সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৫,৬৩৮ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

ট্যাক্স সার্টিফিকেট নিতে ঘুষ

আমি প্রবাসী, ট্যাক্স রিটার্ন সাবমিট করতে একজন ট্যাক্স লয়ার এর সাহায্য নিতে হয়, প্রতিবার ট্যাক্স সাবমিট করার পর তিনি বেশি টাকা দাবি করেন, আগে দুই হাজার টাকা দিতাম তা এখন পাঁচ হাজার টাকায় উঠেছে । উনার অভিযোগ ট্যাক্স সার্টিফিকেট নিতে গেলে ট্যাক্স অফিস ৩ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳৫.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

জম্মসনদ

আমি জম্মসনদ করার জন্য ইউনিয়ন অফিসে গেলে,অফিসের স্টাপ বলে সল্প সময়ে আমার কাজ টা করে দিবে বলে ৫০০ টাকা দাবি করে। আমি ৫০০ টাকা দেই নি তাই এখন ১ মাস হয়ে গেছে জম্ম সনদ দেও না,শুদু বলে এই সমস্যা ওই সমস্যা

শুধু দাবি করেছে
মোহনগঞ্জ ৳৫০০
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এর কার্গো ভিলেজ কাস্টমস সেবা

কাস্টমস কার্গো মাল বের করার সময় যার মাল তার থেকে অনেক টাকা দাবি করে এবং টাকা না দিলে কিছুতেই মাল বের হতে দেয় না তারপর টাকা নিয়ে মাল বের হতে দেয়

ঘুষ দিইনি
ঢাকা ৳১.০০ লাখ
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

পুলিশ ভেরিফিকেশন

সরকারি চাকুরি যোগদানের সময় পুলিশ ভেরিফিকেশন হয় সেখানে রংপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকেএকজন প্রতি আসে এবং পুলিশ পরিবেশন এর জন্য পাঁচ হাজার টাকা দাবি করে । অনেক অনুরোধ করা সত্ত্বেও উনি তার দাবিতে অটল থাকেন।টাকা দিলে না চাইলে তিনি একপর্যায়ে চলে যেতে চান ভেরিফিকেশন ছাড়াই। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে ৫০০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
রংপুর ৳৫.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

ঢাকা ওয়াসার ভূতুরে বিল

আমার বাবা জীবিত থাকা কালীন আমার বাসা এবং মার্কেটের পানির বিল প্রতিমাসে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। আমি দায়িত্ব নেয়ার পরে বিল আসা শুরু করে ৬ লক্ষ টাকা প্রতি মাসে। ফলে বকেয়া হয়ে যায় ২ মাসের। আমি অসহায় হয়ে ইন্সপেক্টরের দারস্ত হলে সে আমাকে কন্টাকে আসতে বলে। প্রতি মাসে ৫০ হাজার দিতে হবে বিল দিতে হবে ৪ লক্ষ টাকা করে আমি রাজি হই।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳৫০.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

বাংলাদেশ দূতাবাস মাস্কাট

আমি ই-পাসপোর্ট করেছি। পাসপোর্ট তৈরি হওয়ার পরে ওমান পোস্ট এ ডেলিভারীর জন্য আবেক্সন করি। দূতাভাস আমার পাসপোর্ট ডেলিভারী না করেই ইস্যুড দিয়ে দিয়েচগে। পরবর্তীতে কএক নাস অপেক্ষা করেও পাই বি। এরপরে দূতাবাসে সরাসরি গেলে বলা হয় ২০ রিয়াল দিন পাসপোর্ট পেয়ে যাবেন। এরপর আমি ২০ ওমানি রিয়াল ব্যাক্তিগত ভাবে দিলে ১০ মিনিট এর মধেই আমার ই-পাসপোর্ট ডেলিভারী পেয়ে যাই

ঘুষ দিয়েছি
মাস্কাট, ওমান ৳৭.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশন

চারির ভেরিফিকেশন এ এসে খরচের টাকা চাইছে, চাকরির ব্যাপার হওয়ার জন্য দিয়ে দিয়েছি। এটাই আমার জীবনের প্রথম কাউকে ঘুষ দেয়া।

ঘুষ দিয়েছি
বরগুনা ৳৫.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর ভেরিফিকেশন।

পুলিশ ভেরিফিকেশন দরকার বিদেশ যেতে হলে। বুলগেরিয়া যেতে হবে।তাই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এ একটা আবেদন করি।সরকারি ফি ১৫০০ টাকা। এখন পুলিশ ভেরিফিকেশন এ গিয়ে পুলিশ এর অফিসার ইনচার্জ টাকা ছাড়া ভেরিফাই করবে না।চা নাস্তা খাওয়ার জন্য টাকা চাচ্ছে। পরে কথা বার্তা বলে ২০০০ এ মানছে। আবার আগষ্ট ২০২৬ এ ইন্ডিয়ায় মেডিকেল টেস্ট এর জন্য যাবো। তাই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দরকার। এখন আবার সেইম প্রসেস এর জন্য টাকা চাচ্ছে ৫০০০. নাহলে ভেরিফিকেশন দিবে না। পরে এক পরিচিত পুলিশ ভাইয়ের সংগে গেছি। উনি কথা বলার পরে অফিসার ইনচার্জ ২০০০ টাকা নিয়েছে। তাহলে আমাদের দেশে কি পরিমাণ এ ভোগান্তি পোহাতে হয় আমাদেরকে।

ঘুষ দিয়েছি
মডার্ন মোড়, তাজহাট,রংপুর ৳৪.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

নারায়ণগঞ্জ এজি অফিসের হিসাব রক্ষক সরকারি শিক্ষকদের বকেয়া টাকা দেওয়ার জন্যে ৫% দাবি,নয় বিল করবে না।

নারায়ণগঞ্জে দুটি সরকারি মাধ্যমিক স্কুল রয়েছে সে স্কুলের ২৫ জনের মত শিক্ষকে ইনক্রিমেন্টের বকেয়া টাকার জন্য পে ফিকজেশন ও টাকার বিল করে দিবে, নারায়ণগঞ্জ এজি অফিস আর সে জন্যে জন প্রতি ৫% টাকা দাবি করছে। এ ক্ষেত্রে কারো টাকা কারো কারো টাকা পরে ১৫০০০/ কারো ১০০০০/ কারো ৫০০০/ এমন হিসাব আসে। এতে জন শিক্ষকের কত গুলো টাকা তাদের দিতে হচ্ছে। আর এটা না দিলে কাজ করে দিবে না। এ টাকা আর তুলতে পারবে না। সর্ব নিম্ন টাকার পরিমাণ আনুমানিক ২ লক্ষ টাকা।

ঘুষ দিইনি
নারায়ণগঞ্জ ৳২০.০০ লাখ
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

পেনশনের বকেয়া টাকা

আমার বাবা ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে চাকরি করতেন। চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর তাঁর পেনশনের বকেয়া টাকা পাওনা ছিল, যার পরিমাণ আনুমানিক ১ লাখ টাকা। এই বকেয়া টাকা তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যোগ করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ৫,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়। বকেয়া পেনশনের টাকা পাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য শেষ পর্যন্ত ৫,০০০ টাকা দিতে বাধ্য হতে হয়।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৫.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

থানায় সার্টিফিকেট হারানো নিয়ে জিডি করা

আগেই বলে নেই ২০১৮-১৯ এর ঘটনা। তাই এটা লেখা যাবে কিনা জানিনা। আর এখনও এরকম টাকা নেয় কিনা জানি না। থাকলে ভুক্তভোগীদের অনুরোধ রইলো লেখার জন্য। একটা সার্টিফিকেট হারানো গিয়েছিলো এজন্য জিডি করতে গিয়েছিলাম। এপ্লিকেশন ও নিজের লেখা। তারা শুধু সিল দিয়ে একটা নাম্বার দিবে সেটা দিতে যেয়ে বলে চা খাওয়ার জন্য টাকা দেন। একজন মহিলা পুলিশ ছিলেন। আমি ৫০/- দেই। দিয়ে কাগজ নিয়ে আসি।

ঘুষ দিয়েছি
বরিশাল সদর ৳৫০
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

শিক্ষা ও প্রকৌশলী মন্ত্রনালয়, ঢ্রেড

লটারি মাধ্যমে কাজ বা ট্রেড পাওয়ার পড় প্রতিবার বিল নিতে গেলে বিল আটকায় রাখে যদি ঘুস না দেওয়া হয়

শুধু দাবি করেছে
ঢাকা ৳১০.০০ লাখ
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করার পর এইটা যখন মনোহরদী থানায় যায় তখন থানার এক অফিসার ফোন দিয়ে এটার জন্য দুই হাজার টাকা চায়।এবং এইটা নাকি খরচ এইটা দিতে হবে । তারপর একটা বিকাশ এজেন্ট নাম্বারে ক্যাশআউট করি ।

ঘুষ দিয়েছি
Narsingdi ৳২.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

অবসরকালীন অর্থ

My mother has retired from govt. Primary school as a headmistress. After 1 year LPR period, she submitted all her documents to get the one time money. The person who usually approves documents asked for 15k money to be approved and my mother paid 11k in order to avoid unnecessary troubles and delay.

ঘুষ দিয়েছি
সোনাগাজী ৳১৫.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

Registration Card

আমি পরিক্ষার জন্য রেজিস্ট্রেশন কার্ড নেইনি , সেটা নিয়ে গিয়েছিলাম , তখন সেখানকার স্টাফ আমার কাছে চা খাওয়া টাকা দাবি করে , পরে আমার বন্ধুর কাছে খুচরো টাকা ছিলো তখন সে ২০ টাকা দেয় ।

ঘুষ দিয়েছি
Gaibandha ৳২০
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

For FD-6 Budget Approval

NGO ব্যুরোতে FD-6 বাজেট এপ্রোবালের জন্য জমা দেই জুন মাসের শেষের দিকে কিন্তু সে এপ্রোব হবে হবে বলে আমাকে ভারাচ্ছেন, মাঝে মাঝে বলেন মিনিস্ট্রি থেকে এখনো পাশ হয়নি। তবে গতকাল ২৩/০৮/২০২৬ ইং তারিখে আমি কল দিয়ে খবর নিলে উনি বললেন দুই এক দিনের ভিতরে পাশ হবে আর আমি খুশি হয়ে উনাকে কিছু বকশিশ দিব কিনা তখন আমি বলি দেশের বাহিরের সংস্থা তাই ওনারা এগুলা দিতে অভ্যস্ত নন এবং আমি দিতে পারবো কিনা বলিনি। তবে সে কোন টাকার পরিমাণ বলে নাই। রিপোর্ট জমা হচ্ছে না তাই টাকা উল্লেখ করা হয়েছে

ঘুষ দিইনি
Dhaka ৳২.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য