এন আইডি
এন আইডি ভুল সংশোধন করতে ৫০.০০০পঞাশ হাজার টাকা ঘুষ দিয়েছি ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এন আইডি ভুল সংশোধন করতে ৫০.০০০পঞাশ হাজার টাকা ঘুষ দিয়েছি ।
আমার ফোন হারিয়ে যাওয়ায় আমি একটি জিডি করি। তারপর ফোন পাওয়া গেলে, একটা নাম্বার থেকে কল দিয়ে টাকা চাওয়া হয়। থানায় ফোন আনতে গিয়ে দেখি, ফোন করা ব্যক্তি টি একজন পুলিশ ওই থানার। টাকা নেয়,তারপর ফোন হস্তান্তর করে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের সকল স্টেশনে ১১০০ টাকা হতে শুরু করে ৩০০০০ টাকা পর্যন্ত,, কেরোসিন তেলের ভাউচার দিয়ে টাকা নেয় অথচ কেরোসিন তেল বাবদ কোন খরচ নাই,, রেলের লস হয় এসব কারনে। দেখার কেউ নেই,, কেন একজন স্টেশন মাস্টার ২০ বা ৩০ হাজার টাকা প্রতি মাসে নিজের পকেটে নিবে।??
আমি আমার মেয়ের জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে দায়িত্বরত একজন ৩০০ টাকা দাবি করে যা দিতে রাজি হই নি, যার জন্য জন্মনিবন্ধ করে দেয় নি
৮ লক্ষ টাকার ফিক্সড ডিপোজিট, ৬ বছর পরে টাকা গুলা ওঠানোর সময় ২ হাজার দাবি করে,১০০০টাকা দিয়ে বাধ্য চলে আসি
আমার জন্ম নিবন্ধন ভুল লিপিবদ্ধ হয়েছিল সেটি কারেকশন করার জন্য চেয়ারম্যান অফিসে যাই কিন্তু অফিসের সচিব মহোদয় বলেন এটা কারেকশন হবে না ১৫ হাজার টাকা দিলে কারেকশন হবে এটা অনলাইন খরচ আমি তা প্রত্যাখ্যান করি এভাবে প্রতিদিন হাজারো মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে সচিব এর সাথে চেয়ারম্যান ও তথ্য সেবা কেন্দ্র জড়িত এবং এলাকার যারা রাজনীতিবিদ তারাও জড়িত তাদেরকে এর থেকে ভাগ দেওয়া হয়।
আমার মা এবং বাবার বয়স্ক ভাতা কার্ড করার জন্য আমি ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে অনলাইন আবেদন করি পরবর্তী আমি খোঁজখবর নিতে গেলাম আমার মা-বাবার বয়স্ক ভাতা কার্ড হয়েছে কিনা পরবর্তী একজন ওয়ার্ড মেম্বার ওয়ার্ড মহিলা বললো দুইজনের ১২ হাজার টাকা দিলে বয়স্ক ভাতা কার্ড হবে টাকা না দিলে কার্ড হবে না এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে আমি একজন কৃষকের ছেলে খুবই দরিদ্র ১২ হাজার টাকা আমি কিভাবে জোগাড় করে দিবো সরকার তো বয়স্ক ভাতা কার্ড ফ্রি করে দেয় তাহলে কেন এই দুর্নীতি করতেছে আমি এর বিচার চাই
মামলার সমন নোটিস বিবাদী বরাবর পৌঁছে দেওয়া। টাকা না দেওয়ায় ২১ দিন আমাকে ঘুরিয়েছে। পরে টাকা দিতে হইছে।
আমি জমি সংক্রান্ত কাজে গিয়েছিলাম সে ৫০০ টাকা দাবি করেছিল পরে দেয়নি বলে কাজটি করে দেয়নি
আমার স্ত্রী প্রাইমারী সহকারী শিক্ষক এর পুলিশ ভেরিফিকেশন এর সময় ৩০০০ টাকা দাবী করে। আমি টাকা না দিলে ফাইলে কোন সমস্যা হলে ওনি দায়ভার নিবে না বলে দিয়েছে।এবং ফ্যাসিস্ট এর সাথে সম্পৃক্ত থাকলে চাকরি চলে যাওয়ার হুমকি দেয়।
আমি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় প্রতিবন্ধী কোটা দেই। পরবর্তীতে প্রতিবন্ধী সনদ আনতে উপজেলা সমাজসেবা অফিসে গেলে ১ মাস আমাকে শুধু তারিখ দিয়ে ঘোরাই। তারপর একদিন আমাকে কিছু খরচ দিতে বলে কাজটা করে দেই, তখন আমি বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দেই এবং পরের দিনই সনদ পেয়ে যাই।
আমার থেকে ১০০০০ টাকা নিছে একটা প্রিপেইড মিটার নামানোর জন্য একটা মিটার নামাযে কি ১০ হাজার টাকা লাগে
আমি একটা জায়গা রেখেছিলাম আরেকজনের পাশে।সবকিছু ঠিকঠাক ছিলো।কাগজ,নামজারি, দলিল সবকিছু টিক ছিলো।জায়গা বাড়ি বানানোর জন্য মাটি দিয়ে ভরাট করতে ছিলাম।তখন পাশের জমির মালিক নিষেধ করে। পরে থানায় গিয়ে অভিযোগ করে।পরে থানার অফিসারের সাথে দেখা করলাম। আমার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করে।আমার জায়গা, আমি সবকিছু করতেছি অথচ অন্যজনের বাধা।তাকে কিছু না বলে আমার কাছে টাকা চায়।কারন টাকা দিলে আমি আমার জায়গায় মাটি ভরাট করতে পারবো।বিরুধী পক্ষ ছিলো টাকা ওয়ালা। এই নিয়ে আমার উপর ১০ টা মামলা করছে আদালতে এখনো ও আছে।কিন্তু আমি আমার জায়গায় এখনো আছি।কষ্ট একটাই কি একটা দেশে বাস করি উচিত বিচার নাই।অন্যায় ভাবে মিথ্যা মামলা করে আমার অনেক ক্ষতি করতাছে।সমাজে অনেকের ধারে ধারে কেউ সঠিক বিচার করে না।আরো বলে জায়গা ছেড়ে দেওয়ার জন্য।আহা
আমার বাড়ীর বিদ্যুৎ বিলের নামের বানানে একটা বানান সমস্যা ছিলো এজন্য ২০০০ টাকা দাবি করেছে।
মাদকদ্রব্য অফিসে একটি ক্লিনিক এর জন্য লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম সেখানে লাইসেন্স করার জন্য এক লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা দিতে হয়েছিল।
আমি গত ১৭ ই জুন আবার ২৮ জুন জন্য টিকেট এর তারিখ পরিবর্তন করি, অনেক বছর আগে টিকিট চেঞ্জ করছিলাম, কিন্তু কাউন্টারে কখনো টাকা নিতো না। সব সময় নগদ ক্যাশ কাউন্টারে টাকা নিতো। এবং রিসিট দিত। এইবার ১৫ এবং ১০ জুন আমি দুইবার টিকেট চেঞ্জ করছি দু বার ই ক্যাশ কাউন্টারে নয় যে টিকিট চেঞ্জ করছে তাই সেই টাকা গ্রহণ করছে, এবং আমাকে কোন রিসিট পেপার দেয় নাই। টাকার পরিমান ৩০০০+৩০০০ টাকা
অভিযোগের বিবরণ সৌদি আরবে যাওয়ার জন্য আমি সিলেটের JBI Medical, উপশহর-এ মেডিকেল পরীক্ষা করাই এবং এর জন্য ৮,৫০০ টাকা প্রদান করি। মেডিকেল পরীক্ষার পর আমাকে বলা হয় যে, আমার বুকের এক্স-রে/রিপোর্টে দাগ দেখা গেছে এবং আমাকে Unfit করা হয়েছে। একই সঙ্গে আমাকে ৩ দিনের সময় দিয়ে আবার সেখানে এসে পরীক্ষা দেওয়ার কথা বলা হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য আমি সিলেটের Ibn Sina Hospital-এ পরীক্ষা করাই। সেখানে পরীক্ষা করে জানতে পারি যে আমার রিপোর্ট ভালো আছে এবং কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। এরপর Travel-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও কয়েকজন ব্যক্তি আমাকে জানান যে, এভাবে ৩ দিনের সময় দেওয়া হলে অতিরিক্ত প্রায় ১৮,০০০ টাকা দিতে হয়—এমন অভিযোগ তারা আগে থেকেও শুনেছেন। তিন দিন পর আমি Travel-এর মাধ্যমে ওই অতিরিক্ত টাকা প্রদান কর
🚨 শাহজাদপুর থানার রাতের টহলে সিএনজি ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন শাহজাদপুর থানায় দীর্ঘদিন ধরে রাতের নাইট ডিউটি, নাইট পেট্রোলিং এবং আসামি ধরাসহ বিভিন্ন সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য স্থানীয়ভাবে প্রায় ৪টি সিএনজি/অটোরিকশা ব্যবহার করা হয়—এমন অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সিএনজি চালকদের দাবি, এসব গাড়ি রাতের বেলায় থানার সরকারি কাজে ব্যবহার করা হলেও গাড়ি ভাড়া, জ্বালানি খরচ কিংবা চালকদের জন্য কোনো পৃথক অর্থ প্রদান করা হয় না। ফলে দীর্ঘদিন ধরে তারা নিজেদের গাড়ি ও জ্বালানি ব্যবহার করে সরকারি দায়িত্ব পালনে সহায়তা করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সিএনজি চালকরা থানায় একাধিকবার কথা বললেও তারা সুনির্দিষ্ট ও স্থায়ী কোনো সমাধান বা পরিষ্কার ব্যাখ্যা পাননি বলে দাবি করছেন। প্রশ্ন— 👉 সরকারি দায়িত্ব
আমার স্থায়ী ঠিকানা সিরাজগঞ্জে একটি উপজেলায়। নরসিংদীতে চাকরির সুবাদে নরসিংদী পাসপোর্ট অফিস পাসপোর্ট করার জন্য সব পেপার জমা জমা দেওয়ার জন্য নরসিংদী পাসপোর্ট অফিসে গেলে আমি বিকাশে পেমেন্ট করার দায়ে আমাকে শাস্তি স্বরূপ পরবর্তী সপ্তাহে আবার যাওয়ার জন্য বলে এভাবে আমাকে চার সপ্তাহে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরে যতটুকু বুঝতে পারলাম আমি নিজে নিজে ফাইল প্রসেসিং করার জন্য আমাকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। যাই হোক, পরবর্তীতে কাল জমা করে বায়োমেট্রিক দেওয়া হলে আমার নিজ উপজেলায় স্থায়ী ঠিকানা ভেরিফিকেশনের জন্য যে পুলিশ অফিসার আসেন উনি আমাকে ফোন করে বলেন আপনি কোথায় আছেন আমি বলে আমি নরসিংদী থাকি পরে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার আমাকে বলেন আপনি আমাকে খরচ দিতে হবে আমি সিরাজগঞ্জ থেকে এসেছি। আমি তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্য
আসসালামু আলাইকুম আমি একজন সেবা গ্রহীতা হিসাবে ডিসি অফিসের রাজস্ব শাখায় দুইটি পাওয়ার অফ এটুনি সার্টিফাইয়ের জন্য আবেদন করেছিলাম যেটাকে বাংলায় জাবেদা নকল বলে সেই নকলের কপি তুলতে গিয়ে আজকে তিন মাস এখন পর্যন্ত তাদের দাবি কৃত ঘুষের টাকা না দেওয়াতে আমার নতি পাওয়া যাচ্ছে না বলে বারবার ফিরিয়ে দিচ্ছে যখন আমি টাকা দিতে রাজি হলাম এবং দিলাম এরপরের দিনই নতি পাওয়া যায় এখন জবেদা নকল তৈরি হচ্ছে এই হল ডিসি অফিসের রেকর্ড রুমের বর্তমান অবস্থা।