লিখিত এক্সামের রেজাল্ট ফেইল আসে।
জন্ম নিবন্ধনের সাইন করা বাকি ছিল। আমাকে বলেছে অনেক ফাইল জমা আছে আপনি আজকে নিতে পারবেন না অনেক দেরি হবে। কিন্তু আমার ওই দিনই লাগতো। এজন্য বাধ্য হয়ে ১৫০ টাকা দিয়েছি। টাকা দিয়ে সাইন করে এনেছি বাধ্য হয়ে।
আমি একজন উন্নয়ন কাজের ঠিকাদার, বর্তমানে দ্রব্যমুল্যের উর্ধগতির পর ও আমার প্রতিষ্ঠান কালোতালিকাভুক্ত হওয়া থেকে বাচাতে লস হওয়া সত্তেও কাজ শেষ করি, কিন্তু বিলের উপর ২.৫% ঘুষ দাবি করে দীর্ঘদিন হয়রানি করছে।
ম্যাচিং গ্র্যান্ড দেওয়ার জন্য আবেদনপত্রে ভুল ধরে উক্ত টাকা দাবী করা হয়েছিল অর্থাৎ আমাকে যে টাকা দেয়া হবে তার দশ পার্সেন্ট তাদেরকে দিতে হবে
They charged fake electricity bill and demanded 17000 and agree to settle 12000 otherwise So no way but paid 12000 taka as bribe
আমার একটি প্রাইভেট হাসপাতাল আছে। এটি ময়মনসিংহ শহরে অবস্থিত। যথারীতি আমি ফায়ার লাইসেন্স নবায়নের জন্য ফায়ার সার্ভিস অফিসে যাই। সকল কাগজপত্র, অগ্নি নিরাপত্তা ও নির্বাপন ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও আমার কাছে লাইসেন্সের জন্য ঘুষ দাবি করা হয় এবং উপায়ন্তু আমি তা দিতে বাধ্য হই। অন্যথায় আমাকে লাইসেন্স দেয়া হতো না। ঘটনাটি শুধু আমার ক্ষেত্রে ঘটেছে তা নয়। অন্যান্য হসপিটাল এবং কমার্শিয়াল স্পেস এর লাইসেন্সের জন্য সবাইকেই ঘুষ দিতে হয়েছে। উক্ত ব্যক্তি সবার কাছ থেকে প্রকাশ্যে ঘুষ নিচ্ছিলেন। তা থেকে আমি অনুমান করতে পারি যে এটি শুধু তার একার পক্ষে নেয়া সম্ভব নয় বরং ফায়ার সার্ভিসের অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারী এই সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত।
ভুলবশত আমার নাল জমি ভিটি জমিতে অন্তভূক্ত হয়ে যাওয়াতে নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের এস এ শাখায় আবেদন করার জন্য তথ্য সংগ্রহ করতে যাই। তখন দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা ৪০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে খতিয়ান সহ অন্যন্য ডকুমেন্টের সাথে।
বাচ্চার জন্মের 45 দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন করলে ফ্রি। কিন্তু আমি ৪৫ দিনের মধ্যে করেছি আমার থেকে ইউনিয়ন পরিষদের ৬০০ টাকা নিয়েছে করার জন্য
০-৪০ দিন বয়সের জন্মনিবন্ধন ফ্রি, এরপরে ফি হিসেব হয় বয়স ভেদে, সর্বোচ্চ ফি ৫০ টাকা। সেখানে ইউনিয়ন পরিষদ এর হিসাবরক্ষন কর্মচারী ২০০ টাকা দাবি করেন। পরিশোধ করেছি
প্রতিষ্ঠানে ফায়ার লাইসেন্স দরকার হয়। সেটা নিতে কিছু নিয়ম কানুন দরকার হয়। সেই নিয়ম মেনে লাইসেন্স নেয়া ভয়াবহ কঠিন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু করাই সম্ভব না। এই সুযোগে তারা লাইসেন্সের জন্য অতিরিক্ত অর্থ দাবী করে। মুল টাকার তুলনায় অনেক বেশি। প্রতিষ্ঠান যত বড় ঘুষের পরিমান তত বেশি।