পুলিশ ক্লিয়ারেন্স
২০২০ সালে অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আবেদন করি। কিন্তু থানায় অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার পর কাজ হয়। বর্তমানে বিষয়টি এখনও আছে। টাকা না দিলে সময় বেশি লাগে ক্লিয়ারেন্স পেতে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
২০২০ সালে অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আবেদন করি। কিন্তু থানায় অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার পর কাজ হয়। বর্তমানে বিষয়টি এখনও আছে। টাকা না দিলে সময় বেশি লাগে ক্লিয়ারেন্স পেতে
আমার ট্যাক্স সার্কেল অফিসে যাই টিআরসি নিতে। ৩০ কার্যদিবসে বিনা মূল্যে সেবা দেয়ার কথা। একদিনেই ৫ ঘন্টার মধ্যে সেবা পাই ঘুষের বিনিময়ে।
শ্রমিক ছাটাই করে পুরো ৪ মাসের বেতন অগ্রিম, ও প্রতি বছর এর জন্য ১ টি করে অতিরিক্ত বেতন, অর্জিত ছুটির ভাতা দিয়ে শ্রমিক ছাঁটাই করার যেই নিয়ম আছে, সব পরিশোধ করার পরেও লেবার ফেডারেশন এর সাথে যুক্তি করে ১৫০০০০ টাকা নিয়েছে। অন্যথায় হয়রানি মূলক মামলা করবে হুমকি দিয়েছে।
ঘটনা আত্মীয়ের: নতুন এনআইডি তৈরি ও সংশোধন করতে টাকা দিতে হয়। ফাইল জমা দেওয়ার পর ৩-৪ মাস চলে যায় কিন্তু এসএমএস আসে না। অথচ তার অনেক পরে এমনকি গত সপ্তাহে ফাইল জমা দিয়ে ছবি তুলে আইডি পেয়ে গেছে। খোঁজ নিতে গেলে বলা হয় যে, সময় হলে মেসেজ যাবে। জরুরি হওয়ায় বাধ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করে এনআইডি করতে হয়েছে। বন্ধুর কাছে খবর পেলাম, তার নামের শুধু মোঃ থেকে মোহাম্মদ হবে। এটা সংশোধন করার জন্য সার্টিফিকেট সহ আবেদন করার পরেও প্রায় ২ মাসের মত অপেক্ষা করতে হয়েছে। বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে সংশোধন করতে হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর সদর পৌরসভায় বড় বোর্ডে স্পষ্ট করে লেখা আছে এই দুইটি সনদ তুলতে ১১৩ টাকা করে ২২৬ টাকা খরচ হওয়ার কথা।আমি তা আগে দেখিনি যেদিন এইসব সনদ তুলতে যাবো ঐদিন ৫০০ দিয়ে এসেছি।পরের দিন সনদ তুলতে গিয়ে চেয়ারে বসে অপেক্ষা করার সময় আমার সামনে বড় একটি বোর্ডে কোন কাজের জন্য কত টাকা প্রয়োজন তা চার্ট আকারে দেওয়া আছে।কিন্তু তারপরেও তারা বাড়তি টাকা নিচ্ছে
পুলিশ সদস্য সরাসরি কোনো টাকা দাবি করেন নাই। তবে হাবভাবে বুঝিয়েছেন যে কিছু প্রয়োজন। কাগজপত্র রেডি করতে, প্রিন্ট করতে খরচ হয়, অন্যের উপর নির্ভর করে কাজ করা লাগে এসব।
police verification e passprt kortr gele tkhn ak police otirkto tk dabi koresilo .ghsoh niyesilo 1000tk..abong ta dite hoyesilo nah hole uni passport kortr onk late hob. hobe nah amn bhoy dekhaysilo
I need to attest my certificates for going overseas for my education. So I went to education ministry and they asked for 200 tk for each page and the police who was in the gate was so rude that I could not even stand in the road in front of him.
কোম্পানি নিবন্ধনের জন্য আরজেএসি আমার কাছে থেকে অতিরিক্ত ৫০০০ টাকা ঘুস নিয়েছে।
আমি দুইটা প্রতিষ্ঠানের ভ্যাটের টাকা সরকারি ট্রেজারের মাধ্যমে জমা দিন, তারপর ভ্যাট অফিসে ঘুষ বাবদ ৪৫০০০+৪০০০+১০০০ টাকা প্রদান করি , অন্যথায় আমাদের প্রতিষ্ঠানের উপর নানা রকম জরিমানা করবে। তাই প্রতি মাসে আমাকে উক্ত টাকা প্রদান করতে হয় ।
পানির মিটার রিডার কে বলা হইসিলো মিটারের গ্লাস ঝাপসা তাই চেঞ্জ করবো। তিনি ১২০০০ চাইসে
তিতাসে গ্যাস লাইনের মালিকানা পরিবর্তনের জন্য আবেদন করতে গেলে দশ হাজার টাকা ঘুষ চাওয়া হয়। টাকা সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিলে কাজ হয়ে যাবে বলা হয়।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য ৫০০০ টাকা চা পানি খাবার এর দাবি করা হয়।
To increase gas pressure, Titas manager demanded speed money. Operation manager Mamun jowarder
অন্য এক পুলিশ সদস্যের মাধ্যমে কথা বলানোর পরেও সরাসরি ১৫০০ টাকা দাবি করে, নাহয় তিনি নাকি ২৫০০-৩০০০ এর নিচে কিছু করেন না। পরে ১০০০ টাকা দিয়েছি।
সরকারি চাকুরীজীবীর অবসরের পরবর্তী এককালীন টাকা তুলতে গিয়ে হয়রানির শিকার হয়েছি। টাকা ছাড়া তারা কোনোভাবেই কাজ করবে না। টাকা না দিলে মাসের পর মাস ফাইল পরে থাকবে। ওখানকার কম্পিউটার অপারেটর — অন্যতম এই সিন্ডিকেটের সদস্য। টাকা না দিলে কাগজপত্রের বিভিন্ন ভুল ধরবে।যেসব কাগজপত্র অপ্রয়োজনীয় সেগুলোও চাবে। টাকা দিলেই সব ঠান্ডা।
জাতীয়তা সনদের প্রয়োজন ছিল, তাই সরকারি নিয়মে ১৫ টাকা পরিশোধ করতে হলেও তারা ১০০ টাকার নিচে কথা বলে না।পরে চৌকিদারকে দিতে হয় আলাদা ৩০০-৫০০ টাকা। ওয়ারিশ সনদের সরকারি ফি ১৬ টাকা হলেও তাদের কাছে দিতে হবে ৫০০ টাকা। তা আবার ফটোকপি করে তাদের সামনে দেওয়া আছে। বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স এ নাম পরিবর্তনের জন্য তাদের যাতায়াত বাবদ খরচ দিতে হয় ৫০০ টাকা আর সরকারি ফি এর নামে দিতে হয় ৫০০ টাকা।কিন্তু আমি বিশ্বাস করি এই টাকা ৫০-১০০ টাকার বেশি হবে না। নতুন বাড়ি করা সময় চৌকিদারের হাতে ১০০০-৩০০০ টাকা দিয়ে দিলে কোন সমস্যা হয় না, আর টাকা না দিলে নানা খুত খুজে বের করে পরতে হয় নানা হয়রানিতে। এইভাবেই চলছে বাঁশখালী পৌরসভার কার্যক্রম। সাংবাদিক হিসেবে গেলে হয়তো এইসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে না, তবে গ্রাহক হিসেবে গেলে ১০০%
Police clearance er jonno 1800 tk deya lagse government fee bade.
এন আইডি কার্ড বানাইতে গেছিলাম জরুরি থাকায় একটু তাড়াতাড়ি করে দিতে বললে। প্রথমে নেতার রেফারেন্স খুঁজে। পরবর্তীতে ৬ হাজার টাকা চায় ২ দিন এর ভিতর কার্ড বানাই দিবে বলে
জামিন হওয়ার পর ম্যাজিস্ট্রেট এর সাইন নেওয়ার জন্য গেছিলাম ২০ হাজার টাকা ঘুষ চায় পরে বলে কয়ে অনুরোধ করে ৭ হাজার দিয়ে আসামি বের করছি